_id
stringlengths
17
22
url
stringlengths
42
314
title
stringlengths
2
36
text
stringlengths
100
5.1k
score
float64
0.5
1
views
float64
23
11.1k
20231101.bn_108773_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E
জলবিদ্যুৎ
কাপ্তাই বাঁধ বাংলাদেশের রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় অবস্থিত ও চট্টগ্রাম থেকে ৬৫ কিলোমিটার (৪০ মাইল) উজানে কর্ণফুলি নদীর উপর নির্মিত একটি বাঁধ। কাপ্তাই হ্রদ নামে পরিচিত এটির একটি কৃত্রিম জলাধার রয়েছে যার পানি ধারণক্ষমতা ৫২,৫১,০০০ একর (২১,২৫,০০০ হেক্টর)। বাঁধ ও হ্রদটি নির্মাণের প্রাথমিক উদ্দেশ্য ছিল জলবিদ্যুৎ উৎপাদন করা। ১৯৬২ খ্রীস্টাব্দে এটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়।[১] বাঁধের সঞ্চিত পানি ব্যবহার করে কাপ্তাই পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। ১৯৬২ ও ১৯৮৮ সালের মধ্যে এখানে সর্বমোট ২৩০ মেগাওয়াট (৩,১০,০০০ অশ্বশক্তি) বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতাসম্পন্ন জেনারেটর বসানো হয়। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম বাঁধ ও একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র।[২]
0.5
1,878.6586
20231101.bn_108773_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E
জলবিদ্যুৎ
এছাড়া এখানে ‘কাপ্তাই ৭.৪ মেগাওয়াট সোলার পিডি গ্রিড কানেকটেড বিদ্যুৎকেন্দ্র' নামে দেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপিত হয়। পানিবিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে বাঁধের পাশে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের এই সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্রের অবস্থান।[৩]
0.5
1,878.6586
20231101.bn_259257_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
গতি
যখন কোন বস্তু দ্বিতীয় একটি বস্তুর উপর F বল প্রয়োগ করলে অপর বস্তুটি প্রথম বস্তুর উপর −F বল প্রয়োগ করবে এবং উভয় বলের মান সমান হবে। সুতরাং F বল প্রয়োগকারী বস্তুটি পিছনে সরে যাবে। নিউটনের তৃতীয় সূত্রের সারাংশ হলো, "প্রত্যেক ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে"।
0.5
1,875.270803
20231101.bn_259257_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
গতি
নিউটনের তিনটি সুত্রই সর্বপ্রথম মহাশূন্যে প্রদক্ষিণরত বস্তুসমূহের গাণিতিক মডেল সরবরাহ করতে সক্ষম হয়েছিল। এই ব্যাখ্যা মহাকাশীয় বস্তুসমূহের গতির সাথে পৃথিবীর বস্তুসমূহের গতির মাঝে সম্পর্ক স্থাপন করেছিল।
0.5
1,875.270803
20231101.bn_259257_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
গতি
যখন একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে কোনো বস্তু ধ্রুব বেগে একটি নির্দিষ্ট দিকে গতিশীল থাকে, তখন তার গতিকে সমবেগ বলে। উদাহরণস্বরূপ, সরলরেখা বরাবর ধ্রুব বেগে চলমান গাড়ির গতি।
0.5
1,875.270803
20231101.bn_259257_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
গতি
তড়িচ্চুম্বকত্বের সাথে আধুনিক সৃতিবিদ্যা বিকশিত হয়েছে যেখানে বেগ v দ্বারা এর সাথে আলোর বেগ c এর অনুপাতকে নির্দেশ করা হয়। এরপর বেগকে ক্ষিপ্রতা, হিসেবে ব্যাখ্যা করা যেখানে অধিবৃত্তীয় কোণ φ এর জন্য অধিবৃত্তীয় ট্যানজেন্ট ফাংশন tanh φ = v/c. ত্বরণ বা বেগ পরিবর্তনের হার, লরেঞ্জ রুপান্তর অনুযায়ী ক্ষিপ্রতা পরিবর্তন করে। বলবিজ্ঞানের এই অংশই হলো বিশেষ আপেক্ষিকতা। উইলিয়াম কিংডন ক্লিফোর্ড এবং আলবার্ট আইনস্টাইন মহাকর্ষকে আপেক্ষিক বলবিজ্ঞানের আওতায় আনার প্রয়াস করেছিলেন। এক্ষেত্রে মহাকর্ষ দিয়ে বক্র বিশ্বের ব্যাখ্যা দিতে ব্যবকলনীয় জ্যামিতি ব্যবহার করা হয়েছিল। এই চর্চা সাধারণ আপেক্ষিকতা নামে পরিচিত।
0.5
1,875.270803
20231101.bn_259257_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
গতি
কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান হলো পারমাণবিক (অণু এবং পরমাণু) এবং অতিপারমাণবিক (ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন এবং আরও ক্ষুদ্র মৌলিক কণা যেমন কোয়ার্ক) স্তরে ভৌত বাস্তবতাকে বর্ণনা করার জন্য নির্দিষ্ট নিতিমালা। এর মধ্যে পদার্থ এবং বিকিরণের একই সাথে কণাধর্মী এবং তরঙ্গধর্মী আচরনের বর্ণনাও রয়েছে যা তরঙ্গ-কণা দ্বৈততা হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
1
1,875.270803
20231101.bn_259257_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
গতি
চিরায়ত বলবিদ্যায় কোন বস্তুর অবস্থান এবং গতিবেগ সম্পর্কে নির্ভুল পরিমাপ এবং ভবিষ্যদ্বাণী গণনা করা সম্ভব। কিন্তু হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতির কারণে কোয়ান্টাম বলবিদ্যায় কোনো কণার সম্পূর্ণ অবস্থা, যেমন এর অবস্থা, বেগ একইসাথে বের করা সম্ভব নয়।
0.5
1,875.270803
20231101.bn_259257_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
গতি
পারমাণবিক স্তরের ঘটনা ছাড়াও বৃহৎ-স্কেলের ঘটনা যেমন অতিতারল্য, অতিপরিবাহিতা এবং জৈবিক ব্যবস্থাসহ ঘ্রান রিসেপ্টর এবং প্রোটিনের গঠন বর্ণনা করতেও কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞান খুবই কার্যকর।
0.5
1,875.270803
20231101.bn_259257_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
গতি
মহাবিশ্বের সকল বস্তুর মত মানুষও সর্বদা গতিশীল; দেহের বিভিন্ন বাহ্যিক অংশের সুস্পষ্ট গতিবিধি ছাড়াও মানুষ বিভিন্ন উপায়ে গতিশীল যা উপলব্ধি করা আরও কঠিন। এই "অপ্রত্যক্ষ গতি "গুলির মধ্যে অনেকগুলি কেবল বিশেষ সরঞ্জাম এবং সতর্ক পর্যবেক্ষণের সাহায্যে উপলব্ধিযোগ্য। বৃহত আকারের অপ্রত্যক্ষ গতি দুটি কারণে মানুষের পক্ষে বুঝতে অসুবিধা হয়: প্রথমটি হলো নিউটনের গতিসূত্রসমূহ (বিশেষত তৃতীয় সূত্রটি) যা পর্যবেক্ষক সংযুক্ত রয়েছে এমন ভরের উপর গতির অনুভূতিকে বাঁধা দেয়, এবং দ্বিতীয়টি হলো প্রসঙ্গ কাঠামোর অভাব যার সাহায্যে ব্যক্তিরা সহজেই দেখতে পাবে যে তারা চলাচল করছে। এরকম ছোট আকারের গতিগুলির আকার খুবই ছোট, যা সাধারণত মানব ইন্দ্রিয়ের সাহায্যে শনাক্ত করা যায় না।
0.5
1,875.270803
20231101.bn_259257_15
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
গতি
স্থান-কাল (মহাবিশ্বের চাঁদর) প্রসারিত হচ্ছে যার অর্থ মহাবিশ্বের সমস্ত কিছুই রাবার ব্যান্ডের মতো প্রসারিত হচ্ছে। এই গতি সবচেয়ে বেশি অস্পষ্ট কারণ এটি কোনও ভৌত গতি নয়, বরং মহাবিশ্বের প্রকৃতিতে পরিবর্তন। এই সম্প্রসারণ যাচাইয়ের প্রাথমিক উৎস সরবরাহ করেছিলেন এডউইন হাবল, এবং তিনি দেখিয়েছিলেন যে সমস্ত ছায়াপথ এবং দূরবর্তী জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক বস্তু পৃথিবী থেকে দূরে সরে যাচ্ছিল। এটি হাবলের সূত্র হিসেবে পরিচিত, যা মহাবিশ্বের বিস্তারের পূর্বাভাস দিয়েছিল।
0.5
1,875.270803
20231101.bn_35204_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF
তথ্য
উপাত্ত ব্যবস্থাপনা, তথ্য ব্যবস্থাপনা ও জ্ঞান ব্যবস্থাপনা ক্ষেত্রগুলিতে উপাত্ত-তথ্য-জ্ঞান-প্রজ্ঞা পিরামিড নামক স্তরক্রমটিতে তথ্য হল দ্বিতীয়-সর্বনিম্ন স্তর (উপাত্ত স্তরের ঠিক উপরে)। উপাত্ত হল সংগৃহীত অশোধিত কোনও বিবরণ, যেগুলিকে প্রক্রিয়াজাত করে সুবিন্যস্ত করে সজ্জিত করলে তথ্য পাওয়া যায়। তথ্যের উপরে সংজ্ঞানাত্মক প্রক্রিয়া প্রয়োগ করলে জ্ঞান উৎপন্ন হয়। জ্ঞানের উপরে বিচারবুদ্ধি প্রয়োগ করলে প্রজ্ঞার সৃষ্টি হয়।
0.5
1,869.460782
20231101.bn_35204_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF
তথ্য
