_id
stringlengths 17
22
| url
stringlengths 42
314
| title
stringlengths 2
36
| text
stringlengths 100
5.1k
| score
float64 0.5
1
| views
float64 23
11.1k
|
---|---|---|---|---|---|
20231101.bn_766466_2
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
|
পটাশিয়াম
|
পটাশিয়াম আয়ন সমস্ত জীবন্ত কোষের কার্যকারিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। স্নায়ু কোষের ঝিল্লি জুড়ে পটাসিয়াম আয়নগুলির স্থানান্তর স্বাভাবিক স্নায়বিক গতির জন্য প্রয়োজনীয়। পটাসিয়ামের ঘাটতি এবং আধিক্য দুটিই অসংখ্য লক্ষণ সৃষ্টি করে, যেমন:- হার্টের ছন্দের অস্বাভাবিকতা এবং বিভিন্ন ইলেকট্রোকার্ডিওগ্রাফিক অস্বাভাবিকতা ইত্যাদি। টাটকা ফল এবং শাকসব্জী পটাসিয়ামের ভাল খাদ্যতালিকাগত উৎস। বাইরে থেকে ভিতরে কোষে পটাসিয়াম স্থানান্তরিত করার মাধ্যমে এবং কিডনির দ্বারা পটাসিয়াম নির্গমন বৃদ্ধি করার মাধ্যমে সিরাম পটাসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে শরীর খাদ্যতালিকাগত পটাসিয়ামের আগমনে প্রতিক্রিয়া জানায়।
| 0.5 | 1,709.475293 |
20231101.bn_766466_3
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
|
পটাশিয়াম
|
পটাসিয়ামের বেশিরভাগ শিল্প প্রয়োগ হলো পটাশিয়াম যৌগের জলে উচ্চ দ্রবণীয়তা ধর্মকে কাজে লাগানো যেমন পটাসিয়াম সাবান। ভারী ফসলের উৎপাদনে মাটিতে পটাসিয়ামের দ্রুত হ্রাস ঘটে এবং এটি পটাসিয়ামযুক্ত কৃষি সারের মাধ্যমে প্রতিকার করা যেতে পারে, যা বিশ্বব্যাপী পটাসিয়াম রাসায়নিক উৎপাদনের 95% অংশ দখল করে।
| 0.5 | 1,709.475293 |
20231101.bn_766466_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
|
পটাশিয়াম
|
পটাসিয়ামের ইংরেজি নাম আসে ”পটাশ " শব্দটি থেকে, যা বিভিন্ন পটাসিয়াম লবণ আহরণের একটি প্রাথমিক পদ্ধতি বোঝায় যা একটি পাত্রে পোড়া কাঠ বা গাছের পাতার ছাই ও পানি নিয়ে তাপ দিলে দ্রবন উবে গেলে পাওয়া যায়। 1807 সালে যখন হাম্ফ্রি ডেভি প্রথম তড়িৎ বিশ্লেষণ ব্যবহার করে বিশুদ্ধ উপাদানকে বিচ্ছিন্ন করেছিলেন, তখন তিনি এর নাম পটাসিয়াম রেখেছিলেন, যা তিনি পটাশ শব্দটি থেকে উদ্ভূত করেছিলেন।
| 0.5 | 1,709.475293 |
20231101.bn_766466_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
|
পটাশিয়াম
|
প্রতীক "কে" মূল শব্দ কালি থেকে বিস্তৃত হয়, যেটা ঘুরে ফিরে আসে ”আল-ক্যালিয়াহ " “উদ্ভিদ ছাই"। ১৭৯৭ সালে জার্মান রসায়নবিদ মার্টিন ক্লাপ্রথ <b>leucite</b> এবং <b>lepidolite</b> খনিজ থেকে "পটাশ" আবিষ্কার করেন , এবং বুঝতে পারেন যে "পটাশ" উদ্ভিদ বৃদ্ধির একটি পণ্য ছিল না কিন্তু এটি একটি নতুন উপাদান যা দ্বারা তিনি কালি কল করার প্রস্তাব করেছিলেন। ১৮০৭ সালে হামফ্রি ডেভি তড়িৎ বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপাদানটি তৈরি করেছিলেন: ১৮০৯ সালে লুডভিগ উইলহেলম গিলবার্ট ডেভির "পটাসিয়াম" এর জন্য কালিয়াম নামটি প্রস্তাব করেছিলেন। ১৮১৪ সালে সুইডিশ রসায়নবিদ বার্জলিয়াস পটাসিয়ামের জন্য kalium নাম ও রাসায়নিক প্রতীক "কে" দান করেন।
| 1 | 1,709.475293 |
20231101.bn_766466_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
|
পটাশিয়াম
|
পটাসিয়াম লিথিয়ামের পরে দ্বিতীয় সর্বনিম্ন ঘন ধাতু। এটি নিম্ন গলনাঙ্ক বিশিষ্ট্য একটি নরম কঠিন ধাতু, এবং সহজেই এটিকে ছুরি দিয়ে কাটা যায়। টাটকা কাটা পটাসিয়াম হলো রূপালী বর্ণের, তবে এটি বাতাসের সংস্পর্শে আসার সাথে সাথে ধূসর রঙের দিকে বিবর্ণ হতে শুরু করে। শিখা পরীক্ষায়, পটাসিয়াম এবং এর যৌগগুলি ৭৬৬.৫ ন্যানোমিটারের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ফ্যাকাশে বেগুনী বর্ণের শিখা দেয়।
| 0.5 | 1,709.475293 |
20231101.bn_766466_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
|
পটাশিয়াম
|
নিরপেক্ষ পটাসিয়াম পরমাণুগুলিতে 19 টি ইলেক্ট্রন রয়েছে, যা নিষ্ক্রীয় গ্যাস আর্গনের অত্যন্ত স্থিতিশীল ইলেক্ট্রনীয় অবস্থার চেয়ে একটি বেশি । এর কারণে এবং এর নিম্নতম আয়নায়ন শক্তিটি ৪১৮.৮ কিলোজুল / মোল, পটাসিয়াম পরমাণু শেষ পাওয়ার ইলেকট্রনটি হারিয়ে যাওয়ার এবং একটি নেগেটিভ চার্জ অর্জনের চেয়ে পজিটিভ চার্জ অর্জন করার সম্ভাবনা অনেক বেশি (যদিও নেগেটিভভাবে চার্জযুক্ত অ্যালকালাইড আয়নগুলি অসম্ভব নয়)। এই প্রক্রিয়াটির এত কম শক্তি প্রয়োজন যে পটাসিয়াম সহজেই বায়ুমণ্ডলীয় অক্সিজেন দ্বারা জারিত হয়। বিপরীতে, দ্বিতীয় আয়নায়ন শক্তি খুব বেশি (৩০৫২) কিলোজুল / মোল), কারণ দুটি ইলেক্ট্রন অপসারণের জন্য স্থিতিশীল নিষ্ক্রীয় গ্যাসের ইলেক্ট্রনীয় অবস্থা (আর্গনের কনফিগারেশন) ভঙ্গ করে। অতএব পটাসিয়াম +2 বা ততোধিক জারিত অবস্থার যৌগ তৈরি করে না।
| 0.5 | 1,709.475293 |
20231101.bn_766466_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
|
পটাশিয়াম
|
পটাশিয়ামের একমাত্র সাধারণ জারণ অবস্থা +1। পটাসিয়াম ধাতু একটি শক্তিশালী হ্রাসকারী এজেন্ট যা সহজেই এককধনাত্বক হিসেবে জারিত হয় । একবার জারিত হয়ে গেলে এটি খুব স্থিতিশীল হয় এবং আগের ধাতু অবস্থায় ফেরানো কঠিন।
| 0.5 | 1,709.475293 |
20231101.bn_766466_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
|
পটাশিয়াম
|
পটাশিয়ামের 25 টি পরিচিত আইসোটোপ রয়েছে যার মধ্যে তিনটি প্রাকৃতিকভাবে ঘটে: </br> (93.3%), </br> (0.0117%), এবং </br> (6.7%) স্বাভাবিকভাবেই ঘটছে </br> এর 1.250 × 10 9 বছর অর্ধেক জীবন রয়েছে। এটি স্থিতিশীল হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় </br> ইলেকট্রন ক্যাপচার বা পজিট্রন নিঃসরণ (11.2%) বা স্থিতিশীল </br> বিটা ক্ষয় দ্বারা (88.8%)। ক্ষয় </br> থেকে </br> ডেটিংয়ের একটি সাধারণ পদ্ধতির ভিত্তি। প্রচলিত কে-আর ডেটিং পদ্ধতি এই ধারণার উপর নির্ভর করে যে শিলাগুলি গঠনের সময় কোনও আর্গন ছিল না এবং পরবর্তী সমস্ত রেডিওজেনিক আর্গোন ( </br> ) পরিমাণগতভাবে ধরে রাখা হয়েছিল। খনিজগুলি পটাসিয়ামের ঘনত্ব এবং রেডিওজেনিক পরিমাণের পরিমাপ দ্বারা নির্ধারিত হয় </br> যে জমেছে। ডেটিংয়ের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত খনিজগুলির মধ্যে রয়েছে বায়োটাইট, মাস্কোভাইট, রূপান্তরিত শিংযুক্ত পাথর এবং আগ্নেয়গিরি ফিল্ডস্পার ; আগ্নেয়গিরির প্রবাহ এবং অগভীর ইনস্ট্রসাইভগুলি থেকে সম্পূর্ণ শিলা নমুনাগুলি যদি তারা আনল্যাটারড না থাকে তবে তারিখগুলিও দেওয়া যেতে পারে। ডেটিং ছাড়াও পটাসিয়াম আইসোটোপগুলি আবহাওয়ার গবেষণা এবং পুষ্টিকর সাইক্লিং অধ্যয়নের জন্য ট্রেসার হিসাবে ব্যবহার করা হয় কারণ পটাসিয়াম জীবনের জন্য প্রয়োজনীয় একটি ম্যাক্রোনাট্রিয়েন্ট ।
| 0.5 | 1,709.475293 |
20231101.bn_403910_0
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95
|
ফারুক
|
আকবর হোসেন পাঠান দুলু (১৮ আগস্ট ১৯৪৮ – ১৫ মে ২০২৩) যিনি ফারুক নামে অধিক পরিচিত ছিলেন একজন বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, প্রযোজক, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ। ১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত জলছবি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। তিনি লাঠিয়াল (১৯৭৫) চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। তিনি আলোর মিছিল, সুজন সখী, নয়নমনি, সারেং বৌ, গোলাপী এখন ট্রেনে, দিন যায় কথা থাকে, নাগরদোলা, সাহেব, মিয়া ভাই-সহ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
| 0.5 | 1,705.05996 |
20231101.bn_403910_1
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95
|
ফারুক
|
তিনি ২০০৬ সালে বাচসাস পুরস্কারে চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব হিসেবে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার এবং ২০১৬ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে আজীবন সম্মাননা পুরস্কার অর্জন করেন।
| 0.5 | 1,705.05996 |
20231101.bn_403910_2
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95
|
ফারুক
|
তরুণ বয়স থেকেই তিনি রাজনীতির সাথে যুক্ত ছিলেন এবং ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
| 0.5 | 1,705.05996 |
20231101.bn_403910_3
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95
|
ফারুক
|
ফারুক ১৮ আগস্ট ১৯৪৮ সালে কালীগঞ্জ উপজেলা, গাজীপুর জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা আজগার হোসেন পাঠান। তার শৈশব-কৈশোর ও যৌবনকাল কেটেছে পুরান ঢাকায়। পাঁচ বোন ও দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট।
