_id
stringlengths
17
22
url
stringlengths
42
314
title
stringlengths
2
36
text
stringlengths
100
5.1k
score
float64
0.5
1
views
float64
23
11.1k
20231101.bn_2956_37
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
নাগাল্যান্ড
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে কথিত প্রধান ভাষাগুলি হল কন্যাক (২৪৪,১৩৫), আও (২৩১,০৮৪), লোথা (১৭৭,৪৮৮), আঙ্গামি (১৫১,৮৮৩), চোকরি (৯১,০১০), সঙ্গম (৭৫,৮৪১), বাংলা (৭৪,৭৫৩ ), জেমে (৭১,৯৫৪; জেলিয়াং ৬০,৩৯৯ এবং জেমি ১১,১৬৫), ইমখিউংরু (৭৪,১৫৬), চ্যাং (৬৫,৬৩৩), খিয়ামনিউনগান (৬১,৯০৬), রেংমা (৬১,৫৩৭), ফোম (৫৪,৬৭৪), নেপালি (৪৩,৪৮১), খেজা (৩৪,২১৮), পোচূরি (২১,৪৪৬), কুকি (১৮,৩৯১), চাখেসাং (১৭,৯১৯), অসমীয়া (১৭,২০১), বোডো (১২,২৪৩; বোডো ৭,৩৭২ এবং ডিমাসা ৪,৮৭১), মণিপুরি (৯,৫১১), সেমা (৮,২৬৮), ইত্যাদি।
0.5
1,959.830226
20231101.bn_2956_38
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
নাগাল্যান্ড
রাজ্যের জনসংখ্যা ১.৯৭৮ মিলিয়ন, যার মধ্যে ৮৮% খ্রিস্টান। ২০১১ সালের আদমশুমারি রাজ্যের খ্রিস্টান জনসংখ্যা ১,৭৩৯,৬৫১ এ রেকর্ড করেছে, এটি মেঘালয় এবং মিজোরামের সাথে ভারতের তিনটি খ্রিস্টান-সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্যের মধ্যে একটি। রাজ্যের শহর ও গ্রামীণ উভয় ক্ষেত্রেই গির্জায় উপস্থিতির হার খুব বেশি। কোহিমা, চুমুকেদিমা, ডিমাপুর, ওখা এবং মোকোকচুং -এর স্কাইলাইনগুলিতে বিশাল গির্জাগুলি আধিপত্য বিস্তার করে।
0.5
1,959.830226
20231101.bn_2956_39
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
নাগাল্যান্ড
নাগাল্যান্ড "বিশ্বের একমাত্র প্রধানত ব্যাপটিস্ট রাষ্ট্র" এবং "বিশ্বের সর্বাধিক ব্যাপটিস্ট রাষ্ট্র" হিসাবে পরিচিত। ক্যাথলিক, পুনরুজ্জীবনবাদী এবং পেন্টেকস্টালরা হল অন্যান্য খ্রিস্টান সম্প্রদায়। ফেক জেলা, ওখা জেলা এবং কোহিমা জেলার পাশাপাশি কোহিমা ও ডিমাপুরের শহরাঞ্চলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় ক্যাথলিকদের পাওয়া যায়।
0.5
1,959.830226
20231101.bn_62304_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F
রকেট
সামরিক ও বিনোদনের কাজে রকেটের ব্যবহার তের শতকে চীনে দেখা যায়। তবে গুরুত্যপূর্ন বৈজ্ঞানিক, আন্তগ্রহের, শিল্পের কাজে রকেটের ব্যবহার হয়েছে বিংশ শতাব্দীতে এসে । তখন রকেটের কারনে নভশ্চরন থেকে শুরু করে চাঁদে প্রথম পা রাখা সবই সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে আতশবাজি, ক্ষেপণাস্ত্র আরও অস্ত্র, ইজেকশন সিট, কৃত্রিম উপগ্রহের উৎক্ষেপক যান, মানবজাতির মহাকাশ যাত্রা এবং মহাকাশ অনুসন্ধানের কাজে রকেট ব্যবহৃত হচ্ছে।
0.5
1,952.318064
20231101.bn_62304_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F
রকেট
রকেটের জালানি হিসেবে রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহার বেশি প্রচলিত। এক্ষেত্রে অক্সিডাইজার দ্বারা জালানির দহনের মাধ্যমে উচ্চগতি নির্গমক সৃষ্টি হয়।
0.5
1,952.318064
20231101.bn_62304_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F
রকেট
বিশ্বে অনেক ধরনের রকেট উদ্ভাবিত হয়েছে। এটি ছোট্ট বোতল আকৃতি থেকে শুরু করে বৃহৎ আকৃতির মহাকাশযানের মতো হতে পারে। তন্মধ্যে এরিয়েন ৫ হচ্ছে অন্যতম বৃহৎ আকৃতির রকেট যা দিয়ে কক্ষপথে কৃত্রিম উপগ্রহ প্রেরণ করা হয়।
0.5
1,952.318064
20231101.bn_62304_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F
রকেট
জার্মান বিজ্ঞানী বার্নার ফন ব্রাউন সর্বপ্রথম তরল-জ্বালানি ব্যবহার উপযোগী রকেট আবিষ্কার করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কালে জার্মানির পক্ষে কাজ করেন; কিন্তু পরবর্তীকালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থানান্তরিত হন। সেখানেই তিনি আমেরিকার মহাকাশ প্রকল্পে কাজ করেন ও চাঁদে নভোচারী প্রেরণে সহায়তা করেন। তাকে রকেট বিজ্ঞানের জনক নামে অভিহিত করা হয়।
0.5
1,952.318064
20231101.bn_62304_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F
রকেট
বর্তমান এ আরো অনেক আধুনিক রকেট আবিষ্কার করা হয়েছে মানুষের কল্যাণের জন্য ব্যবহার করা হয়| যেমন:ফ্যালকন নাইন
1
1,952.318064
20231101.bn_62304_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F
রকেট
রকেট ইঞ্জিনে যে জিনিসগুলো থাকে তার মধ্যে রয়েছে: পেলোড, বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি, মহাশূন্যচারী, নিয়ন্ত্রণ ও দিক নির্ধারণ ব্যবস্থা। এছাড়াও, পেলোড-২, ফার্স্ট স্টেজ, সেকেন্ড স্টেজ, বুস্টার, নজেল, প্রধান ইঞ্জিনmzmঅন্যতম।
0.5
1,952.318064
20231101.bn_62304_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F
রকেট
রকেট ইঞ্জিন গতানুগতিক ব্যবহারসিদ্ধ ইঞ্জিনের মতো নয়। সাধারণ ইঞ্জিন জ্বালানিগুলোকে উত্তপ্ত করে যা পরে কিছু পিস্টনকে ধাক্কা দেয় এবং পরবর্তিতে তা ঢিলে হয়ে যায়। কাজেই কোনো গাড়ি বা চাকাযুক্ত যানের চাকা ঘুরানোর জন্যে ইঞ্জিন পর্যাবৃত্ত শক্তি ব্যবহার করে। বৈদ্যুতিক মোটরগুলোতেও এই পর্যাবৃত্ত শক্তি ব্যবহার করা হয়। কিন্তু একটি রকেট ইঞ্জিন চলার জন্যে কখনো পর্যাবৃত্ত শক্তি ব্যবহার করেনা। রকেটের ইঞ্জিনগুলো হলো রি-একশন ইঞ্জিন। রকেটের নীতি এরকমঃ যে জ্বালানিটুকু রকেটের মধ্যে থাকে সেটুকু একটি রাসায়নিক বিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যায় এবং পেছন দিয়ে বেরিয়ে আসে। এই বিক্রিয়ার কারণেই রকেট সামনের দিকে চলতে শুরু করে। এটি স্যার আইজ্যাক নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্রের একটি চমৎকার উদাহরণ।
0.5
1,952.318064
20231101.bn_62304_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F
রকেট