যোগাযোগ প্রকৌশল ক্ষেত্রে তথ্যের উপরোক্ত সাধারণ, অর্থভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক, আচরণভিত্তিক কিংবা উপাত্তের রূপান্তরভিত্তিক সংজ্ঞার পরিবর্তে ভৌত বিশ্বে প্রযুক্তির মাধ্যমে সংঘটিত বার্তা বা তথ্য যোগাযোগ প্রক্রিয়ার গাণিতিক প্রতিমানভিত্তিক একটি সংজ্ঞা ব্যবহার করা হয়। যোগাযোগ প্রকৌশলীদের মতে ভৌত বিশ্বের দুইটি বিন্দুর মধ্যে কোনও বার্তা বা তথ্য সম্প্রচার করতে হলে সেই বার্তা বা তথ্যকে বহন করার জন্য একটি সংকেত আবশ্যক, অর্থাৎ একটি আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থায় সংকেত ছাড়া তথ্যের কোনও ভৌত অস্তিত্ব নেই। এরই প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রকৌশলী ক্লড শ্যানন ১৯৪০-এর দশকের শেষভাগে এসে ১৯৪৮ সালে তথ্য তত্ত্ব নামক তত্ত্বটি প্রতিষ্ঠা করেন ও সেখানে তথ্যের একটি বৈপ্লবিক গাণিতিক ও পরিমাণবাচক সংজ্ঞা প্রদান করেন। শ্যানন সম্পূর্ণরূপে প্রকৌশল তথা প্রযুক্তিগত ও গাণিতিক সম্ভাবনার দৃষ্টিকোণ থেকে তথ্যকে বিশ্লেষণ করেন। তিনি তথ্যের রূপ, প্রকৃতি, কাজ কিংবা অর্থবহতা নিয়ে আগ্রহী ছিলেন না। তিনি তথ্যকে একটি দৃষ্টবাদী দৃষ্টিকোণ থেকে না দেখে সম্ভাবনাভিত্তিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখেন। শ্যাননের তত্ত্বে তথ্যের প্রাপক ও প্রেরক উভয়েই তথ্য গঠনকারী প্রতীকসম্ভার সম্পর্কে অবহিত থাকে, যেখানে প্রতিটি প্রতীককে একটি সংকেতে রূপান্তরিত করা হয়। এই তত্ত্বে "তথ্য" হল কোনও উৎস বা প্রেরকের দ্বারা দৈব প্রক্রিয়ায় সৃষ্ট এমন কোনও সম্ভাব্য প্রতীকসমষ্টি যার প্রতিটি প্রতীককে একের পর এক সংকেতায়িত করে সেই সংকেতগুলিকে কোনও কোলাহলপূর্ণ (যেখানে কোলাহল আরেকটি দৈব চলক) যোগাযোগ প্রণালীর মধ্য দিয়ে প্রাপকের উদ্দেশ্যে সম্প্রচার করা হয়, যেখানে প্রাপক সেই প্রাপ্ত সংকেতগুলিকে কোলাহলমুক্ত করে ও সাংকেতিক তথ্যটিকে বিসংকেতায়িত করে সর্বোচ্চ ত্রুটিহীনভাবে মূল প্রেরিত তথ্যটি উদ্ধার করে। শ্যাননের মতে অর্থবহতা নির্বিশিষে কোনও তথ্যের উৎস থেকে যে তথ্যবাহী সংকেতগুলি পাঠানো হয়, সেগুলির প্রতিটির সাথে একটি সম্ভাবনা (অর্থাৎ অনিশ্চয়তা) যুক্ত থাকে। এখন যদি কোনও সংকেত প্রাপ্তির সম্ভাবনা বেশি থাকে, তাহলে তার অনিশ্চয়তা-মাত্রা (যাকে শ্যানন বিশৃঙ্খলা-মাত্রা বা শ্যানন এনট্রপি বলে) কম হবে, সুতরাং সেটিতে প্রাপকের জন্য নতুন তথ্যের পরিমাণও কম থাকবে। এর বিপরীতে কোনও সংকেত প্রাপ্তির সম্ভাবনা যদি কম হয়, তাহলে তার সাথে সংশ্লিষ্ট অনিশ্চয়তা বৃদ্ধি পাবে, ফলে প্রাপকের জন্য সেটির দ্বারা বহনকৃত নতুন তথ্যের পরিমাণও বেশি হবে। শ্যানন প্রতিটি ক্ষুদ্রতম একক সংকেতের সম্ভাবনা তথা অনিশ্চয়তা-মাত্রাকে একটি হ্যাঁ-না প্রশ্নের উত্তর হিসেবে কল্পনা করেন, যা দুইটি মাত্র অঙ্ক দিয়ে প্রকাশ করা সম্ভব: ০ (না) ও ১ (হ্যাঁ)। অর্থাৎ পাঠ্য (টেক্সট), শ্রাব্য (অডিও), দৃশ্য স্থিরচিত্র (ইমেজ) বা চলমান চিত্র (ভিডিও), ইত্যাদি সব ধরনের তথ্যকে শেষ বিচারে ০ ও ১ এই দুইটি অঙ্ক-ভিত্তিক সংকেতে রূপান্তরিত করা সম্ভব, যে অঙ্কগুলির ইংরেজি নাম বাইনারি ডিজিট বা সংক্ষেপে বিট (বিট নামটি শ্যাননই প্রথম জনপ্রিয় করেন)। শ্যাননের মতে এই "বিট"-ই হল সব ধরনের তথ্যের ক্ষুদ্রতম মৌলিক, গাণিতিক, পরিমাপযোগ্য একক, যাকে বর্তমান তথ্য তত্ত্বে শ্যাননের সম্মানে "শ্যানন" বলেও ডাকা হয় (আরও সঠিকভাবে বলতে বিট হল সাংকেতিক উপাত্তের একক, আর শ্যানন হল প্রতিটি বিটের সাথে সংশ্লিষ্ট তথ্যের একক)। বিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে যে ডিজিটাল তথা দ্বি-আঙ্কিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিপ্লবটি সংঘটিত হয়, তা সম্পূর্ণরূপে শ্যাননের এই গাণিতিক তত্ত্বের ভিত্তির উপরে দাঁড়িয়ে আছে। আধুনিক ডিজিটাল বিশ্বের সবকিছুর মূলে রয়েছে শ্যাননের তত্ত্ব। তাই শ্যাননকে "তথ্য যুগের জনক" বলা হয়।
0.5
1,869.460782
20231101.bn_35204_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF
তথ্য
শ্যাননের তত্ত্ব শুধু বার্তাপ্রেরণ বা যোগাযোগ ক্ষেত্রেই নয়, বরং পরিগণন (কম্পিউটিং) ক্ষেত্রের উপরেও বৈপ্লবিক প্রভাব ফেলে। শ্যাননের তথ্য তত্ত্ব প্রতিষ্ঠার একই বছরে, অর্থাৎ ১৯৪৮ সালে মার্কিন প্রকৌশলী উইলিয়াম শকলি, জন বার্ডিন ও ওয়াল্টার ব্র্যাটেইন অর্ধপরিবাহীভিত্তিক এক ধরনের অতিক্ষুদ্র সুইচ (অর্থাৎ বৈদ্যুতিক বর্তনী খোলা বা বন্ধকারক) জাতীয় ইলেকট্রনীয় যন্ত্র আবিষ্কার করেন, যার নাম ছিল ট্রানজিস্টর। একটি ট্রানজিস্টর হয় আহিত বা অনাহিত এই দুইটি অবস্থায় থাকতে পারে, যেখানে আহিত অবস্থাকে ১ এবং অনাহিত অবস্থাকে ০ দ্বারা নির্দেশ করা যায়। অর্থাৎ একটি ট্রানজিস্টর শ্যাননের তত্ত্বে প্রস্তাবিত দুই-ভিত্তিক আঙ্কিক উপাত্ত তথা বিটের আধার হিসেবে কাজ করতে পারে এবং একাধিক ট্রানজিস্টরের মাধ্যমে তৈরি বিশেষ ইলেকট্রনীয় যন্ত্র দিয়ে অনেক অল্প জায়গায় ও দ্রুততার সাথে বুলিয়ান বীজগণিত নামক গণিতের বিশেষ একটি উপক্ষেত্রের সূত্রাবলী প্রয়োগ করে বাইনারি বা দুই-ভিত্তিক সংকেত প্রক্রিয়াজাত করা সম্ভব। এইরূপ বহুসংখ্যক ট্রানজিস্টর দিয়েই পরবর্তীতে আধুনিক দ্বি-আঙ্কিক পরিগণক যন্ত্র তথা ডিজিটাল কম্পিউটার উদ্ভাবন করা হয়, যা বর্তমান তথ্য প্রযুক্তি বিপ্লবের ভৌত ভিত্তি গঠন করেছে। আর শ্যাননের চিন্তাধারাই দ্বি-আঙ্কিক পরিগণনের (ডিজিটাল কম্পিউটিং) গাণিতিক ভিত্তিমূল স্থাপন করে, যেখানে পরিগণক যন্ত্রে (কম্পিউটারে) প্রবিষ্ট সমস্ত প্রতীক তথা তথ্যকে শেষ বিচারে দুই-ভিত্তিক সংকেতে বা বিটে (১ ও ০) রূপান্তরিত করে সেগুলিকে নির্দিষ্ট কলনবিধি (অ্যালগোরিদম) দিয়ে প্রস্তুতকৃত পূর্বলেখ (প্রোগ্রাম) ব্যবহার করে (যে প্রোগ্রামগুলিও শেষ বিচারে বিট দিয়ে তৈরি) মানুষের চেয়ে অনেক দ্রুত ও স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রক্রিয়াজাত করা হয়। অধিকন্তু শ্যাননের তত্ত্ব পরিগণক যন্ত্রে বা কম্পিউটার দ্বারা প্রক্রিয়াজাত তথ্যের পরিমাণ বিট এককে হিসাব করতে সাহায্য করে। এছাড়া তাঁর তত্ত্ব কম্পিউটারে অধিকতর দক্ষতার সাথে তথ্য সংরক্ষণ, সংকোচন ও ত্রুটি সংশোধনের কাজে, অর্থাৎ তথ্যকে ত্রুটিহীনভাবে সংকুচিত করে একই জায়গায় অনেক বেশি পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণে সহায়তা করে।
0.5
1,869.460782
20231101.bn_35204_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF
তথ্য
কোনও কোনও বিজ্ঞানীর মতে পদার্থ গঠনকারী অতিপারমাণবিক কণিকাগুলির সমস্ত বৈশিষ্ট্য তথ্যের আকারে এবং এই তথ্যকে দ্বিমিক বা বাইনারি সংকেত (০ বা ১) আকারে প্রকাশ করা সম্ভব। সুতরাং সমগ্র মহাবিশ্বকে দ্বিমিক সংকেত প্রক্রিয়াজাতকারী এক অতিদানবীয় পরিগণকযন্ত্র তথা সুপারকম্পিউটার হিসেবে কল্পনা করা সম্ভব। বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী জন আর্চিবল্ড হুইলার ("কৃষ্ণগহ্বর" পরিভাষার প্রবর্তক) তার কর্মজীবনের শেষ পর্যায়ে তথ্যের মাধ্যমে মহাবিশ্বের গঠন ব্যাখ্যার এক বড় সমর্থকে পরিণত হন। তার মতে মহাবিশ্বকে তিনভাবে উপলব্ধি করা সম্ভব। প্রথমত, মহাবিশ্বের সবকিছুই হল কণা (পদার্থ ও শক্তির অতিক্ষুদ্র রূপ)। দ্বিতীয়ত মহাবিশ্বের সবকিছুই হল বিভিন্ন কোয়ান্টাম ক্ষেত্র ও তাদের আন্তঃক্রিয়া। তৃতীয়ত, মহাবিশ্বের সবকিছুই হল তথ্য। ১৯৮০-র দশকে হুইলার তথ্য তত্ত্ব ও কোয়ান্টাম বলবিজ্ঞানের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করার চেষ্টা করেন এবং ১৯৮৯ সালে একটি গবেষণাপত্রে লেখেন যে "যা কিছু আছে – সব কণা, সব বলক্ষেত্র, এমনকি স্থান-কাল পরম্পরার উদ্দেশ্য, অর্থ ও সমগ্র অস্তিত্ব – কোন কোন ক্ষেত্রে পরোক্ষভাবে হলেও – কিছু হ্যাঁ/না-জাতীয় প্রশ্নের উত্তরের উপর, তথা দ্বিমিক নির্বাচন, তথা বিটের উপর নির্ভরশীল।" অন্য ভাষায় মহাবিশ্ব এর ভেতরে নিহিত দ্বিমিক তথ্যের থেকে উৎসারিত হয়। হুইলার এ ব্যাপারটিকে সংক্ষিপ্ত কিন্তু স্মরণীয় একটি ইংরেজি খণ্ডবাক্য দিয়ে প্রকাশ করেন— “ইট ফ্রম বিট” ("It from bit")। "ইট" হল সব পদার্থ আর "বিট" হল "দ্বিমিক বা বাইনারি সংকেত"।
0.5
1,869.460782
20231101.bn_35204_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF
তথ্য
কিছু কিছু জীববিজ্ঞানীর মতে (যেমন মার্কিন আণবিক বংশাণুবিজ্ঞানী ক্রিস অ্যাডামি) জীবন শুধুমাত্র কোনও বিশেষ রাসায়নিক ঘটনা নয়। বরং জীবনের ভিত্তি হল একটি আত্ম-অনুলিপিকারী সাংকেতিক মৌলিক তথ্যভাণ্ডার, যা ডিএনএ বা আরএনএ নামক জটিল রাসায়নিক অণুতে ধারণ করা থাকে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাহিত হয়। এক্ষেত্রে একটি জীবের কাছে তথ্য হল এমন কোনও কিছু যা তার যাপিত জীবনের পরিবেশ সম্পর্কে কোনও বিবরণ দেয়, এবং যেটিকে ব্যবহার করে জীবটি ঐ পরিবেশ সম্পর্কে দৈব ভাগ্যের চেয়ে উন্নত সম্ভাবনাবিশিষ্ট পূর্বাভাস করার ক্ষমতার অধিকারী হয় এবং এভাবে প্রদত্ত পরিবেশে টিকে থাকে। যেকোনও জীবের কোষের মধ্যে যে বংশাণুসমগ্র (ডিএনএ নামক অণুর বিশেষ অনুক্রমসমষ্টি) উপস্থিত, সেগুলি পৃথিবীর ভৌত প্রাকৃতিক পরিবেশ ও অন্যান্য জীবদের সাথে প্রতিযোগিতামূলক জীবমণ্ডলের সাথে অনবরত আন্তঃক্রিয়ার ফলে লক্ষ কোটি বছর ধরে বিবর্তনের মাধ্যমে একটু একটু করে জমা হয়ে সৃষ্টি হয়েছে, যাতে জীবন ধারণ করার জন্য সব ধরনের মৌলিক তথ্য (যেমন দেহে কী করে শক্তি উৎপাদন করতে হবে, কী করে শত্রুজীব বা রোগজীবাণুর কাছ থেকে আত্মরক্ষা করতে হবে, কী করে প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করতে হবে, ইত্যাদি) সংকলিত আছে। বংশাণুগত তথ্য তাই জীবনের মুদ্রা। যেকোনও জীবের ডিএনএ বা বংশাণুসমগ্র হল এক ধরনের সংকেতায়িত বিশ্বকোষ যাতে ঐ জীবটি যে বিশ্বে বাস করছে, সেই বিশ্বে সেটি কীভাবে