| 0.5 | 1,705.05996 |
20231101.bn_403910_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95
|
ফারুক
|
ফারুক ১৯৭১ সালে এইচ আকবর পরিচালিত জলছবি চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে আগমন করেন। তার বিপরীতে নায়িকা হিসেবে কবরী অভিনয় করেন। তিনি ১৯৭৩ সালে খান আতাউর রহমান পরিচালিত আবার তোরা মানুষ হ ও ১৯৭৪ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতা পরিচালিত আলোর মিছিল দুটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্রে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেন। ১৯৭৫ সালে গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত সুজন সখী ও লাঠিয়াল চলচ্চিত্র দুটি ব্যবসাসফল ও আলোচিত হয়। লাঠিয়াল চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতা বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। পরের বছর তিনি ১৯৭৬ সালে মুক্তি পায় তার অভিনীত তিনটি ছায়াছবি সূর্যগ্রহণ, মাটির মায়া ও নয়নমনি। চলচ্চিত্র তিনটি বিভিন্ন বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে। ১৯৭৮ সালে শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত কালজয়ী উপন্যাস সারেং বৌ অবলম্বনে নির্মিত সারেং বৌ ও আমজাদ হোসেন পরিচালিত গোলাপী এখন ট্রেনে চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। চলচ্চিত্র দুটি নারীকেন্দ্রিক হলেও তার অভিনয় সমালোচকদের প্রশংসা অর্জন করে। ১৯৭৯ সালে তার অভিনীত দিন যায় কথা থাকে, নাগরদোলা, কথা দিলাম, মাটির পুতুল, সাহেব, ছোট মা, এতিম, ঘরজামাই চলচ্চিত্রগুলো ব্যবসাসফল হয়। ১৯৮০ সালে সখী তুমি কার ছায়াছবিতে শাবানার বিপরীতে শহুরে ধনী যুবকের চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের প্রশংসা লাভ করেন। ১৯৯০ সালে মিয়া ভাই চলচ্চিত্রের সাফল্যের পর তিনি চলচ্চিত্রাঙ্গনে "মিয়া ভাই" হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
| 1 | 1,705.05996 |
20231101.bn_403910_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95
|
ফারুক
|
চলচ্চিত্রের বাইরে ফারুক ছিলেন একজন ব্যবসায়ী। তিনি গাজীপুরে অবস্থিত নিজের শিল্প প্রতিষ্ঠান ফারুক নিটিং ডাইং এন্ড ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন।
| 0.5 | 1,705.05996 |
20231101.bn_403910_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95
|
ফারুক
|
ফারুক স্কুল জীবন থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত হন। ১৯৬৬ সালে তিনি ছয় দফা আন্দোলনে যোগ দেন এবং এ সময়ে তার নামে প্রায় ৩৭টি মামলা দায়ের করা হয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। ফারুক ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ বাংলাদেশের সাধারণ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ সংসদীয় আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেব নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
| 0.5 | 1,705.05996 |
20231101.bn_403910_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95
|
ফারুক
|
ফারুক ফারজানা পাঠানকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। তাদের দুটি সন্তান হয়। কন্যা ফারিহা তাবাসসুম পাঠান ও পুত্র রওশন হোসেন। উত্তরায় নিজ বাসভবনে ফারুক বাস করে আসছিলেন।
| 0.5 | 1,705.05996 |
20231101.bn_403910_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%95
|
ফারুক
|
২০১২ সালের জুলাইয়ে নায়ক ফারুক এক মাস ধরে ব্যাংককের বামরুনগ্রাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। ফারুক দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত রোগে ভুগছিলেন। উন্নত চিকিৎসার জন্য ২০১৩ সালের ৩০শে আগস্ট সিঙ্গাপুরে যান ও সেখানকার মাউন্ট এলিজাবেথ হসপিটালে ভর্তি হন। চিকিৎসা শেষে ২০১৪ সালের ৭ই জানুয়ারি তিনি দেশে ফিরে আসেন। ২০২০ সালের ১৮ আগস্ট আবার তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। ভীষণ জ্বর নিয়ে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি হন।
| 0.5 | 1,705.05996 |
20231101.bn_247326_1
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
তন্ত্র
|
তন্ত্র পরম্পরাগত মাধ্যমে যুক্ত একটি আগমশাস্ত্র। ভারতীয় পরম্পরায়, যে কোনো ব্যবস্থিত গ্রন্থ, সিদ্ধান্ত, বিধি, উপকরণ, কলাকৌশল বা কার্যপ্রণালীকেও তন্ত্র বলা হয়।
| 0.5 | 1,704.808434 |
20231101.bn_247326_2
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
তন্ত্র
|
হিন্দু ঐতিহ্যে, তন্ত্র প্রধানত শাক্ত সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত, তারপর শৈব সম্প্রদায়, ও কিছু ক্ষেত্রে বৈষ্ণব পরম্পরার সাথেও সম্পৃক্ত। শৈব পরম্পরায় তন্ত্র গ্রন্থের বক্তা সাধারণত মহাদেব শিব, যেখানে তিনি দেবী পার্বতীর তন্ত্রসম্বন্ধীয় প্রশ্নের বিধিগত উপদেশমূলক উত্তর প্রদান করেন। বৌদ্ধধর্মের বজ্রযান সম্প্রদায় তাঁদের তন্ত্র-সম্বন্ধিত নীতি, কর্মপদ্ধতি ও সাহিত্যের জন্য প্রসিদ্ধ।
| 0.5 | 1,704.808434 |
20231101.bn_247326_3
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
তন্ত্র
|
তন্ত্রশাস্ত্রকে উত্তর-বৈদিক যুগের রচনা বলে মনে করা হয়, যার বিকাশলাভ প্রথম সহস্রাব্দের মধ্যভাগের কাছাকাছি সময়ে ঘটেছিল। সাহিত্যরূপে যেভাবে পুরাণ গ্রন্থকে মধ্যযুগীয় দার্শনিক-ধার্মিক রচনা হিসাবে মান্য করা হয়ে থাকে, সেভাবেই তন্ত্রশাস্ত্রে প্রাচীন আখ্যান, কাহিনি ইত্যাদির সমাবেশ রয়েছে। বিষয়বস্তুগত দৃষ্টিতে একে ধর্ম, দর্শন, সৃষ্টিরচনা শাস্ত্র, প্রাচীন বিজ্ঞান ইত্যাদির বিশ্বকোষও বলা যেতে পারে। ইউরোপীয় পণ্ডিতেরা তাঁদের ঔপনিবেশিকতাবাদী উদ্দেশ্যসাধনে তন্ত্রকে 'গুহ্য সাধনা' (esoteric practice) বা 'সাম্প্রদায়িক কার্যকলাপ' আখ্যা দিয়ে দিগভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন।
| 0.5 | 1,704.808434 |
20231101.bn_247326_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
তন্ত্র
|
বস্তুত তন্ত্রগ্রন্থের সংখ্যা সহস্রাধিক, কিন্তু প্রধান-প্রধান তন্ত্র ৬৪টি বলা হয়ে থাকে। তন্ত্রের প্রভাব যে বিশ্বস্তরীয়, তার প্রমাণ হিন্দু, বৌদ্ধ, জৈন, তিব্বতি ইত্যাদি ধর্মের তন্ত্র-সাধনার গ্রন্থসমূহ। ভারতে প্রাচীনকাল থেকেই বঙ্গ, বিহার ও রাজস্থান তন্ত্রের মুখ্যপীঠ ছিল।
| 0.5 | 1,704.808434 |
20231101.bn_247326_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
তন্ত্র
|
ব্যাকরণ শাস্ত্র অনুসারে, 'তন্ত্র' শব্দটি 'তন্' ধাতু নিষ্পন্ন যার অর্থ 'বিস্তার'। শৈব সিদ্ধান্তের 'কায়িক আগম' -এ এর অর্থ দেওয়া হয়েছে — তন্যতে বিস্তার্যতে জ্ঞানম্ অনেন্, ইতি তন্ত্রম্ (সেই শাস্ত্র যার দ্বারা জ্ঞানের বিস্তার করা হয়)। তন্ত্রের নিরুক্তি ‘তন’ (বিস্তার করা) এবং ‘ত্রৈ’ (রক্ষা করা), এই দুই ধাতুর সংযোগে সিদ্ধ হয়। অর্থাৎ, তন্ত্র সামগ্রিকভাবে জ্ঞানের বিস্তার করা ছাড়াও এর ব্যবহারকারীকে 'ত্রাণ' (রক্ষা) -ও করে থাকে।
| 1 | 1,704.808434 |
20231101.bn_247326_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
তন্ত্র
|
বাচস্পতি মিশ্র তাঁর যোগভাষ্যের তত্ববৈশারদী ব্যাখ্যায় 'আগম' শব্দের অর্থ করতে গিয়ে লিখেছেন যে, যার দ্বারা অভ্যুদয় (লৌকিক কল্যাণ) ও নিঃশ্রেয়স (মোক্ষ) -এর উপায় বুদ্ধিগোচর হয়, তাকে 'আগম' বলা হয়।
| 0.5 | 1,704.808434 |
20231101.bn_247326_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
তন্ত্র
|
তন্ত্র বা আগমে ব্যবহারই মুুখ্য; তন্ত্রে ক্রিয়া ও অনুষ্ঠানের প্রতি জোর দেওয়া হয়। তন্ত্রশাস্ত্রের যে সাতটি লক্ষণ রয়েছে, তাতে জ্ঞান, কর্ম ও উপাসনার ব্যবহারিক বা আচরণীয় উপায়ের রূপ বর্ণিত হয়েছে। এই সাতটি লক্ষণ হল:
| 0.5 | 1,704.808434 |
20231101.bn_247326_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
তন্ত্র
|
তন্ত্রের দৃষ্টিতে শরীর প্রধান নিমিত্ত; শরীর ছাড়া চেতনার উচ্চস্তরে পৌঁছানো যায় না। এজন্য তন্ত্রের গূঢ়ার্থ নিজ 'তন' বা দেহের মাধ্যমে আপন আত্মার 'ত্রাণ' বা উদ্ধারও বলা হয়ে থাকে। বাস্তবক্ষেত্রে, তন্ত্রসাধনায় শরীর, মন ও কায়-কলেবরের সূক্ষতম স্তরের সুসমন্বিত ব্যবহার ঘটে। তবে এটি অবশ্যই সত্য যে, তন্ত্রে শরীরকে মন, বুদ্ধি ও চেতনার সমানই প্রাধান্য দেওয়া হয়।
| 0.5 | 1,704.808434 |
20231101.bn_247326_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0
|
তন্ত্র
|
Smith, Frederick M. (2006). The Self Possessed: Deity and Spirit Possession in South Asian Literature. Columbia University Press, USA. .
