_id
stringlengths 17
22
| url
stringlengths 42
314
| title
stringlengths 2
36
| text
stringlengths 100
5.1k
| score
float64 0.5
1
| views
float64 23
11.1k
|
---|---|---|---|---|---|
20231101.bn_84080_0
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%B2
|
পটল
|
পটল ( হিন্দি থেকে) এক ধরনের সবজি। এই উদ্ভিদের বৈজ্ঞানিক নাম Trichosanthes dioica।এটি ভারতের পূর্বাঞ্চলে বিশেষ করে ওড়িশা, পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, বিহার, উত্তর প্রদেশ এবং বাংলাদেশে ভাল জন্মায়। এতে প্রচুর পরিমাণে শর্করা, ভিটামিন এ ও সি আছে। এছাড়া এতে স্বল্প পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, তামা, পটাসিয়াম, গন্ধক ও ক্লোরিন আছে।
| 0.5 | 1,744.057433 |
20231101.bn_84080_1
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%B2
|
পটল
|
পটল কিছুটা শসা ও ক্ষীরা গোত্রের উদ্ভিদ। এটি খেতেও উপাদেয়। পটল স্যুপ, তরকারী, ভাজা এমনকী মিষ্টান্ন প্রস্তুতিতেও ব্যবহৃত হয়।পটল দিয়ে নানা রকমের খাবার করা হয়।
| 0.5 | 1,744.057433 |
20231101.bn_84080_2
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%B2
|
পটল
|
পটলের উৎপাদনমাত্রা ভালো। ৪৫ থেকে ৫০ দিনের মধ্যে ফসল পাওয়া যায়। ৩ থেকে ৪ দিন পরপর পটল তোলা যায়। তরকারী হিসেবে পটলের বেশ চাহিদা আছে। পটলের শ্রমিক খরচ কম। পটল লম্বায় ৫-১৫ সেমি পর্যন্ত হয়ে থাকে। স্বল্পোষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ভাল জন্মায়। পটলের তরকারী বেশ উপকারী।
| 0.5 | 1,744.057433 |
20231101.bn_84080_3
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%B2
|
পটল
|
তাজা পটল হজমশক্তি বাড়ায়। কাশি, জ্বর, রক্তদুষ্টি ভাল করে । হার্টের শক্তি বৃদ্ধি, পিত্তজ্বর, কৃমি সাড়ায় এবং শরীর ঠান্ডা রাখে। তাছাড়াও ---
| 0.5 | 1,744.057433 |
20231101.bn_84080_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%B2
|
পটল
|
পটলের অগণিত স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা অনেকেই জানেন না। এই সবজিটি একটি পুষ্টিকর খাদ্য। এতে ভিটামিন এ, ভিটামিন বি ১, ভিটামিন বি ২ ও ভিটামিন সি, ক্যালসিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। আয়ুর্বেদে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা সমাধানে ব্যবহার করা হয়। পটলের স্বাস্থ্য উপকারিতার বিষয়ে জানবো আজ।
| 1 | 1,744.057433 |
20231101.bn_84080_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%B2
|
পটল
|
এই সবুজ রঙের সবজিটিতে ভালো পরিমাণে ফাইবার থাকে যা খাদ্য হজমে সাহায্য করে। এছাড়াও এটি গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা সমাধানে এবং লিভারের সাথে সম্পর্কিত সমস্যা সমাধানেও সাহায্য করে।
| 0.5 | 1,744.057433 |
20231101.bn_84080_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%B2
|
পটল
|
পটলে ক্যালরির পরিমাণ কম থাকে। তাই ওজন কমানোর জন্য নিশ্চিন্তে পটলের তরকারি খেতে পারেন। এটি পেট ভরা রাখতে ও ক্ষুধা কমাতে সাহায্য করে।
| 0.5 | 1,744.057433 |
20231101.bn_84080_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%B2
|
পটল
|
পটলের আরেকটি স্বাস্থ্য উপকারিতা হচ্ছে এটি রক্তকে পরিশোধিত করে। এর ফলে ত্বকের যত্নেও এই সবুজ সবজিটি ভালো কাজ করে।
| 0.5 | 1,744.057433 |
20231101.bn_84080_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%B2
|
পটল
|
পটলে ভিটামিন এ ও সি থাকে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে বলে ত্বকের জন্য উপকারী। ফ্রি র্যাডিকেলের বিস্তার রোধ করে বয়সের ছাপ প্রতিরোধে সাহায্য করে পটল।
| 0.5 | 1,744.057433 |
20231101.bn_63851_15
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
মসলিন
|
এ জাতীয় মসলিনের নাম থেকে ধারণা করা হয় সম্ভবত শুধু জামা তৈরিতে এ মসলিন ব্যবহৃত হতো কারণ 'বদন' মানে শরীর। এর বুনন ঘন হত না। এগুলো ২৪ গজ লম্বা আর দেড় গজ চওড়া হত, ওজন হত ৩০ তোলা।
| 0.5 | 1,740.048918 |
20231101.bn_63851_16
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
মসলিন
|
ফার্সি শব্দ সর-বন্ধ মানে হল মাথা বাঁধা। প্রাচীন বাংলা উচ্চপদস্থ কর্মচারীরা মাথায় পাগড়ি বাঁধতেন, যাতে ব্যবহৃত হত সার-বন্ধ। লম্বায় ২০-২৪ গজ আর চওড়ায় আধা থেকে এক গজ হতো; ওজন হতো ৩০ তোলা।
| 0.5 | 1,740.048918 |
20231101.bn_63851_17
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
মসলিন
|
ডোরা কাটা মসলিন 'ডোরিয়া' বলে পরিচিত ছিল। লম্বায় ১০-১২ গজ আর চওড়ায় ১ গজ হত। শিশুদের জামা তৈরি করে দেয়া হত ডোরিয়া দিয়ে।
| 0.5 | 1,740.048918 |
20231101.bn_63851_18
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
মসলিন
|
জামদানি কার্পাস তুলা দিয়ে প্রস্তুত একধরনের পরিধেয় বস্ত্র। প্রাচীনকালের মিহি মসলিন কাপড়ের উত্তরাধিকারী হিসেবে জামদানি শাড়ি বাঙ্গালি নারীদের অতি পরিচিত। মসলিনের উপর নকশা করে জামদানি কাপড় তৈরি করা হয়। জামদানি বলতে সাধারণত শাড়িকেই বোঝান হয়। তবে জামদানি দিয়ে নকশি ওড়না, কুর্তা, পাগড়ি, রুমাল, পর্দা প্রভৃতিও তৈরি করা হত। ১৭০০ শতাব্দীতে জামদানি দিয়ে নকশাওয়ালা শেরওয়ানির প্রচলন ছিল। এ ছাড়া, মুঘল নেপালের আঞ্চলিক পোশাক রাঙ্গার জন্যও জামদানি কাপড় ব্যবহৃত হত। তবে আগেকার যুগে 'জামদানী' বলতে বোঝানো হতো নকশা-করা মসলিনকে।
| 0.5 | 1,740.048918 |
20231101.bn_63851_19
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
মসলিন
|
আরবিতে কামিস অর্থ পোশাক। কুর্তা তৈরির জন্য এ জাতীয় মসলিন ব্যবহার করা হতো। কুর্তা এত দীর্ঘ ছিল যে, তা পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত ঢেকে দিতো। এর জন্য দরকার হতো লম্বা ও সমান কাপড়ের, যাতে সুতার সংখ্যা ছিল ১,৪০০।
| 1 | 1,740.048918 |
20231101.bn_63851_20
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
মসলিন
|
এ ছাড়াও আরো বিভিন্ন প্রকারের মসলিন ছিল: মলমল (সূক্ষ্মতম বস্ত্র), 'রঙ্গ' (স্বচ্ছ ও জালিজাতীয় বস্ত্র), 'আলাবালি' (অতিমিহি), 'তরাদ্দাম', 'তনজেব' (দেহের অলঙ্কার সদৃশ), 'সরবুটি', 'চারকোনা' (ছক কাটা বস্ত্র) ইত্যাদি।
| 0.5 | 1,740.048918 |
20231101.bn_63851_21
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
মসলিন
|
ভারতে ব্রিটিশশাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পরে ঊনবিংশ শতাব্দীতে স্থানীয়ভাবে প্রস্তুত করা বস্ত্রের উপরে ৭০ হতে ৮০ শতাংশ কর আরোপ করা হয়, যেখানে ব্রিটেনে প্রস্তুত-করা আমদানীকৃত কাপড়ের উপরে মাত্র ২ থেকে ৪ শতাংশ কর ছিল। এর ফলে ভারতীয় উপমহাদেশের তাঁতশিল্পে ধস নামে।
| 0.5 | 1,740.048918 |
20231101.bn_63851_22
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
মসলিন
|
কথিত আছে, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকেরা মসলিন উৎপাদন বন্ধ করার জন্য মসলিন বয়নকারী তাঁতিদের হাতের বুড়ো আঙুল কেটে দেয়। তবে অধুনা অন্য আরেকটি দাবি বেশ যৌক্তিকভাবে সামনে উঠে এসেছে। তা হল, তাঁতিদের হাত ব্রিটিশরা নয়, বরং তারা নিজেরাই নিজেদের আঙ্গুল কেটে নিত, যাতে এই তাঁতের কাজ আর না করতে হয়।
| 0.5 | 1,740.048918 |
20231101.bn_63851_23
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%B8%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%A8