রকেটের পিছে ধাক্কা দিয়ে উপরে ওঠার শক্তিকে পাউন্ডের সাহায্যে মাপা হয়। ১পাউন্ড হলোঃ ১পাউন্ডের বস্তুকে মধ্যাকর্ষনের বিরুদ্ধে স্থির রাখতে যতটুকু বল দরকার ততটুকু। রকেটের সামনে যাওয়ার এই ধাক্কা’র জন্যে ২ ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করে। কঠিন জ্বালানি অথবা তরল জ্বালানি(LOX)। রকেট কী ধরনের জ্বালানি ব্যবহার করবে এই নিয়মানুসারে একে দুটি শ্রেণিতে ভাগ হয়েছে।
0.5
1,952.318064
20231101.bn_62304_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%9F
রকেট
কঠিন জ্বালানি ব্যবহৃত রকেটই ইতিহাসের সর্বপ্রথম রকেট। এই রকেট প্রথম প্রাচীন চীনাদের দ্বারা আবিষ্কৃত হয়েছে এবং এখন পর্যন্ত ব্যবহৃত হচ্ছে। যে সব রাসায়নিক পদার্থ রকেটের কঠিন জ্বালানি হিসেবে ব্যবহৃত হয় ঠিক সেরকম কিছু পদার্থ বারুদ তৈরীতেও ব্যবহার করা হয়। যাই হোক, রকেট আর বারুদের রাসায়নিক গঠন পুরোপুরি এক নয়। রকেট তৈরী করার জন্য দরকার পুরোপুরি শুদ্ধ জ্বালানি। কিন্তু বারুদ তৈরীতে তার প্রয়োজন হয় না। কেননা বারুদ বিস্ফোরিত হয় যা রকেটের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা একেবারেই প্রযোজ্য নয়। তাই রকেটের জ্বালানি তৈরীতে কিছু পরিবর্তন আনতে হয়েছে যার জন্য জ্বালানি তাড়াতাড়ি পুড়বে কিন্তু বিস্ফোরিতো হবেনা। কিন্তু এরকম রকেট ইঞ্জিনের একটি বড় সমস্যা আছে। এদেরকে একবার চালু করা হলে আর থামানো যায়না। অর্থাৎ এরা আর নিয়ন্ত্রণে থাকেনা। তাই, এরকম রকেট মিসাইল ছুড়তে ব্যবহার করা হয় অথবা অনেক সময় মহাকাশজানের সহায়ক হিসেবে পাঠানো হয়।
0.5
1,952.318064
20231101.bn_9909_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মানবতাবাদ
খ্রীষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকের প্রাক-সক্রেটীয় দার্শনিক থেলিস এবং ক্সেনোফানিজ প্রথম পুরাণ ও প্রথার সাহায্য ছাড়া স্রেফ যুক্তি দিয়ে বস্তু জগতকে ব্যাখ্যা করার প্রয়াস নেন, অতএব, তাদেরকেই প্রথম গ্রিক মানবতাবাদী বলা যায়। থেলিস নরাত্বারুপ ঈশ্বরের ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিলেন এবং থেলিস তার সময়কার ঈশ্বরদের প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। এই আয়োনীয় গ্রিকরাই প্রথম দাবি করেছিলেন যে প্রকৃতিকে অলৌকিকতা ছাড়াই ব্যাখ্যা করা যায়। আনাক্সাগোরাস দর্শনশাস্ত্র ও যুক্তিবাদী অনুসন্ধানকে আয়োনিয়া থেকে এথেন্সে আমদানি করেছিলেন। এথেন্সের নেতা পেরিক্লিস আনাক্সাগোরাসের গুণমুগ্ধ ছিলেন। প্রোতাগোরাস ও দেমোক্রিতোসও একই ঘরানার দার্শনিক। এসব দার্শনিকদের রচনাসমগ্র প্রায় পুরোটাই হারিয়ে গিয়েছে, প্লাতো এবং এরিস্টটলের কর্ম থেকেই মূলত এঁদের সম্পর্কে জানা গিয়েছে। খ্রীষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে এপিকুরোস পাপের সমস্যা প্রস্তাব করে বিখ্যাত হয়েছিলেন। তিনি ছিলেন প্রথম গ্রিক দার্শনিক যিনি নারী শিক্ষার্থী গ্রহণ করেছিলেন। তিনি পরকালে অবিশ্বাসী ছিলেন।
0.5
1,928.955111
20231101.bn_9909_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মানবতাবাদ
অলৌকিকতাবিরোধী মানবকেন্দ্রীক চিন্তাভাবনা ভারতীয় দর্শনের লোকায়ত ব্যবস্থায়ও দেখা যায়, যা প্রায় এক সহস্র খ্রীষ্টপূর্ব বছর পুরনো। খ্রীষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে গৌতম বুদ্ধ পালি সাহিত্যে অলৌকিকতা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন। চীনে হুয়াংদি, ইয়াও, সুং হলেন কয়েকজন বিখ্যাত মানবতাবাদী। কনফুসিয়াস ধর্মনিরপেক্ষ নৈতিকতার শিক্ষা দিতেন।
0.5
1,928.955111
20231101.bn_9909_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মানবতাবাদ
অনেক মধ্যযুগীয় আরব চিন্তাবিদরা জ্ঞান অন্বেষণে মানবতাবাদী, বৈজ্ঞানিক এবং যুক্তিবাদী পদ্ধতি অনুসরণ করেছিলেন। প্রেম, কবিতা, ইতিহাস এবং দার্শনিক ধর্মতত্বের উপর অনেক আরব রচনা ইঙ্গিত করে যে তৎকালীন মুসলমান বিশ্বে ব্যক্তিত্ববাদ এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে ধর্মনিরপেক্ষতা, সংশয়বাদ ও উদারপন্থী মতবাদের অস্তিত্ব ছিল। মধ্যযুগে মুসলমান বিশ্বের উন্নতির পেছনে আরেকটি কারণ ছিল মত স্বাধীনতার নিশ্চয়তা। ধর্মীয় প্রতিদ্বন্দ্বীকে যুক্তির মাধ্যমে ধর্মান্তরিত করার উদ্দেশ্যে খলিফা আল-মামুনের আত্মীয় আল-হাশিমি দ্বারা রচিত একটি পত্রে আমরা দেখতে পাই,
0.5
1,928.955111
20231101.bn_9909_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মানবতাবাদ
“আপনার ইচ্ছেমত যুক্তি পেশ করুন এবং নিঃসংকোচে আপনার মত প্রকাশ করুন। একজন নিরপেক্ষ বিচারক নিয়োগ করুন যিনি পক্ষপাতিত্ব ছাড়া আমাদেরকে বিচার করবেন এবং সত্যকে অন্বেষণ করবেন; যুক্তিই হবে সেই বিচারক, যেহেতু ঈশ্বর আমাদেরকে আমাদের কর্মের দায়ভার দিয়েছেন। আমি এখন পর্যন্ত আপনার সাথে ন্যায়ানুগ আচরণ করেছি, আপনাকে নিরাপত্তা দিয়েছি, এবং যুক্তির সিদ্ধান্ত মেনে নিতে সম্পূর্ণ রাজি আছি। ধর্মে কোন বাধ্যবাধকতা নেই (কোরান ২:২৫৬) এবং আমি আপনাকে আপনার ধর্মের বীভৎস দিকগুলো তুলে ধরে কেবলমাত্র আমার ধর্মের দাওয়াত দিচ্ছি, যাতে আপনি সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায় আমার ধর্ম কবুল করতে পারেন। ঈশ্বর আপনাকে আশীর্বাদ করুন।”
0.5
1,928.955111
20231101.bn_9909_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মানবতাবাদ
রেনেসাঁস মানবতাবাদের কিছু কিছু বিষয় আরব মানবতাবাদ থেকে এসেছে, যেমন শ্রুতলিপি (লাতিন ভাষায় ars dictaminis) এবং ধ্রুপদী ভাষার প্রতি মানবতাবাদী মনোভাব।
1
1,928.955111
20231101.bn_9909_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মানবতাবাদ