টিকে থাকবে, সে সংক্রান্ত বিপুল সংখ্যক সাংকেতিক তথ্য সন্নিবিষ্ট আছে। প্রতিনিয়ত আন্তঃক্রিয়ার মাধ্যমে বিশ্ব সম্পর্কে জীবের ভেতরে তথ্য প্রবেশ করছে, এবং জীবের উদ্বর্তন বা টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যগুলি অতি ধীরগতিতে সাংকেতিকভাবে সেটির ডিএনএ-তে রক্ষিত হয়েছে ও হচ্ছে। যেমন মানুষের ডিএনএ-তে সঞ্চিত তথ্যগুলি পৃথিবী নামক গ্রহে এক প্রজাতির স্থলচর প্রাণী হিসেবে টিকে থাকার জন্য সৃষ্টি হয়েছে; মঙ্গলগ্রহে বা পানির নিচে বেঁচে থাকার জন্য সৃষ্টি হয়নি। সুতরাং জীবন হল এমন একটি তথ্যসমষ্টি যা নির্দিষ্ট পরিবেশের উপর নির্ভরশীল। যদি কোনও জীবের পরিবেশ খুবই অল্প সময়ে ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়ে যায়, তাহলে ডিএনএ তথা জীবন সংক্রান্ত তথ্যগুলি অর্থহীন হয়ে পড়ে এবং জীব আর সেই নতুন পরিবেশে টিকে থাকতে পারে না। একারণেই ডাইনোসরেরা বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। একই কারণে মানবজাতিকে যদি বহুদূরবর্তী কোনও ভবিষ্যতে অন্য কোনও গ্রহে টেকসই মানববসতি স্থাপন করতে হয়, তাহলে তাকে ঐ গ্রহের প্রাকৃতিক পরিবেশ (জীবনধারণের জন্য অনুকূল বায়ুচাপ, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা, তেজস্ক্রিয়তা, অক্সিজেন) ও জীবমণ্ডলকে পৃথিবীর ন্যায় রূপদান করতে হবে, নতুবা পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য বহু লক্ষ কোটি বছর ধরে অর্জিত যেসব বংশগত তথ্য মানব ডিএনএ-তে জমা হয়েছে, সেগুলি নতুন ঐ গ্রহে নিরর্থক ও অচল হয়ে পড়বে।
1
1,869.460782
20231101.bn_35204_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF
তথ্য
মানব বংশাণুসমগ্রে (জিনোম) প্রায় ৩ শত কোটি ভিত্তি জোড় (বেজ পেয়ার) আছে, যেগুলির প্রতিটিকে দুইটি বিট (১ ও ০-ভিত্তিক দুই অংকের সংখ্যা) দিয়ে সংকেতায়িত করা সম্ভব, অর্থাৎ ৬ শত কোটি বিট দিয়ে উপস্থাপন করা সম্ভব, যা কিনা প্রায় ৭০০ মেগাবাইট পরিমাণ উপাত্ত। কিন্তু এই উপাত্তগুলিকে বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণযোগ্য উপকারী তথ্যে রূপান্তরিত করলে সেগুলির পরিমাণ হয় প্রায় ২০০ গিগাবাইট। অর্থাৎ প্রতিটি জীবিত মানুষ প্রায় ২০০ গিগাবাইট অর্থবহ বংশাণুগত তথ্য বহন করে চলছে, যেগুলি তার জীবনের ভিত্তি। আবার মানুষের বংশাণুসমগ্রে (জিনোম) উপস্থিত প্রায় ২০ হাজার বংশাণু (জিন) থেকে কমপক্ষে ২০ হাজার থেকে শুরু করে বহু লক্ষ প্রকারের প্রোটিন অণু (দেহসার) তথা মানবদেহ গঠনকারী সারবস্তু সৃষ্টি হওয়া সম্ভব, যেখানে প্রোটিনের প্রতিটি প্রকার মানবদেহে নির্দিষ্ট কোনও কাজে নিয়োজিত। এই বিপুল সংখ্যক প্রোটিন বা দেহসারের ধরন সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য এখনও সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি, যা কিনা প্রোটিনসমগ্র বিজ্ঞান (প্রোটিওমিকস) নামক শাস্ত্রে অধীত বিষয়।
0.5
1,869.460782
20231101.bn_35204_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF
তথ্য
বর্তমান যুগে এসে জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞান ক্ষেত্রে নতুন নতুন পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষণ প্রযুক্তির সাহায্যে জীবদেহ ও জীবদেহ থেকে উৎপাদিত পদার্থসমূহ সম্পর্কে অভূতপূর্ব দ্রুতগতিতে বিপুল পরিমাণ তথ্য আহরণ ও সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে এইসব জৈব ও জৈব-চিকিৎসাগত তথ্যগুলিকে আর কেবল মানুষের একার পক্ষে বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়। তাই শক্তিশালী আধুনিক পরিগণন (কম্পিউটিং) প্রযুক্তি ব্যবহার করে এগুলি অনুধাবন করা ও এগুলির উপকারী প্রয়োগ আবিষ্কার করার একটি ক্ষেত্র প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, যার নাম জৈব তথ্যবিজ্ঞান। এই ক্ষেত্রটিতে জীববৈজ্ঞানিক পরীক্ষানিরীক্ষা কিংবা চিকিৎসাক্ষেত্রে উৎপাদিত বিপুল তথ্য সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যাপ্রদান নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়। এই আন্তঃশাস্ত্রীয় গবেষণা ক্ষেত্রটিতে জীববিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিজ্ঞানীদের পাশাপাশি পরিগণক বিজ্ঞানী (কম্পিউটার বিজ্ঞানী), গণিতবিদ, পরিসংখ্যানবিদ ও পদার্থবিজ্ঞানীরাও কাজ করছেন। অন্য ভাষায় জৈব তথ্যবিজ্ঞান হল বংশাণুসমগ্র বিজ্ঞান, জৈব প্রযুক্তি ও তথ্য প্রযুক্তির মেলবন্ধন। এতে অধীত জৈব উপাত্ত ও তথ্যগুলি মূলত জীবদেহে প্রাপ্ত জৈব অণু যেমন বংশাণু (জিন), ডিএনএ, আরএনএ, অ্যামিনো অ্যাসিড, প্রোটিন, ইত্যাদির অনুক্রম বা কাঠামো। এই অনুক্রম বা কাঠামোগুলিকে বিশ্লেষণ করে ও একে অপরের সাথে তুলনা করে এগুলির কাজ নির্ণয় করা হয়, এবং এগুলিকে সুবিন্যস্ত করে সূচীবদ্ধ করে উপাত্তভাণ্ডার বা তথ্যভাণ্ডার নির্মাণ করা হয়। ভিন্ন ভিন্ন জীবের জৈব উপাত্ত তুলনা করে সেগুলির মধ্যে বিবর্তনগত সম্পর্কও নির্ণয় করা হয়। এছাড়া জীব দ্বারা উৎপন্ন ঔষধি যৌগগুলিও এই ক্ষেত্রে বিশ্লেষণ করা হয়। ভাষাবিজ্ঞানীরা যেমন ভাষিক উপাত্ত ও তথ্যের বিন্যাস নিয়ে কাজ করেন, ঠিক একইভাবে জৈব তথ্যবিজ্ঞানীরা জৈব অণুসমূহের বিন্যাসের ভাষা নিয়ে কাজ করেন, তবে জৈব তথ্যের প্রকৃতি অন্যান্য তথ্যের তুলনায় অনেক বেশি জটিল। এগুলিকে অনুক্রম, বিন্যাস, রেখাচিত্র, জ্যামিতিক চিত্র, নির্দিক ও সদিক ক্ষেত্র, সীমাবদ্ধতা, চিত্র, স্থানিক তথ্য, গাণিতিক ও পরিগাণনিক প্রতিমান, গদ্য, অনুকল্প, সাক্ষ্যপ্রমাণ, ইত্যাদি বিভিন্ন রূপে সংরক্ষণ করা হতে পারে, এবং এগুলি একমাত্রিক, দ্বিমাত্রিক ও ত্রিমাত্রিক ধরনের হতে পারে। তবে পরিগণক যন্ত্র বা ব্যবস্থায় এগুলিকে বিট (০ বা ১) হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়। প্রাক্কলন করা হয়েছে যে ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বে ৪০ এক্সাবাইট (৪ হাজার কোটি গিগাবাইট) বংশাণুসামগ্রিক তথ্য উৎপাদিত হবে। ভবিষ্যতে স্নায়ুবিজ্ঞান ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের চিত্রণের ফলে উৎপাদিত স্নায়ুকোষ সম্পর্কিত তথ্যগুলি আরও অনেক জটিল হবে ও এদের পরিমাণও আরও বিপুল হবে। আরেকটি উৎস অনুসারে বিশ্ব স্বাস্থ্যখাতে ২০২০ খ্রিস্টাব্দে এক বছরে ২৪০০ এক্সাবাইট (২৪ লক্ষ কোটি গিগবাইট) পরিমাণ স্বাস্থ্যগত উপাত্ত উৎপন্ন হয়।
0.5
1,869.460782
20231101.bn_35204_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF
তথ্য
আধুনিক যুগে এসে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির সহায়তায় আন্তর্জাল (ইন্টারনেট) ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলির মাধ্যমে প্রতিটি ব্যক্তি বিপুল পরিমাণ তথ্যের সান্নিধ্যে আসে। এই তথ্যগুলি কীভাবে সৃষ্টি হয়েছে, এগুলির গুণমান কীরকম, কীভাবে চাহিদামাফিক তথ্য খুঁজে বের করে সেগুলির মূল্যায়ন করে সেগুলিকে ব্যক্তিগত, সামাজিক, পেশাগত বা শিক্ষাগত জীবনের বিভিন্ন লক্ষ্য অর্জনে সঠিকভাবে ব্যবহার করা যায়, এই ব্যাপারগুলিকে একত্রে তথ্য-সাক্ষরতা নাম দেওয়া হয়েছে। ডিজিটাল তথ্যনির্ভর বিশ্বে তথ্য সাক্ষরতা একটি মৌলিক মানবাধিকারে পরিণত হয়েছে। এই ধারণাটির সাথে চিরায়ত সাক্ষরতা, পরিগণকযন্ত্র (কম্পিউটার) সাক্ষরতা, গবেষণা দক্ষতা ও সমালোচনামূলক চিন্তার ক্ষমতার মতো ধারণাগুলির ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। গণতান্ত্রিক, বহুমতভিত্তিক, সামাজিক অন্তর্ভুক্তিমূলক দেশ, জাতি ও সমাজ নির্মাণে তথ্য সাক্ষরতা অতীব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বর্তমানে সংবাদমাধ্যমগুলিতে হলুদ সাংবাদিকতা, ভুয়া খবর, ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ভুল তথ্যের বিস্তার, মিথ্যা অপতথ্যের বিস্তার ও সত্য কিন্তু মর্যাদাহানিকর ক্ষতিকর তথ্যের বিস্তার প্রতিরোধ করতে এই ব্যাপারটি আরও গুরুত্ব লাভ করেছে। একই সাথে অগণতান্ত্রিক কিংবা তথাকথিত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলিতে কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তথ্যের বিবাচন (সেন্সরশিপ) ও দমন-নিপীড়নের ভয়ে সাংবাদিকদের আত্ম-বিবাচন (সেলফ-সেন্সরশিপ) কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এসব কারণে অনেক দেশে সাংবাদিকদের উপরে পাঠকসমাজের আস্থা হ্রাস পাচ্ছে।
0.5
1,869.460782
20231101.bn_35204_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF
তথ্য
International Security Research & Intelligence Agency, a consulting company specialized in information and international security-related issues that provides internet users with an Open Sources Center.