|
মসলিন
|
‘বাংলাদেশের সোনালি ঐতিহ্য মসলিন সুতা তৈরির প্রযুক্তি ও মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধার (প্রথম পর্যায়)’ প্রকল্পের আওতায় ছয় বছর গবেষণার পর ২০২০ সালে ছয়টি ঢাকাই মসলিন শাড়ি তৈরি করা হয়। আগামীতে এই শাড়ি সর্বসাধারণের জন্য বাজারে আনা সম্ভব হতে পারে। ২০২০ সালের ২৮ ডিসেম্বর ঢাকাই মসলিনকে জিআই ( ভৌগোলিক নির্দেশক) স্বত্বের অনুমোদন দেয়া হয়।
| 0.5 | 1,740.048918 |
20231101.bn_1300_1
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A6
|
চাদ
|
চাদকে বাংলা ভাষা রীতিগত পরিবর্তনের কারণে শাদ বলেও অভিহিত করা হয়। চাদকে তিনটি ভৌগোলিক অঞ্চলে ভাগ করা যায়: উত্তরের সাহারা মরুভূমি অঞ্চল, মধ্যভাগের ঊষর সহিলীয় বেষ্টনী, এবং দক্ষিণের অপেক্ষাকৃত উর্বর সুদানীয় সাভানা তৃণভূমি অঞ্চল। চাদ হ্রদ দেশটির বৃহত্তম এবং আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম জলাশয়। এই হ্রদের নামের দেশটির চাদ নামকরণ করা হয়েছে। সাহারা অঞ্চলে অবস্থিত তিবেস্তি পর্বতমালার এমি কৌসি চাদের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। রাজধানী এনজামেনা দেশটির বৃহত্তম শহর। চাদে ২০০ বেশি ধরনের জাতিগত ও ভাষাভিত্তিক গোষ্ঠীর বাস। ফরাসি ও আরবি এখানকার সরকারি ভাষা। ইসলাম ও খ্রিস্টধর্ম এখানে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।
| 0.5 | 1,733.645659 |
20231101.bn_1300_2
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A6
|
চাদ
|
খ্রিস্টপূর্ব ৭ম সহস্রাব্দের শুরুতে চাদ উপত্যকাতে বড় আকারের মনুষ্য বসতি স্থাপিত হয়। খ্রিস্টপূর্ব ১ম সহস্রাব্দ নাগাদ চাদের সহিলীয় অঞ্চলটিতে বহু রাজ্য ও সাম্রাজ্যের উত্থান-পতন ঘটে; চাদের মধ্য দিয়ে চলে যাওয়া আন্তঃসাহারান বাণিজ্যপথটি নিয়ন্ত্রণ করাই ছিল এগুলির লক্ষ্য। ১৯২০ সাল নাগাদ ফ্রান্স দেশটি দখল করে এবং এটিকে ফরাসি বিষুবীয় আফ্রিকার অংশীভূত করে। ১৯৬০ সালে ফ্রঁসোয়া তোম্বালবাইয়ের নেতৃত্বে চাদ স্বাধীনতা অর্জন করে। কিন্তু মুসলিম-অধ্যুষিত উত্তরাঞ্চল তোম্বালবাইয়ের নীতির বিরোধিতা করে এবং ১৯৬৫ সালে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। ১৯৭৯ সালে বিপ্লবীরা রাজধানী দখল করে এবং দক্ষিণের আধিপত্যের অবসান ঘটায়। কিন্তু বিপ্লবী নেতারা অন্তর্কোন্দলে জড়িয়ে পড়ে; শেষ পর্যন্ত ইসেনে আব্রে তার প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজিত করেন। ১৯৯০ সালে তারই সামরিক জেনারেল ইদ্রিস দেবি তাকে ক্ষমতাচ্যুত করেন। সাম্প্রতিক সময়ে সুদানের দারফুর সংকট সীমানা পেরিয়ে চাদেও সংক্রমিত হয়েছে এবং যুদ্ধ শুরু হয়ে দেশটিতে একটি অস্থিতিশীল অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
| 0.5 | 1,733.645659 |
20231101.bn_1300_3
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A6
|
চাদ
|
চাদে অনেকগুলি রাজনৈতিক দল থাকলেও রাষ্ট্রপতি দেবি ও তার রাজনৈতিক দল পেট্রিয়টিক স্যালভেশন মুভমেন্ট ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রেখেছেন। রাজনৈতিক সহিংসতা ও অভ্যুত্থান বা কু-এর ঘটনা চাদের রাজনীতিকে জর্জরিত করে রেখেছে। এটি বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্র ও দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলির একটি। বেশির চাদীয় নাগরিক দিনমজুরি ও কৃষিকাজ করেন। ঐতিহ্যবাহী তুলা শিল্প একদা দেশের প্রধান রপ্তানিকারী শিল্প হলেও ২০০৩ থেকে খনিজ তেল দেশটির রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস।
| 0.5 | 1,733.645659 |
20231101.bn_1300_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A6
|
চাদ
|
চাদ এর আয়তনের সাথে তাল মিলিয়ে এর জনসংখ্যাও বৃদ্ধি পেয়েছে ২০১৩ অনুসারে চাদ এর জনসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৩,৬৭০,০৮৪ জন ভাষাসমূহ
| 0.5 | 1,733.645659 |
20231101.bn_1300_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A6
|
চাদ
|
চাদ এর অন্যতম সরকারি ভাষা আরবি ও ফরাসি। কিন্তু ১০০টি ভাষা এবং উপভাষা ব্যবহৃত হয়। ভ্রাম্যমাণ আরব ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সম্প্রদায়ের বসতি স্থাপন বণিকদের চরিত্রে অভিনয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা কারণে চাদীয় আরবি একটি রীতি হয়ে গেছে।
| 1 | 1,733.645659 |
20231101.bn_1300_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A6
|
চাদ
|
চাদ ধর্মীয়ভাবে বিচিত্র দেশ। ১৯৯৩ সালের আদমশুমারী দেখা গেছে যে ৫৪% চাদীয় লোক (একটি সংরক্ষিত আসনের অনুযায়ী এগুলোর মধ্যে প্রতিবেদন ৪৮%, সুন্নি হতে নামেমাত্র ২১% শিয়া, ৪% আহমাদী এবং ২৩% শুধুমাত্র মুসলিম) মুসলিম ছিল। যখন ৩% কোন ধর্মের মুক্তকণ্ঠে করা হয়নি চাদীয় লোক এর মোটামুটিভাবে ২০%, রোমান ক্যাথলিক, ১৪% প্রোটেস্ট্যান্ট, ১০% সর্বপ্রাণবাদী হয়। এই ধর্মীয় ঐতিহ্যের মধ্যে কেউই একশিলা হয়। সর্বপ্রাণবাদ পূর্বপুরুষ এবং স্থান ভিত্তিক ধর্মের যার অভিব্যক্তি খুব নির্দিষ্টভাবে হয় বিভিন্ন অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ইসলাম বিচিত্র উপায়ে প্রকাশ করা হয়; উদাহরণস্বরূপ, উল্লিখিত মুসলিম চাদীয় লোক আগের ৫৫% সংরক্ষিত আসনের রিপোর্ট অনুযায়ী সুফি অন্তর্গত। খ্রীষ্টধর্ম ফরাসি ও আমেরিকান মিশনারি সঙ্গে চাদ আগত; চাদীয় লোক ইসলামের সাথে হিসেবে, এটা প্রাক খৃস্টান ধর্মীয় বিশ্বাসের দিক সমগোত্রীয়। মুসলমানদের উত্তর ও পূর্ব চাদ মধ্যে মূলত কেন্দ্রীভূত এবং আধ্যাত্ববাদ এবং খ্রিস্টান দক্ষিণ চাদ প্রাথমিকভাবে বাস। সংবিধান একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের জন্য উপলব্ধ করা হয় এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চয়তা; বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সাধারণত সমস্যা ছাড়াই সহ-বিদ্যমান।
| 0.5 | 1,733.645659 |
20231101.bn_1300_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A6
|
চাদ
|
দেশে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রহস্যময় ইসলাম (সুফিবাদ) একটি মধ্যপন্থী শাখার অনুগামী হয়। তার সবচেয়ে সাধারণ অভিব্যক্তি Tijaniyah, যা স্থানীয় আফ্রিকান ধর্মীয় উপাদানের অন্তর্ভুক্ত Chadian মুসলমানদের 35% দ্বারা অনুসরণ একটি আদেশ হয়। দেশের মুসলমানদের একটি ছোট সংখ্যালঘু আরও মৌলবাদী চর্চা, যা, কিছু ক্ষেত্রে, সৌদি ওরিয়েন্টেড সালাফী আন্দোলন সাথে যুক্ত হতে পারে ধরে রাখুন। [60]
| 0.5 | 1,733.645659 |
20231101.bn_1300_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A6
|
চাদ
|
রোমান ক্যাথলিক দেশের সর্ববৃহত খ্রিস্টান আখ্যা প্রতিনিধিত্ব করে। নাইজেরিয়া-ভিত্তিক "উইনার্স চ্যাপেল" সমেত অধিকাংশ প্রোটেস্ট্যান্ট, বিভিন্ন ধর্মপ্রচারক খ্রিস্টান গোষ্ঠীর সাথে জড়িত নই। বাহাই এবং যিহোবার সাক্ষিদের ধর্মীয় সম্প্রদায়ের সদস্যরা দেশের মধ্যে উপস্থিত থাকে। উভয় ধর্মের ১৯৬০ সালে স্বাধীনতার পর চালু হয় এবং এর ফলে দেশে "নতুন" ধর্মের বলে মনে করা হয়।
| 0.5 | 1,733.645659 |
20231101.bn_1300_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%A6
|
চাদ
|
চাদ উভয় খ্রিস্টান ও ইসলামী দলের প্রতিনিধিত্বমূলক বিদেশী মিশনারীরা হোম। ভ্রাম্যমাণ মুসলিম প্রচারক, সুদান, সৌদি আরব, এবং পাকিস্তান থেকে প্রাথমিকভাবে, এছাড়াও এ যান। সৌদি তহবিল সাধারণত সামাজিক এবং শিক্ষা সংক্রান্ত প্রকল্প এবং ব্যাপক মসজিদ নির্মাণ সমর্থন করে। [60] দেখুন