| 0.5 | 1,704.808434 |
20231101.bn_7654_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8
|
ফসফরাস
|
মূত্রে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ৭০% এবং অর্ধেকেরও বেশি ফসফরাস ও পটাসিয়াম পাওয়া গেছে প্রাচীন অব্যবহৃত জলপ্রপাতগুলোতে।
| 0.5 | 1,704.129784 |
20231101.bn_7654_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8
|
ফসফরাস
|
যৌগসহ ফসফরাসের বেশিরভাগ উৎপাদিত হয় সার হিসেবে ব্যবহার করার জন্য। এই উদ্দেশ্যে ফসফেট আকরিককে ফসফরিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত করা হয়। প্রথমে ফসফেট আকরিককে সালফিউরিক এসিডের সাথে বিক্রিয়া ঘটানো হয়। এভাবে নিচু মানের ফসফরাসের উৎস থেকে সাদা ফসফরাস উৎপাদন করা যায়। তারপর, সাদা ফসফরাসকে ফসফরিক এসিডের সাথে বিক্রিয়া ঘটিয়ে বিশুদ্ধ ফসফরাস উৎপাদন করা হয়। সাদা ফসফরাস থেকে উৎপাদিত ফসফরিক অ্যাসিড ডিটারজেন্ট ও অন্যান্য কাজে ব্যবহারের মূল উৎস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
| 0.5 | 1,704.129784 |
20231101.bn_7654_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8
|
ফসফরাস
|
বর্তমানে, বছরে প্রায় ১,০০০,০০০ টন উপাদানমূলক ফসফরাস উৎপাদিত হয়। ক্যালসিয়াম ফসফেট (ফসফেট রক) বেশিরভাগই খনন করা হয় উত্তর আফ্রিকা ও ফ্লোরিডায়। এটাকে প্রথমে ১২০০-১৫০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপে মৃত্তিকা (যার বেশিরভাগই সিলিকা এবং কোক কার্বনসহ উত্তপ্ত করা হয় ফসফরাসের বাষ্প উৎপাদনের জন্য। একছ বিশেষ ধরনের এক সাদা পাউডার ও পানিগাহে মিশ্রিত করা হয়, যাতে বায়ুর সাথে কোনো বিক্রিয়া না ঘটতে পারে। এমনকি পানির নিচেও শ্বেত ফসফরাসের কিছু অংশ পরিবর্তিত হয়ে অধিক স্থিতিশীল লোহিত ফসফরাসে রূপান্তরিত হয়।
| 0.5 | 1,704.129784 |
20231101.bn_7654_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8
|
ফসফরাস
|
সবথেকে সমস্যার ব্যাপার হলো শ্বেত ফসফরাসের একটা বড় অংশ জুড়েই থাকে মৃত্তিকা। তবে, শক্তির অক্ষুণ্ন থাকে বলে এটি উৎপাদনে অনেক সুবিধাও পাওয়া যায়।
| 0.5 | 1,704.129784 |
20231101.bn_7654_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8
|
ফসফরাস
|
ঐতিহাসিকভাবে, প্রযুক্তির মাধ্যমে নিষ্কাশনের পূর্বে যখন হাড়ের ভস্ম থেকে ফসফরাস উৎপাদন করা হত তখন হাঁড়ের ভস্মে থাকা ট্রাইক্যালসিয়াম ফসফেটকে সালফিউরিক অ্যাসিডের উপস্থিতিতে মনোক্যালসিয়াম ফসফেটে রূপান্তর করা হয়।
| 1 | 1,704.129784 |
20231101.bn_7654_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8
|
ফসফরাস
|
ফসফরাস জীবনধারনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের জীবনধারনের অত্যাবশ্যকীয় উপাদান DNA,RNA ও ATP এর কম্পোনেন্ট হিসেবে কাজ করে ফসফেট। আবার,,কোষ ঝিল্লির অন্যতম উপাদান ফসফোলিপিড হিসেবেও এটির গুরুত্ব অপরিসীম। জীবন ও ফসফরাসের মধ্যে সংযোগ খুঁজতে গিয়ে সর্বপ্রথম এটি #ইউরিনে পাওয়া যায়।একসময় #হাড়ের_ভস্ম ছিল গুরুত্বপূর্ণ ফসফেটের উৎস।
| 0.5 | 1,704.129784 |
20231101.bn_7654_10
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8
|
ফসফরাস
|
ফসফেট খনিজগুলো মূলত জীবাশ্ম। গাণিতিকভাবে বলা যায় যে,সুবিশাল ফসফেট যৌগের বেশীরভাগই #সার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। ফসফরাসকে অপসারিত করতে ফসফেটের প্রয়োজন যা উদ্ভিদ মাটি থেকে অপসারণ করে আর এর বার্ষিক চাহিদা জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। এটি ডিটারজেন্ট, কীটনাশক তৈরিতে ও স্নায়ুর প্রতিনিধি হিসেবেও কাজ করে।
| 0.5 | 1,704.129784 |
20231101.bn_7654_11
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8
|
ফসফরাস
|
এটির আরেকটি গঠন হল #স্কারলেট_ফসফরাস।এটি প্রখর সূর্যালোকের উপস্থিতিতে শ্বেত ফসফরাস ও কার্বন ডাইসালফাইড সংযুক্ত করে উৎপন্ন করা হয়। #কালো_ফসফরাসও উৎপন্ন হয় শ্বেত ফসফরাসকে প্রখর তাপে রেখে। আরেকটি গঠন হল #ডাইফসফরাস যা খুবই সক্রিয়।
| 0.5 | 1,704.129784 |
20231101.bn_7654_12
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%B8%E0%A6%AB%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%B8
|
ফসফরাস
|
ফসফরাসের সকল গঠনগুলোর মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে এমনকি রসায়ন শিল্পেও সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে শ্বেত ফসফরাস। এটি চারটি ফসফরাস নিয়ে গঠিত যার প্রত্যেকটি ফসফরাস অন্য তিনটি ফসফরাসের সাথে একক বন্ধন বা সিগমা বন্ধন দ্বারা আবদ্ধ হয়। কঠিন শ্বেত ফসফরাসকে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়। নিম্ন তাপমাত্রায় এর β রূপ ও উচ্চ তাপমাত্রায় এর α রূপ বিদ্যমান।
| 0.5 | 1,704.129784 |
20231101.bn_372157_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
বিপরীতকামিতা
|
বিপরীতকামিতার ইংরেজি শব্দ হেটারোসেক্সুয়ালিটি, যাতে হেটারো- অংশটি এসেছে গ্রিক শব্দέτερος [হেটারোস] থেকে, যার অর্থ "অন্য গোত্র"বা "অন্য", জা বৈজ্ঞানিকভাবে ভিন্ন বা আলাদা অর্থে একটি উপসর্গরূপে ব্যবহৃত হয়; এবং ল্যাটিন শব্দ সেক্স থেকে (যা হল, বৈশিষ্ট্যমূলক যৌনতা বা যৌন পৃথকীকরণ)। ১৯৮২ সালে জীববিজ্ঞানী গুস্তভ জেগার এবং রিচার্ড ফ্রেইহার ভন ক্রাফট ইবিঙ্গের লেখা সাইকোপ্যাথিয়া সেক্সুয়ালিস গ্রন্থে হেটারোসক্সুয়াল নামক পরিভাষাটি সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয়। ১৯২০ সালের প্রথম দিকে পরিভাষাটির ব্যবহার শুরু হয়, এবং ১৯৬০ সালের দিকে তা পরিচিত হয়ে উঠে। ১৯৩৩ সালে সংক্ষেপে হেটারো হিসেবে এর ব্যবহার শুরু হয়। বিশেষ্য শব্দ হিসেবে হেটারোসেক্সুয়ালিটি শব্দটি ১৯৯০ সালে গৃহীত হয়। "হেটারোসেক্সুয়াল" শব্দটি প্রথম মারিয়াম ওয়েবস্টার অভিধানে বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কোন ব্যক্তির অস্বাভাবিক যৌন আকর্ষণ নামক মেডিক্যাল পরিভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়; তবে, ১৯৩৪ সালে তাদের দ্বিতীয় সংস্করণে এটি বিপরীত লিঙ্গের প্রতি কারো স্বাভাবিক যৌন আকর্ষণের প্রকাশ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়। বিপরীতকামী বোঝাতে নিম্নমার্জিতভাবে "স্ট্রেইট" শব্দটিও ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
| 0.5 | 1,698.746903 |
20231101.bn_372157_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
বিপরীতকামিতা
|
হেটারোসেক্সুয়াল বিশেষণটি নারী ও পুরুষের মাঝে আন্তরিক সম্পর্ক বা যৌন সম্পর্ককে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। i
| 0.5 | 1,698.746903 |
20231101.bn_372157_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
বিপরীতকামিতা
|
মানবজাতির সুচনাকালীন শিল্পকর্মের সময় থেকেই বিপরীতকামিতার প্রতীকীকরণ শুরু হয়, যার মধ্যে ছিল প্রথাগত প্রজননবিষয়ক বক্ররেখার নকশা প্রাগৈতিহাসিক চিত্রকর্ম। পরবর্তীতে প্রজননবিষয়ক রীতিনীতি ও বহুঈশ্বরবাদী উপাসনার প্রতীকীকরণে তা প্রকাশ পায়, যাতে প্রায়শই মানব যৌনাঙ্গের চিত্র অন্তর্ভুক্ত থাকত, উদাহরণস্বরূপঃ শিবলিঙ্গ। বিভিন্ন সমাজের বিপরীতকামিতার আধুনিক প্রতীকগুলো ইউরোপীয় ঐতিহ্যের প্রাচীন বিশ্বাসব্যবস্থায় ব্যবহৃত বিপরীতকামিতা নির্দেশক চিহ্ন হতে এসেছে। এরকম একটি প্রতীক হল পুরুষত্ব নির্দেশক নির্দিষ্ট প্রতীক হিসেবে রোমান যুদ্ধের দেবতা মার্সের প্রতীক এবং নারীত্ব নির্দেশক নির্দিষ্ট প্রতীক রোমান ভালোবাসা ও সৌন্দর্যের দেবী ভেনাসের প্রতীকের সমন্বয়। এই সমন্বিত প্রতীকের ইউনিকোড প্রতীক হল ⚤ (U+26A4)।
| 0.5 | 1,698.746903 |
20231101.bn_372157_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
বিপরীতকামিতা
|
ইহুদি-খ্রিষ্টীয় ঐতিহ্যে বিপরীতকামিতা সম্পর্কিত বহু ধর্মীয় বাণী রয়েছে। জেনেসিসের ২:২৪ তম বাক্যে একটি আদেশ দেয়া হয়েছে এই বলে যে "একারণে একজন পুরুষ তার পিতা এবং তার মাতা হতে প্রস্থান করবে, এবং তার পত্নীর সহিত বসবাস করবে: এবং তারা একটি দেহে পরিণত হবে।"। ১ কোরিন্থিয়ান্সে খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বীদের উপদেশ দেওয়া হয়েছে:
| 0.5 | 1,698.746903 |
20231101.bn_372157_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
বিপরীতকামিতা
|