রেনেসাঁসের মানবতাবাদ হল মধ্যযুগের শেষ ভাগের এবং প্রাক-আধুনিক যুগের একটি বৌদ্ধিক আন্দোলন। ঊনবিংশ শতকের জার্মান ঐতিহাসিক জর্গ ভয়গত্(১৮২৭-৯১) পেত্রারককে প্রথম রেনেসাঁসের মানবতাবাদী হিসেবে চিহ্নিত করেন। পল জনসনও স্বীকার করেন যে পেত্রারক ছিলেন প্রথম ব্যক্তি যিনি বলেছিলেন যে রোমের পতন এবং আধুনিক যুগের মধ্যবর্তী শতকগুলো ছিল অন্ধকারের যুগ। পেত্রারকের মতে, বিশিষ্ট ধ্রুপদী লেখকদের কর্মকে অধ্যায়ন ও অনুশীলন করেই কেবল এই সমস্যা সমাধান করা সম্ভব। পেত্রার্ক এবং বোক্কাচ্চিওর প্রধান গুরু ছিলেন সিসেরো, যাঁর লেখনশৈলী লাতিন এবং ইতালীয় ভাষার আদর্শ ছিল।
0.5
1,928.955111
20231101.bn_9909_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মানবতাবাদ
একটা ভাষার ব্যাকরণকে যখন পুরোপুরি আয়ত্ত করা যাবে, তখন দ্বিতীয় পর্যায়ে গমন করতে হবে- অর্থাৎ, বাগ্মীতা অর্জন করতে হবে। এই বাকপটুতা(যা সিসেরো ধারণ করতেন) এমন একটি শিল্প যা নর ও নারীকে সুন্দর জীবন যাপনে সাহায্য করে। পেত্রার্ক যেমন বলেছেন, সৎ কর্ম সম্পাদনের ইচ্ছা সত্য জানার চেয়ে উত্তম। ভাষাতত্ত্ব এভাবেই দর্শনকে আলিঙ্গন করেছে। লিওনার্দো ব্রুনি(১৩৬৯-১৪৪৪) দাবি করেন যে পেত্রার্কই প্রথম জ্ঞান অর্জনের পথ প্রদর্শনের উপায় বাতলে দিয়েছিলেন, কিন্তু ব্রুনির সময়েই প্রথম ইউম্যানিস্তা শব্দটির প্রচলন হয় এবং এর অধ্যায়নের বিষয় ছিল পাঁচটি- ব্যাকরণ, ভাষাতত্ত্ব, কবিতা, নৈতিক দর্শন এবং ইতিহাস
0.5
1,928.955111
20231101.bn_9909_15
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মানবতাবাদ
একজন মানবতাবাদীর মৌলিক প্রশিক্ষণ ছিল স্পষ্ট করে কথা বলায় এবং সুন্দর করে লেখায়। পেত্রারকের অন্যতম শিষ্য ছিলেন কলুচ্চিও স্যালুতাতি যাঁকে ফ্লোরেন্সের মুখ্যমন্ত্রী নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তিনি তার সাহিত্যিক ক্ষমতা ব্যবহার করে তার স্বার্থ রক্ষা করতেন। মিলানের ভিসকন্ত দাবি করেছিলেন যে সালুতাতির কলম তিরিশ স্কোয়াড্রন অশ্বারোহী বাহিনীর চেয়ে বেশি ক্ষতি করেছিল। সাধারণত রেনেসাঁসের মানবতাবাদকে একটি দার্শনিক আন্দোলন মনে করা হয়, এবং এও মনে করা হয় যে এই আন্দোলনটি খ্রীষ্ট-বিরোধী অথবা যাজকবিরোধী ছিল। পিটার পার্টনারের মত আধুনিক ইতিহাসবেত্তারা এই মনোভাবকে বাতিল করে দিয়ে বলেন যে রেঁনেসা মানবতাবাদ কোন দার্শনিক আন্দোলন না, বরং সাহিত্যিক জ্ঞান ও ভাষাতাত্ত্বিক দক্ষতার কেবল একটি শাখা ছিল।
0.5
1,928.955111
20231101.bn_9909_16
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মানবতাবাদ
রেনেসাঁসের সময় মনে করা হত যে প্রাচীন জ্ঞানের অধ্যায়ন(যেমন গির্জার ফাদারদের লেখা, গ্রিক ভাষার খ্রীষ্টিয় গসপেল, ইহুদিদের কাব্বালা) একটি সাধারণ বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গী গড়ে তুলতে সাহায্য করবে। একারণে রেঁনেসার ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ মানবতাবাদীদের, অতীত পর্যালোচনা করলে, বেশ ভালই মতস্বাধীনতা দিয়েছিল।
0.5
1,928.955111
20231101.bn_421872_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%B8
ব্রিক্‌স
ব্রিক্‌স পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র: ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন এবং দক্ষিণ আফ্রিকার, আদ্যক্ষরের সমন্বয়ে গঠিত আঞ্চলিক অর্থনীতির একটি সংঘ। মূলত ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা অর্ন্তভূক্ত হবার পূর্বে এই সংঘটি "ব্রিক" নামে পরিচিত ছিল। ব্রিক্‌সে অন্তর্ভুক্ত সকল রাষ্ট্র উন্নয়নশীল অথবা সদ্য শিল্পোন্নত, কিন্তু তাদের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে উচ্চ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ঘটনাবলির উপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব। পাঁচটি রাষ্ট্রই জি-২০-এর সদস্য। ২০১০ সাল থেকে, ব্রিক্‌স রাষ্ট্রসমূহ প্রতিবছর আনুষ্ঠানিক সম্মেলনে একত্রিত হয়। বর্তমানে রাশিয়া ব্রিক্‌সের প্রধান হিসেবে কাজ করছে। ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে ব্রিকসের অষ্টম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
0.5
1,927.922256
20231101.bn_421872_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%B8
ব্রিক্‌স
২০১৪ সালের হিসেবে, ব্রিক্‌সের পাঁচ সদস্য রাষ্ট্র প্রায় ৩ বিলিয়ন মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে, যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৪০ শতাংশ। পাঁচটি রাষ্ট্রের সম্মিলিত জিডিপি ইউএস $১৬.০৩৯ ট্রিলিয়ন, যা মোট বিশ্ব পণ্যের প্রায় ২০ শতাংশের সমতূল্য। ব্রিক্‌স বিভিন্ন মন্তব্যকারী কর্তৃক প্রশংসিত এবং সমালোচিত হয়েছে।
0.5
1,927.922256
20231101.bn_421872_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%B8
ব্রিক্‌স
২০১২ সালে, চীনের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হু জিনতাও, ব্রিক্‌স রাষ্ট্রসমূহকে উন্নয়নশীল দেশের প্রবর্তক এবং বিশ্ব শান্তির জন্য একটি শক্তি হিসেবে বর্ণনা করেন। কিছু বিশ্লেষক গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অস্থায়িত্ব, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের মাধ্যমে সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ, এবং ভারত ও স্থানিক বিষয়ে চীনের বিরোধ প্রসঙ্গে সঙ্ঘটির সম্ভাব্য ভাঙ্গন এবং দুর্বলতার দিকসমূহ তুলে ধরেছেন।
0.5
1,927.922256
20231101.bn_421872_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%B8
ব্রিক্‌স
উরুগুয়ে এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ব্যাংকটির সদস্যপদ লাভ করেছে। ২০২৩ সালে নতুন ছয়টি দেশ এর সদস্য হয়। দেশ ছয়টি হলো মিসর, ইথিওপিয়া, ইরান, আর্জেন্টিনা, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরব।
0.5
1,927.922256
20231101.bn_421872_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%B8
ব্রিক্‌স
Carmody, Pádraig (2013) The Rise of BRICS in Africa: The Geopolitics of South-South Relations. Zed Books .