| 0.5 | 1,733.645659 |
20231101.bn_628274_0
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%A1
|
স্টেরয়েড
|
স্টেরয়েড হল হরমোন হিসাবে পরিচিত রাসায়নিকগুলির একটি মানবসৃষ্ট সংস্করণ যা মানবদেহে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি হয়। এই স্টেরয়েডগুলি প্রদাহ হ্রাস করতে হরমোনগুলির মতো কাজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এগুলি কর্টিকোস্টেরয়েডস নামেও পরিচিত এবং এটি বডি বিল্ডার এবং অ্যাথলেটদের জন্য ব্যবহৃত অ্যানাবলিক স্টেরয়েডগুলির থেকে পৃথক।
| 0.5 | 1,728.975586 |
20231101.bn_628274_1
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%A1
|
স্টেরয়েড
|
ইন্টারমিডিয়েট অ্যাকটিং স্টেরয়েড: এই স্টেরয়েডগুলো ২-৪ সপ্তাহ দেওয়া হয়৷ যেমন Prednisone এবং Methylprednisolone৷
| 0.5 | 1,728.975586 |
20231101.bn_628274_2
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%A1
|
স্টেরয়েড
|
গাছপালা, প্রাণী এবং ছত্রাকে শত শত স্টেরয়েড পাওয়া যায়। সমস্ত স্টেরয়েডগুলি স্টেরল ল্যানোস্টেরল (ওপিস্টোকন্টস) বা সাইক্লোয়ারটেনল (উদ্ভিদ) কোষ থেকে তৈরি করা হয়। ল্যানোস্টেরল এবং সাইক্লোয়ারটেনল চক্রাকার যৌগ ট্রাইটারপিন স্কোলেইন থেকে প্রাপ্ত । স্টেরয়েডের মূল কাঠামোটি সাধারণত সতেরোটি কার্বন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত, চারটি "ফিউজড" রিংগুলিতে আবদ্ধ: তিনটি ছয় সদস্যের সাইক্লোহেক্সেন রিং (প্রথম চিত্রটিতে রিং এ, বি এবং সি) এবং পাঁচ সদস্যের একটি সাইক্লোপেনটেন রিং (ডি রিং) । স্টেরয়েডগুলি এই ফোর-রিং কোরের সাথে সংযুক্ত ক্রিয়াকলাপী গোষ্ঠীগুলির দ্বারা এবং রিংগুলির জারণ অবস্থার দ্বারা পৃথক হয়। হাইড্রোক্সিল গ্রুপের তৃতীয় অবস্থানের স্টেরয়েডগুলি নিয়ে স্টেরলগুলি গঠিত হয়। স্টেরয়েডগুলি আরও মূলগতভাবে পরিবর্তিত হতে পারে যেমন রিং স্ট্রাকচারের দ্বারা পরিবর্তনগুলি উদাহরণস্বরূপ, রিংগুলির একটি কেটে নেওয়া। রিং বি কাটিং সেকোস্টেরয়েড তৈরি করে যার মধ্যে একটি হল ভিটামিন ডি৩।
| 0.5 | 1,728.975586 |
20231101.bn_628274_3
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%A1
|
স্টেরয়েড
|
ইনজেকটেবল অর্থাৎ ইনজেকশন হিসাবে এটি ব্যবহৃত হয়৷ এক্ষেত্রে ট্রপিকাল মানে চামড়ায় ইনজেকশন, ইন্ট্রা-আর্টিকুলার মানে জয়েন্টে ইনজেকশন এবং ইন্ট্রা-ভাসকুলার অর্থাৎ ভেইনে ইনজেকশন দেওয়া হয়৷ জয়েন্ট পেইন ও স্পাইনালের সমস্যায় এই প্রকার ওষুধ চিকিৎসকেরা দিয়ে থাকেন৷
| 0.5 | 1,728.975586 |
20231101.bn_628274_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%A1
|
স্টেরয়েড
|
স্লিপ ডিস্ক: দীর্ঘ সময় বাইক চালালে বা কোনও দুর্ঘটনা হলে স্লিপ ডিস্ক হয়৷ এক্ষেত্রে মূলত কোমরে ব্যথা হয়৷ চিকিৎসক ফিজিওথেরাপির সঙ্গে অসহ্য ব্যথা কমানোর জন্য ৫-৭ দিনের একটি শর্ট কোর্স স্টেরয়েড দিয়ে থাকেন৷
| 1 | 1,728.975586 |
20231101.bn_628274_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%A1
|
স্টেরয়েড
|
স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি: দুর্ঘটনার ফলে এখন হামেশাই স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি দেখা যায়৷ এক্ষেত্রে ৮ ঘণ্টার মধ্যে ইন্ট্রা-ভাসকুলার স্টেরয়েড ইনজেকশন না দিলে রোগীর প্যারালাইসিস হয়ে যেতে পারে৷ তাই এক্ষেত্রে চিরতরে পঙ্গু হয়ে যাওয়ার হাত থেকে স্টেরয়েড রক্ষা করে৷
| 0.5 | 1,728.975586 |
20231101.bn_628274_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%A1
|
স্টেরয়েড
|
সারভাইকাল স্পনডিলোসিস: বয়স্কদের মধ্যে মূলত এই প্রকার সমস্যা দেখা যায়৷ এক্ষেত্রে চিকিৎসক প্রথমে ফিজিওথেরাপি ও কিছু মেডিসিন দেন৷ তাতে যদি ভাল কাজ না হয়, তখন ডিপোমেডরল স্টেরয়েড ইনজেকশন দেওয়া হয়৷ এক্ষেত্রে লোকাল অ্যানাস্থেসিয়ার দ্বারা ফেমেট জয়েন্ট ব্লক করা হয়৷
| 0.5 | 1,728.975586 |
20231101.bn_628274_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%A1
|
স্টেরয়েড
|
টেনিস এলবো: দীর্ঘদিন ভারী কাজ করার জন্য বা অত্যধিক কনুইয়ের মুভমেন্টের কারণে (বিশেষ করে খেলোয়াড়দের) এই রোগটি হয়৷ কনুইয়ে অসহ্য যন্ত্রণার পাশাপাশি এর চারপাশের টেনডন ড্যামেজ হয়ে যায়৷ এক্ষেত্রে চিকিৎসক ব্যথা কমানোর জন্য শর্ট অ্যাকটিং স্টেরয়েড দেন৷
| 0.5 | 1,728.975586 |
20231101.bn_628274_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%87%E0%A6%A1
|
স্টেরয়েড
|
প্লান্টার ফ্যাসাইটিস বা হিল স্পার: এটি একটি ক্রনিক ডিজিজ৷ এক্ষেত্রে গোড়ালির হাড় বেড়ে যায়, ফলে হাঁটাচলা করলে প্রচণ্ড যন্ত্রণা হয়৷ ওষুধ, ডক্টর-শ্যু প্রভৃতি দিয়ে চিকিৎসা করে কোনও ফল না পাওয়া গেলে গোড়ালিতে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি ইনজেকশন দেওয়া হয়৷
| 0.5 | 1,728.975586 |
20231101.bn_18756_1
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
|
স্কটল্যান্ড
|
এডিনবরা, দেশের রাজধানী ও দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর, ১৮ শতকে স্কটিশ নবজাগরণের কেন্দ্রবিন্দু ছিল, যা স্কটল্যান্ডকে ইউরোপে বাণিজ্যিক, বুদ্ধিবৃত্তিক এবং শিল্প শক্তিকেন্দ্রগুলোর একটিতে রুপান্তরিত করে। গ্লাসগো, স্কটল্যান্ডের বৃহত্তম শহর, একসময়কার বিশ্বের নেতৃস্থানীয় শিল্প শহর ছিল। স্কটিশ পানি সীমা উত্তর আটলান্টিক এবং উত্তর সাগর একটি বড় সেক্টর গঠিত, ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে বৃহত্তম তেল মজুদ রয়েছে। এজন্যই অ্যাবরদিনকে, স্কটল্যান্ড তৃতীয় বৃহত্তম শহর, ইউরোপের তেল রাজধানী বলা হয়।
| 0.5 | 1,727.838887 |
20231101.bn_18756_2
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
|
স্কটল্যান্ড
|
১৬০৩ সালে স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের রাজবংশ রাজা প্রথম জ্যাকবের অধীনে একত্রিত হয়। ১৭০৭ সালে স্কটল্যান্ড ও ইংল্যান্ডের আইনসভা একত্রিত হয়। কিন্তু আজ পর্যন্ত স্কটল্যান্ড নিজস্ব বিচারব্যবস্থা, নিজস্ব গির্জা, নিজস্ব শিক্ষাব্যবস্থা, এমনকি নিজস্ব টাকা ধরে রেখেছে। ১৯৯৯ সাল থেকে স্কটল্যান্ডের নিজস্ব আইনসভা রয়েছে এবং তখন থেকে দেশটি স্বায়ত্বশাসিত।
| 0.5 | 1,727.838887 |
20231101.bn_18756_3
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
|
স্কটল্যান্ড
|
স্কটল্যান্ডের উত্তরে আটলান্টিক মহাসাগর, পূর্বে উত্তর সাগর, দক্ষিণ-পূর্বে ইংল্যান্ড, দক্ষিণে সলওয়ে ফার্থ ও আইরিশ সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর ও নর্থ চ্যানেল, যা আয়ারল্যান্ড ও গ্রেট ব্রিটেন দ্বীপের মধ্যে অবস্থিত। ভূ-রাজনৈতিক একতার ভিত্তিতে প্রায় ১৮৬টি দ্বীপ স্কটল্যান্ডের শাসনাধীন, যাদেরকে মোটামুটি তিনটি দলে ভাগ করা যায়। একটি হল স্কটল্যান্ডের উত্তর-পশ্চিম উপকূলের কাছে অবস্থিত হেব্রাইডস দ্বীপপুঞ্জ (অন্তঃস্থ ও বহিঃস্থ), উত্তর সাগরে অবস্থিত অর্ক্নি দ্বীপপুঞ্জ, এবং অর্ক্নি দ্বীপপুঞ্জের উত্তর-পূর্বে অবস্থিত শেটল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ। বাকী দ্বীপগুলির মধ্যে সবচেয়ে বড়টির নাম আরান দ্বীপ; এটি স্কটল্যান্ডের পশ্চিম উপকূলে ক্লাইড ফার্থ বা ক্লাইড উপসাগরে অবস্থিত। দ্বীপগুলিকে গণনায় ধরে স্কটল্যান্ডের মোট আয়তন ৭৮,০৮০ বর্গকিলোমিটার। অভ্যন্তরীণ জলাশয়গুলির আয়তন প্রায় ১,৫০০ বর্গকিলোমিটার।