0.5
1,869.460782
20231101.bn_18386_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%B0
একর
একর ক্ষেত্রফল পরিমাপের একটি একক যা বিভিন্ন পদ্ধতিতে এবং সাম্রাজ্যবাদ আমেরিকায় প্রচলিত পদ্ধতি হিসেবে নিরূপিত হয়। আন্তর্জাতিক একর এবং মার্কিনী একর - উভয়ই বর্তমানে বিশ্বের সর্বত্রই প্রচলিত আছে। একর সাধারণতঃ ভূ-ভাগে জমির পরিমাপ নির্ণয়ে ব্যবহার করা হয়।
0.5
1,867.719094
20231101.bn_18386_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%B0
একর
১৯৫৮ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং কমনওয়েলথভূক্ত দেশসমূহ সিদ্ধান্তপূর্বক একমত পোষণ করে যে, ১ গজ = ০.৯১৪৪ মিটার।
0.5
1,867.719094
20231101.bn_18386_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%B0
একর
ফলশ্রুতিতে আন্তর্জাতিক একর সমান দাঁড়ায় ৪,০৪৬.৮৫৬৪২২৪ বর্গমিটার (প্রায়)। তারপর থেকেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং বহিঃবিশ্বের সাথে একরের পার্থক্য দাঁড়ায় ০.০১৬ বর্গমিটার, এটি তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় যা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে।
0.5
1,867.719094
20231101.bn_18386_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%B0
একর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সার্ভে একর বা জরীপকৃত একর = ৪,০৪৬.৮৫৬৪২২৪ বর্গমিটার (প্রায়); মেণ্ডেনহল আদেশের মাধ্যমে এটির সঠিক মান (৪০৪৬১৩৫২৫৪২৬/১৫৪৯৯৯৬৯ বর্গমিটার) নিরূপিত হয় ইঞ্চির সাথে, যেখানে ১ মিটার = ৩৯.৩৭ ইঞ্চি।
0.5
1,867.719094
20231101.bn_18386_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%B0
একর
একর শব্দটি পুরনো ইংরেজি ‘এইসার’ থেকে এসেছে যার অর্থ হচ্ছে ‘উন্মুক্ত ভূমি’। সমার্থক শব্দ হিসেবে রয়েছে - নরওয়ের পশ্চিম উপকূলে একর এবং সুইডেনের একার, জার্মানীর একার, ল্যাটিন এগার এবং গ্রীক এগ্রোস।
1
1,867.719094
20231101.bn_18386_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%B0
একর
পূর্বে একর নির্ণিত হতো এক খণ্ড জমিতে একদিনে একজন মানুষের সহযোগিতায় একটি ষাঁড় যতটুকু জমি খনন করতে পারতো তার উপর।
0.5
1,867.719094
20231101.bn_18386_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%B0
একর
ম্যাট্রিক পদ্ধতি প্রচলনের পূর্বে ইউরোপের অনেক দেশই তাদের নিজস্ব পদ্ধতিতে একরকে প্রয়োগ করতো। ফলে এক দেশের সাথে অন্য দেশের মানদণ্ড একরূপ হতো না। এরই প্রেক্ষাপটে ফান্সে ১ একরে ৪,২২১ বর্গ মিটার চিহ্নিত করা হয়। উল্লেখ্য, শুধুমাত্র জার্মানীর বিভিন্ন প্রদেশে বিভিন্ন ধরনের একরের মানদণ্ড প্রচলিত ছিল।
0.5
1,867.719094
20231101.bn_18386_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%B0
একর
এডওয়ার্ড-১, এডওয়ার্ড-২, হেনরী-৮, জর্জ-৪ এবং ভিক্টোরিয়া আমলে ব্রিটিশ ওজন ও পরিমাপ অধ্যাদেশ, ১৮৭৮ অনুযায়ী ১ একর সমান ৪,৮৪০ বর্গগজ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
0.5
1,867.719094
20231101.bn_18386_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%95%E0%A6%B0
একর
ঐতিহাসিকভাবেই যুক্তরাজ্যের খামার এবং জমিগুলোর পরিমাপ একর (একর, রড এবং পার্চেজ) হিসেবে মূল্যায়িত হতো। এমনকি একরের পরিমাণ বেশি হলে তা সুবিধাজনক সময়ে বর্গমাইলের মর্যাদা লাভ করতো। যেমনঃ একজন জমির মালিক বলল যে, তার ৩২,০০০ একর জমি আছে, কিন্তু তা ৫০ বর্গমাইল নয়।
0.5
1,867.719094
20231101.bn_2953_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
মণিপুর
মণিপুর (; ) হল উত্তর-পূর্ব ভারতের একটি রাজ্য। মণিপুরের রাজধানী ইম্ফল। এই রাজ্যের উত্তরে নাগাল্যান্ড, দক্ষিণে মিজোরাম, পশ্চিমে আসাম ও পূর্বদিকে মিয়ানমার। এই রাজ্যের আয়তন ।
0.5
1,854.69729
20231101.bn_2953_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
মণিপুর
মৈতেই উপজাতির মানুষেরা প্রধানত রাজ্যের উপত্যকা অঞ্চলে বাস করে। এরাই রাজ্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠী (জনসংখ্যার ৬০%)। মণিপুরি বা মৈতেইরা পাঁচটি সামাজিক গোষ্ঠীতে বিভক্ত – মৈতেই মারুপ (এরা মৈতেই সংস্কৃতি ও মৈতেই ধর্মে বিশ্বাস করে), মৈতেই খ্রিস্টান, মৈতেই গৌর চৈতন্য (মৈতেই ধর্ম ও হিন্দুধর্ম উভয়েই বিশ্বাস করে), মৈতেই ব্রাহ্মণ (স্থানীয় নাম "বামোন" ও মণিপুরি মুসলমান (স্থানীয় নাম মিয়া মৈতেই বা পাঙাল)। মৈতেই বা মণিপুরি ভাষা তাদের মাতৃভাষা এবং এই রাজ্যের প্রধান সংযোগরক্ষাকারী ভাষা (লিঙ্গুয়া ফ্রাঙ্কা)।
0.5
1,854.69729
20231101.bn_2953_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
মণিপুর
এখানে রাজতন্ত্র বর্তমান ছিল। এটি কাংলেইপাক রাজ্য হিসেবে পরিচিত ছিল। পীতাম্বর চারাইরঙবা এই রাজত্বের প্রথম রাজা।
0.5
1,854.69729
20231101.bn_2953_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
মণিপুর
১৮২৪ সালে বর্মার আসাম আক্রমণ থেকে নিষ্কৃতি পেতে মনিপুর রাজ গম্ভীর সিং ব্রিটিশ সাহায্য চাইলে তৎকালীন ভারতের গভর্ণর জেনারেল উইলিয়াম আমহার্স্ট এর নেতৃত্বে প্রথম অ্যাংলো-বার্মা যুদ্ধ সংগঠিত হয়। যুদ্ধের পরবর্তীতে মনিপুর ভারতের একটি দেশীয় রাজ্য হিসেবে অঙ্গীভূত হয়।
0.5
1,854.69729
20231101.bn_2953_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
মণিপুর
১৮৯১ সালে রাজা কুলচন্দ্র সিং এর সময়কালে লর্ড ল্যান্সডাউন-কালীন ব্রিটিশদের সাথে বিরোধ বাধে। ১ বছরের মধ্যে তিনি অপসারিত হন। তার নাবালক পুত্র চূড়াচন্দ্র সিং ক্ষমতায় আসেন। বোধচন্দ্র সিং এই রাজত্বের শেষ রাজা।
1
1,854.69729
20231101.bn_2953_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
মণিপুর
১৯৪৭ সালে মনিপুর স্বাধীন রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশের ইচ্ছা প্রকাশ করে। পার্শবর্তী বার্মার আগ্রাসী মনোভাবে ১৯৪৯ সালে রাজা বোধচন্দ্র সিং ভারত অন্তর্ভুক্তির সম্মতিপত্রে সই করেন। ১৯৫৬ সালে এটি কেন্দ্র শাসিত রাজ্য হয়। ১৯৭২ সালে তা পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা পায়।
0.5
1,854.69729
20231101.bn_2953_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
মণিপুর
গন্ধর্বদের রাজত্বকালে মহাভারত-খ্যাত পঞ্চপাণ্ডবদের তৃতীয় ভ্রাতা অর্জুন মণিপুর রাজ্যে পরিভ্রমণে গিয়ে গন্ধর্ব রাজকন্যা চিত্রাঙ্গদার রূপে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে বিয়ে করেন। অর্জুনের সঙ্গে ক্ষত্রিয় যোদ্ধা যারা মণিপুর গিয়েছিল, তাদের অনেকে গন্ধর্ব কন্যাদের বিয়ে করে সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকে। অর্জুন ও চিত্রাঙ্গদার একমাত্র ঔরসজাত সন্তান বভ্রূবাহন মণিপুরের সিংহাসনে অধিপতি হন। মণিপুরে গন্ধর্বদের পরে আর্য-ক্ষত্রিয়দের শাসন শুরু হয়। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধের পর যুধিষ্টির অশ্বমেধ যজ্ঞ করলে রাজা বভ্রূবাহন সেই যজ্ঞে যোগদান করতে মিথিলার রাজধানী হস্তিনায় গমন করেন। যজ্ঞশেষে মণিপুরে ফেরার সময় বভ্রূবাহন হস্তিনার বিষ্ণুপ্রিয়া মন্দিরস্থ অনন্তশায়ী সুবর্ণ ও বিশাল বিষ্ণুমূর্তি সঙ্গে নিয়ে আসেন। বিষ্ণুবিগ্রহ স্থাপনের পর থেকে মণিপুরের রাজধানী ‘বিষ্ণুপুর’ নামে পরিচিতি লাভ করতে থাকে। অর্জুনের বংশধর ক্ষত্রিয় বংশী এবং বিষ্ণুর উপাসক বলে তাদেরকে বিষ্ণুপ্রিয়া বলা হয়।
0.5
1,854.69729
20231101.bn_2953_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
মণিপুর
মোঙ্গলীয় তিব্বতিবর্মী-পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত মৈতৈগণ দশম-ত্রয়োদশ শতাব্দীর কোনো এক সময় চীন দেশ থেকে মণিপুরে প্রবেশ করেন। পৈরিতন নামে এক দলপতির নেতৃত্বে তারা মণিপুরের উত্তরে অবস্থিত কবরু পর্বতে উপনিবেশন স্থাপন করে। মৈতৈ মণিপুরীরা বিষ্ণুর উপাসক বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈরা সনাতন বৈষ্ণব ধর্মে দীক্ষিত বলে পেঁয়াজ, রসুন ও মাংস খায় না।
0.5
1,854.69729
20231101.bn_2953_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
মণিপুর
কথিত আছে যে, মণিপুর রাজ্যে ভারতবর্ষের কোনো এক অঞ্চলের পাঠান মুসলিম ব্যবসা-বাণিজ্য করতে মণিপুর গেছেন। তাঁদের একজন এক মৈতৈ মণিপুরী মেয়ের সঙ্গে প্রেমে আবদ্ধ হন এবং তাঁকে বিবাহ করে সন্তানাদিসহ সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন। মা মৈতৈই ও পিতা পাঠান মুসলিম বংশোদ্ভূত সম্প্রদায়কে পাঙান জাতি বলে। তাদেরকে মণিপুরী মুসলিমও বলা হয়। তারা মায়ের ভাষায় কথা বলে এবং পিতার ইসলাম ধর্ম পালন করে। তারা পেঁয়াজ, রসুন ও মাংসভোজী। তাদের মেয়েরাও বিষ্ণুপ্রিয়া ও মৈতৈই মেয়েদের মতো নিজস্ব উৎপাদিত পোশাক-পরিচ্ছদ পরিধান করে।