প্রায় সকল ধর্মই বিশ্বাস করে যে, রক্তসম্পর্ক ব্যতীত একজন পুরুষ এবং একজন মহিলার মাঝে বৈবাহিক যৌনকর্ম বৈধ, কিন্তু অল্প কিছু ধর্ম আছে যেগুলো মনে করে যে এটি একটি পাপ, যেমন শেকার্স, হারমনি সোসাইটি, এবং এফ্রাটা ক্লোয়িস্টার. এই সকল ধর্ম সকল প্রকার যৌন কর্মকান্ডকে পাপ হিসেবে দেখে থাকে, এবং চিরকুমার হওয়াকে উৎসাহিত করে। বাদবাকি ধর্ম বিপরীতকামিতাকে চিরকুমারত্বের পর প্রথম নিম্নস্তর হিসেবে দেখে। কিছু ধর্মের নির্দিষ্ট কিছু পদের জন্য চিরকুমারত্বের প্রয়োজন হয়, যেমন ক্যাথলিক ধর্মযাজক; তবে, ক্যাথলিক চার্চসমূহও বিপরীতকামী বিবাহকে পবিত্র এবং প্রয়োজনীয় হিসেবে দেখে।
| 1 | 1,698.746903 |
20231101.bn_372157_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
বিপরীতকামিতা
|
বিশেষজ্ঞগণ মানব-মস্তিষ্কের পুরুষকরণের স্নায়ুবিজ্ঞানকে বেশ ভালভাবে বুঝতে পেরেছেন। তাদের মতে, এস্ট্রাডিওল ও টেস্টোস্টেরন হরমোন মস্তিষ্কের এন্ড্রোজেন হরমোন গ্রাহক(রিসেপ্টর)গুলোকে পরিবর্তনের মাধ্যমে মস্তিষ্কের পুরুষায়নে কাজ করে। এই হরমোন উৎপাদনের স্বাভাবিকতা, ঘাটতি বা আধিক্য এই প্রক্রিয়ায় প্রভাব ফেলে। ধারণা করা হয় যে, জন্মগত বিপরীতকামী যৌন প্রবৃত্তি এই পুরুষায়ন প্রক্রিয়ার ফল। নারীদের ক্ষেত্রে সাধারণত এই পুরুষায়ন অত্যন্ত সীমিত পরিমাণে ঘটে। গবেষণায় দেখা গেছে, "বিপরীতকামী নারীদের" ক্ষেত্রে এই পুরুষায়ন প্রক্রিয়া সমকামী নারীদের তুলনায় আরও "কম" ঘটে। কিন্তু পুরুষদের ক্ষেত্রে এই পরিবর্তন ঘটে অনেক বেশি। এছাড়া "বিপরীতকামী পুরুষগণের" মধ্যে সমকামী পুরুষদের তুলনায় "উচ্চমাত্রার এবং নিম্নমাত্রার" পুরুষায়ন দেখা গেছে।
| 0.5 | 1,698.746903 |
20231101.bn_372157_10
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
বিপরীতকামিতা
|
প্রাণীজগতের অধিকাংশ প্রজননই বিপরীতকামী যৌনতার মাধ্যমে ঘটে থাকে| এছাড়া কিছু কিছু প্রাণীর প্রজনন অযৌন প্রক্রিয়ায় ঘটে থাকে, যেমন কিছু প্রোটোজোয়া ও ব্যাকটেরিয়া।
| 0.5 | 1,698.746903 |
20231101.bn_372157_11
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
বিপরীতকামিতা
|
প্রাজননিক যৌনতার জন্য আবশ্যকভাবে কোন যৌন পরিচয়ের প্রয়োজন পড়ে না, কারণ যৌন পরিচয় হল একটি দীর্ঘ সময়ব্যপী যৌন ও আবেগীয় আকর্ষণের ফলাফল যা পরবর্তীতে মোটামুটি একটি স্থায়ী সামাজিক বন্ধনের জন্ম দেয়। প্রাজননিক যৌনতার জন্য শুধুমাত্র দুটি বিপরীত লিঙ্গের জরায়ুপথে যৌনসঙ্গম করতে হয়, যা প্রায় সময়ে মাত্র একবার সঙ্ঘটনেই সফলতা পাওয়া যায়।
| 0.5 | 1,698.746903 |
20231101.bn_372157_12
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
বিপরীতকামিতা
|
ব্যাপ্তির দিক থেকে অতি সীমিত হওয়ার কারণে যৌন অভিমুখিতার ভিত্তি অনুসন্ধানের গবেষণাগুলো প্রায়শই সমালোচিত হয়েছে, এর পেছনে দাবিটি ছিল যে, এটি শুধুমাত্র বিপরীতকামিতা ও সমকামিতাকে দুটি বিপরীত মেরু ধরে এর মাঝখানে কোন অভিমুখিতার সম্ভাব্যতাকে পাশ কাটিয়ে যায়। আরও দাবি করা হয় যে, বৈজ্ঞানিক গবেষণাগুলো যৌন অভিমুখিতার ক্ষেত্রে শুধুমাত্র জৈবিক ব্যাখ্যা অনুসন্ধানেই মাত্রাতিরিক্ত নজর দেয়, কিন্তু জৈবিক ও মনস্তাত্ত্বিক উভয়ের যৌথ প্রভাবের উপর ততটা নজর দেয় না।
| 0.5 | 1,698.746903 |
20231101.bn_36165_1
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE
|
সাহাবা
|
‘সাহাবী’ শব্দটি আরবী ভাষার ‘সুহবত’ শব্দের একটি রূপ। একবচনে 'সাহাবী' (صحابي) এবং বহুবচনে ‘সাহাবাতুন’ (صحابة) ও 'আসহাব' (اصحاب) ব্যবহৃত হয়। আভিধানিক অর্থ সঙ্গী, সাথী, বন্ধু, অনুসারী, সহচর, এক সাথে জীবন যাপনকারী অথবা সাহচর্যে অবস্থানকারী। ইসলামি পরিভাষায় ‘সাহাবা’ শব্দটি দ্বারা মুহাম্মদের (সাঃ) সঙ্গী-সাথীদের বুঝায়। ‘সাহেব’ শব্দটির বহুবচনের আরও কয়েকটি রূপ আছে - তবে মুহাম্মদের (সাঃ) সঙ্গী-সাথীদের বুঝানোর জন্য ‘সাহেব’-এর বহুবচনে ‘সাহাবা’ ছাড়া ‘আসহাব’ ও ‘সাহব’ও ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
| 0.5 | 1,689.760806 |
20231101.bn_36165_2
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE
|
সাহাবা
|
ইবনে হাজার ‘আল–ইসাবা ফী তাময়ীযিস সাহাবা’ গ্রন্থে সাহাবীর সংজ্ঞা দিতে গিয়ে বলেন: "সাহাবী সেই ব্যক্তি যিনি মুহাম্মদের (সাঃ) প্রতি ঈমান সহকারে তার সাক্ষাৎ লাভ করেছেন এবং ইসলামের ওপরই মৃত্যুবরণ করেছেন।"
| 0.5 | 1,689.760806 |
20231101.bn_36165_3
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE
|
সাহাবা
|
সাহাবীর উল্লেখিত সংজ্ঞাটি ইমাম বুখারী, ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলসহ অধিকাংশ পণ্ডিতের নিকট সর্বাধিক সঠিক বলে বিবেচিত, অবশ্য সাহাবীর সংজ্ঞার ক্ষেত্রে আরও কয়েকটি অপ্রসিদ্ধ মতামতও আছে। যেমন, কেউ কেউ সাক্ষাতের (আল-লিকা) স্থলে চোখে দেখার (রু’ইয়াত) শর্ত আরোপ করেছেন, কিন্তু তাতে এমন সব ব্যক্তি বাদ পড়ে যাবেন যারা মুমিন হওয়া সত্ত্বেও অন্ধত্বের কারণে মুহাম্মদকে (সাঃ) চোখে দেখার সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত হয়েছেন যেমন: আবদুল্লাহ ইবন উম্মে মাকতুম। অথচ তিনি অতি মর্যাদাবান সাহাবী ছিলেন।
| 0.5 | 1,689.760806 |
20231101.bn_36165_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE
|
সাহাবা
|
তবে এ হিসেবে যে, মুহাম্মদকে দেখেছেন, তিনি মুহাম্মদকে (সাঃ) দেখেছেন সে হিসেবে নয়, কিন্তু হাদীস বর্ণনার দিক দিয়ে এমন ব্যক্তি সাহাবী নন, বরং তাবেঈর মর্যাদা লাভ করবেন। প্রশ্ন হতে পারে, যদি কেউ মুহাম্মদের (সাঃ) মৃত্যুর পর সৎকারের পূর্বে তাকে দেখে থাকেন, যেমনটি ঘটেছিল আরবী কবি আবু জুয়ারিব আল-হুজালীর ক্ষেত্রে- তার ব্যাপারে কি সিদ্ধান্ত হবে? আলিমদের মধ্যে এ ব্যাপারে মতবিরোধ আছে। তবে গ্রহণযোগ্য মত হলো, এমন ব্যক্তি সাহাবীদের দলভুক্ত হবেন না।
| 0.5 | 1,689.760806 |
20231101.bn_36165_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE
|
সাহাবা
|
পরিশেষে বলা যায়, যে ব্যক্তি রাসূল মুহাম্মদকে (সাঃ) ঈমানী দৃষ্টিতে দেখেছেন,তার উপর ঈমান এনেছেন এবং ঈমানের সহিত মৃত্যুবরণ করেছে তিনি সাহাবী।
| 1 | 1,689.760806 |
20231101.bn_36165_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE
|
সাহাবা
|
সাহাবীদের পরস্পরের মধ্যে মর্যাদা হিসেবে স্তরভেদ থাকতে পারে। ইবন আবদিল বার সাহাবীদের মর্যাদা বর্ণনা প্রসঙ্গে বলেন: মুহাম্মদের (সাঃ) সুহবত ও তার সুন্নাতের হিফাজত ও ইশায়াতের দুর্লভ মর্যাদা আল্লাহ এইসব মহান ব্যক্তির ভাগ্যে লিখে রেখেছিলেন, এ কারণেই তাঁরা ‘খায়রুল কুরুন’ ও খায়রু উম্মাতিন’-এর মর্যাদার অধিকারী হয়েছেন - হাফেজ আবু বকর ইবন খতীব আল-বাগদাদী বলেন, "উল্লেখিত ভাব ও বিষয়ের হাদীস ও আখবারের সংখ্যা অনেক এবং সবই ‘নাসসুল কুরআনের’ ভাবের সাথে সংগতিপূর্ণ। অর্থাৎ তাতে সাহাবীদের সুমহান মর্যাদা, আদালাত, পবিত্রতা ইত্যাদি ভাব ব্যক্ত হয়েছে। আল্লাহ ও রাসূল কর্তৃক তাদের আদালাতের ঘোষণা দানের পর পৃথিবীর আর কোন মানুষের সনদের মুখোপেক্ষী তারা নন।
| 0.5 | 1,689.760806 |
20231101.bn_36165_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE
|
সাহাবা
|
আল্লাহ ও রাসূল (সাঃ) তাদের সম্পর্কে কোন ঘোষণা না দিলেও তাদের হিজরাত, জিহাদ, সাহায্য, আল্লাহর রাহে ধন-সম্পদ ব্যয়, পিতা ও সন্তানদের হত্যা, দ্বীনের ব্যাপারে উপদেশ, ঈমান ও ইয়াকীনের দৃঢ়তা ইত্যাদি কর্মকাণ্ড এ কথা প্রমাণ করতো যে, আদালাত, বিশ্বাস, পবিত্রতা ইত্যাদি ক্ষেত্রে কিয়ামত পর্যন্ত পৃথিবীতে যত ন্যায়পরায়ণ ও পবিত্র ব্যক্তিই জন্মগ্রহণ করুন না কেন, তারা ছিলেন সকলের থেকে উত্তম।"
| 0.5 | 1,689.760806 |
20231101.bn_36165_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE
|
সাহাবা
|
কোন কোন সাহাবীর জীবদ্দশায় মুহাম্মদ তাদেরকে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। তবে মুসলিম পণ্ডিতদের অনেকে সাহাবীদের সকলেই জান্নাতী বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইবনে হাজার "আল–ইসাবা" গ্রন্থে স্পেনের ইমাম ইবন হাযামের মন্তব্য উদ্ধৃত করেছেন। তিনি বলেন, "সাহাবীদের সকলেই নিশ্চিতভাবে জান্নাতী।"
| 0.5 | 1,689.760806 |
20231101.bn_36165_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE
|
সাহাবা
|
মুহাম্মদ (সাঃ) তার সাহাবীদের গালি দেওয়া বা হেয় প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে সমালোচনা করতে নিষেধ করেছেন, তিনি বলেছেন, "আল্লাহ, আল্লাহ! আমার পরে তোমরা তাদেরকে সমালোচনার লক্ষ্যে পরিণত করো না। তাদেরকে যারা ভালোবাসে, আমার মুহাব্বতের খাতিরেই তারা ভালোবাসে, আর যারা তাদেরকে হিংসা করে, আমার প্রতি হিংসার কারণেই তারা তা করে।"