1
1,927.922256
20231101.bn_421872_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%B8
ব্রিক্‌স
Chun, Kwang (2013) The BRICs Superpower Challenge: Foreign and Security Policy Analysis. Ashgate Pub Co. .
0.5
1,927.922256
20231101.bn_421872_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%B8
ব্রিক্‌স
"BRIC(S) nations have become growth markets for the world economy and are no longer emerging markets". China Daily. 13 April 2011. Retrieved 17 June 2013.
0.5
1,927.922256
20231101.bn_421872_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%B8
ব্রিক্‌স
"Goldman's O'Neill: Time to move beyond BRICs". MarketWatch.com. 21 November 2011. Retrieved 17 June 2013.
0.5
1,927.922256
20231101.bn_421872_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%B8
ব্রিক্‌স
"United States should learn from emerging powers such as India and Brazil in the economic arena" . Reuters. 14 October 2011. Retrieved 17 June 2013.
0.5
1,927.922256
20231101.bn_544772_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
বংশগতি
একটি জীবের গঠন এবং আচরণের পর্যবেক্ষণযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলির সম্পূর্ণ সেটকে তার ফেনোটাইপ বলা হয়। এই বৈশিষ্ট্যগুলি পরিবেশের সাথে তার জেনোটাইপের মিথস্ক্রিয়া থেকে উদ্ভূত হয়। ফলস্বরূপ, একটি জীবের ফেনোটাইপের অনেক দিক উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত হয় না। উদাহরণস্বরূপ, সূর্যালোকযুক্ত ত্বক কোনও ব্যক্তির জেনোটাইপ এবং সূর্যালোকের মধ্যে মিথস্ক্রিয়া থেকে আসে; সুতরাং, সানট্যানগুলি মানুষের বাচ্চাদের কাছে প্রেরণ করা হয় না। যাইহোক, কিছু লোক তাদের জেনোটাইপের পার্থক্যের কারণে অন্যদের তুলনায় আরও সহজে ট্যান করে: একটি আকর্ষণীয় উদাহরণ হল অ্যালবিনিজমের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত বৈশিষ্ট্যযুক্ত লোকেরা, যারা একেবারেই ট্যান করে না এবং সানবার্নের প্রতি খুব সংবেদনশীল।
0.5
1,926.153323
20231101.bn_544772_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
বংশগতি
উত্তরাধিকারী বৈশিষ্ট্যগুলি ডিএনএর মাধ্যমে এক প্রজন্ম থেকে পরবর্তী প্রজন্মে প্রেরণ করা হয় বলে জানা যায়। ডিএনএ হল একটি দীর্ঘ পলিমার যা চার ধরনের বেসকে অন্তর্ভুক্ত করে, যা বিনিময়যোগ্য। নিউক্লিক অ্যাসিড ক্রম জেনেটিক তথ্য নির্দিষ্ট করে, এটি পাঠ্যের একটি অনুচ্ছেদ বানান করে অক্ষরের একটি ক্রমের সাথে তুলনীয়। একটি কোষ মাইটোসিসের মাধ্যমে বিভক্ত হওয়ার আগে, ডিএনএ অনুলিপি করা হয়, যাতে ফলস্বরূপ দুটি কোষের প্রতিটি ডিএনএ সিকোয়েন্সের উত্তরাধিকারী হবে। একটি ডিএনএ অণুর একটি অংশ যা একটি একক কার্যকরী ইউনিট নির্দিষ্ট করে তাকে জিন বলা হয়; বিভিন্ন জিনের বিভিন্ন ভিত্তির বিভিন্ন ক্রম রয়েছে। কোষের মধ্যে, ডিএনএর দীর্ঘ স্ট্র্যান্ডগুলি ক্রোমোজোম নামে ঘনীভূত কাঠামো গঠন করে। জীবগুলি সমজাতীয় ক্রোমোজোমের আকারে তাদের পিতামাতার কাছ থেকে জেনেটিক উপাদান উত্তরাধিকারসূত্রে পায়, যার মধ্যে ডিএনএ সিকোয়েন্সগুলির একটি অনন্য সংমিশ্রণ রয়েছে যা জিনগুলির জন্য কোড করে। একটি ক্রোমোজোমের মধ্যে একটি ডিএনএ ক্রমের নির্দিষ্ট অবস্থানটি একটি লোকাস হিসাবে পরিচিত। যদি কোনও নির্দিষ্ট লোকাসের ডিএনএ সিকোয়েন্স ব্যক্তিদের মধ্যে পরিবর্তিত হয়, তবে এই ক্রমের বিভিন্ন রূপকে অ্যালিল বলা হয়। ডিএনএ সিকোয়েন্সগুলি মিউটেশনের মাধ্যমে পরিবর্তিত হতে পারে, নতুন অ্যালিল তৈরি করতে পারে। যদি কোনও জিনের মধ্যে একটি মিউটেশন ঘটে, তবে নতুন অ্যালিল জিনটি যে বৈশিষ্ট্যটি নিয়ন্ত্রণ করে তা প্রভাবিত করতে পারে, যা জীবের ফেনোটাইপকে পরিবর্তন করে।
0.5
1,926.153323
20231101.bn_544772_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
বংশগতি
যাইহোক, যখন একটি অ্যালিল এবং একটি বৈশিষ্ট্যের মধ্যে এই সহজ চিঠিপত্রটি কিছু ক্ষেত্রে কাজ করে, বেশিরভাগ বৈশিষ্ট্যগুলি আরও জটিল এবং জীবের মধ্যে এবং তাদের মধ্যে একাধিক ইন্টারঅ্যাক্টিং জিন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। উন্নয়নমূলক জীববিজ্ঞানীরা পরামর্শ দেন যে জেনেটিক নেটওয়ার্ক এবং কোষগুলির মধ্যে যোগাযোগের জটিল মিথস্ক্রিয়াগুলি বংশগত বৈচিত্র্যের দিকে পরিচালিত করতে পারে যা উন্নয়নমূলক প্লাস্টিসিটি এবং ক্যানালাইজেশনের কিছু মেকানিক্সের অধীনে থাকতে পারে।
0.5
1,926.153323
20231101.bn_544772_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
বংশগতি