0.5
1,854.69729
20231101.bn_260017_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5
কায়স্থ
শর্মা আরও উল্লেখ করেছেন যে ঐতিহাসিক ভান্ডারকর উল্লেখ করেছেন যে একই উপাধিগুলি নগর ব্রাহ্মণদের দ্বারা ব্যবহৃত হয়।কিছু মধ্যযুগীয় সাহিত্যের উল্লেখ করে, রবীন্দ্র নাথ চক্রবর্তী উল্লেখ করেছেন যে এই ধরনের মধ্যযুগীয় গ্রন্থ অনুসারে, "কায়স্থরা নাগরা ব্রাহ্মণের বংশধর ছিলেন যাদের খ্রিস্টীয় অষ্টম শতাব্দীতে বাংলায় বিশাল বসতি ছিল"।
0.5
1,854.440217
20231101.bn_260017_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5
কায়স্থ
আরেক ঐতিহাসিক আন্দ্রে উইঙ্কের মতে, বর্ণটি প্রথম উল্লেখ করা হয় খ্রিস্টীয় 5-6 শতকের কাছাকাছি, এবং সেন রাজবংশের (11-12 শতক) সময়কালে এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বর্ণে পরিণত হয়েছিল। এই সময়ে, এই শ্রেনীর কর্মকর্তা বা লেখকদের মধ্যে "অধিকারমূলক" ক্ষত্রিয় এবং বৃহত্তর সংখ্যাগরিষ্ঠ ব্রাহ্মণদের সমন্বয়ে গঠিত ছিল, যারা তাদের বর্ণ পরিচয় ধরে রেখেছিল বা বৌদ্ধ হয়েছিলেন। দক্ষিণ ভারতের মতো, বাংলায় স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত ক্ষত্রিয় বর্ণের অভাব ছিল। পাল, সেন, চন্দ্র এবং বর্মণ রাজবংশ এবং তাদের বংশধররা, যারা ক্ষত্রিয় মর্যাদা দাবি করেছিল, তারা কায়স্থ বর্ণের সাথে মিশে গেছে, যদিও তারাও "শূদ্র হিসেবে বিবেচিত হত"। রিচার্ড এম. ইটন মত দেন যে, এই রাজবংশের অবশিষ্টাংশগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করার পর, কায়স্থ "অঞ্চলের বিকল্প ক্ষত্রিয় বা যোদ্ধা শ্রেণী" হয়ে ওঠে।
0.5
1,854.440217
20231101.bn_260017_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5
কায়স্থ
শেখর বন্দ্যোপাধ্যায়ও মনে করেন গুপ্ত যুগের পরে তারা জাতি হিসাবে আবির্ভূত হয়েছিল। বাংলায় শ্রেণী ও বর্ণের মধ্যে সংযোগের কথা উল্লেখ করে, বন্দ্যোপাধ্যায় উল্লেখ করেছেন যে কায়স্থরা ব্রাহ্মণ ও বৈদ্যদের সাথে, শারীরিক শ্রম থেকে বিরত থাকলেও জমি নিয়ন্ত্রিত করেছিল, এবং এইভাবে "বাংলার তিনটি ঐতিহ্যবাহী উচ্চ বর্ণের" প্রতিনিধিত্ব করেছিল। ইটন উল্লেখ করেছেন যে ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম বিজয়ের পরেও কায়স্থরা "প্রভাবশালী ভূমি স্বত্বাধিকারী সম্প্রদায়" বা জমিদার হিসাবে অব্যাহত ছিল এবং এই অঞ্চলের পুরানো হিন্দু শাসকদের বংশধরদের অন্তর্ভুক্ত করেছিল।
0.5
1,854.440217
20231101.bn_260017_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5
কায়স্থ
প্রাচীন লিপি এবং শিলালিপিগুলি লেখক বা হিসাবরক্ষকদের এক শ্রেণীর রাজকীয় কর্মকর্তাদের লিপিবদ্ধ করে, যারা করণ বা কায়স্থ হিসাবে চিহ্নিত। লেক্সিকোগ্রাফার বৈজয়ন্তী (11 শতক খ্রিস্টাব্দ) কায়স্থ এবং করণকে সমার্থক বলে মনে করেন এবং তাদের লেখক হিসাবে চিত্রিত করেছেন। বাংলার দুটি মধ্যযুগীয় ধর্মগ্রন্থেও করণ নামক একটি জাতিগোষ্ঠীর উল্লেখ রয়েছে। কিছু বিশেষজ্ঞ করণ এবং কায়স্থ জাতিকে অভিন্ন বা সমতুল্য বলে মনে করেন। অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা দাবি করেন যে করণ এবং কায়স্থ জাতিগুলি শেষ পর্যন্ত ভারতের অন্যান্য অংশের মতো বাংলায় একক জাতি গঠনের জন্য একত্রিত হয়েছিল।
0.5
1,854.440217
20231101.bn_260017_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5
কায়স্থ
১৯৩১ সালের জনগণনা অনুযায়ী মাত্র ১২.৭% কায়স্থ পরম্পরাগত পেশা অর্থাৎ কেরানীর কাজ করত। বাংলার প্রধান পেশা কৃষিকাজ হওয়ায় ৩৭.৬% কায়স্থ কৃষিকাজের সাথে যুক্ত ছিল। জাতির দিক থেকে শিক্ষার হারে কায়স্থরা তৃতীয় স্বাক্ষর সম্প্রদায় ছিল, বৈদ্য এবং ব্রাহ্মণদের পরবর্তীতে। বাংলার অন্যান্য 'উচ্চ জাতি'-র সাথে বাণিজ্য ও প্রশাসনিক কাজে তারা অন্যদের তুলনায় অনেক বেশি নিয়োজিত ছিল, তবে কর্মহীন ব্যক্তির সংখ্যা সবার মধ্যে প্রায় সমান ছিল।
1
1,854.440217
20231101.bn_260017_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5
কায়স্থ
বাংলার হিন্দু সম্প্রদায় কেবল দুটি বর্ণে বিভক্ত ছিল: ব্রাহ্মণ ও শূদ্র। তাই, যদিও বাঙালী কায়স্থ ও বৈদ্যদের ব্রাহ্মণদের সাথে উচ্চ সামাজিক মর্যাদা ছিল, তবুও তাদের আচার-অনুষ্ঠানের মর্যাদা কম ছিল, এডমন্ড লিচ এবং এস.এন. মুখার্জির মতে; যদিও অন্যান্য ঐতিহাসিকদের মতে তাদের আচার-অনুষ্ঠানের মর্যাদা একটি বিতর্কের বিষয় বলে মনে হয়।
0.5
1,854.440217
20231101.bn_260017_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5
কায়স্থ
ভারতীয় লেখক এবং পর্যবেক্ষকদের একটি সমীক্ষা বলছে যে কায়স্থদের সাথে পরিচিত অনেকেই তাদের দ্বিজ বা দ্বিজজাতীয় বলে মনে করতেন। বেলনয়েটের মতে, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ক্ষত্রিয় বংশোদ্ভূতদের দাবিকে সমর্থন করেছিলেন, কারণ তাদের "প্রশাসনে সম্মান ও বিশিষ্টতা এবং সাক্ষরতার সামগ্রিক হার"। আবদুল শারর, যিনি তাদের সাথে ভালভাবে পরিচিত ছিলেন, তিনিও তাদের উচ্চ শিক্ষার হার উল্লেখ করে দ্বিজ উত্সের দাবিকে সমর্থন করেছিলেন যা একটি শূদ্র জাতি অর্জন করতে পারে না। যাইহোক, বাঙালি কায়স্থদের দ্বিজ মর্যাদা পাওয়ার দাবি ভারতীয় পর্যবেক্ষক যোগেন্দ্র নাথ ভট্টাচার্য দ্বারা সমর্থিত হয়নি, যিনি তাদের দাবী খন্ডন করার জন্য তাদের আচার-অনুষ্ঠানের উদ্ধৃতি দিয়েছিলেন। বাংলার ১৯৩১ সালের আদমশুমারির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'উন্নত-স্থানীয়' কায়স্থ সম্প্রদায় ক্ষত্রিয় মর্যাদা দাবি করেছে।
0.5
1,854.440217
20231101.bn_260017_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5
কায়স্থ
প্রফেসর জুলিয়াস জে. লিপনার উল্লেখ করেছেন যে বাঙালি কায়স্থদের বর্ণের মর্যাদা বিতর্কিত, এবং বলেন যে কিছু বিশেষজ্ঞ মনে করেন যে তারা "দ্বিজ গোষ্ঠীর অন্তর্গত নয়, শূদ্রদের মধ্যে উচ্চ পদে রাখা হয়েছে; অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের জন্য তারা ক্ষত্রিয়দের সাথে সমান, এবং দ্বিজ মর্যাদা দেওয়া হয়।" জন হেনরি হাটনের মতে, কায়স্থ বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ জাতি, এই বর্ণটিকে এখন "সাধারণত দ্বিজ হিসাবে গণ্য করা হয়, এবং তারা নিজেকে ক্ষত্রিয় বলে দাবি করে, যদিও তারা সম্ভবত একশ বছর আগে সৎ শূদ্র হিসাবে বিবেচিত হত"। সান্যাল উল্লেখ করেছেন যে বাংলায় বৈশ্য ও ক্ষত্রিয় শ্রেণির অভাবের কারণে তথাকথিত "উচ্চ বর্ণ" সহ বাংলার সমস্ত অ-ব্রাহ্মণ জাতিকে শূদ্র হিসাবে বিবেচনা করা হত; বাঙালী কায়স্থরা তিনটি উচ্চ বর্ণের মধ্যে বিবেচিত হয় কারণ তাদের সামাজিক অবস্থান উচ্চ ছিল। লয়েড রুডলফ এবং সুজান রুডলফ উল্লেখ করেছেন যে রোনাল্ড ইন্ডেন (নৃবিজ্ঞানী), 1964-'65 সালের কিছু অংশ বাংলায় কাটানোর পরে, কায়স্থদের উপর তার গবেষণায় বলেছেন যে শহুরে শিক্ষিত "দ্বিজ জাতি" — কায়স্থ, বৈদ্য এবং ব্রাহ্মণদের মধ্যে আন্তঃবর্ণ বিবাহ বাড়ছে।
0.5
1,854.440217
20231101.bn_260017_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5
কায়স্থ
ইন্ডেনের মতে, "ভারতের অনেক উচ্চ বর্ণ ঐতিহাসিকভাবে শ্রেণী বা বংশে সংগঠিত হয়েছে"। বাঙালি কায়স্থ ১৫০০ খ্রিস্টাব্দের কাছাকাছি সময়ে ছোট উপ-জাতি এবং এমনকি ছোট শ্রেণীতে (কুল) সংগঠিত হয়েছিল। চারটি প্রধান উপজাতি ছিল দক্ষিণ-রাঢ়ী, বঙ্গজা, উত্তর-রাঢ়ী এবং বরেন্দ্র। দক্ষিণ-রাঢ়ী এবং বঙ্গজা উপজাতিগুলিকে আরও বিভক্ত করা হয়েছিল কুলীন (উচ্চ বংশ পদমর্যাদা) এবং মৌলিক, নিম্ন গোষ্ঠীর পদে। মৌলিকের আরও চারটি বিভাগ ছিল। উত্তর-রাঢ়ী এবং বরেন্দ্র তাদের উপজাতিতে বিভাজন নির্ধারণ করতে 'সিদ্ধ', 'সাধ্য', 'কাষ্ট' এবং 'অমূলজা' শব্দগুলি ব্যবহার করেছেন।
0.5
1,854.440217
20231101.bn_462029_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%87
জুঁই
এ প্রজাতিটির মূল ক্রোমোজোমসংখ্যা ১৩, এবং বেশিরভাগ প্রজাতি ডিপ্লয়েড (2n=26). তাছাড়া, প্রকৃতিতে জুঁইয়ের যেসব প্রজাতি পাওয়া যায় তাদের ক্রোমোজোমসংখ্যা হল,
0.5
1,850.404287
20231101.bn_462029_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%87
জুঁই
জুঁই ইউরেশিয়া, অস্ট্রেলেশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলের স্থানীয় ফুল, যদিও ২০০টির মধ্যে একটি মাত্র প্রজাতি ইউরোপের স্থানীয়।এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এর মূল উত্‍পত্তিস্থান.Jasminum flumiese (যা ভুল নামে অর্থাত্‍ "ব্রাজিলীয় জুঁই" নামে পরিচিত) এবং Jasminum dichotomum (সোনালী জুঁই) হাওয়েই and ফ্লোরিডায় দুষ্প্রাপ্য প্রজাতি. Jasminum polyanthum, শ্বেত জুঁই নামেও পরিচিত,অস্ট্রেলিয়ায় একটি দুষ্প্রাপ্য প্রজাতি.