| 0.5 | 1,727.838887 |
20231101.bn_18756_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
|
স্কটল্যান্ড
|
১৭০৬-১৭০৭ সালে ‘ট্রিটি অব ইউনিয়ন’ পাস করে ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ড ‘গ্রেট ব্রিটেন’ নামে এক রাষ্ট্রে পরিণত হয়। ১৯৬৭ সাল থেকে স্কটল্যান্ডকে নিজেদের মতো করে শাসন করার স্বপ্ন দেখছে স্কটিশরা। ১৯৭৯ ও ১৯৯৭ সালের গণভোটের পর ১৯৯৯ সালে প্রথম স্কটিশ পার্লামেন্টের যাত্রা শুরু হয়। ২০০৭ সালে আলেক্স সালমন্ডের নেতৃত্বে স্কটিশ ন্যাশনাল পার্টি (এসএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়। বর্তমানে স্কটিশ পার্লামেন্টে ১২৯ আসনের মধ্যে ৬৫টি এসএনপির, ৩৮টি লেবার পার্টির ও ১৫টি রক্ষণশীল দলের।
| 0.5 | 1,727.838887 |
20231101.bn_18756_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
|
স্কটল্যান্ড
|
বর্তমানে স্কটল্যান্ডের নিজস্ব প্রতিরক্ষা খাতে কোনো বাজেট বা ব্যয় নেই। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই খাতের নিয়ন্ত্রণ করে। স্কটল্যান্ডের সামরিক চিত্র :
| 1 | 1,727.838887 |
20231101.bn_18756_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
|
স্কটল্যান্ড
|
স্কটল্যান্ডের মোট জনসংখ্যার ৮৪ শতাংশ শ্বেতাঙ্গ স্কটিশ ও ৭.৯ শতাংশ ব্রিটিশ। অন্যান্য নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে আছে ১.৯ শতাংশ উপজাতি শ্বেতাঙ্গ, ১.২ শতাংশ পোলিশ, ১ শতাংশ আইরিশ, ০.৯ শতাংশ পাকিস্তানি ও ০.১২ শতাংশ কৃষ্ণাঙ্গ ক্যারিবিয়ান স্কটিশ। জনগণের ৩২.৪ শতাংশ চার্চ অব স্কটল্যান্ডের অনুসারী। রোমান ক্যাথলিক ধর্মে বিশ্বাসী ১৫.৯ শতাংশ। অন্যান্য খ্রিস্টান ৫.৫ শতাংশ, মুসলিম ১.৪ শতাংশ ও হিন্দু ০.৩ শতাংশ। জাতীয়ভাবে স্কটিশদের প্রধান উৎসব বার্নস নাইট, এডিনবার্গ ফেস্টিভ্যাল। স্কটিশদের খাদ্যাভ্যাসে আছে মার্স বার ডিপ ফ্রাইড ফিশ, রুটি, কেক ও জাউ।
| 0.5 | 1,727.838887 |
20231101.bn_18756_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
|
স্কটল্যান্ড
|
Keay, John, and Julia Keay. Collins Encyclopedia of Scotland (2nd ed. 2001), 1101pp; 4000 articles; emphasis on history
| 0.5 | 1,727.838887 |
20231101.bn_18756_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
|
স্কটল্যান্ড
|
Tabraham, Chris, and Colin Baxter. The Illustrated History of Scotland (2004) excerpt and text search
| 0.5 | 1,727.838887 |
20231101.bn_18756_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%9F%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
|
স্কটল্যান্ড
|
Brown, Dauvit, (1999) Anglo-French acculturation and the Irish element in Scottish Identity in Smith, Brendan (ed.), Insular Responses to Medieval European Change, Cambridge University Press, pp. 135–53
| 0.5 | 1,727.838887 |
20231101.bn_83807_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF
|
চিংড়ি
|
খুলনা জেলার চিংড়ি খামার গুলোর অধিকাংশই উপকূলীয় বাঁধের ভিতরে অবস্থিত। এগুলি এককভাবে চিংড়ি চাষের জন্য ব্যবহৃত হয়। একটি আদর্শ খামারে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য যেসব দিকে দৃষ্টি রাখা হয় তা হলো , খামারকে বন্যা ও জলোচ্ছ্বাস থেকে রক্ষার উদ্দেশ্যে বেষ্টনী বাঁধের ব্যবস্থা রাখা। বেষ্টনী বাঁধ সাধারণত ২-৩ মিটার উঁচু হয় , যেন সর্বোচ্চ জোয়ারের সময়ও বাঁধের ওপর দিয়ে পুকুরে পানি ঢুকতে না পারে। এছাড়া খামারে পানি ও চিংড়ির পোনা ঢুকানোর জন্য হেড ক্যানেল (head canel)-এর ব্যবস্থা থাকে। প্রকল্প থেকে প্রয়োজনে পানি নিষ্কাশনের জন্য ফিডার ক্যানেল(feeder canel) থাকে। অনেক সময় অভ্যন্তরীণ বাঁধ নির্মাণ করে খামারে পোনা প্রতিপালনের জন্য ছোট ছোট নার্সারি পুকুর (nursery pond) তৈরি করা হয়। খামারের প্রতিটি পুকুরে সঠিক মাত্রায় পানির গভীরতা বহাল রাখতে স্লুইস গেট (sluice gate)-এর ব্যবস্থা থাকে। স্লুইস গেট চিংড়ি খামারের অন্যতম প্রধান অবকাঠামো। বড় আকৃতির প্রধান স্লুইস গেট ফিডার ক্যানেলের মুখে বসাতে হয়। অল্প ব্যয় এবং রক্ষণাবেক্ষণের সুবিধার জন্য সাধারণত কাঠের গেট ব্যাবহার করা হয়।
| 0.5 | 1,726.367545 |
20231101.bn_83807_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF
|
চিংড়ি
|
বড় আকারের খামার ২০-২২ একর পর্যন্ত হয়। খামারের নার্সারি পুকুরের আয়তন সাধারণত পালন পুকুরের দশভাগের এক ভাগ হয়ে থাকে। পালন পুকুরের গভীরতা ১ থেকে ১.৫ মিটার পর্যন্ত এবং নার্সারি পুকুরের গভীরতা অনধিক ০.৭৫ মিটার। প্রতিবার চিংড়ি চাষ শুরু করার আগে পুকুর থেকে পানি সম্পূর্ণ বের করে নিতে হয়। পুকুরে খাদ্যঘাটতি রোধের জন্য হেক্টরপ্রতি ২৫০ কেজি জৈব সার এবং ৫৯ কেজি অজৈব সার প্রয়োগ করতে হয়। সার প্রয়োগের পরে পানির গভীরতা ৪০-৫০ সেন্টিমিটার রেখে এক সপ্তাহ পর পোনা ছাড়তে হয়।
| 0.5 | 1,726.367545 |
20231101.bn_83807_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF
|
চিংড়ি
|
খামারে সাধারণত দুই ভাবে পোনা মজুদ করা হয়। সারা বছরই উপকূলীয় নদী ও খালে চিংড়ির লার্ভা পাওয়া যায়। সাধারণত পানির উপরের স্তরে লার্ভা বাস করে। সে কারণে পানি প্রবেশ পথের স্লুইজ গেট এমনভাবে খুলে দেওয়া হয় যেন জোয়ারের সময় কেবল উপর স্তরের পানি ঘেরে প্রবেশ করে। এ পানির সঙ্গে চিংড়ির লার্ভা খামারে ঢুকে।
| 0.5 | 1,726.367545 |
20231101.bn_83807_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF
|
চিংড়ি
|
ইদানিং প্রাকৃতিক উৎস থেকেও লার্ভা সংগ্রহ করে প্রথমে নার্সারী পুকুরের ও পরে পালন পুকুরে মজুদ করা হয়। নার্সারী পুকুরের জন্য একর প্রতি ২,৫০,০০০-৩,০০,০০০ পোনা এবং পালন পুকুরে একর প্রতি ১৫,০০০-৩০,০০০ পোনা ছাড়া হয়। খুলনা, সাতক্ষীরা , বাগেরহাট , চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলে সমুদ্র উপকূল থেকে প্রচুর পরিমাণ লার্ভা সংগ্রহ করে তা ব্যবহার করা হচ্ছে। হ্যাচারিতে উৎপাদিত লার্ভার পরিমাণ চাহিদার চেয়ে কম বলে অধিকাংশ খামার প্রাকৃতিক উৎসের উপর ই বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।
| 0.5 | 1,726.367545 |
20231101.bn_83807_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF
|
চিংড়ি
|
বাগদা চিংড়ি সাধারণত ৪ মাসের মধ্যে গড়ে ৫০-৬০ গ্রাম ওজনের এবং তখন তা বাজারজাত করা হয়। উন্নততর পরিচর্যা ও ব্যবস্থাপনা করলে হেক্টর প্রতি ৫০০-৬০০ কেজি চিংড়ি উৎপাদন পর্যায়ক্রমে চিংড়ি ও ধান চাষ এ পদ্ধতিতে ঘেরের ভিতরে পুকুরে পালাক্রমে চিংড়ি ও ধান চাষ করা হয়। শীতকালে ঘেরের ভিতর জোয়ারের পানি ঢুকিয়ে চিংড়ি চাষ এবং বর্ষার আগে চিংড়ি আহরণ করে একই ঘেরে ধান ও অন্য মাছ চাষ করা হয়। জোয়ারের পানির সঙ্গে চিংড়ির লার্ভা ও অন্যান্য লোনা পানির মাছের পোনা প্রবেশ করে। বর্ষার শুরুতে জুন-জুলাই মাসে চিংড়ি ধরে নেওয়া হয়।
| 1 | 1,726.367545 |
20231101.bn_83807_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF
|
চিংড়ি
|
পর্যায়ক্রমে লবণ উৎপাদন ও চিংড়ি চাষ চট্টগ্রামের বাঁশখালী ও কক্সবাজারের বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকায় পর্যায়ক্রমে একই জমিতে লবণ উৎপাদন ও চিংড়ি চাষের প্রথা চালু আছে। সেখানে নভেম্বর থেকে এপ্রিল পর্যন্ত লবণ তৈরি করা হয়। মে মাস থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চিংড়ি চাষ করা হয়।