সাম্প্রতিক অনুসন্ধানগুলি বংশগত পরিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণগুলি নিশ্চিত করেছে যা ডিএনএ অণুর সরাসরি সংস্থা দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায় না। এই ঘটনাগুলিকে এপিজেনেটিক উত্তরাধিকার সিস্টেম হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয় যা জিনগুলির উপর কার্যকরী বা স্বাধীনভাবে বিকশিত হয়। এপিজেনেটিক উত্তরাধিকারের মোড এবং পদ্ধতির মধ্যে গবেষণা এখনও তার বৈজ্ঞানিক শৈশবে আছে, কিন্তু গবেষণার এই ক্ষেত্রটি অনেক সাম্প্রতিক কার্যকলাপকে আকৃষ্ট করেছে কারণ এটি সাধারণভাবে বংশগতি এবং বিবর্তনীয় জীববিজ্ঞানের সুযোগকে প্রশস্ত করে।
0.5
1,926.153323
20231101.bn_544772_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
বংশগতি
বংশগতির এই ধারা নিয়ন্ত্রিত হয় জীন দ্বারা। কোন প্রজাতির জিনোমে (জিনোম হল যেখানে বংশগতির উপাদান থাকে, যেমন ক্রোমোসোম/ ডি.এন.এ) বিভিন্ন বৈশিস্টের জীন থাকে।মাতাপিতার বৈশিস্ট্যাবলি তাদের সন্তানসন্ততিতে এসব উপাদানের মাধ্যমে সঞ্চারিত হয় বলে এসব কে বলে বংশগতিবস্তু।
1
1,926.153323
20231101.bn_544772_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
বংশগতি
বংশগতির প্রধান উপাদান হল ক্রোমোজোম। বিজ্ঞানী স্ট্রাসবুরগার ১৮৭৫ সালে সর্বপ্রথম এটি আবিষ্কার করেন। এটি কোষের নিউক্লিয়াসের নিউক্লিওপ্লাজমে পাওয়া যায় এবং ক্রোমাটিন তন্তু দ্বারা গঠিত।প্রজাতির বৈশিস্ট্যভেদে ২-১৬০০ পর্যন্ত ক্রোমোজোম পাওয়া যায়। সাধারনত দৈর্ঘ্য ৩.৫ থেকে ৩০ মাইক্রন এবং প্রস্থ ০.২-২.০ মাইক্রন হয়ে থাকে (১ মাইক্রন=১/১০০০ মিমি)।ক্রোমোজোমের কাজ হল মাতা-পিতা থেকে জীন সন্তানসন্তুতিতে বহন করা।
0.5
1,926.153323
20231101.bn_544772_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
বংশগতি
ক্রমোজোম হল ডিএনএ এর প্যাকেজ আকার যেখানে ডি.এন.এ সুস্থিত অবস্থায় থাকে। মানুষের দেহে ৪৬ টি ক্রমোজোম পাওয়া যায় যার মধ্যে ৪৪ টি অটোসোম এবং বাকি ২ টি সেক্স ক্রোমোজোম।দুটি ক্রোমাটিন জালিকা মিলিত হয়ে দিসুত্রক ক্রমোজোম গঠন করে। ক্রোমোজোমের যে স্থানে দুটি ক্রোমাটিন জালিকা মিলিত হয় তাকে সেন্ট্রমিয়ার বলে। প্রায় প্রতি কোষে ক্রোমাটিন থাকে কিন্তু কিছু ব্যতিক্রম যেমন, লোহিত রক্তকণিকায় ক্রোমাটিন থাকে না।
0.5
1,926.153323
20231101.bn_544772_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
বংশগতি
ডিএনএ (DNA) হল ডিওক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড (Deoxyribo Nucleic Acid).প্রায় সকল প্রাণী,উদ্ভিদ,প্রোক্যারিওটে ডি.এন.এ পাওয়া যায়। ইউক্যারিওট এ ডিএনএ সাধারণত নিওক্লিয়াসে পাওয়া যায় ( কিছু ডি.এন.এ মাইটকন্ডিয়া এবং ক্লোরোপ্লাস্টে পাওয়া যায়)। এটি সাধারণত দ্বিসুত্রক পলিনিউক্লিওটাইড এর সর্পিলাকার গঠন।এর একটি সুত্র অন্যটির বিপরীত ও পরিপূরক।এর একটি সুত্রক ৩'-৫' এবং অন্যটি ৫'-৩' পর্যন্ত বিস্তৃত। এতে পাঁচ কার্বন বিশিষ্ট শর্করা,নাইট্রোজেন গ্যাস, ও অজৈব ফসফেট দ্বারা গঠিত। নাইট্রোজেন বেস ২ প্রকার, পিউরিন ও পাইরিমিডিন। এডিনিন(A) ও গুয়ানিন(G) বেস হল পিউরিন থায়মিন(T) ও সাইটোসিন(C) হল পাইরিমিডিন। একটি সুত্রের এডিনিন অন্য সুত্রের থাইমিন এর সাথে ২ টি হাইড্রোজেন বন্ড দ্বারা যুক্ত এবং একটি সুত্রের গুয়ানিন অন্য সুত্রের সাইটোসিনের সাথে ৩ টি হাইড্রোজেন বন্ড দ্বারা যুক্ত।১৯৫৩ সালে ওয়াটসন ও ক্রিক সর্বপ্রথম ডি.এন.এ (DNA) এর দ্বি সুত্রক কাঠামো এর বর্ণনা দেন।হেলিক্সের প্রতিটি পূর্ণ ঘূর্ণন ৩.৪ nm (৩৪Å)
0.5
1,926.153323
20231101.bn_544772_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%82%E0%A6%B6%E0%A6%97%E0%A6%A4%E0%A6%BF
বংশগতি
এই প্রক্রিয়ায় একটি DNA অণু থেকে আর একটি নতুন DNA অণু তৈরি হয়। DNA অর্ধ-রক্ষণশীল পদ্ধতিতে অনুলিপিত হয়। মাতৃ DNA এর একটি সুত্রে সাথে নতুন একটি সুত্র যুক্ত হয়ে নতুন দ্বি-সুত্রক DNA তৈরি হয় বলে একে অর্ধ-রক্ষণশীল বলে। এই পদ্ধতিতে DNA সূত্র দুটির হাইড্রোজেন বন্ধন ভেঙ্গে গিয়ে আলাদা হয় এবং তাদের পরিপূরক সূত্র তৈরি হয়। ১৯৫৬ সালে ওয়াটসন ও ক্রিক এ ধরনের ডি.এন.এ অনুলিপন পদ্ধতি বর্ণনা করেন।
0.5
1,926.153323
20231101.bn_289416_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0
ডুমুর
মধ্যপ্রাচ্যে যে ডুমুর (আঞ্জির) পাওয়া যায় (Ficus carica) তার ফল বড় আকারের; এটি জনপ্রিয় ফল হিসেবে খাওয়া হয়। বাণিজ্যিকভাবে এর চাষ হয়ে থাকে আফগানিস্তান থেকে পর্তুগাল পর্যন্ত। এর আরবি নাম 'ত্বীন'; হিন্দি, উর্দু, ফার্সি ও মারাঠি ভাষায় একে 'আঞ্জির' বলা হয়। এই গাছ ৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। এর আদি নিবাস মধ্যপ্রাচ্য।
0.5
1,916.191603
20231101.bn_289416_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0
ডুমুর
জগডুমুর বা যজ্ঞডুমুর নামে আরেক প্রজাতির ডুমুর রয়েছে, যার বৈজ্ঞনিক নাম Ficus racemosa. মূলত এই প্রকার ডুমুর তরকারি করে খাওয়া হয়।
0.5
1,916.191603