0.5
1,850.404287
20231101.bn_462029_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%87
জুঁই
প্রজাতি ও গণসহকারে Jasminum জলপাই পরিবারের (Oleaceae) Jasmineae হিসেবে বিন্যস্ত হয়। Jasminum কে পাঁচটি সেকশনে ভাগ করা হয়—Alternifolia, Jasminum, Primulina, Trifoliolata, এবং Unifoliolata.
0.5
1,850.404287
20231101.bn_462029_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%87
জুঁই
প্রজাতির নামটি নেওয়া হয়েছে আরবি ও ল্যাটিনের মধ্য দিয়ে ফারসি ইয়াসমীন ("আল্লাহ থেকে প্রাপ্ত উপহার") থেকে।
0.5
1,850.404287
20231101.bn_462029_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%87
জুঁই
জুঁই ফুলের জন্যই এ গাছের চাষ করা হয়। এটি বাগানে সৌন্দর্য বর্ধনে ও সুগন্ধের জন্য গৃহস্থালী উদ্ভিদ হিসেবে চাষ করা হয়। দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার নারীরা একে চুলে বাঁধে।
1
1,850.404287
20231101.bn_462029_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%87
জুঁই
জুঁই চা বানানো হয় চীন এ,যেখানে একে বলা হয় জুঁই ফুলের চা(茉莉花茶; pinyin: mò lì huā chá). Jasminum sambac ফুলও জুঁই চা বানাতে ব্যবহৃত হয়, প্রায়ই যা সবুজ চা অথবা সাদা চাএর মূলে থাকে, কিন্তু কখনও ওলোঙ ভিত্তি ব্যবহৃত হয়।ওকিনায়া, জাপান এ, জুঁই চা সানপিন চা (さんぴん茶) হিসেবে পরিচিত।
0.5
1,850.404287
20231101.bn_462029_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%87
জুঁই
ফুলগুলোকে মেশিনে দেয়া হয় যেখানে ফুলের তাপমাত্রা ও আদ্রতা নিয়ন্ত্রণ করা হয়। চায়ে ফুলের গন্ধ ও স্বাদ শোষন প্রক্রিয়া শেষ হতে প্রায় চার ঘণ্টা লাগে। মানোন্নয়ের জন্য এই প্রক্রিয়াকে সাত বার পর্যন্ত পুনরাবৃত্তি করা হয়।
0.5
1,850.404287
20231101.bn_462029_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%87
জুঁই
তামিলনাড়ুর মাদুরাই শহর জুঁই উত্‍পাদনের জন্য বিখ্যাত । অন্ধ্র প্রদেশ, কর্ণাটক, কেরালা, মহারাষ্ট্র এবং তামিলনাড়ু সহ ভারতের পশ্চিম এবং দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে, জুঁই নিজস্ব ঘরে চাষ করা হয়।এই ফুলগুলো তাদের জীবিকা এবং সজ্জার জন্য চাষ করা হয়। সুগন্ধি ইন্ডাস্ট্রির ইন্ডাস্ট্রিয়াল এবং বাণিজ্যিক ব্যবহারের উদ্দেশ্যেও জুঁই চাষ করা হয়। এটি বিয়ে এবং ধর্মীয় উত্‍সবে বেশি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। জগন্নাথ এর চন্দনযাত্রায়, জুঁইফুল এবং চন্দনকাঠে সুবাসিত পানি দ্বারা দেবীকে স্নান করানো হয়।
0.5
1,850.404287
20231101.bn_462029_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%81%E0%A6%81%E0%A6%87
জুঁই
তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্সিতে পরিবর্তন এবং ২০১১ এর তিউনিশীয় বিদ্রোহ উভয়কেই ফুলের প্রেক্ষীতে "জুঁই বিদ্রোহ" বলা হয়।
0.5
1,850.404287
20231101.bn_581096_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3
রাধাকৃষ্ণ
পরম্পরা অনুসারে, এই আরাধনাকে বোঝার জন্য বিভিন্ন ব্যাখ্যার মধ্যে একটি ব্যক্তিগতবাদের সাধারণ উৎস আছে। বিশেষত চৈতন্যবাদী গৌড়ীয় বৈষ্ণবতত্ত্ব ও মিশন গভীরভাবে "ব্যক্তিনিষ্ঠবাদী", যা কৃষ্ণের সর্বোচ্চতা, রাধা-কৃষ্ণের রূপে চৈতন্য মহাপ্রভুর পরিচয়, ব্যক্তির নিজের বাস্তবিকতা ও নিত্যতা, এবং সর্বপ্রথম ও প্রধানতম ভাবে একজন ব্যক্তির রূপে পরম সত্য ও ঈশ্বরের কাছে পৌঁছানোর ঘোষণা করে।
0.5
1,847.775907
20231101.bn_581096_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3
রাধাকৃষ্ণ
জীব গোস্বামী তার "প্রীতি সন্দর্ভ"-এ বলেছেন যে, প্রত্যেক গোপিনী বিভিন্ন স্তরের মনোভাবের তীব্রতা প্রকাশ করেন, যার মধ্যে রাধারটি সর্বোত্তম।
0.5
1,847.775907
20231101.bn_581096_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3
রাধাকৃষ্ণ
রামানন্দ রায় তার প্রসিদ্ধ 'সংবাদ'-এ, চৈতন্য মহাপ্রভুর জন্য রাধাকে বর্ণিত করেছেন এবং অন্যান্য ব্যক্তিত্বদের কাছে চৈতন্যচরিতামৃতের ২.৮.১০০ এর একটি পঙ্‌ক্তি উদ্ধৃত করেছেন, যার পর তিনি বৃন্দাবনের প্রাচীন সময়ে রাধার ভূমিকা বর্ণনা করেছেন।
0.5
1,847.775907
20231101.bn_581096_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3
রাধাকৃষ্ণ
এই তত্ত্ববিদ্যার কেন্দ্রবিন্দু রস শব্দের সাথে সম্বন্ধিত। এই শব্দের ধর্মসঙ্গত প্রয়োগ প্রাথমিক যুগেই পাওয়া যেতে পারে, নিম্বার্ক বা চৈতন্য সম্প্রদায়ের দু'হাজার বছর আগে, ব্রহ্মসূত্রের একটি বাক্যাংশে যেখানে প্রায়শই পরম্পরাগতভাবে উদ্ধৃত করা হয়েছে: "বস্তুত, ঈশ্বর হলেন রস" (রসো বৈ সঃ)। এই বক্তব্যটি প্রকাশ করে যে, ঈশ্বরই সেই একজন যিনি পরম রস বা আধ্যাত্মিক উৎসাহ, ভাবাবেশের আনন্দ গ্রহণ করেন।
0.5
1,847.775907
20231101.bn_581096_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3
রাধাকৃষ্ণ
রাজা গরীব নিবাজ ১৭০৯ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৭৪৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত শাসন করেন এবং তিনি চৈতন্য পরম্পরার বৈষ্ণবশাখায় দীক্ষাগ্রহণ করেন, যারা কৃষ্ণের পূজা সর্বোচ্চ ঈশ্বর স্বয়ং ভগবান রূপে করে থাকে। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে এই ধর্মের অভ্যাস করেছিলেন। প্রচারক ও তীর্থযাত্রীদের আগমন বিপুল সংখ্যায় ঘটতে থাকে এবং আসামের সাথে সাংস্কৃতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
1
1,847.775907
20231101.bn_581096_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3
রাধাকৃষ্ণ
বৈষ্ণব মতের প্রসারের সঙ্গে রাধা ও কৃষ্ণের পূজা মণিপুরে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করে। সেখানকার প্রতিটি গ্রামে একটি ঠাকুর-ঘাট ও একটি মন্দির বিদ্যমান।।
0.5
1,847.775907
20231101.bn_581096_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3
রাধাকৃষ্ণ
রাস ও অন্যান্য নৃত্য প্রায়শই আঞ্চলিক লোক ও ধার্মিক পরম্পরার এক বিশেষত্ব, উদাহরণস্বরূপ, একজন মহিলা নর্তকী একই নাটিকায় কৃষ্ণ ও তার সহচরী রাধা, উভয়ের চরিত্রেই অভিনয় করেন।
0.5
1,847.775907
20231101.bn_581096_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3
রাধাকৃষ্ণ
বৈদিক ও পৌরাণিক সাহিত্যে, রাধা ও এই ধাতুর অন্য রূপ >রাধ-এর অর্থ হল 'পূর্ণতা', 'সফলতা' এবং কখনো-কখনো 'বৈভব'। সফলতার দেবতা ইন্দ্রকে রাধাস্পতি রূপে আখ্যায়িত করা হয়েছিল। ভাগ্যের দেবতার রূপে মহাবিষ্ণুর সূত্রে এবং জয়দেব দ্বারা জয় জয়দেব হরে রূপে স্বতন্ত্রভাবে প্রযুক্ত - বিজয়ী হরি ও রাধাস্পতি, সবাইকেই ক্ষেত্রবিশেষে অনেকবার দেখা গেছে। রাধা শব্দটি অথর্ববেদ, তৈত্তিরীয় ব্রাহ্মণ ও তৈত্তিরীয় সংহিতায় প্রাপ্ত হয়।
0.5
1,847.775907
20231101.bn_581096_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A3
রাধাকৃষ্ণ
যসস্তিলক চম্পুকাব্য (৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দ), জয়দেবের সময়ের আগে থেকেই রাধা ও কৃষ্ণকে ভালোভাবে গ্রন্থিত করেছে। ব্রহ্মবৈবর্ত পুরাণ ও পদ্মপুরাণ-এ রাধার বেশ কয়েকটি বিস্মৃত তথ্যসূত্র আধারিত রয়েছে।
0.5
1,847.775907
20231101.bn_1256_78
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
জ্যোতির্বিজ্ঞান
Unsöld, Albrecht; Baschek, Bodo (2001). Classical Astronomy and the Solar System - Introduction. p. 1.
0.5
1,842.190134
20231101.bn_1256_79
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
জ্যোতির্বিজ্ঞান
Jump up ^ Unsöld, Albrecht; Baschek, Bodo (2001). Classical Astronomy and the Solar System. pp. 6–9.