| 0.5 | 1,726.367545 |
20231101.bn_83807_10
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF
|
চিংড়ি
|
স্বাদুপানির চিংড়ি চাষ স্বাদু পানিতে এখনো ব্যাপকভাবে চিংড়ি চাষ শুরু হয়। দেশে স্বাদু পানিতে চাষ উপযোগী চিংড়ি হচ্ছে গলদা চিংড়ি। তবে M.malcolmsonii-ও চাষ করা সহজ। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ জলাশয় এর সর্বত্রই এ চিংড়ির বিচরণ। গলদা স্বাদু পানিতে বাস করলেও প্রজনন মৌসুমে ডিম ছাড়ার জন্য ঈষৎ লবণাক্ত পানিতে চলে আসে। তাই মোহনা ও খাড়ি অঞ্চলের নদীতে যেখানে জোয়ার ভাটা হয় সেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশে এদের প্রচুর লার্ভা পাওয়া যায়। কৃত্তিম উপায়ে এখন কক্সবাজার , চট্টগ্রামের পটিয়া , নোয়াখালীর ব্যাকইয়ার্ড হ্যাচারি এবং আরো কয়েকটি হ্যাচারিতে গলদা চিংড়ির পোনা উৎপাদন করা হচ্ছে।
| 0.5 | 1,726.367545 |
20231101.bn_83807_11
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF
|
চিংড়ি
|
আলো-বাতাস সমৃদ্ধ গাছপালা মুক্ত খোলা জায়গায় গলদা চাষের জন্য এক থেকে তিন বিঘা আয়তনের ৪-৫ ফুট গভীর আয়তাকার পুকুর সবচেয়ে ভালো। মাটি ও পানির গুণাগুণ পরীক্ষা করে উপযুক্ত পুকুরে হেক্টর প্রতি ২০,০০০-৫০,০০০ পোনা মজুদ করতে হয়।
| 0.5 | 1,726.367545 |
20231101.bn_83807_12
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BF%E0%A6%82%E0%A6%A1%E0%A6%BC%E0%A6%BF
|
চিংড়ি
|
পুকুরে প্রাকৃতিক খাদ্য যেমন ভাসমান ছোট ছোট উদ্ভিদ ও জুপ্লাংকটন (zooplankton) , কাকড়া , ঝিনুক ও শামুকের বাচ্চা , ছোট মাছ , মাছের ডিম , মৃত জলজপ্রাণী পচা অংশ ইত্যাদি গলদা চিংড়ির খাদ্য। দ্রুত ও সন্তোষজনক বৃদ্ধির জন্য সম্পূরক খাবার দিতে হয়। পুকুরে খাদ্য উৎপাদনের জন্য জৈব ও রাসায়নিক সার পরিমাণমতো দুই সপ্তাহ পর পর প্রয়োগ করলে চিংড়ি দ্রুত বড় হয়।
| 0.5 | 1,726.367545 |
20231101.bn_10301_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8
|
হ্যালোজেন
|
পরমাণুর আকার যত ছোট হয় তড়িৎ ঋণাত্মকতার মান তত বেশি হয়। ফ্লোরিন থেকে আয়োডিনের দিকে পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে পরমাণুর আকার বৃদ্ধি পায় বলে তড়িৎ ঋণাত্মকতার মান ক্রমেই হ্রাস পায়।
| 0.5 | 1,724.791969 |
20231101.bn_10301_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8
|
হ্যালোজেন
|
হ্যালোজেনসমূহ তীব্র তড়িৎ ঋণাত্মক। এদের তড়িৎ ঋণাত্বকতার ক্রম হলো F > Cl > Br > I > At । হ্যালোজেনসমূহের তড়িৎঋণাত্নকতার মান হচ্ছে ফ্লোরিন=৪, ক্লোরিন=৩, ব্রোমিন=২.৭ এবং আয়োডিন=২.২
| 0.5 | 1,724.791969 |
20231101.bn_10301_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8
|
হ্যালোজেন
|
পরমাণুর সর্ববহিস্থ স্তরে সাতটি ইলেকট্রন থাকায় নিকষ্টস্থ নিষ্ক্রিয় গ্যাসের ন্যায় অষ্টক পূর্ণতার জন্যে একটি ইলেকট্রন প্রয়োজন বলে সব হ্যালোজেনের সাধারণ যোজ্যতা এক।
| 0.5 | 1,724.791969 |
20231101.bn_10301_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8
|
হ্যালোজেন
|
হ্যালোজেনসমূহ উত্তম জারক। কারণ, ইলেকট্রনের প্রতি এদের তীব্র আকর্ষণ রয়েছে। তাই রাসায়নিক বিক্রিয়াকালে এরা সহজে এবং দ্রুত ইলেকট্রন গ্রহণ করে।
| 0.5 | 1,724.791969 |
20231101.bn_10301_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8
|
হ্যালোজেন
|
১.পানির সঙ্গে বিক্রিয়া:পানির সঙ্গে বিক্রিয়া করে হ্যালোজেনগুলি একটি শক্তিশালী অ্যাসিড এবং একটি দুর্বল অ্যাসিড উৎপন্ন করে। দুর্বল অ্যাসিডটি দ্রূত বিয়োজিত হয়ে জায়মান অক্সিজেন উৎপন্ন করে,যা হ্যালোজেনগুলির জারণ ধর্মের জন্য দায়ী।
| 1 | 1,724.791969 |
20231101.bn_10301_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8
|
হ্যালোজেন
|
৩.অধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া:নাইট্রোজেন,ফসফরাস,সিলিকন প্রভৃতি অধাতুর সঙ্গে বিক্রিয়া করে অধাতব হ্যালাইড উৎপাদন করে।
| 0.5 | 1,724.791969 |
20231101.bn_10301_10
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8
|
হ্যালোজেন
|
৪.হাইড্রোজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া:হাইড্রোজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে হ্যালোজেনসমূহ হাইড্রোজেন হ্যালাইড প্রদান করে।সাধারণ তাপমাত্রায় HF তরল কিন্তু বাকি হাইড্রোজেন হ্যালাইডগুলি গ্যাস,কারণ HF আন্তরাণবিক হাইড্রোজেন বন্ধন গঠন করলেও বাকিরা করে না।এদের স্টেবলিটির ক্রম:HF>HCl>HBr>HI
| 0.5 | 1,724.791969 |
20231101.bn_10301_11
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8
|
হ্যালোজেন
|
৫.অক্সিজেনের সঙ্গে বিক্রিয়া:হ্যালোজেনগুলি অক্সিজেনের সহিত বিক্রিয়া করে যে সমস্ত দ্বি-যৌগ গঠন করে তাদের বেশিরভাগই অস্থিতিশীল।ফ্লোরিন অক্সিজেনের সঙ্গে দুটি যৌগ গঠন করে:O2F2 এবং OF2।ক্লোরিন সবচেয়ে বেশি সংখ্যক এবং আয়োডিন সবচেয়ে কম সংখ্যক অক্সাইড গঠন করে থাকে।এগুলি সরাসরি অক্সিজেনের সঙ্গে হ্যালোজেনের বিক্রিয়া দ্বারা প্রস্তুত করা যায় না।যেমন-
| 0.5 | 1,724.791969 |
20231101.bn_10301_12
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8B%E0%A6%9C%E0%A7%87%E0%A6%A8
|
হ্যালোজেন
|
৬.হ্যালোজেনসমূহের পারস্পরিক বিক্রিয়া:হ্যালোজেনগুলি নিজেদের মধ্যে বিক্রিয়া করে আন্তঃহ্যালোজেন যৌগ গঠন করে।যেমন-Cl2(g)+F2(g)+Heat→2ClF(g)
| 0.5 | 1,724.791969 |
20231101.bn_28618_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA
|
নবদ্বীপ
|
নদিয়ার নামকরণ প্রসঙ্গে কান্তিচন্দ্র রাঢ়ী একটি কিংবদন্তির উল্লেখ করে লেখেন, ভাগীরথী তীরস্থ নবসৃষ্ট চরভূমিতে এক তান্ত্রিক ন’টি দিয়া বা প্রদীপ জ্বালিয়ে তন্ত্র-সাধানা করতেন। দূর থেকে দেখে লোকে এই দ্বীপটিকে ন’দিয়ার চর বলত। আর সেই থেকেই নাকি লোকমুখে ‘নদিয়া’ নামের প্রচলন হয়।
| 0.5 | 1,724.444328 |
20231101.bn_28618_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA
|
নবদ্বীপ
|
নবদ্বীপের ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত সেন যুগ থেকে পাওয়া গেলেও বিভিন্ন ঐতিহাসিক পাল যুগে এবং শূরবংশে নবদ্বীপের উল্লেখ করছেন। সমসাময়িক লেখমালা ও পুঁথিপত্রে আদিশূরের উল্লেখ পাওয়া না যাওয়ায় অনেক ইতিহাসবিদ আদিশূরকে ঐতিহাসিক চরিত্র হিসেবে না মানলেও ঐতিহাসিক ভিনসেন্ট আদিশূরের অস্তিত্ব স্বীকার করেছেন। ইংরেজ ঐতিহাসিক নবদ্বীপকে আদিশূরের রাজধানী বলে উল্লেখ করেছেন।
| 0.5 | 1,724.444328 |
20231101.bn_28618_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA
|
নবদ্বীপ
|
সেন রাজারা নবদ্বীপকে ধর্মীয় রাজধানীতে রূপ দিয়েছিলেন। রাজশাহী জেলার দেওপাড়া প্রস্তর ফলক থেকে জানা যায়, কর্ণাটক নিবাসী রাজা সামন্ত সেন তার প্রজা ও জমিদারদের দ্বারা পরাভূত হলে শেষ বয়সে গঙ্গা-পুলিনে বাস করেন। বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর মতে, সামন্ত সেন শেষ বয়সে ভাগীরথী তীরবর্তী নবদ্বীপে বাস করেন। গৌড়ের পূর্বে, লক্ষ্মণসেন ও বল্লালসেনের সময়ে নবদ্বীপ সেন রাজাদের রাজধানী ছিল। ১১৫৯ থেকে ১২০৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তারা বাংলায় রাজত্ব করেন। নবদ্বীপ সংলগ্ন বামনপুকুর অঞ্চলে সেন-স্মৃতি বিজড়িত বল্লাল ঢিপি ভারতীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ দ্বারা সংরক্ষিত করা হয়েছে। লক্ষ্মণসেনের রাজত্বকালে ১২০২ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজি নবদ্বীপ আক্রমণ ও লুটপাট করেন এবং লক্ষ্মণসেনকে পরাজিত করে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করে। সেইসময় নবদ্বীপের সমৃদ্ধি বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মুসলিম শাসনকালে বাংলা তথা নবদ্বীপের বিভিন্ন মন্দির-সুবর্ণবিহার ও প্রতিমা ধংস করা হয়।