| 0.5 | 1,689.760806 |
20231101.bn_766468_3
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
ক্লোরিন
|
বাণিজ্যিকভাবে ক্লোরিন মৌল ব্রাইন (সোডিয়াম ক্লোরাইডের গাঢ় জলীয় দ্রবণ) থেকে ইলেক্ট্রোলাইসিসের মাধ্যমে তৈরি করা হয়। উচ্চ জারণ মান থাকার কারণে ক্লোরিন ব্লিচ এবং ডিসইনফেক্টেন্ট (এমন পদার্থ যা দেহের বাইরে ক্ষতিকর রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু ধ্বংস করে) তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। ক্লোরিন বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারের প্রোডাক্ট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়, যার দুই তৃতীয়াংশই হল জৈব রাসায়নিক পদার্থ, যেমন পলিভিনাইল ক্লোরাইড. এছাড়াও ক্লোরিন বিভিন্ন প্লাস্টিক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। একটি common disinfectant হিসেবে ক্লোরিন মৌল এবং ক্লোরিং উৎপন্নকারী পদার্থ সুইমিংপুলে ব্যবহার করা হয় পানিকে পরিষ্কার এবং জীবাণুমুক্ত রাখতে। তবে উচ্চ ঘনত্বের ক্লোরিন পরমাণু সকল জীবের জন্য খুবই বিপদজনক এবং বিষাক্ত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে রাসায়নিক (chemical walefare agent) হিসেবে প্রথম গ্যাস ক্লোরিন ব্যবহৃত হয়েছিল।
| 0.5 | 1,682.419269 |
20231101.bn_766468_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
ক্লোরিন
|
ক্লোরিং আয়ন হিসেবে সকল জীবের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আয়ন ছাড়া ক্লোরিন পদার্থ জীবের মাঝে প্রায় বিরল। কৃত্রিম উপায়ে যেসব জৈব ক্লোরিন তৈরি করা হয় তা নিস্ক্রিয় অথবা toxic হয়ে থাকে। ক্লোরিন যুক্ত জৈব পদার্থ, যেমন ক্লোরো ফ্লোরো কার্বণ ওজন স্তর ক্ষয়ের একটি মূল কারণ। আমাদের শরীরে ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে সামান্য পরিমাণ ক্লোরিন মৌল তৈরি হয় নিউট্রোফিলে ক্লোরাইডের জারণে হাইপোক্লোরাইট তৈরির ক্ষেত্রে।
| 0.5 | 1,682.419269 |
20231101.bn_766468_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
ক্লোরিন
|
ক্লোরাইডের সবচেয়ে পরিচিত পদার্থ, সোডিয়াম ক্লোরাইড সেই প্রাচীনকাল থেকে ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷ প্রত্নতত্ত্ববিদগণ রকসল্ট খ্রিস্টপূর্ব ৩০০০ সাল এবং ব্রাইন প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৬০০০ সালে ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছেন। ক্লোরিন পদার্থ সর্বপ্রথম আলাদা করা হয় প্রায় 1200 শতাব্দীতে একুয়া রিজিয়া এর আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে৷ একুয়া রিজিয়া সোনানে গলিয়ে দিতে পারত,যেহেতু একুয়া রিজিয়ার সাথে সোনার বিক্রিয়ায় ক্লোরিন গ্যাস উতপন্ন হয়৷ যদিও তখন ক্লোরিন গ্যাসকে স্বতন্ত্র পদার্থের মর্যাদা দেয়া হয়নি। প্রায় 1630 শতাব্দীতে ফ্লেমিশ রসায়নবিদ এবং চিকিৎসক জন ব্যাপিস্ট ভন হেলমন্ট সর্বপ্রথম ক্লোরিনকে গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত করেন৷ সুইডিশ রসায়নবিদ কার্ল উইলিউয়াম স্কিল (scheele) সর্বপ্রথম ক্লোরিন নিয়ে গবেষণা শুরু করেন 1774 সালে। scheele ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইডের সাথে হাইড্রোক্লোরিক এসিডের বিক্রিয়ায় ক্লোরিন উৎপন্ন করেন। (reaction)
| 0.5 | 1,682.419269 |
20231101.bn_766468_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
ক্লোরিন
|
scheele ক্লোরিনের বিভিন্ন বৈশিস্ট পর্যবেক্ষণ করেন, যেমন লিটমাসের ওপর বিরঞ্জন প্রভাব, পোকামাকড়ের মৃত্যু, হলুদাভ সবুজ রঙ আর একুয়া রিজিয়া এর মতো গন্ধ। তিনি এর নাম দিয়েছিলেন "dephalogisticated muriatic acid air), (যেহেতু এটি গ্যাস, আর তখন গ্যাসকে airs বলা হতো, আর হাইড্রোক্লোরিক এসিডকে তখন মুরিয়াটিক এসিড বলা হত, আর এটি তিনি হাইড্রোক্লোরিক এসিড থেকে উতপন্ন করেছিলেন। তবে তিনি ক্লোরিনকে পদার্থ হিসেবে প্রমাণ করতে ব্যার্থ হন।
| 0.5 | 1,682.419269 |
20231101.bn_766468_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
ক্লোরিন
|
তৎকালীন সময়ে প্রচলিত ধারণা ছিল সকল এসিড অক্সিজেন ধারণ করে (oxygen এর ডাচ অথবা জার্মান নাম অনুবাদ করলে পাওয়া যায় এসিড পদার্থ)। তাই অনেক রসায়নবিদ, এমনকি ক্লড বার্তগেলটও ধারণা করেন বিজ্ঞানী সিলের (dippmnd) হয়ত অক্সিজেনের কোন মৌল, আর muruaticum undiscovered element.
| 1 | 1,682.419269 |
20231101.bn_766468_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
ক্লোরিন
|
1809 খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী জোসেফ লুইস গে লুসাক এবং লুইয়া জ্যকোস থেনার্ড (dipapdkj) কে চারকোলের সঙ্গে বিক্রিয়া করিয়ে বিশ্লেষণ করার চেস্টা করেন (mitajjdh) যৌগটি পাওয়ার জন্য। কিন্তু তারা ব্যার্থ হন এবং এ জন্য তারা একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেন যেখানে তারা (bfjfjhfjdj) কে একটি পদার্থ হওয়ার সম্ভাবনা তুলে ধরেন। তবে তারা সন্তুষ্ট ছিলেন না।৷
| 0.5 | 1,682.419269 |
20231101.bn_766468_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
ক্লোরিন
|
1810 সালে স্যার হাম্ফ্রি ড্যাভি একই experiment আবার চালান। এবং সিদ্ধান্ত নেন এই বস্তুটি একটি মৌল, কোন যৌগ নয়৷ তিনি সেই বছরের 15 নভেম্বর রয়েল সোসাইটিতে এই পরীক্ষার ফল ঘোষণা করেন। তিনি এই নতুন মৌলের নাম দেন ক্লোরিন, গ্রীক নাম (ব্দব্দব) থেকে, যার অর্থ হলুদাভ সবুজ। হ্যালোজেন, যার অর্থ লবণ producer originally ক্লোরিনের জন্য ব্যাবহৃত হয়েছিল 1811 সালে (bjjdjdjfj) দ্বারা৷ পরবর্তীতে (ভধদ্ভদব্বদব্দভদ্ভ) এর suggestion এ 1826 সালে হ্যালোজেন নামটি সাধারণভাবে ক্লোরিন পরিবারের সকল মৌলের (ক্লোরিন, ফ্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন) জন্য ব্যাবহৃত হয়৷ 1823 খ্রিষ্টাব্দে মাইকেল ফ্যারাডে সর্বপ্রথম ক্লোরিন তরলে পরিণত করেন এবং ব্যাখা করেন সলিড ক্লোরিন হিসেবে যা পরিচিত ছিল তা হলো ক্লোরিন হাইড্রেট।
| 0.5 | 1,682.419269 |
20231101.bn_766468_10
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
ক্লোরিন
|
ফরাসী রসায়নবিদ ক্লড বার্থেলল সর্বপ্রথম কাপড় bleach করার জন্য ক্লোরিন গ্যাস ব্যবহার করেন 1785 সনে৷ বিজ্ঞানী বার্থেলট 1789 সনে javel শহরে তার ল্যাবরেটরিতে ক্লোরিন গ্যাসকে সোডিয়াম কার্বনেট দ্রবণের মধ্য দিয়ে পরিচালনা করে সর্বপ্রথম সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট আবিষ্কার করেন, যা ই আধুনিক ব্লিচ তৈরি করার পথ দেখিয়ে দিয়েছিল। যে তরলটি তৈরি হয়েছিল তার নাম ছিল (Eau de javel)(জাভেলের পানি) যা ছিল সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইটের একটি দূর্বল দ্রবণ । তবে এই পদ্ধতি খুব বেশি ফলপ্রসূ ছিল না, অন্যদিকে অন্যভাবে তৈরির পদ্ধতি ছিল। স্কটিশ কেমিস্ট চার্লস টেনান্ট সর্বপ্রথম ক্যলসিয়াম হাইপোক্লোরাইটের দ্রবণ তৈরি করেন, পরবর্তীতে সলিড ক্যলসিয়াম হাইপোক্লোরাইট অর্থাত ব্লিচিং পাউডার আবিষ্কার করেন।
| 0.5 | 1,682.419269 |
20231101.bn_766468_11
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
ক্লোরিন
|
Chlorine Online – the web portal of Eurochlor – the business association of the European chlor-alkali industry
| 0.5 | 1,682.419269 |
20231101.bn_477878_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A5%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6
|
অথর্ববেদ
|
মনিয়ার উইলিয়ামসের মতে, অথর্ববেদের নামকরণ করা হয়েছে পৌরাণিক পুরোহিত অথর্বণের নাম অনুসারে। অথর্বণ প্রথম যাগযজ্ঞ ও সোমরস উৎসর্গ করার প্রথা উদ্ভব করেন এবং ‘রোগ ও বিপর্যয়ের প্রতিকূল পদ্ধতি ও মন্ত্রগুলি’ রচনা করেন। মনিয়ার উইলিয়ামস উল্লেখ করেছেন যে, অগ্নির একটি অধুনা-অবলুপ্ত নাম ছিল ‘অথর্ব’। লরি প্যাটনের মতে, ‘অথর্ববেদ’ নামটির অর্থ ‘অথর্বণগণের বেদ’।
| 0.5 | 1,674.224252 |
20231101.bn_477878_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A5%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6
|
অথর্ববেদ
|