20231101.bn_289416_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0
ডুমুর
এছাড়া অশ্বত্থ বা পিপল নামে আরেকটি ডুমুর জাতীয় গাছ আছে, যার বৈজ্ঞানিক নাম Ficus religiosa। এটি বটগোত্রীয় বৃক্ষ, এর পাতার অগ্রভাগ সূচাল।
0.5
1,916.191603
20231101.bn_289416_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0
ডুমুর
ধর্মগ্রন্থ কুরআনে 'ত্বীন' (আঞ্জির) নামে একটি অনুচ্ছেদ বা সূরা রয়েছে। সেখানে এই ফলকে আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত বা অনুগ্রহরূপে ব্যক্ত করা হয়েছে। হিন্দুদের ক্ষেত্রে অশ্বত্থ একটি ধর্মীয় গাছ। বাইবেলে এই ফলের উল্লেখ আছে ; সেখানে বলা হয়েছে, ক্ষুধার্ত যীশু একটি ডুমুর (আঞ্জির) গাছ দেখলেন কিন্তু সেখানে কোনো ফল ছিল না, তাই তিনি গাছকে অভিশাপ দিলেন। বৌদ্ধ ধর্মেও এই গাছ পবিত্র হিসেবে গণ্য। গৌতম বুদ্ধ যে বোধিবৃক্ষতলে মোক্ষ লাভ করেন তা ছিল অশ্বত্থ গাছ, যা একটা ডুমুর জাতীয় গাছ (Ficus religiosa)।
0.5
1,916.191603
20231101.bn_289416_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0
ডুমুর
Condit, Ira J. (1969): Ficus: the exotic species. University of California, Division of Agricultural Sciences. 363 pp.
1
1,916.191603
20231101.bn_289416_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0
ডুমুর
Harrison, Rhett D. (2005): Figs and the diversity of tropical rain forests. Bioscience 55(12): 1053–1064. PDF fulltext
0.5
1,916.191603
20231101.bn_289416_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0
ডুমুর
Kislev, Mordechai E.; Hartmann, Anat & Bar-Yosef, Ofer (2006a): Early Domesticated Fig in the Jordan Valley. Science 312(5778): 1372. (HTML abstract) Supporting Online Material
0.5
1,916.191603
20231101.bn_289416_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0
ডুমুর
Kislev, Mordechai E.; Hartmann, Anat & Bar-Yosef, Ofer (2006b): Response to Comment on "Early Domesticated Fig in the Jordan Valley". Science 314(5806): 1683b. PDF fulltext
0.5
1,916.191603
20231101.bn_289416_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A1%E0%A7%81%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0
ডুমুর
Lev-Yadun, Simcha; Ne'eman, Gidi; Abbo, Shahal & Flaishman, Moshe A. (2006): Comment on "Early Domesticated Fig in the Jordan Valley". Science 314(5806): 1683a. PDF fulltext
0.5
1,916.191603
20231101.bn_93541_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A5
ম্যাকবেথ
দৃশ্য বদল হয়। আবহাওয়া ও নিজেদের বিজয় সম্পর্কে আলোচনা করতে করতে প্রবেশ করেন ম্যাকবেথ ও ব্যাঙ্কো ("So foul and fair a day I have not seen")। এক ঊষর প্রান্তরের পথে তাদের সঙ্গে দেখা হয় তিন ডাইনির। ম্যাকবেথ ও ব্যাঙ্কোকে অভিবাদন জানিয়ে তারা তিনটি ভবিষ্যদ্বাণী উচ্চারণ করেন। ব্যাঙ্কো তাদের প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করলে তারা ম্যাকবেথকে অভিবাদন জানান। পরপর তিনটি অভিবাদনে ডাইনিরা প্রথমে ম্যাকবেথকে "থেন অফ গ্লেমিস", তারপর "থেন অফ কডর" ও শেষে "বি কিং হিয়ারআফটার" বলে উল্লেখ করেন। স্তম্ভিত ম্যাকবেথ চুপ করে যান। তবে ব্যাঙ্কো আবার তাঁদের প্রতি সন্দেহ প্রকাশ করেন। তখন ডাইনিরা তাঁকে জানান যে ব্যাঙ্কো নিজে রাজা না হলেও রাজবংশের জনক হবেন। এই ভবিষ্যদ্বাণীগুলি শুনিয়ে দুজনকে অবাক করে দিয়ে অদৃশ্য হয়ে যান ডাইনিরা। রস নামে অপর এক থেন রাজার দূত হয়ে প্রবেশ করেন। তিনি জানান যে ম্যাকবেথকে "থেন অফ কডর" উপাধিতে ভূষিত করা হয়েছে। এইভাবে প্রথম ভবিষ্যদ্বাণীটি ফলে যায় এবং ম্যাকবেথের মনে রাজা হওয়ার ইচ্ছা বলবতী হয়ে ওঠে।
0.5
1,902.948884
20231101.bn_93541_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A5
ম্যাকবেথ
ম্যাকবেথ একটি চিঠিতে তার স্ত্রীকে ডাইনিদের ভবিষ্যদ্বাণীগুলি সম্পর্কে জানান। এরপর ডানকান ম্যাকবেথের ইনভার্নেসের দুর্গে রাত্রিবাসের সিদ্ধান্ত নিলে লেডি ম্যাকবেথ তার স্বামীকে সিংহাসনে বসানোর লক্ষ্যে রাজহত্যার পরিকল্পনা করেন। ম্যাকবেথ প্রথমে রাজহত্যায় রাজি ছিলেন না। কিন্তু লেডি ম্যাকবেথ নানা কৌশলে তাকে বুঝিয়ে রাজি করান। নিজের পরিকল্পনা সফল করতে তিনি স্বামীর পৌরুষ নিয়ে প্রশ্নও উত্থাপন করেন।
0.5
1,902.948884
20231101.bn_93541_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A5
ম্যাকবেথ