| 0.5 | 1,724.444328 |
20231101.bn_28618_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA
|
নবদ্বীপ
|
চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্ম পঞ্চদশ শতাব্দীর একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। চৈতন্য মহাপ্রভুর আবির্ভাবে নবদ্বীপে বৈষ্ণব সংস্কৃতি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। ঐতিহাসিক যজ্ঞেশ্বর চৌধুরীর মতে, ১৭৭৭ থেকে ১৭৮২ সালের মধ্যে ভাগীরথী নদীর গতি বদলানোর জন্য চৈতন্যের জন্মস্থান জলের অতলে তলিয়ে গেছে। মহাপ্রভুর জন্মের পূর্ব থেকেই জালালুদ্দীন ফতেহ্ শাহের (১৪৮১-৮৭) রাজত্বকালে নবদ্বীপে রাজভয় উপস্থিত হয়েছিল। শাসক সমাজ ও ব্রাহ্মণ সমাজ নবদ্বীপে বৈষ্ণব সংস্কৃতির প্রসারে বাধা সৃষ্টি করে। রাজ-অত্যাচারের কারণে তৎকালীন সময়ে বহু ব্রাহ্মণ-পণ্ডিত ও সাধারণ মানুষকে নবদ্বীপ ত্যাগ করতে হয়। তবে তৎকালীন নবদ্বীপের শাসক চাঁদ কাজী বৈষ্ণব সমাজকে নাম-সংকীর্তন বন্ধের আদেশ জারি করলে মহাপ্রভু তাঁর পার্ষদদের সঙ্গে কাজী বাড়ি গিয়ে কাজী দলন বা উদ্ধার করেন, যা ভারতের ইতিহাসে সত্যের প্রতিষ্ঠায় প্রথম আইন অমান্য আন্দোলনের দৃষ্টান্ত। চৈতন্য ও তৎপরবর্তী সময়ে নবদ্বীপে বিভিন্ন পণ্ডিত-সাধক-বিদ্যালঙ্কার এবং সংস্কৃত পণ্ডিতেরা জন্মগ্রহণ করেন। চৈতন্যের সময়ে বাসুদেব সার্বভৌম, রঘুনাথ শিরোমণি, স্মার্ত রঘুনন্দন প্রমুখ এবং পরবর্তীতে কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ, বুনো রামনাথ প্রমুখের পাণ্ডিত্যে তৎকালীন সময় থেকে নবদ্বীপ সংস্কৃতচর্চা ও বিদ্যালাভের পীঠস্থান হয়ে ওঠে। নদিয়ারাজ রুদ্র রায়ের সময় নবদ্বীপে চার হাজার ছাত্র এবং ছয়শো অধ্যাপক অধ্যাপনা করতেন।
| 0.5 | 1,724.444328 |
20231101.bn_28618_10
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA
|
নবদ্বীপ
|
বুনো রামনাথ, শঙ্কর তর্কবাগীশ প্রমুখ নৈয়ায়িক অষ্টাদশ শতকে ন্যায়চর্চায় নবদ্বীপের নাম উজ্জ্বল করেছিলেন। নদিয়া রাজপরিবারের মহারাজ রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সময়ে নবদ্বীপে শক্তি পূজার প্রসার ঘটে। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায় এবং পরবর্তীতে রাজা গিরীশচন্দ্রের সময়ে নবদ্বীপে শাক্তরাস যাত্রার জনপ্রিয়তা ও জৌলুস বৃদ্ধি পায়। এই সময়ে নবদ্বীপে বিভিন্ন মন্দির-প্রতিমা প্রতিষ্ঠিত হয়।
| 1 | 1,724.444328 |
20231101.bn_28618_11
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA
|
নবদ্বীপ
|
নবদ্বীপ ভারতের পূর্বাঞ্চলে ২৩.৪২° উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.৩৭° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে অবস্থিত গঙ্গার পশ্চিম তীরবর্তী শহর। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে শহরের গড় উচ্চতা ১৪ মিটার বা ৪৬ ফুট। নবদ্বীপ শহরের পূর্বপ্রান্ত দিয়ে প্রবাহিত ভাগীরথীর সঙ্গে খড়ে বা জলঙ্গী নদীর সংযোগ ঘটেছে। পূর্বে নবদ্বীপ ভাগীরথীর পূর্বে অবস্থিত হলেও নদীর ভাঙ্গন ও ভূমিকম্পের কারণে ক্রমাগত নদীর প্রবাহপথ পরিবর্তন ঘটায় বর্তমানে নবদ্বীপ শহর ভাগীরথীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
| 0.5 | 1,724.444328 |
20231101.bn_28618_12
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA
|
নবদ্বীপ
|
নবদ্বীপ ও তৎসংলগ্ন গাঙ্গেয় তীরবর্তী অঞ্চল নদীর প্রবাহ পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে ভূপ্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রেখেছে। সুপ্রাচীনকালে ভাগীরথী মুর্শিদাবাদ প্রদেশ বা নবদ্বীপ পর্যন্ত প্রবাহিত হয়ে সমুদ্রে মিলিত হয়েছিল বলে অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন। নবদ্বীপের প্রধান নদী ভাগীরথীর সঙ্গে জলঙ্গী নদী মহেশগঞ্জ-গাদিগাছার উত্তর সীমায় মিলিত হয়েছে। সেন আমলে ভাগীরথী নবদ্বীপের পশ্চিমে প্রবাহিত ছিল। পরবর্তীকালে কাটোয়া থেকে কালনা পর্যন্ত ভাগীরথীর আঁকাবাঁকা ধারা বারংবার গতি পরিবর্তন করে। ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দের তাভার্ণিয়ের ভ্রমণ বৃত্তান্ত অনুসারে তৎসময়ে জোয়ারের জল নবদ্বীপ পর্যন্ত আসতো। ১৬৬০ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত ভেন-ড্রেন-ব্রুকের মানচিত্রে নবদ্বীপের পশ্চিমবাহিনী ভাগীরথীর আদি খাল চিহ্নিত আছে। ভাগীরথীর পূর্বে অবস্থিত বিস্তীর্ণ এই অঞ্চলের উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ সীমা বরাবর অলকানন্দার একটি ধারা প্রবাহিত ছিল, যা ১৬৬০-৭৯ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে বিলুপ্ত হয়। ১৭৬২ খ্রিস্টাব্দ থেকে ভাগীরথীর ধারাটি পূর্ববাহিনী হয়ে প্রবাহিত হতে শুরু করে এবং জলঙ্গীর ধারাটি স্বরূপগঞ্জের কাছে ভাগীরথীর সঙ্গে মিলিত হয়। নবদ্বীপের পশ্চিমের পরিত্যক্ত খাতটি বর্তমানে মরিগঙ্গা বা পোলতার খাল নামে পরিচিত। এই খাতটি নবদ্বীপ তথা নদিয়া জেলার পশ্চিম সীমা নির্ধারণ করে। ১৮৫৩-৬০ খ্রিস্টাব্দের নবদ্বীপ, শান্তিপুর ও কৃষ্ণনগর অঞ্চলের দারোগা গিরিশচন্দ্র বসু বলেছেন-
| 0.5 | 1,724.444328 |
20231101.bn_28618_13
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA
|
নবদ্বীপ
|
ভাগীরথীর গতি পরিবর্তনে নবদ্বীপে অনেক পুকুর, বিল, খাত দেখতে পাওয়া যায় বলে নবদ্বীপকে বলা হয়-বাঁশ বাসক ডোবা, তিন নদের শোভা।।
| 0.5 | 1,724.444328 |
20231101.bn_28618_14
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AA
|
নবদ্বীপ
|
নবদ্বীপের জলবায়ু "ক্রান্তীয় সাভানা" প্রকৃতির ("কোপেন জলবায়ু শ্রেণিবিভাগ" অনুসারে Aw) হয়। গ্রীষ্মকাল, অর্থাৎ এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত আবহাওয়া উষ্ম থাকে এবং তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে সর্বনিম্ন ২৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড হয়। গ্রীষ্মকালে আর্দ্রতার স্তর বৃদ্ধি পায়। জুন থেকে শুরু করে সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে বর্ষাকাল বিরাজ করে। নবদ্বীপে প্রতিবছর গড়ে ১২৫ দিন বৃষ্টিপাত হয় এবং বার্ষিক ১,৪৬৯ মিমি (৫৭.৮ ইঞ্চি) বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। শীতকালে তাপমাত্রা গড়ে সর্বোচ্চ ২৬° থেকে সর্বনিম্ন ১২° হয়ে থাকে। গড় আপেক্ষিক আর্দ্রতা ৫২%, যার মধ্যে মার্চ মাসে সর্বনিম্ন আদ্রতা থাকে। আবহাওয়া মনোরম প্রকৃতির হলেও, গ্রীষ্ম এবং শীতকালে জলবায়ুর তীব্রতা ঘটে। গ্রীষ্মের শুরুতে প্রায়শই ঝড় ও বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে। এই ধরনের ঝড়বৃষ্টি প্রকৃতিগতভাবে ঘটে, যার স্থানীয় নাম কালবৈশাখী। অত্যধিক বৃষ্টির প্রভাবে এবং ভাগীরথী নদীর জলস্তর বৃদ্ধির কারণে এখানে প্রায়শই বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
| 0.5 | 1,724.444328 |
20231101.bn_35320_3
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4
|
ফোরাত
|