অথর্ববেদের প্রাচীনতম নামটি এই বেদেই (১০। ৭। ২০) উল্লিখিত হয়েছে। এটি হল ‘অথর্বাঙ্গিরসঃ’। দুই জন বৈদিক ঋষি অথর্বণ ও আঙ্গিরসের নামানুসারে এই নামটি এসেছে। এই বেদের প্রত্যেকটি শাখার নিজস্ব নাম রয়েছে। যেমন: ‘শৌনকীয় সংহিতা’। এর অর্থ ‘শৌনকের সংকলিত গ্রন্থ’। ‘অথর্বণ’ ও ‘আঙ্গিরস’ নাম দু-টি সম্পর্কে মরিস ব্লুমফিল্ড বলেছেন, এই নামদুটি ভিন্ন ভিন্ন অর্থের দ্যোতক। প্রথম নামটি মাঙ্গলিক। অন্যদিকে দ্বিতীয় নামটি প্রতিকূল জাদুবিদ্যার অর্থবাচক। কালক্রমে ইতিবাচক মাঙ্গলিক দিকটি অধিকতর সমাদর লাভ করে এবং ‘অথর্ববেদ’ নামটিই প্রচলিত হয়। জর্জ ব্রাউনের মতে, পরবর্তী নাম ‘আঙ্গিরস’ অগ্নি ও বৈদিক পুরোহিতদের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। সম্ভবত এটির সঙ্গে নিপ্পুরের একটি আরামিক গ্রন্থে প্রাপ্ত প্রোটো-ইন্দো ইউরোপীয় ‘আঙ্গিরোস’-এর কোনো সম্পর্ক রয়েছে।
| 0.5 | 1,674.224252 |
20231101.bn_477878_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A5%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6
|
অথর্ববেদ
|
মাইকেল উইটজেল বলেছেন, ‘অথর্বণ’ শব্দের মূল সম্ভবত ‘অথর্বণ’ বা ‘[প্রাচীন] পুরোহিত, জাদুকর’। এর সঙ্গে আবেস্তান ‘আওরাউয়ান’ (āθrauuan) বা ‘পুরোহিত’ ও ট্রোকারিয়ান ‘অথ্র’ বা ‘মহত্তর শক্তি’ কথাদুটির সম্পর্ক আছে।
| 0.5 | 1,674.224252 |
20231101.bn_477878_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A5%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6
|
অথর্ববেদ
|
অথর্ববেদ ২০টি কাণ্ডে বিভক্ত। এই বেদে ৭৩১টি সূক্ত ও ৫,৯৭৭ মন্ত্র আছে। প্যাট্রিক অলিভেল ও অন্যান্য গবেষকদের মতে, এই গ্রন্থ বৈদিক সমাজের দৈনন্দিন জীবনের বাস্তব বিষয়গুলের সঙ্গে সম্পর্কিত মতবিশ্বাস ও আচার-অনুষ্ঠানের ঐতিহাসিক সংকলন। এটি যজুর্বেদের মতো শুধুমাত্র একটি ধর্মানুষ্ঠানবিধির সংকলন নয়।
| 0.5 | 1,674.224252 |
20231101.bn_477878_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A5%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6
|
অথর্ববেদ
|
এগুলির মধ্যে কেবলমাত্র শৌনকীয় শাখা, এবং অধুনা-আবিষ্কৃত পৈপ্পলাদ শাখার একটি পাণ্ডুলিপিই এখন বর্তমান। পৈপ্পলাদ সংস্করণটি প্রাচীনতর। এই দুইটি শাখা বিন্যাসপ্রণালী এবং বিষয়বৈচিত্র্যের দিক থেকে পৃথক। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, পৈপ্পলাদ শাখার ১০ কাণ্ডটি অদ্বৈতবাদ, ‘ব্রহ্মের একত্ব’, সমগ্র জীবজগৎ ও বিশ্ব’ সম্পর্কে বিস্তারিত বিবরণ দিয়েছে।
| 1 | 1,674.224252 |
20231101.bn_477878_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A5%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6
|
অথর্ববেদ
|
মূল অথর্ববেদ সংহিতা ১৮টি ‘কাণ্ড’ বা খণ্ডে বিভক্ত ছিল। শেষ কাণ্ডদুটি পরবর্তীকালে সংযোজিত হয়েছে। বেদের অপর ভাগগুলি বিষয় বা মন্ত্রদ্রষ্টা ঋষির নামানুসারে বিন্যস্ত হলেও, অথর্ববেদের ক্ষেত্রে তা হয়নি। এই বেদে বিষয়গুলি সূক্তের দৈর্ঘ্য অনুসারে বিন্যস্ত। প্রত্যেকটি কাণ্ডে প্রায় সমসংখ্যক শ্লোকের স্তোত্র সংকলিত হয়েছে। প্রাপ্ত পাণ্ডুলিপিগুলিতে ক্ষুদ্রতম সূক্তের সংকলনটিকে প্রথম কাণ্ড বলা হয়েছে। এরপর অধিকতর বৃহদায়তন সূক্তেট সংকলনগুলো দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদিক্রমে বিন্যস্ত। কোনো কোনো পাণ্ডুলিপি এর বিপরীত ক্রমও দেখা যায়। বেশিরভাগ সূক্তই কাব্যিক এবং বিভিন্ন ছন্দে নিবদ্ধ। তবে গ্রন্থের এক-ষষ্ঠাংশ গদ্যে রচিত।
| 0.5 | 1,674.224252 |
20231101.bn_477878_10
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A5%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6
|
অথর্ববেদ
|
অথর্ববেদের অধিকাংশ সূক্ত এই বেদেরই অন্তর্গত। কেবল এই গ্রন্থের এক-ষষ্ঠাংশ সূক্ত ঋগ্বেদ (মুখ্যত ১০ম মণ্ডল) থেকে গৃহীত। ১৯শ কাণ্ডটি অনুরূপ প্রকৃতির একটি পরিশিষ্ট। এটি সম্ভবত নতুন রচনা এবং পরবর্তীকালের সংযোজন। অথর্ববেদ সংহিতার ২০শ কাণ্ডের প্রায় সম্পূর্ণতই ঋগ্বেদ থেকে গৃহীত।
| 0.5 | 1,674.224252 |
20231101.bn_477878_11
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A5%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6
|
অথর্ববেদ
|
অথর্ববেদের ২০টি কাণ্ডে সংকলিত সূক্তগুলোতে বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করা হয়েছে। প্রথম ৭টি কাণ্ডে মোটামুটি সব ধরনের চিকিৎসার জন্য জাদুমন্ত্র ও জাদুর কথা। মাইকেল উইটজেল বলেছেন, এগুলি জার্মানিক ও হাইটটাইট জাদুমন্ত্রগুলির অনুরূপ। সম্ভবত এগুলিই গ্রন্থের প্রাচীনতম অংশ। ৮ম থেকে ১২শ খণ্ড পর্যন্ত বিভিন্ন বিষয়তত্ত্ব আলোচিত হয়েছে। ১২শ থেকে ১৮শ কাণ্ড পর্যন্ত আলোচিত হয়েছে জীবনের সংস্কারমূলক অনুষ্ঠানগুলো নিয়ে।
| 0.5 | 1,674.224252 |
20231101.bn_477878_12
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A5%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A6
|
অথর্ববেদ
|
বৈতান সূত্র ও কৌশিক সূত্রের মতো শ্রৌতসূত্রগুলো অথর্ববেদের শৌনকীয় শাখার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। এগুলি অথর্বণ ‘প্রায়শ্চিত্ত’, দুটি ‘প্রতিশাখ্য’ ও একটি ‘পরিশিষ্ট’ সংকলন রূপে সংকলিত হয়েছে। অথর্ববেদের পৈপ্পলাদ শাখার সঙ্গে অগস্ত্য ও পৈঠিনসী সূত্রদুটি সম্পর্কযুক্ত। এগুলি হারিয়ে গিয়েছে, এখনও আবিষ্কৃত হয়নি।
| 0.5 | 1,674.224252 |
20231101.bn_78017_0
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC
|
ভারতীয়
|
ভারতীয় বলতে মূলত দক্ষিণ এশিয়ার দেশ ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের ভূখন্ডে বসবাসকারী মানুষদের বোঝানো হয়। অর্থাৎ ভারতীয় বলতে মূলত ভারতীয় প্রজাতন্ত্রে বসবাসকারী জাতি সমষ্টিকে, কিংবা জন্মসূত্রে ভারতীয় প্রজাতন্ত্রের বাসিন্দাকে নির্দেশ করা হয়। ভারতীয় প্রজাতন্ত্রে জন্মগ্রহণকারী সমস্ত মানুষ, অথবা জন্মের পর বহির্দেশে গমনকারীও ভারতীয় হিসেবে পরিচিত হতে পারেন। এছাড়াও কোনও বৈদেশিক ব্যক্তি চাইলে ভারত সরকারের অনুমত্যনুসারে নিবন্ধীকরণ (registration) দ্বারাও ভারতীয় নাগরিক হতে পারে।
| 0.5 | 1,671.773383 |
20231101.bn_78017_1
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC
|
ভারতীয়
|
পুরাণের বর্ণনা অনুযায়ী চন্দ্রবংশীয় রাজা ভরতের নামানুসারে তার সাম্রাজ্যকে ভারত এবং সেখানে বসবাসকারী মানুষদের ভারতীয় আখ্যা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও প্রাচীন গ্রিকরা ভারতীয়দের ইন্দাস (সিন্ধু নদী অববাহিকার অধিবাসী) নামে অভিহিত করতেন বলে কালক্রমে "হিন্দু" নামটি প্রচলিত হয়। যদিও পরবর্তীকালে এটি একটি বিশেষ ধর্ম সম্প্রদায়ের পরিচয় হয়ে ওঠে। কিন্তু স্বাধীনতার পর যেহেতু "ভারত" নামটি ভারতের সংবিধানে স্বীকৃত হয়, সেহেতু এখানকার বসবাসকারী মানুষদের জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে ভারতীয় অথবা ভারতবাসী বলা হয়।
| 0.5 | 1,671.773383 |
20231101.bn_78017_2
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC
|
ভারতীয়
|
ভারতীয়দের ইতিহাস অতি প্রাচীন এবং সুদীর্ঘ। আনুমানিক খ্রিষ্টজন্মের প্রায় দশ লক্ষ বছর আগে এই মানব সভ্যতার উত্পত্তি হয়। কিন্তু প্রামান্য ইতিহাসের সূচনা হয় ৩৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ১৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে সিন্ধু সভ্যতা এবং তত্পরবর্তী ২৬০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে ১৯০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দের মধ্যবর্তী সময়ে হরপ্পা সভ্যতার উন্মেষ ও প্রসারের সঙ্গে সঙ্গে। এরপর বৈদিক যুগ, লৌহ যুগ, ষোড়শ মহাজনপদ, মগধ সাম্রাজ্য, মৌর্য সাম্রাজ্য, চোল সাম্রাজ্য, সাতবাহন সাম্রাজ্য, কুষাণ সাম্রাজ্য, গুপ্ত সাম্রাজ্য, পাল সাম্রাজ্য, রাষ্ট্রকুট সাম্রাজ্য, সুলতানী আমল, হোয়সলা সাম্রাজ্য, বিজয়নগর সাম্রাজ্য, মুঘল সাম্রাজ্য, মারাঠা সাম্রাজ্য, শিখ সাম্রাজ্য, ব্রিটিশ সাম্রাজ্য এবং অবশেষে ভারত ভাগের মধ্যে দিয়ে ভারতীয়দের ইতিহাস অগ্রসর হয়েছে।
| 0.5 | 1,671.773383 |
20231101.bn_78017_3
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC
|
ভারতীয়
|