আতিথ্যগ্রহণের রাত্রিতেই ম্যাকবেথ হত্যা করেন ডানকানকে। হত্যার ঘটনাটি মঞ্চে দৃশ্যায়িত করা হয়নি। হত্যার পর ম্যাকবেথ মানসিকভাবে ভেঙে পড়লে লেডি ম্যাকবেথকে আসরে নেমে অবস্থা সামাল দিতে হয়। ষড়যন্ত্রমাফিক, একটি রক্তমাখা ছোরা ডানকানের ঘুমন্ত পরিচারকদের কাছে রেখে তাদের উপর হত্যার দায় চাপিয়ে দেওয়া হয়। পরদিন সকালে স্কটিশ রাজপুরুষ লেনক্স ও ফিফের অনুগত থেন ম্যাকডাফ এসে উপস্থিত হন। দ্বাররক্ষক দরজা খুলে দেয়। ম্যাকবেথ তাদের রাজার কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে ম্যাকডাফ রাজার মৃতদেহ আবিষ্কার করেন। ছদ্মক্রোধে ম্যাকবেথ তৎক্ষণাৎ রাজপরিচারকদের হত্যা করেন। তাদের আত্মপক্ষ-সমর্থনের সুযোগটুকুও দেন না। ম্যাকডাফ সেই মুহুর্তেই ম্যাকবেথকে খুনি বলে সন্দেহ করেন। কিন্তু মুখে কিছুই বলেন না। প্রাণভয়ে ডানকানের দুই পুত্র পলায়ন করেন। জ্যেষ্ঠ পুত্র ম্যালকম ইংল্যান্ডে ও কনিষ্ঠ পুত্র ডোনালবেইন আয়ারল্যান্ডে চলে যান। ডানকানের বৈধ উত্তরাধিকারগণের এহেন পলায়নে স্বভাবতই সন্দেহের আঙুল তাদের দিকেই উঠতে থাকে। এই সুযোগে রাজার নিকটাত্মীয় হিসেবে ম্যাকবেথ নিজেকে স্কটল্যান্ডের নতুন রাজা ঘোষণা করেন।
0.5
1,902.948884
20231101.bn_93541_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A5
ম্যাকবেথ
এই সাফল্য সত্ত্বেও স্বস্তি পান না ম্যাকবেথ। ব্যাঙ্কো-সংক্রান্ত ভবিষ্যদ্বাণীটি তাড়া করে ফেরে তাকে। এক রাজকীয় ভোজসভায় আমন্ত্রণ জানাতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন যে সেই রাতেই ব্যাঙ্কো ও তার পুত্র ফ্লিয়ান্স বাইরে যাচ্ছেন। এঁদের খুন করার জন্য দুজন গুপ্তঘাতক নিয়োগ করেন ম্যাকবেথ। হত্যার ঠিক পূর্বে অপর এক খুনি রহস্যজনকভাবে আবির্ভুত হয় ঘটনাস্থলে। ব্যাঙ্কো খুন হন। কিন্তু ফ্লিয়ান্স পালিয়ে যান। ভোজসভায় উপস্থিত হয় ব্যাঙ্কোর প্রেত। সে ম্যাকবেথের কাছে গিয়ে বসে। কেবল ম্যাকবেথই তাকে দেখতে পান। একটি খালি চেয়ার দেখে উত্তেজিত হয়ে উঠছেন ম্যাকবেথ। মরিয়া হয়ে লেডি ম্যাকবেথ অভ্যাগতদের চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেন।
0.5
1,902.948884
20231101.bn_93541_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A5
ম্যাকবেথ
বিধ্বস্ত ম্যাকবেথ আবার যান ডাইনিদের কাছে। তারা ভূত নামিয়ে আরও কিছু ভবিষ্যদ্বাণী ও বিপদসংকেত উচ্চারণ করেন। ম্যাকবেথকে তারা ম্যাকডাফের থেকে সাবধান হতে বলেন। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে এও জানান যে নারীর যোনিসম্ভূত কেউ ম্যাকবেথকে হত্যা করতে পারবে না এবং যতদিন না বিশাল বার্নামের বন উচ্চ ডানসিনান পর্বতে তার বিরুদ্ধে উপস্থিত হবে ততদিন তিনি অপরাজেয় থাকবেন। ম্যাকডাফ সেই সময় ইংল্যান্ডে ছিলেন। ম্যাকবেথ তার প্রাসাদে গুপ্তঘাতক পাঠিয়ে তার স্ত্রী ও শিশুপুত্রকে হত্যা করেন।
1
1,902.948884
20231101.bn_93541_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A5
ম্যাকবেথ
এদিকে লেডি ম্যাকবেথ তার ও তার স্বামীর কৃত অপরাধের জন্য অপরাধবোধে ভুগতে থাকেন। একটি বিখ্যাত দৃশ্যে দেখা যায় যে তিনি ঘুমের মধ্যে হাঁটছেন আর তার জানা ভয়ংকর সব কথা বলতে বলতে নিজের হাতের কাল্পনিক রক্তের দাগ মুছে ফেলার চেষ্টা করছেন।
0.5
1,902.948884
20231101.bn_93541_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A5
ম্যাকবেথ
ইংল্যান্ডে রস ম্যালকম এবং ম্যাকডাফকে লেডি ম্যাকডাফ ও তার পুত্রের হত্যাকাণ্ডের সংবাদ দেন। অন্যদিকে ম্যাকবেথকে ষড়যন্ত্রকারী মনে করে তার একাধিক থেন তাকে পরিত্যাগ করে চলে যান। ইংল্যান্ডের নর্দামব্রিয়ার আর্ল সিওয়ার্ড (দ্য এল্ডার)-কে সঙ্গে নিয়ে ম্যালকম ডানসিনান দুর্গে ম্যাকবেথের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান শুরু করেন।
0.5
1,902.948884
20231101.bn_93541_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A5
ম্যাকবেথ
বার্নামের বনে শিবির করার সময় সৈন্যদের নির্দেশ দেওয়া হয়, নিজেদের সংখ্যা গোপন রাখতে তারা যেন গাছের ডাল কেটে নিয়ে তার আড়ালে অগ্রসর হতে শুরু করে। এইভাবে ডাইনিদের আর একটি ভবিষ্যদ্বাণী ফলে যায়। এদিকে লেডি ম্যাকবেথের মৃত্যুসংবাদ আসে। ম্যাকবেথ এই সময় একটি বিখ্যাত স্বগতোক্তি ("টুমরো, অ্যান্ড টুমরো, অ্যান্ড টুমরো") উচ্চারণ করলেন। লেডি ম্যাকবেথের মৃত্যুর কারণটি নাটকে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়নি। কোনো কোনো মতে, তিনি আত্মহত্যা করেছিলেন। সবশেষে ম্যালকম তার সম্পর্কে বলেন, "'tis thought, by self and violent hands / took off her life"।
0.5
1,902.948884
20231101.bn_93541_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A5
ম্যাকবেথ
যুদ্ধে ইয়াং সিওয়ার্ড নিহত হন। ম্যাকডাফ ম্যাকবেথের মুখোমুখি হন। ম্যাকবেথ ঔদ্ধত্য প্রকাশ করে বলেন যে নারীর যোনিসম্ভূত কেউ তাকে হত্যা করতে পারবে না। তখনই ম্যাকডাফ তাকে জানান যে তাকে "মায়ের জরায়ু থেকে অসময়ে তুলে আনা হয়েছিল" (অর্থাৎ, অস্ত্রোপচারের ফলে তাঁর জন্ম। এই কারণে তিনি অযোনিসম্ভূত)। ম্যাকবেথ বুঝতে পারেন যে ডাইনিরা তাকে ভুল পথে চালনা করেছে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। ম্যাকডাফ ম্যাকবেথের শিরোচ্ছেদ করেন (এই দৃশ্যটি মঞ্চে অভিনীত হয়নি)। এইভাবে সর্বশেষ ভবিষ্যদ্বাণীটি ফলে যায়।