0.5
1,842.190134
20231101.bn_1256_80
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
জ্যোতির্বিজ্ঞান
Jump up ^ https://web.archive.org/web/20030602155203/http://www.sydneyobservatory.com.au/ Official Web Site of the Sydney Observatory
0.5
1,842.190134
20231101.bn_1256_81
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
জ্যোতির্বিজ্ঞান
Jump up ^ http://oaq.epn.edu.ec/ Official Web Site of one of the oldest Observatories in South America, the Quito Astronomical Observatory
0.5
1,842.190134
20231101.bn_1256_82
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
জ্যোতির্বিজ্ঞান
Jump up ^ Losev A., (2012), 'Astronomy' or 'astrology': a brief history of an apparent confusion, Journal of Astronomical History and Heritage, Vol. 15, No. 1, p. 42-46 .
1
1,842.190134
20231101.bn_1256_83
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
জ্যোতির্বিজ্ঞান
Jump up ^ Unsöld, Albrecht; Baschek, Bodo (2001). The New Cosmos: An Introduction to Astronomy and Astrophysics. Translated by Brewer, W.D. Berlin, New York: Springer. .
0.5
1,842.190134
20231101.bn_1256_84
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
জ্যোতির্বিজ্ঞান
^ Jump up to: a b Scharringhausen, B. "Curious About Astronomy: What is the difference between astronomy and astrophysics?". Archived from the original on 9 June 2007. Retrieved 17 November 2016.
0.5
1,842.190134
20231101.bn_1256_85
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
জ্যোতির্বিজ্ঞান
^ Jump up to: a b Odenwald, Sten. "Archive of Astronomy Questions and Answers: What is the difference between astronomy and astrophysics?". astronomycafe.net. The Astronomy Cafe. Archived from the original on 8 July 2007. Retrieved 20 June 2007.
0.5
1,842.190134
20231101.bn_1256_86
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%8B%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8
জ্যোতির্বিজ্ঞান
^ Jump up to: a b "Penn State Erie-School of Science-Astronomy and Astrophysics". Archived from the original on 1 November 2007. Retrieved 20 June 2007.
0.5
1,842.190134
20231101.bn_61644_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8
ধূমপান
ধূমপায়ীরা প্রায়ই রিপোর্ট করে যে সিগারেট মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করে। যাইহোক, প্রাপ্তবয়স্ক ধূমপায়ীদের মানসিক চাপের মাত্রা অধূমপায়ীদের তুলনায় সামান্য বেশি। কিশোর ধূমপায়ীরা জানাচ্ছেন যে ধূমপানের নিয়মিত অভ্যাস বৃদ্ধির সাথে সাথে মানসিক চাপ বেড়ে যায়, এবং ধূমপানের অভ্যাস ত্যাগ করার পর মানসিক চাপ কমে যায়। মেজাজ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবে কাজ করার বদলে, এর ফলে যে নিকোটিন নির্ভরতার সৃষ্টি হয় তা মানসিক চাপ বাড়িয়ে দেয়। ধূমপায়ীদের বর্ণনা করা দৈনন্দিন মেজাজের অবস্থা থেকে এটা নিশ্চিত করা হয়েছে যে, ধূমপানের সময় মেজাজ স্বাভাবিক থাকে এবং যখন ধূমপান করা হয়না তখন মেজাজ খারাপ খারাপ হয়ে যায়। এইভাবে, ধূমপানের আপাত চাপ নিরসনমূলক প্রভাব কেবলই নিকোটিন হ্রাসের সময়কার (যখন ধূমপান করা হয়না) বিকশিত উত্তেজনা এবং বিরক্তিরই প্রতিফলন। ধূমপানে নির্ভরশীল ব্যক্তির স্বাভাবিক বোধের জন্য নিকোটিনের প্রয়োজন হয়।
0.5
1,839.661662
20231101.bn_61644_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8
ধূমপান
বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে হ্যান্স আইসেঙ্কের মত মনোবিজ্ঞানীরা সেই সময়ের সাধারণ ধূমপায়ীদের জন্য একটি ব্যক্তিত্ব প্রোফাইল তৈরি করেন; এক্সট্রাভারশন বা বহির্মুখিতা ধূমপানের সাথে জড়িত ছিল, এবং ধূমপায়ীদের সামাজিক, আবেগপ্রবণ, ঝুঁকি গ্রহণ এবং উত্তেজনা অনুসন্ধানকারী হবার দিকে প্রবণতা দেখা যায়। যদিও ব্যক্তিত্ব এবং সামাজিক উপাদান মানুষকে ধূমপান করতে বাধ্য করতে পারে, প্রকৃত অভ্যাসটি আসলে অপারেন্ট কন্ডিশনিং এর একটি ফল। প্রাথমিক পর্যায়ে, ধূমপান আনন্দদায়ক অনুভূতি প্রদান করে (ডোপামিন ব্যবস্থার উপর তার ক্রিয়ার কারণে) এবং এইভাবে ইতিবাচক পুনর্প্ররোচনা বা পজিটিভ রিইনফোর্সমেন্ট এর একটি উৎস হিসেবে কাজ করে। একজন ব্যক্তি বহু বছর ধরে ধূমপান করার পর, প্রত্যাহারের উপসর্গ এবং নেতিবাচক পুনর্প্ররোচনা বা নেগেটিভ রিইনফোর্সমেন্টকে এড়ানোই প্রধান প্রেরণা হয়ে ওঠে। সকল আসক্তিমূলক পদার্থের মতই, কতটুকু নিকোটিন গ্রহণের ফলে নিকোটিনের উপর নির্ভরশীলতা তৈরি হবে তা ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।
0.5
1,839.661662
20231101.bn_61644_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8
ধূমপান
ক্যান্সার উৎপাদনে ধূমপানের প্রভাবঃ সিগারেটের ধোঁয়ায় ক্যান্সার সৃষ্টিকারী মিউটাজেন থাকে। এরা মানুষের মুখ, শ্বাসনালি,গ্রাসনালি এবং ফুসফুসে ক্যান্সার সৃষ্টি করে।
0.5
1,839.661662
20231101.bn_61644_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8
ধূমপান
ব্রংকাইটিসঃ ধূমপান থেকে শ্বাসনালিতে প্রদাহ এবং কাশির সৃষ্টি হয়। একে ব্রংকাইটিস বলে। এতে শ্বাসনালি ধীরে ধীরে সংকুচিত হয়। হাঁপানি শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি হয়। ফুসফস অনেকাংশে নিষ্ক্রিয় হয়।
0.5
1,839.661662
20231101.bn_61644_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8
ধূমপান
এমফাইসিমাঃ ধূমপানের ফলে শ্বাসনালিগুলোর বায়ুপথসমূহ সরু হয় এবং ফুসফুসে অতি স্ফীতি দেখা দেয়। একে এমফাইসিমা বলে। এর ফলে ফুসফুসে জটিল পরিবর্তন লক্ষিত হয়।
1
1,839.661662
20231101.bn_61644_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8
ধূমপান
উদ্গারি কাশিঃ ধূমপানের জন্য অনেকের প্রচন্ড কাশি এবং কাশির সাথে ফুসফুস থেকে মিউকাস বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। একে উদ্গারি কাশি বলে।
0.5
1,839.661662
20231101.bn_61644_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8
ধূমপান
শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের চিকিৎসকদের শিক্ষা এবং কাউন্সেলিং তামাক ব্যবহারের ঝুঁকি কমাতে কার্যকর হতে দেখা গেছে। পদ্ধতিগত পর্যালোচনায় দেখা যায় যে সমাজমনস্তাত্ত্বিক হস্তক্ষেপ মহিলাদের গর্ভাবস্থার শেষ দিকে ধূমপান বন্ধ করতে সাহায্য করতে পারে, এবং নিম্ন ওজনের সন্তান প্রসব এবং অকাল জন্ম কমাতে সাহায্য করতে পারে। ২০১৬ সালের একটি কোচরেন পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে ওষুধ এবং আচরণগত সমর্থনের সমন্বয় ন্যূনতম হস্তক্ষেপ বা স্বাভাবিক যত্নের চেয়ে বেশি কার্যকর ছিল। কোচরেনের আরেকটি পর্যালোচনা "পরামর্শ প্রদান করে যে ধূমপান বন্ধ করা বা হঠাৎ করে ত্যাগ করার ফলে উচ্চতর ত্যাগের হার বৃদ্ধি পায় না; তাই কীভাবে ধূমপান ত্যাগ করা যেতে পারে সে ব্যাপারে জনগণকে একাধিক বিকল্প দেওয়া যেতে পারে, এবং যারা বিশেষভাবে ধূমপান কমাতে চান তাদের সমর্থন প্রদান করা যেতে পারে।
0.5
1,839.661662
20231101.bn_61644_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8
ধূমপান
সমাজ শব্দের অর্থ সহযোগিতা। আপনি, আমি বা আমরা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে ধূমপানের বিপক্ষে অর্থাৎ ধূমপানের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ সহ প্রতিকার করতে পারি। যা শুরু হতে পারে ব্যক্তি, পরিবার, সমাজ, পাড়া, মহল্লা, থানা, উপজেলা, জেলা, বিভাগ ক্রমান্নয়ে দেশ পর্যায়ে যারা কর্তা ব্যক্তি প্রশাসনে আছেন সবার আগে তাদের আইন প্রয়োগের মাধ্যমে ধূমপান বন্ধ করার জন্য কঠিন থেকে কঠিনতর আইন প্রণয়ন ও প্রয়োগ করতে হবে। বেসরকারী এনজিও, ইলেক্ট্রনিক্স ওি প্রিন্ট মিডিয়া সরাসরি ধূমপানের কুফল সম্পর্কে বিজ্ঞাপন, নাটোক, সিনেমা, আর্টিকেল সহ এর বিরুপ প্রভাব সম্পর্কে জনগণের কাছে সরাসরি প্রচার করতে হবে।
0.5
1,839.661662
20231101.bn_61644_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%82%E0%A6%AE%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%A8
ধূমপান
বিশেষ করে পুলিশ প্রশাসন যদি প্রত্যক্ষ করে তাদের ক্ষমতার প্রয়োগ করতে পারেন তাহলে তামাক বা ধুমাপান বন্ধ করা সহজ থেকে সহজতর হবে। শুধু তাই নয়, মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা বা সকল প্রকার ধর্মীয় উপসানলয়ে দায়িত্বরত কর্তা ব্যক্তিরা ধূমপানের কুফল সম্পর্কে প্রচার করে ভাল ফল পাওয়া সম্ভব।
0.5
1,839.661662
20231101.bn_392821_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%82%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
রংপুর
রংপুর বিভাগের একমাত্র পুর্ণাঙ্গ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, মুক্তিযুদ্ধে ৬ নম্বর সেক্টরে জীবন ত্যাগকারী বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ আবু মঈন মোহাম্মদ আশফাকুস সামাদ বীর উত্তম এর স্মরণে প্রতিষ্ঠিত বীর উত্তম শহীদ সামাদ স্কুল এন্ড কলেজ, সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত রংপুর ক্যাডেট কলেজ এবং উত্তরবঙ্গের অক্সফোর্ড খ্যাত কারমাইকেল কলেজ এই শহরের দক্ষিণাংশে অবস্থিত।
0.5
1,838.547159
20231101.bn_392821_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%82%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
রংপুর