জনসংখ্যার বিচারে ভারতীয়রা পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্ জনগোষ্ঠী। ২০১১ সালের শেষ জনগণনা তথ্য অনুযায়ী, ভারতে ভারতীয়দের সংখ্যা ১২১ কোটিরও বেশি; যা সমগ্র বিশ্বের জনসংখ্যার এক-ষষ্ঠাংশ। সামগ্রিক বিশ্বের জনসংখ্যার নিরিখে ভারতীয়দের সংখ্যা ১৭.৫%। ভারতীয়দের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার যদিও ১.৪১%, যা বিশ্বে ৯৩তম। তবুও অনুমান করা হচ্ছে যে, ২০৫০ সাল নাগাদ ভারতীয়দের জনসংখ্যা প্রায় ১৬০ কোটি ছাড়িয়ে যাবে।
| 0.5 | 1,671.773383 |
20231101.bn_78017_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC
|
ভারতীয়
|
ভারতীয়দের ৫০%-এর বয়স ২৫-এর নিচে এবং ৬৫%-এর বয়স ৩৫-এর নিচে। এর থেকে আন্দাজ করা হচ্ছে যে, ২০২০ সালে পর্যন্ত ভারতীয়দের গড় বয়স দাঁড়াবে ২৯ বছর।
| 1 | 1,671.773383 |
20231101.bn_78017_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC
|
ভারতীয়
|
ভারতীয়রা প্রায় দুই হাজারেরও বেশি জাতিগোষ্ঠীর সম্মিলিত জনগোষ্ঠী। ভারতীয়দের মধ্যে বিশ্বের প্রায় প্রতিটি প্রধান ধর্মাবলম্বী মানুষের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। এছাড়াও আয় ও শিক্ষাগত যোগ্যতার মাপকাঠিতে ভারতীয়দের যে সমাজ সৃষ্টি হয়েছে, তা-ও যথেষ্ট বৈচিত্র্যপূর্ণ। ভারতীয়রা একটি বৃহত্ সংখ্যায় গ্রামে বসবাস করে। গ্রামে কৃষিকাজ ও কৃষিসংক্রান্ত কাজেই অধিকাংশ ভারতবাসীর আয়ের সংস্থান হয়। ২০০১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, দেশের ৭২.২% মানুষ ৬৩৮,০০০টি গ্রামে এবং অবশিষ্ট ২৭.৮% মানুষ ৫,১০০টিরও বেশি শহর ও ৩৮০টি শহরপুঞ্জ অঞ্চলে বাস করেন।
| 0.5 | 1,671.773383 |
20231101.bn_78017_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC
|
ভারতীয়
|
ভারতীয়দের ভাষা, ধর্মবিশ্বাস, নৃত্যকলা, সংগীত, স্থাপত্যশৈলী, খাদ্যাভ্যাস ও পোষাকপরিচ্ছদ যদিও বিভিন্ন কিন্তু তা সত্ত্বেও এই সবের মধ্যে একটি সাধারণ একাত্মতা লক্ষিত হয়। ভারতীয়দের সংস্কৃতিতে কয়েক সহস্রাব্দ-প্রাচীন এই সব বৈচিত্র্যপূর্ণ সংস্কৃতি ও রীতিনীতিগুলির একটি সম্মিলিতকরণ হয়েছে।
| 0.5 | 1,671.773383 |
20231101.bn_78017_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC
|
ভারতীয়
|
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিক্ষেত্রে অতি প্রাচীন কাল থেকেই ভারতীয়রা তাদের নিজস্ব স্বাক্ষর রেখে এসেছে। স্থাপত্য, জ্যোতির্বিজ্ঞান, মানচিত্রাঙ্কন বিদ্যা, ধাতুবিদ্যা, যুক্তি, গণিত, খনিজবিজ্ঞান ইত্যাদির চর্চা ভারতীয়দের বিশ্বের দরবারে বিশেষ স্থান দিয়েছে। ভারতীয় গণিতজ্ঞ শ্রীনিবাস রামানুজন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ গণিতবিদদের অন্যতম বলে বিবেচিত হন। ১৯২৮ সালে পদার্থবিদ্যায় নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন ভারতীয় পদার্থবিদ চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন। কম্পিউটার বিজ্ঞানেও ভারতীয়রা এখন অগ্রগণ্য। ২০০৩ সালে সেন্টার ফর ডেভেলপমেন্ট অফ অ্যাডভান্সড কম্পিউটিং তৈরি করে ভারতের প্রথম সুপার কম্পিউটার পরম পদ্ম। এটি পৃথিবীর দ্রুততম সুপার কম্পিউটারগুলির অন্যতম। ১৯৯০-এর দশকে অর্থনৈতিক উদারীকরণ এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিপ্লব তথ্যপ্রযুক্তির দুনিয়ায় এক অগ্রণী রাষ্ট্র হিসাবে ভারতকে এবং ভারতীয়দের বিজ্ঞান সচেতন জাতি হিসাবে বিশ্বের মঞ্চে উপস্থাপিত করে।
| 0.5 | 1,671.773383 |
20231101.bn_78017_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC
|
ভারতীয়
|
ভারতীয়দের খেলাধুলার মধ্যে রয়েছে ক্রিকেট, ফুটবল, ফিল্ড হকি, কাবাডি, লন টেনিস, গল্ফ ও দাবা। ফিল্ড হকি দেশের জাতীয় খেলা হলেও, ক্রিকেট ভারতীয়দের সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় খেলা।
| 0.5 | 1,671.773383 |
20231101.bn_401458_0
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
|
সত্যবতী
|
সত্যবতী (দেবনাগরী: सत्यवती ) হলেন মহাভারতে বর্ণিত হস্তিনাপুরের কুরুরাজ শান্তনুর মহিষী। তিনি কৌরব ও পাণ্ডবদের প্রপিতামহী এবং তিনি বেদব্যাসের জননী। তার উপাখ্যান মহাভারত, হরিবংশ ও দেবীভাগবদ্পুরাণে বর্ণিত হয়েছে।
| 0.5 | 1,671.125234 |
20231101.bn_401458_1
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
|
সত্যবতী
|
সত্যবতী চেদীরাজ উপরিচর বসু এবং শাপগ্রস্তা মৎস্যরূপিণী অপ্সরা অদ্রিকার কন্যা। ধীবরদের রাজা দাশ তাকে তার যমজ ভাইয়ের সাথে অদ্রিকার উদরে পান। রাজা বসু পুত্র সন্তানটিকে নিজের কাছে রেখে সত্যবতীকে দাশের কাছে পরিপালন করতে দেন। তার ভাই মৎস্যরাজ নামে এক ধার্মিক রাজা হন। তার গায়ে তীব্র মাছের গন্ধ থাকায় তার আরেক নাম 'মৎস্যগন্ধা'। এজন্য কেউ তার কাছে আসতে চাইত না। তাই পালকপিতার নির্দেশে তিনি যমুনার বুকে নৌকা চালানো আর জেলেনী হিসেবে কাজ করতেন। পরবর্তীতে রাজা শান্তনু তার সৌন্দর্য ও গায়ের সৌরভে মুগ্ধ হয়ে তার প্রেমে পড়েন এবং দাশরাজের কাছে বিবাহের প্রস্তাব করলে দাশ বলেন যদি তার কন্যার সন্তানেরা রাজা হন তবেই তিনি কন্যাদান করবেন। এজন্য শান্তনুর জ্যেষ্ঠপুত্র ভীষ্ম রাজা হননি। সত্যবতী শান্তনুর মাধ্যমে চিত্রাঙ্গদ ও বিচিত্রবীর্যের জন্ম দেন। তিনি পাণ্ডুর মৃত্যুর পর তার পুত্র ব্যাসের আশ্রমে তপস্যারত অবস্থায় মারা যান।
| 0.5 | 1,671.125234 |
20231101.bn_401458_2
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
|
সত্যবতী
|
সত্যবতী সম্পর্কে মহাভারতে খুব কমই বলা হয়েছে। তবে হরিবংশ ও দেবীভাগবত পুরাণে তার উপাখ্যান বিস্তারিতভাবে আছে। সত্যবতী মহাভারতে বিভিন্ন নামে পরিচিতা। তাকে দাশেয়ী, গন্ধকালী, গন্ধবতী, কালী, মৎস্যগন্ধা, সত্যা, বাসবী, যোজনগন্ধা ইত্যাদি নামে অভিহিত করা হয়েছে। তার সপত্নীপুত্র ভীষ্ম তাকে দাশেয়ী নামেও সম্বোধন করতেন যেহেতু তিনি দাশরাজের কন্যা। বাসবী অর্থ বসুরাজের কন্যা। তার কালী নাম থেকে বোঝা যায় তিনি শ্যামাঙ্গী ছিলেন।
| 0.5 | 1,671.125234 |
20231101.bn_401458_3
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
|
সত্যবতী
|
হরিবংশ অনুসারে সত্যবতী তার পূর্বজন্মে অচ্ছোদা নামে পিতৃগণের কন্যা ছিলেন যিনি শাপগ্রস্তা হয়ে পৃথিবীতে জন্ম নেন। মহাভারত, হরিবংশ ও দেবীভাগবত পুরাণ অনুসারে সত্যবতী শাপগ্রস্তা অপ্সরা অদ্রিকার কন্যা। অভিশাপের কারণে অদ্রিকা মৎস্যে পরিণত হয়ে যমুনায় বাস করত। একদা দাশ নামক ধীবরের জালে ধরা পরে যে তার গর্ভ থেকে দুটি সন্তান পায়। সে শিশুদুটিকে রাজার কাছে নিয়ে গেলে রাজা পুত্র সন্তানটিকে গ্রহণ করেন এবং কন্যা সন্তানটিকে দাশকে পালন করতে দেন। সত্যবতীর যমজ ভাই মৎস্যরাজ নামে মৎস্যরাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা এক ধার্মিক রাজা হন। সত্যবতী বড় হয়ে তার বাবার আদেশে ধর্মার্থে নৌকা বাইতে লাগলেন।
| 0.5 | 1,671.125234 |
20231101.bn_401458_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
|
সত্যবতী
|
একদিন হস্তিনাপুরের কুরুরাজ শান্তনু মৃগয়া করতে যমুনার তীরে গিয়েছিলেন এমন সময় মৃগনাভির সৌরভে তিনি বিমোহিত হন। গন্ধের উৎস অনুসন্ধান করে তিনি সত্যবতীর গৃহে উপস্থিত হন এবং সেখানে সত্যবতীকে দেখে তার প্রেমে পড়েন। তিনি সত্যবতীর পিতা ধীবরনেতা দাশরাজের কাছে সত্যবতীর পাণিপ্রার্থনা করেন কিন্তু দাশ বলে যদি তার কন্যার গর্ভজাত পুত্রেরাই রাজা হয় তবেই সে কন্যা সম্প্রদান করবে।।
| 1 | 1,671.125234 |
20231101.bn_401458_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
|
সত্যবতী
|
রাজা মর্মাহত ও বিমর্ষ হয়ে ফেরে এলেন কারণ এর পূর্বেই তিনি তার পুত্র দেবব্রতকে যৌবরাজ্যে অভিষিক্ত করেছিলেন। পিতার পীড়া দেবব্রতকে কষ্ট দিচ্ছিল। তিনি এক মন্ত্রীর কাছ থেকে সেই ধীবরের শর্তের কথা শুনেন। তৎক্ষণাত তিনি সেই ধীবরের কাছে উপস্থিত হন এবং দাশরাজের কাছে তার পিতার পক্ষ থেকে সত্যবতীকে প্রার্থনা করেন কিন্তু ধীবর পুনরায় তার শর্তের কথা জানায় এবং বলে শান্তনুই তার জন্য উপযুক্ত ছিলেন যেজন্য ব্রহ্মর্ষি অসিতের প্রস্তাবও ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
| 0.5 | 1,671.125234 |
20231101.bn_401458_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
|
সত্যবতী
|
দেবব্রত সত্যবতীর পুত্রদের জন্য সিংহাসনের দাবী ত্যাগ করলেন। কিন্তু দাশ বলল যদি তার অনুপস্থিতিতে তার পুত্রেরা সিংহাসন নিয়ে বিবাদ করে। এতে শান্তনু আজীবন ব্রহ্মচর্য পালনের ভীষণ প্রতিজ্ঞা গ্রহণ করেন। দাশরাজ তখনই তাকে কন্যা দান করে। এমন ভীষণ প্রতিজ্ঞা করার জন্য দেবব্রতের নাম হয় ভীষ্ম। ভীষ্ম সত্যবতীকে শান্তনুর কাছে উপস্থিত করলেন। রাজা খুশি হয়ে ভীষ্মকে ইচ্ছামৃত্যু হওয়ার বর প্রদান করলেন।