ফোরাতনদী প্রতিবছর ২৮০০ কোটি ঘনমিটার পানি বহন করে। এপ্রিল ও মে মাসে পানি ধারণের পরিমাণ সর্বোচ্চ। ফোরাত নদীর উপর অবস্থিত প্রধান শহরগুলি হল সিরিয়ার রাকাহ ও দাইর আজ জর, এবং ইরাকের কারবালা, হিল্লাহ এবং নাজাফ।
| 0.5 | 1,717.128852 |
20231101.bn_35320_4
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4
|
ফোরাত
|
ফোরাতনদীটি অগভীর বলে ছোট নৌকা ছাড়া অন্য কিছু এখানে চালনা করা সম্ভব নয়। এটি পানি সরবরাহের জন্যই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। নদীটি তুরস্ক, সিরিয়া ও ইরাকের মধ্যে রাজনৈতিক উত্তেজনার একটি বড় উৎস। তিনটি দেশই সেচকাজ ও পানিবিদ্যুতের জন্য নদীটির পানির উপর নির্ভরশীল। তুরস্ক গ্রামীণ আনাতোলিয়ার উন্নয়নের জন্য নদীটির পানির একটি বড় অংশ রেখে দেবার পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। এই দক্ষিণ-পূর্ব আনাতোলিয়া প্রকল্পে ২২টি বাঁধ এবং আনাতোলীয় পর্বতমালা থেকে ফোরাতর খাড়া পতনকে কাজে লাগানোর জন্য ১৯টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা নেয়া হয়। আতাতুর্ক বাঁধ এই প্রকল্পের কেন্দ্রবিন্দু এবং এটি বিশ্বের বৃহত্তম বাঁধগুলির একটি। ১৯৯০ সালে এটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়। বাঁধটির পেছনের জলাধারের পৃষ্ঠদেশের ক্ষেত্রফল ৮১৬ বর্গকিলোমিটার। ফোরাতনদীকে এক মাস ধরে বাধা দিয়ে এই জলাধারটি বারে বারে ভরে তোলা হয়।
| 0.5 | 1,717.128852 |
20231101.bn_35320_5
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4
|
ফোরাত
|
কিন্তু নিম্ন অববাহিকাতে ফোরাতর জলধারার এই হ্রাস সিরিয়ার জন্য একটি বড় সমস্যা। সিরিয়া নিজে সেচ ও পানিবিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে ফোরাতনদীর উপর আল সাওরা বাঁধ নির্মাণ করেছে। ১৯৭৩ সালে উত্তর মধ্য সিরিয়াতে বাঁধটি নির্মাণ শেষ হয় এবং এর পেছনের আসাদ জলাধার নামের জলাধারের ক্ষেত্রফল প্রায় ৬৪০ বর্গকিলোমিটার। তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্ব আনাতোলিয়া প্রকল্পের কারণে বর্তমানে এটি যথেষ্ট পরিমাণে সেচের পানি ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না।
| 0.5 | 1,717.128852 |
20231101.bn_35320_6
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4
|
ফোরাত
|
একইভাবে আরও নিম্ন অববাহিকায় অবস্থিত ইরাক সিরিয়ার বাঁধের নিন্দা করেছে। ১৯৭৫ সালে দুই দেশের মধ্যে অল্পের জন্য যুদ্ধ এড়ানো সম্ভব হয়। অত্যন্ত শুষ্ক ইরাকের কৃষিকাজ ফোরাতও দজলা নদীব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল। পানির প্রবাহের তারতম্য ইরাকে খরার সৃষ্টি করে। ১৯৮৬ সালে পশ্চিম মধ্য ইরাকের আদিসা-তে পানি ধরে রাখার জন্য একটি বাঁধ নির্মাণ করা হয়, কিন্তু এটি খুব একটা কার্যকর হয়নি। ১৯৫০-এর দশক তাইগ্রিস নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের ফলে থারথার নিম্নভূমির মধ্য দিয়ে তাইগ্রিসের কিছু পানি ইউফ্রেতিস অববাহিকাতে আনা সম্ভব হয়েছে, কিন্তু এটিও পানি সরবরাহ সমস্যার তেমন সমাধান করতে পারেনি। সিরিয়া ও তুরস্ক থেকে বয়ে আনা রাসায়নিক বর্জ্যবিশিষ্ট পানিও ইরাকের জন্য একটি বড় সমস্যা।
| 0.5 | 1,717.128852 |
20231101.bn_35320_7
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4
|
ফোরাত
|
ফোরাত দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার একটি নদী। এটি তুরস্কে উৎপত্তি লাভ করে সিরিয়া ও ইরাকের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দজলা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে এবং পারস্য উপসাগরে গিয়ে পতিত হয়েছে। ফোরাত ও দজলা নদীর পানি ব্যবহার করেই প্রাচীন মেসোপটেমীয় সভ্যতা বিকাশ লাভ করেছিল। প্রাচীন সুমেরীয়, ব্যাবিলনীয় এবং আসিরীয় সভ্যতা বিকাশ লাভ করেছিল এই নদীকে ব্যবহার করেই।
| 1 | 1,717.128852 |
20231101.bn_35320_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4
|
ফোরাত
|
ফোরাত নদী দুই হাজার ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এর অববাহিকার আয়তন প্রায় পাঁচ হাজার বর্গকিলোমিটার। এর মোট অববাহিকার মাত্র ৩০ শতাংশ তুরস্কে অবস্থিত। এর ৯০ শতাংশ পানির উৎস হলো তুরস্কের উচ্চভূমি। ফোরাত নদী গঠিত হয়েছে দুটি নদীর মিলনে। একটি কারা সু এবং অন্যটি মুরাত সু। নদীর তীরঘেঁষা প্রধান শহরগুলোর মধ্যে আছে সিরিয়ার রাক্কা ও দাইর আজ জর, ইরাকের রামাদি।
| 0.5 | 1,717.128852 |
20231101.bn_35320_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4
|
ফোরাত
|
আঞ্চলিক রাজনীতির কারণে ফোরাত যেমন আলোচনার কেন্দ্রে তেমনি ধর্মীয় কারণেও ফোরাতের নাম মুসলিম বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। ফোরাত নিয়ে রাসুল (সা.) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন। এক হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, অচিরেই (একটা সময় এমন আসবে) ফোরাত নদীতে স্বর্ণের খনি উম্মোচিত হবে। সুতরাং যে ব্যক্তি সে সময় বেঁচে থাকবে সে যেন তার থেকে কোনো অংশ গ্রহণ না করে। (বুখারি হাদিস : ৭১১৯)
| 0.5 | 1,717.128852 |
20231101.bn_35320_10
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4
|
ফোরাত
|
মুসলিম শরিফের বর্ণনায় এসেছে, ‘কিয়ামত সংঘটিত হবে না যতক্ষণ না ফোরাত নদীতে একটি স্বর্ণের পাহাড় প্রকাশ পাবে। মানুষ তা নিয়ে যুদ্ধে জড়াবে এবং প্রত্যেক দলের শতকরা ৯৯ জন মারা পড়বে। তাদের প্রত্যেকের কামনা থাকবে হায়! বেঁচে যাওয়া মানুষটি যদি আমিই হতাম! (মুসলিম শরিফ, হাদিস : ৭৪৫৪)
| 0.5 | 1,717.128852 |
20231101.bn_35320_11
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A4
|
ফোরাত
|
হাদিসের ব্যাখ্যায় শাইখুল ইসলাম তাকি উসমানি বলেন, ‘ফোরাত নদীতে স্বর্ণের পাহাড় উম্মোচিত হবে’—এর দুটি অর্থ হতে পারে। এক. নদীটির জায়গায় একটি পাহাড় উঠবে, যার ভেতর স্বর্ণের খনি থাকবে।
| 0.5 | 1,717.128852 |
20231101.bn_62385_8
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B2
|
বায়ুমণ্ডল
|
পর্বতবহূল ভূতলে বায়ুমণ্ডলের নাটকীয় প্রভাব রয়েছে। যে সকল বস্তুর কোন বায়ুমণ্ডল নেই বা কেবলমাত্র একটি এক্সোস্ফিয়ার রয়েছে তাদের খাদে আবৃত অঞ্চল রয়েছে। বায়ুমণ্ডল না থাকলে গ্রহটি উল্কা থেকে কোন সুরক্ষা তৈরি করতে পারে না এবং এগুলোর সবগুলোই উল্কাপিণ্ড হিসাবে ভূ-পৃষ্ঠে আঘাত হানে এবং খাদ তৈরি করে।
| 0.5 | 1,716.419889 |
20231101.bn_62385_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B2
|
বায়ুমণ্ডল
|
বেশিরভাগ উল্কা গ্রহের পৃষ্ঠে আঘাত হানার আগে উল্কাপিণ্ড হিসাবে জ্বলে উঠে। যখন উল্কা আঘাত হানে তখন প্রায়শই বাতাসের সাথে সংঘর্ষের ফলে তা পুড়ে যায়। তাই বায়ুমণ্ডলযুক্ত বস্তুগুলোতে খাদের সংখ্যা বিরল।
| 0.5 | 1,716.419889 |
20231101.bn_62385_10
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B2
|
বায়ুমণ্ডল
|
বায়ু ক্ষয় বায়ুমণ্ডলের সাথে পাথুরে গ্রহের ভূখণ্ড গঠনের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য উপাদান এবং সময়ের সাথে সাথে খাদ এবং আগ্নেয়গিরির প্রভাবসমূহ মুছে ফেলতে পারে। এছাড়াও যেহেতু তরল চাপ ছাড়া তাদের অস্তিত্ব ধরে রাখতে পারে না, বায়ুমণ্ডল তরলকে পৃষ্ঠতলে অবস্থান করতে সহায়তা করে, যার ফলে হ্রদ, নদী এবং মহাসাগর সৃষ্টি হয়। পৃথিবী এবং টাইটান গ্রহগুলোর পৃষ্ঠতল এবং ভূখণ্ডে তরল রয়েছে বলে জানা যায়, তাতে ধারণা করা হয় যে অতীতে মঙ্গলের পৃষ্ঠ তরল ছিল।
| 0.5 | 1,716.419889 |
20231101.bn_62385_11