১৫৭৫ সালে মুঘল সাম্রাজ্যের অধিপতি আকবরের সেনাপতি রাজা মানসিংহ রংপুর জয় করেন এবং ১৬৬৮ সালে সমগ্র রংপুরে মোগলদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা পায়। এ অঞ্চলের মোগালবাসা এবং মোগলহাট নামগুলো দীর্ঘ মোঘল শাসনের চিহ্ন বহন করছে। পরে রংপুর ঘোরাঘাট সরকারের অধীনে চলে আসে এবং পরবর্তীতে ১৮'শ শতকের শেষের দিকে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনামলে রংপুরে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে রংপুর জেলার অবদান উল্লেখযোগ্য ।
0.5
1,838.547159
20231101.bn_392821_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%82%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
রংপুর
রংপুরের মোট জনসংখ্যা ৩১,৬৯,৬১৫ জন। সর্বোচ্চ ৯০.৬১% ইসলাম ধর্মালম্বী, হিন্দু সম্প্রদায় ৮.৯৩%, খ্রিষ্টান ০.২৫%, বৌদ্ধ ০.০৫% এবং অন্যান্য ০.১৫% সাঁওতাল, রাজবংশী এবং ওঁরাও জাতিগোষ্ঠী।
0.5
1,838.547159
20231101.bn_392821_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%82%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
রংপুর
আশেপাশের জেলাগুলোর জন্য রংপুর একটি বাণিজ্যিক কেন্দ্রবিন্দু ব্রিটিশ শাসনকাল থেকেই। শহরের কেন্দ্রবিন্দুতে অসংখ্য সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংক, বীমা সংস্থা, আবাসিক হোটেল, চীনা এবং দেশী-বিদেশী রেস্টুরেন্ট, ফাস্ট ফুড, মিষ্টির ও উপহারের দোকান রয়েছে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এর প্রভাব অপরিসীম।
0.5
1,838.547159
20231101.bn_392821_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%82%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
রংপুর
তাজহাট জমিদার বাড়ি রংপুর শহরের দক্ষিণে অবস্থিত। ১৯৮৪ সালে হাইকোর্ট হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি তাজহাট জমিদার বাড়ি নামেই পরিচিত ছিলো। ব্রিটিশ শাসনামলের শেষে ভবনটি দ্রুত পরিত্যক্ত এবং ক্ষয়প্রাপ্ত হতে থাকে। ১৯৮০ সালের দিকে এই ভবনটিকে "কোর্ট হাউস" হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিলো। ২০০৪ সালে তাজহাট জমিদার বাড়িকে সংস্কার করে যাদুঘরে রুপান্তরিত করা হয় এবং এই যাদুঘরের সংগ্রহে হিন্দুদের কালো পাথরের ভাস্কর্য, চারুলিপি এবং মুঘল আমলের শিল্প উল্লেখযোগ্য। তহবিলের অভাবে যাদুঘরটি মাঝে মাঝে বন্ধ থাকে।
1
1,838.547159
20231101.bn_392821_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%82%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
রংপুর
এই জমিদার বাড়িটির প্রান্তদেশ দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে তিন কিলোমিটার বিস্তৃত।বাংলাদেশের সুপ্রীম কোর্টের রংপুর উচ্চ আদালতের শাখা হিসেবে ১৯৯৫ সালে প্রাসাদটি ব্যবহার করা হয়েছিলো। প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ কর্তৃক প্রাসাদটিকে সুরক্ষিত স্মৃতিস্তম্ভ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ২০০২ সালে এটিকে জাদুঘরে রুপান্তরিত করে। তদনুসারে ২০০৫ সাল থেকে ভবনটি রংপুর জাদুঘর হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
0.5
1,838.547159
20231101.bn_392821_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%82%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
রংপুর
সাংস্কৃতিক প্রোগ্রামের জন্য শহরের কেন্দ্রে একটি প্রাচীন অডিটোরিয়াম রয়েছে যেটি রংপুর টাউন হল নামে পরিচিত।
0.5
1,838.547159
20231101.bn_392821_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%82%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
রংপুর
১৯১৬ সালে প্রতিষ্টিত কারমাইকেল কলেজ বাংলাদেশের পুরাতন কলেজগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই কলেজের প্রধান আকর্ষণ তার প্রশাসনিক ভবন (বাংলা বিভাগে অবস্থিত)। ভবনটি ইন্দো-ইসলামিক রেনেসাঁ স্থাপত্যশিল্পের নিদর্শন।
0.5
1,838.547159
20231101.bn_392821_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%82%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%B0
রংপুর
জাদু নিবাস রংপুর সরকারি কলেজের পাশে রাধাবালভে অবস্থিত। এটি মশিউর রহমান যাদু মিয়ার নিবাস ছিলো। এই বাড়িটির বয়স আনুমানিক একশত বছর। বাড়িটি সম্ভবত মহারাজা গোপাল লাল রায় এর সময়ে নির্মিত এবং মালিকানাধীন ছিল, এই সময় রংপুর জেলা পরিষদ, রংপুর টাউন হল এবং তাজহাট জমিদার বাড়ি নির্মিত হয়েছিল।
0.5
1,838.547159
20231101.bn_770842_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
অ্যালুমিনিয়াম
শুধুমাত্র ২৭ ভরসংখ্যা বিশিষ্ট আইসোটোপ প্রকৃতিতে স্থায়ীরুপে পাওয়া যায়, বাকিগুলো তেজস্ক্রিয় প্রকৃতির ও অস্থায়ী। শুধুমাত্র এটিই (অ্যালুমিনিয়াম-২৭) কেবল পৃথিবীর জন্মের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত স্থায়ীভাবে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়। এটি নিকটবর্তী অন্যান্য ধাতুসমুহের তুলনায় খুবই হালকা। এর সর্বশেষ কক্ষপথে সর্বমোট তেরটি (১৩) ইলেক্ট্রন বিদ্যমান। এর ইলেক্ট্রন বিন্যাস ২,৮,৩। এটি দৃশ্যমান বর্ণালীর শতকরা ৯২ ভাগ আলোকে প্রতিফলিত করতে পারে। এর ঘনত্ব ২.৭০ গ্রাম/ঘনসেন্টিমিটার। এর প্রতীক হলো Al
0.5
1,837.182436
20231101.bn_770842_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
অ্যালুমিনিয়াম
অ্যালুমিনিয়ামের সর্বপ্রথম ব্যবহার পাওয়া যায় খ্রিষ্টপূর্ব ৫ম শতকে। ফিটকিরি হিসেবে প্রাচীন গ্রীসে এর ব্যবহার ছিল এই মর্মে গ্রীক দার্শনিক হিরোডোটাস থেকে উদ্ধৃতি পাওয়া যায়। ক্রুসেডের পর ইউরোপের বস্ত্রশিল্পে ফিটকিরির গুরুত্ব তৈরি হয়। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যেও এটি তখন গুরুত্বপূর্ণ পণ্য হিসেবে আবির্ভূত হয়। ১৫৩০ সালের দিকে সুইস চিকিৎসক পারাসেলসাস ভূপৃষ্ঠে এর উপস্থিতি সম্পর্কে আলোচনা করেন। ১৫৯৫ সালে জার্মান রসায়নবিদ আন্দ্রেস লিবাভিয়াস পরীক্ষার মাধ্যমে এর সত্যতা নিরুপণ করেন।
0.5
1,837.182436
20231101.bn_770842_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
অ্যালুমিনিয়াম
১৭৬০ সালের দিকে অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদন নিয়ে প্রথম কাজ শুরু হয়। যদিও এর বেশ পরে ১৮২৪ সালে ওলন্দাজ রসায়নবিদ হান্স ক্রিশ্চিয়ান ওরস্টেড প্রথম একাজে সাফল্য লাভ করেন। ১৮২৭ সালে আরেক জার্মান বিজ্ঞানী ফ্রিডরিক ভোলার ওরস্টেডের পরীক্ষাটি বিশদভাবে আবার পরিচালনা করেন এবং ১৮৪৫ প্রথম অ্যালুমিনিয়ামের ন্যায় ভৌত ধর্ম বিশিষ্ট কিছু টুকরো আবিষ্কারে সক্ষম হন। এর বহুপরে তাকেই অ্যালুমিনিয়ামের আবিষ্কারকের মর্যাদা দেয়া হয়। ভোলারের পদ্ধতিটি বাণিজ্যিকভাবে অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনে ফলপ্রসূ ছিল না।
0.5
1,837.182436
20231101.bn_770842_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
অ্যালুমিনিয়াম
১৮৮৬ সালে ফরাসি প্রকৌশলী পল হেরোল্ট এবং আমেরিকান প্রকৌশলী চার্লস মার্টিন হোল আলাদা আলাদাভাবে লাভবান উপায়ে অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। ১৮৮৯ সালে অস্ট্রিয়ান বিজ্ঞানী কার্ল জোসেফ বেয়ার বক্সাইট পরিশোধন করে অনুরুপ লাভবান একটি কৌশল আবিষ্কার করেন। আধুনিক পদ্ধতিগুলো ২ দুই ব্যবস্থার উপর ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠিত। বিংশ শতকের মাঝামাঝি গৃহস্থালীর ব্যবহার্য তৈজসপত্র তৈরিতে এর বহুমাত্রিক ব্যবহার জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে।
0.5
1,837.182436
20231101.bn_770842_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
অ্যালুমিনিয়াম
পৃথিবীতে বর্তমানে চীন সর্বাধিক পরিমাণ অ্যালুমিনিয়াম ধাতু উৎপাদন করে থাকে। এছাড়া রাশিয়া, কানাডা, ভারত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত উল্লেখযোগ্য হারে এ ধাতুর উৎপাদক। উন্নত দেশসমূহেই এর চাহিদা বেশি। বাণিজ্যিকভাবে লাভবান ২টি পদ্ধতিতেই সাধারণত এ ধাতু উৎপাদন করা হয়ে থাকে। পদ্ধতিদুটি যথাক্রমে বেয়ার প্রণালী ও হল-হেরোল্ট প্রণালী নামে পরিচিত।
1
1,837.182436
20231101.bn_770842_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
অ্যালুমিনিয়াম
এ পদ্ধতিতে বক্সাইটকে অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইডে পরিণত করা হয়। প্রথমে বক্সাইটকে বিগলিত করা হয়। এরপর তাকে সোডিয়াম হাইড্রক্সাইডের গরম দ্রবণে মিশ্রিত করা হয়। তারপর একটি ডাইজেস্টার পাত্রে উচ্চ চাপ প্রয়োগ করলে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড পাওয়া যায় এবং অপদ্রব্যগুলো অদ্রবণীয় হয়ে আলাদা হয়ে যায়।
0.5
1,837.182436
20231101.bn_770842_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
অ্যালুমিনিয়াম
এরপর মিশ্রণটি বক্সাইটের স্ফুটনাঙ্কের চেয়েও উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে বাকি অপদ্রব্যগুলোও দূরীভূত হয়। সবশেষে কেলাসন পদ্ধতিতে অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রক্সাইড পৃথক করলে পুরো মিশ্রণের অর্ধেক পরিমাণ অ্যালুমিনিয়াম অধঃক্ষিপ্ত হয়। প্রয়োজন অনুসারে পরে অধিক পরিমাণ পরিশোধন করা হয়ে থাকে।
0.5
1,837.182436
20231101.bn_770842_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%AE
অ্যালুমিনিয়াম
এটি মূলত তড়িৎ বিশ্লেষণ পদ্ধতিতে অ্যালুমিনিয়াম ধাতুর পৃথকীকরণ প্রক্রিয়া। অ্যালুমিনাকে ৯৫০-৯৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বিগলিত করা হয়। প্রকৃতপক্ষে অ্যালুমিনার গলনাঙ্ক এর চেয়েও বেশি। ক্রাইওলাইট (Na3AlF6) প্রয়োগে এই তাপমাত্রায় বিগলন কার্য সম্পন্ন হয়। এরপর তড়িৎ বিশ্লেষণ শুরু হলে পাত্রের তলায় গলিত ধাতু তৈরি হতে থাকে। এই ধাতুর প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করে বিশাল বিশাল অ্যালুমিনিয়াম দন্ড তৈরি করা হয় যা অ্যালুমিনিয়াম বিলেট নামে পরিচিত। পরবর্তীতে চাইলে হুপ প্রণালী অনুসরণ করে প্রায় ৯৯.৯৯ শতাংশ বিশুদ্ধ অ্যালুমিনিয়াম পাওয়া যায়।
0.5
1,837.182436