| 0.5 | 1,671.125234 |
20231101.bn_401458_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
|
সত্যবতী
|
দেবী ভাগবত পুরাণে সত্যবতীর কানীন পুত্র বেদব্যাস এই বলে আক্ষেপ করেন যে তার মাতা তাকে শিশু অবস্থায় ত্যাগ করেছেন। তিনি তার জন্মস্থানে মায়ের খোঁজে আসেন কিন্তু লোকমুখে শুনেন তার মাতা এখন হস্তিনাপুরের রাণী।
| 0.5 | 1,671.125234 |
20231101.bn_401458_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
|
সত্যবতী
|
বিবাহের পর শান্তনু ও সত্যবতীর দাম্পত্য জীবন সুখে কাটতে থাকে। রাজা শান্তনু বৃদ্ধ বয়সে পৌছে গেছেন ততদিনে। তারা দৈহিক মিলনে আবদ্ধ হলে চিত্রাঙ্গদ ও বিচিত্রবীর্য নামে দুই পুত্রের জন্ম হয়। হরিবংশে শান্তনুর মৃত্যুর পরবর্তী ঘটনাবলী বর্ণিত হয়েছে। শান্তনুর মৃত্যুর পর উগ্রায়ুধ পৌরব (পাঞ্চালের সিংহাসন দখল কারী) ধনের বদলে সত্যবতীকে দাবী করেছিলেন। ভীষ্ম উগ্রায়ুধকে বধ করেন। অপরের স্ত্রীকে কামভাবে প্রার্থনা করায় তার শক্তি লোপ পেয়েছিল। তবে মহাভারতে এসব উল্লেখ নেই সেখানে শান্তনুর মৃত্যুর পর ভীষ্ম চিত্রাঙ্গদকে রাজ্যে অভিষিক্ত করেন। পরবর্তীতে চিত্রাঙ্গদ তার নামেরই এক গন্ধর্বের হাতে যুদ্ধে নিহত হন।
| 0.5 | 1,671.125234 |
20231101.bn_2324_13
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8
|
লিনাক্স
|
লিনাক্সের ম্যাসকট ও লোগো হচ্ছে টাক্স নামের একটি পেঙ্গুইন। ১৯৯৬ সালে ল্যারি ইউয়িঙের আঁকা একটি ছবি থেকে টাক্স আঁকার অনুপ্রেরণা নেওয়া হয়েছে। টাক্স ছাড়াও ওএস-ট্যান ও আরও কিছু লিনাক্স প্রতিনিধিত্বকারী চরিত্র রয়েছে, তবে সেগুলো খুব একটা প্রচলিত নয়।
| 0.5 | 1,666.740718 |
20231101.bn_2324_14
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8
|
লিনাক্স
|
“লিনাক্স” নামটি কিন্ত লিনাস টরভল্ডসের দেওয়া নয়। লিনাক্সের নামকরণের কৃতিত্ব আরি লেমকের। লেমকে হেলসিংকি ইন্সটিটিউট অব টেকনলজিতে ftp.funet.fi নামক একটি এফটিপি সার্ভারের প্রশাসকের দায়িত্ব পালন করছিলেন। সার্ভারটি ছিল ফিনীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা নেটওয়ার্কের একটি অংশ, আর এই নেটওয়ার্কের সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি ছিল লিনুসের হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয়। লিনুস যখন তার অপারেটিং সিস্টেম প্রকল্পটি এই সার্ভারটিতে সংরক্ষণ করার জন্য লেমকে-কে দেন, লেমকে তখন তা একটি ডিরেক্টরিতে রাখেন ও ডিরেক্টরিটির নাম দেন “লিনাক্স”, অর্থাৎ “লিনুসের মিনিক্স” কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ। লিনুস অবশ্য নিজে প্রকল্পটির নাম “ফ্রিক্স” (freax) রাখতে চাচ্ছিলেন, যা ছিল “ফ্রি” (মুক্ত) ও ইউনিক্সের শেষ অক্ষর “এক্স”-এর সম্মিলিত রূপ। অবশ্য শেষ পর্যন্ত লেমকের দেয়া লিনাক্স নামটিই টিকে যায়।
| 0.5 | 1,666.740718 |
20231101.bn_2324_15
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8
|
লিনাক্স
|
লিনাক্স কার্নেল ও বেশির ভাগ গ্নু উপাদান গ্নু জেনারেল পাবলিক লাইসেন্স (জিপিএল)-এর আওতাধীন। জিপিএলকৃত উৎসের কোডের সংশোধন ও এর থেকে উদ্ভূত সব কাজও জিপিএলের আওতাধীন হয়ে থাকে। লিনুস এ সম্পর্কে ১৯৯৭ সালে বলেন, “লিনাক্সের জিপিএলকরণ নিশ্চিতভাবেই আমার করা সেরা কাজ।“ লিনাক্সের অন্যান্য সহযোগী ব্যবস্থাগুলো অন্য লাইসেন্স ব্যবহার করে, যেমন অনেকগুলো কোড লাইব্রেরি এলজিপিএল ব্যবহার করে, আর এক্স-উইন্ডো ব্যবস্থা এমআইটি লাইসেন্স ব্যবহার করে।
| 0.5 | 1,666.740718 |
20231101.bn_2324_16
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8
|
লিনাক্স
|
তোরভাল্দ্স বলেছেন যে, লিনাক্স কার্নেল জিপিএল সংস্করণ ২ থেকে সংস্করণ ৩ এ উন্নীত হবেনা। তিনি স্পষ্ট বলেছেন, নতুন লাইসেন্সের কিছু বিষয় তার পছন্দ হয়নি যেগুলো ডিজিটাল রাইট ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যারের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে, এছাড়া সকল স্বত্ত্বধারীদের নিকট থেকে অনুমতি নেওয়ার বিষয়টিও অবাস্তবিক, যেখানে তারা সংখ্যায় হাজারেরও উপরে হতে পারে।
| 0.5 | 1,666.740718 |
20231101.bn_2324_17
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8
|
লিনাক্স
|
২০০১ সালে রেড হ্যাট লিনাক্স ৭.১ বিশ্লেষন করে দেখা গেছে যে তাতে ৩ কোটি লাইনেরও বেশি উৎস কোড (সোর্স কোড) রয়েছে। গঠনমূলক ব্যয় কাঠামো বিবেচনা করে দেখা গেছে, এই ডিস্ট্রিবিউশনটির উন্নয়নে ৮ হাজার মানববর্ষ লেগে যেতো, যদি এই সব সফটওয়্যার প্রথাগত স্বত্ত্বযুক্ত পদ্ধতিতে উন্নয়ন হতো এবং শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই প্রায় ১১ হাজার কোটি বাংলাদেশি টাকা (২০১৯ সালের বাংলাদেশি টাকা হিসাবে) খরচ হতো।
| 1 | 1,666.740718 |
20231101.bn_2324_18
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8
|
লিনাক্স
|
বেশিরভাগ কোড (৭১%) সি দ্বারা উন্নয়নকৃত, এর পাশাপাশি অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষাও ব্যবহার হয়েছে যেমন, সি++, অ্যাসেম্বলি ভাষা, পার্ল, পাইথন, ফোরট্রান এবং বিভিন্ন শেল স্ক্রিপ্টিং ভাষা। এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক বা তার কিছু বেশি লাইন জিপিএল লাইসেন্সের আওতায় রয়েছে। লিনাক্স কার্নেল নিজে ছিল ২.৪ মিলিয়ন লাইন কোড, অথবা মোট পরিমাণের ৮%।
| 0.5 | 1,666.740718 |
20231101.bn_2324_19
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8
|
লিনাক্স
|
পরববর্তীতে একই বিশ্লেষণ ডেবিয়ান গ্নু/লিনাক্স সংস্করণ ৪.০ (ইচ, যেটি ২০০৭ সালে মুক্তি পায়) এর উপর চালানো হয়। এই ডিস্ট্রিবিউশনে রয়েছে ২৮৩ মিলিয়ন এর কাছাকাছি উৎস কোড লাইন, যেটি যদি প্রথাগত পদ্ধতিতে করা হলে প্রয়োজন হতো ৭৩ হাজার মানববর্ষ এবং খরচ হতো প্রায় ৬.৫ হাজার কোটি বাংলাদেশি টাকা (২০১৮ সালের বাংলাদেশি মূদ্রা হিসাবে)।
| 0.5 | 1,666.740718 |
20231101.bn_2324_20
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8
|
লিনাক্স
|
লিনাস টরভল্ডস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে লিনাক্স ট্রেডমার্কটির মালিক। ট্রেডমার্কটির লাইসেন্সকরণ বর্তমানে দেখাশোনা করছে লিনাক্স মার্ক ইন্সটিটিউট (এলএমআই)। এলএমআই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও অন্যান্য দেশে লিনাক্স ট্রেডমার্ক প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে।
| 0.5 | 1,666.740718 |
20231101.bn_2324_21
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8
|
লিনাক্স
|
বহনযোগ্যতা বলতে এখানে একই সফটওয়্যারের বিভিন্ন পরিবেশে কাজ করার ক্ষমতাকে বোঝানো হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে লিনাক্স কার্নেল কেবল ৩৮৬-জাতীয় প্রসেসরের জন্যই বানানো হতো। পরবর্তীতে একে অন্যান্য স্থাপত্যের অধীনেও কর্মক্ষম করা হয়। যেমন:
| 0.5 | 1,666.740718 |
20231101.bn_546374_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
জাতীয়তা
|
কিছু আন্তর্জাতিক আইন এবং চুক্তির মাধ্যমে রাষ্ট্র স্বাধীন ভাবে নির্ধারণ করতে পারে কে সেই রাষ্ট্রের জাতি হবে। যাইহোক নটবহম ঘটনার পর থেকে একজন সত্যিকার সামাজিক বন্ধনের ভিত্তিতে গরে ওঠা একজন নাগরিককে রক্ষার জন্য শুধুমাত্র প্রয়োজন চাওয়ার সম্মান কে বজায় রাখা। দ্বৈত নাগরিকতার ক্ষেত্রে দুই রাষ্ট্র ঠিক করবে কোন রাষ্ট্রীয় আইন তার জন্য কার্যকরী হবে। একজনের জাতীয়তা বাতিলের ক্ষেত্রেও কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণার ১৫ তম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে " সবার নাগরিক হওয়ার অধিকার আছে," এবং " সাধারণ ভাবে কোন বাক্তিকেই তার নাগরিকতা থেকে বঞ্চিত করা এবং নাগরিকতা পরিবর্তনের অধিকার বাতিল যাবে না।"
| 0.5 | 1,662.715263 |
20231101.bn_546374_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A4%E0%A6%BE
|
জাতীয়তা
|
নাগরিক যে দেশের সাধারণত সে দেশে প্রত্যাবর্তন করা বা প্রবেশের অধিকার আছে। অধিবাসী ছাড়াও একটি রাষ্ট্রের নাগরিককে পাসপোর্ট দেয়া হয়, কারণ পাসপোর্ট হচ্ছে কোন দেশে প্রবেশের জন্য ভ্রমণ কাগজ পত্র। যাইহোক, পাসপোর্ট প্রদানের পর কারো চিরদিনের জন্য কোন দেশে বসবাসের অধিকার থাকে না।
| 0.5 | 1,662.715263 |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.