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B2
|
বায়ুমণ্ডল
|
একটি গ্রহের প্রাথমিক বায়ুমণ্ডলীয় গঠনটি গ্রহ গঠনের সময় স্থানীয় সৌর নীহারিকার রসায়ন এবং তাপমাত্রার সাথে সম্পর্কিত এবং পরবর্তীকালে অভ্যন্তরীণ গ্যাস নির্গমনের সাথে সম্পর্কিত। মূল বায়ুমণ্ডল গ্যাসের ঘূর্ণয়মান চাকতি দিয়ে শুরু হয়েছিল যা ঘনীভূত হয়ে গ্রহ গঠনের সময় ফাঁকা রিংয়ের একটি সিরিজ গঠনের জন্য ভেঙে পড়েছিল। গ্রহের বায়ুমণ্ডল সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন জটিল কারণে পরিবর্তিত হয়েছে, যার ফলে একেবারে পৃথক পরিণতি পেয়েছে।
| 0.5 | 1,716.419889 |
20231101.bn_62385_12
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B2
|
বায়ুমণ্ডল
|
শুক্র এবং মঙ্গল গ্রহের বায়ুমণ্ডল মূলত কার্বন ডাই অক্সাইড দ্বারা গঠিত সাথে সামান্য পরিমাণে নাইট্রোজেন, আর্গন, অক্সিজেন এবং অন্যান্য গ্যাস রয়েছে।
| 1 | 1,716.419889 |
20231101.bn_62385_13
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B2
|
বায়ুমণ্ডল
|
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের গঠনটি এটি বজায় রাখে এমন জীবনের উপজাতক দ্বারা মূলত পরিচালিত হয়। পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের শুষ্ক বায়ুতে ৭৮.০৮% নাইট্রোজেন, ২০.৯৫% অক্সিজেন, ০.৯৩% আর্গন, ০.০৪% কার্বন ডাই অক্সাইড এবং সামান্য পরিমানে হাইড্রোজেন, হিলিয়াম এবং অন্যান্য "নোবেল" গ্যাস (আয়তন হিসাবে) রয়েছে, তবে সাধারণত পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প থাকে যা সমুদ্রপৃষ্ঠে গড়ে প্রায় ১%।
| 0.5 | 1,716.419889 |
20231101.bn_62385_14
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B2
|
বায়ুমণ্ডল
|
সৌরজগতের অতিকায় গ্রহগুলো যথা বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস এবং নেপচুনের নিম্ন তাপমাত্রা এবং উচ্চতর মাধ্যাকর্ষণ তাদেরকে কম আণবিক ভরের গ্যাসসমূহকে আরও সহজেই ধরে রাখতে দেয়। এই গ্রহগুলোর হাইড্রোজেন – হিলিয়াম সমৃদ্ধ বায়ুমণ্ডল রয়েছে, সাথে সামান্য পরিমাণে জটিল যৌগ রয়েছে।
| 0.5 | 1,716.419889 |
20231101.bn_62385_15
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B2
|
বায়ুমণ্ডল
|
বাইরের গ্রহের দুটি উপগ্রহের উল্লেখযোগ্য বায়ুমণ্ডল রয়েছে। শনির চাঁদ টাইটান এবং নেপচুনের চাঁদ ট্রাইটনে মূলত নাইট্রোজেনের বায়ুমণ্ডল রয়েছে। নিজ কক্ষপথে আবর্তনের সময় প্লুটো যখন সূর্যের নিকটতম অংশে থাকে তখন তাতে ট্রাইটনের মতো নাইট্রোজেন এবং মিথেনের বায়ুমণ্ডল থাকে তবে সূর্য থেকে দূরে অবস্থান কালে এই গ্যাসগুলো হিমায়িত হয়ে যায়।
| 0.5 | 1,716.419889 |
20231101.bn_62385_16
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%B2
|
বায়ুমণ্ডল
|
সৌরজগতের অন্যান্য বস্তুতে অত্যন্ত পাতলা বায়ুমণ্ডল থাকে যা ভারসাম্যহীন অবস্থায় থাকে। এর মধ্যে চাঁদ (সোডিয়াম গ্যাস), বুধ (সোডিয়াম গ্যাস), ইউরোপা (অক্সিজেন), আইয়ো (সালফার), এবং এনসেলাডাস (জলীয় বাষ্প) অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
| 0.5 | 1,716.419889 |
20231101.bn_92878_9
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
|
হাঁপানি
|
আপাত সুস্খ লোকের হঠাৎ শ্বাসকষ্ট আরম্ভ হয়ে কয়েক মিনিট বা কয়েক ঘণ্টা পরে কষ্ট উপশম এবং রোগী আবার নিজেকে সুস্খ মনে করেন।
| 0.5 | 1,714.291463 |
20231101.bn_92878_10
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
|
হাঁপানি
|
শ্বাসকষ্ট হঠাৎ আরম্ভ হয়ে আর কমে না; উপরন্তু বেড়ে যেতে থাকে। কোনো ওষুধে হাঁপানি কমে না। যদি এ অবস্খা বারো ঘণ্টার বেশি স্খায়ী হয়, তবে সে ধরনের হাঁপানিকে বলা হয় স্ট্যাটাস অ্যাজম্যাটিকাস বা অবিরাম তীব্র হাঁপানি।
| 0.5 | 1,714.291463 |
20231101.bn_92878_11
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
|
হাঁপানি
|
একশ্রেণীর রোগীর শ্বাসপথে বাতাস চলাচলে সব সময়েই অল্প বাধা থাকে। বহু দিন এ অবস্খা থাকার ফলে কষ্টের অনুভূতি কম হয় এবং রোগী অল্প কষ্ট অনুভব করেন। কোনো কারণে শ্বাসপথে বায়ু চলাচলে আরো বাধার সৃষ্টি হলে তখনই হাঁপানির কষ্ট অনুভূত হয়।
| 0.5 | 1,714.291463 |
20231101.bn_92878_12
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
|
হাঁপানি
|
হাঁপানী উপশমের প্রথম ঔষধ হলো ইনহেলার। এটা দুরকমের হয়, স্বল্প মেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী। শ্বাস কষ্টের তাৎক্ষনিক উপশমের জন্য কয়েক রকম ঔষধ ইনহেলারের মাধ্যমে ব্যবহার করা হয়, যেমন, সালবুটামল, সালমেটেরোল, এবং ফোরমোটেরোল ।
| 0.5 | 1,714.291463 |
20231101.bn_92878_13
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
|
হাঁপানি
|
হাঁপানীর আক্রমণ যেন না হয় তার জন্য ব্যবহার করা হয় স্টেরয়েড ইনহেলার। সাধারনত ফ্লুটিকাস্ন ও বুডিসোনাইড স্টেরয়েড ইনহেলার হিসাবে পাওয়া যায়। এলোপ্যাথিতে হাঁপানীর চিকিৎসায় স্টেরয়েড ইনহেলার অপরিহার্য।
| 1 | 1,714.291463 |
20231101.bn_92878_14
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
|
হাঁপানি
|
উপশমকারী দীর্ঘ মেয়াদী ঔষধ ও প্রতিরোধকারী স্টেরয়েড এক সংগে একই ইনহেলারে বর্তমানে বাজারে পাওয়া যায়। তবে দীর্ঘদিন ব্যবহারে এই সকল ঔষধের কিছু না কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া পরিলক্ষিত হয়।
| 0.5 | 1,714.291463 |
20231101.bn_92878_15
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
|
হাঁপানি
|
হাঁপানী প্রতিরোধক হিসাবে অন্য যে ঔষধটি ব্যবহার করা হয় তার নাম মন্টিলুকাষ্ট। এটি শ্বাসনালির প্রদাহ কমিয়ে হাঁপানী আক্রমণের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়।
| 0.5 | 1,714.291463 |
20231101.bn_92878_16
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
|
হাঁপানি
|
থিওফাইলিন- এই ঔষধটি শ্বাসনালির মধ্যে চক্রাকারে যে মাংশপেশী থাকে, হাঁপানীর আক্রমণের সময় যা সংকুচিত হয়ে পড়ে, সেটিকে শিথিল করে দেয়, ফলে শ্বাসনালির ভেতরের প্রসস্থতা বৃদ্ধি পায়।
| 0.5 | 1,714.291463 |
20231101.bn_92878_17
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
|
হাঁপানি
|
মুখে খাবার স্টেরয়েড- এটি ট্যাবলেট অথবা সিরাপ আকারে পাওয়া যায়। হাঁপানীর তীব্র আক্রমণের সময় এটি কয়েকদিন ব্যবহার করতে হয় ।
| 0.5 | 1,714.291463 |
20231101.bn_766466_1
|
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
|
পটাশিয়াম
|
পর্যায় সারণীর গ্রুপ 1 এর পূর্ববর্তী উপাদান সোডিয়ামের সাথে পটাসিয়াম রাসায়নিকভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ। তাদের অনুরূপ প্রথম আয়নায়ন শক্তি রয়েছে, যার জন্য প্রতিটি পরমাণু এর একমাত্র বহিরাগত ইলেকট্রন ত্যাগ করে। তারা যে ভিন্ন মৌল এবং একই অ্যানায়নসমূহের সাথে একই জাতীয় লবণ তৈরির জন্য একত্রিত হয়, এটি সর্বপ্রথম সন্ধেহ করা হয়েছিল ১৭০২ সালে, এবং তড়িৎ বিশ্লেষন পদ্ধতি ব্যবহার করে ১৮০৭ সালে প্রমাণিত হয়েছিল। প্রাকৃতিতে পাওয়া পটাশিয়াম তিনটি আইসোটোপ সমন্বিত, যার মধ্যে তেজস্ক্রিয় । এর সন্ধান সকল পটাসিয়ামে পাওয়া যায় এবং এটি মানব দেহের মধ্যে সর্বাধিক সাধারণ রেডিওআইসোটোপ ।
| 0.5 | 1,709.475293 |
Subsets and Splits
No community queries yet
The top public SQL queries from the community will appear here once available.