0.5
1,902.948884
20231101.bn_429684_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8
পৃষ্ঠটান
পৃষ্ঠটানকে সাধারণত γ (গ্রিক অক্ষর গামা) চিহ্ন দ্বারা প্রকাশ করা হয় এবং এর পরিমাপ হয় ‘বল প্রতি একক দৈর্ঘ্য’ দিয়ে। এর এসআই একক হল নিউটন প্রতি মিটার, তবে সিজিএস পদ্ধতিতে ডাইন প্রতি সেমি এককটিও ব্যবহার করা হয়।
0.5
1,894.220947
20231101.bn_429684_15
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8
পৃষ্ঠটান
বলের বিচারে: তরলে পৃষ্ঠটান হল একটি বল, যা প্রতি একক দৈর্ঘ্যে প্রযুক্ত হয়। ডানদিকের চিত্রে, আয়তাকার কাঠামোটি তিনটি দৃঢ় অপ্রসার্য বাহু (কালো রঙের), যারা সম্মিলিতভাবে ‘U’ আকৃতি গঠন করেছে, আর একটি সচল বাহু (নীল রঙের) নিয়ে গঠিত। নীল বাহুটি তার পার্শ্ববর্তী দুটি কালো বাহু বরাবর বাধাহীনভাবে চলাচল করতে পারে। কাঠামোটি চার বাহুর মাঝে সাবান-জলের একটি পাতলা সর রয়েছে। পৃষ্ঠটান ক্ষেত্রফল সংকোচনের জন্য নীল বাহুটিকে বাঁ দিকে ঠেলতে চাইবে; ওই বাহুটিকে স্থিরাবস্থায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় বিপরীতমুখী বল , বাহুটির দৈর্ঘ্য এর সমানুপাতিক। সেহেতু অনুপাতটি শুধুমাত্র ওই সাবান-জলের স্বকীয় ধর্মের উপর নির্ভরশীল (গঠন, উষ্ণতা ইত্যাদি), তরলটি বা কাঠামোর আকৃতির উপর নয়। উদাহরণ হিসেবে, কাঠামোটির গঠন যদি আরও জটিল হয় এবং সচল বাহুর দৈর্ঘ্য আর সেই বাহুর সরণের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় বল হয়, তবেও এর মান একই থাকবে। অতএব, পৃষ্ঠটানের সূত্র হয়:
0.5
1,894.220947
20231101.bn_429684_16
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8
পৃষ্ঠটান
সাবান-জলের সরটির দুটো পৃষ্ঠ রয়েছে, এদের প্রত্যেকটির ওপর পৃষ্ঠটান জনিত বলটি সমান ভাবে কাজ করে, তাই এর মানের আগে এসেছে; অর্থাৎ যে কোনো একটি পৃষ্ঠে প্রযুক্ত বল ।
0.5
1,894.220947
20231101.bn_429684_17
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8
পৃষ্ঠটান
শক্তির বিচারে: কোনো তরলের পৃষ্ঠটান হল ওই তরলটির স্থিতিশক্তির পরিবর্তন এবং পৃষ্ঠ ক্ষেত্রফল পরিবর্তনের (যার জন্য স্থিতিশক্তির পরিবর্তন ঘটে) অনুপাত। বলের বিচারে প্রাপ্ত পৃষ্ঠটানের সংজ্ঞার সাথে এর যথেষ্ট সম্পর্ক রয়েছে; যদি চলমান বাহুটির সরণের বিরুদ্ধে প্রযুক্ত বিপরীতমুখী বল হয়, তবে নিউটনের দ্বিতীয় গতিসূত্র অনুযায়ী, এই বলটিই আবার ওই বাহুটিকে সমবেগে গতিশীল রাখতে সাহায্য করবে। কিন্তু যদি বাহুটির সরণ ডানদিকে হয় (অর্থাৎ যেদিকে বলটি প্রযুক্ত হচ্ছে), তবে ওই বল তরলের ওপর যে কার্য করছে, তার প্রভাবে তরলপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি পাচ্ছে। অর্থাৎ বর্ধমান পৃষ্ঠ ক্ষেত্রফল সরটির শক্তিরও বৃদ্ধি ঘটায়। বাহুটিকে ডানদিকে দূরত্ব সরাতে বল কর্তৃক কৃতকার্য ; একইসাথে সরটির মোট ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি (ক্ষেত্রফল দ্বিগুণ হওয়ার কারণ, সরের দুটি মুক্তপৃষ্ঠ রয়েছে)। এখন এর লব ও হর উভয়কেই দিয়ে গুণ করলে পাওয়া যায়:
0.5
1,894.220947
20231101.bn_429684_18
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8
পৃষ্ঠটান
তাত্ত্বিকভাবে এখানে পরিমাণ কার্য তরলে স্থিতিশক্তি হিসেবে সঞ্চিত থাকে। অতএব শক্তির বিচারে পৃষ্ঠটানের এসআই একক হবে জুল প্রতি বর্গমিটার এবং সিজিএস পদ্ধতিতে আর্গ প্রতি বর্গসেমি। এক্ষেত্রে যান্ত্রিক সংস্থাগুলো সর্বদাই সর্বনিম্ন স্থিতিশক্তি সম্পন্ন একটি অবস্থায় পৌঁছতে চায়, আর তরলবিন্দুর আকৃতি গোলাকার হওয়ায় নির্দিষ্ট আয়তনে এর মুক্তপৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল সর্বনিম্ন হয়, অর্থাৎ স্থিতিশক্তিও সর্বনিম্ন হয়। মাত্রা সমীকরণের সাহায্যে প্রমাণ করে যায়, ‘শক্তি প্রতি বর্গএকক ক্ষেত্রফল’ এবং ‘বল প্রতি একক দৈর্ঘ্য’ – উভয়ের সাহায্যেই পৃষ্ঠটানের পরিমাপ বাস্তবে একই।
1
1,894.220947
20231101.bn_429684_19
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8
পৃষ্ঠটান
যদি কোনো টানযুক্ত পৃষ্ঠতলে বহিস্থ বল ক্রিয়া না করে, তবে মুক্তপৃষ্ঠ সমতল থাকে। কিন্তু পৃষ্ঠতলে একদিকের চাপের সঙ্গে অন্য দিকের চাপের পার্থক্য হলে একটি লব্ধি বলের সৃষ্টি হয়। চিত্রে দেখানো হয়েছে, পৃষ্ঠের একটি ক্ষুদ্র অংশের বক্রতার জন্য পৃষ্ঠটানজনিত বলের লব্ধি উপাংশগুলো ওই অংশের কেন্দ্রে কীভাবে ক্রিয়া করে। সমস্ত বলগুলো প্রশমিত হলে, ইয়ং-ল্যাপলেসের নীতি অনুযায়ী, এর সমীকরণ হয়:
0.5
1,894.220947
20231101.bn_429684_20
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8
পৃষ্ঠটান
সমীকরণে প্রথম বন্ধনীতে থাকা রাশিগুলো হল পৃষ্ঠের মোট বক্রতার পরিমাপ। এই সমীকরণের সমাধান করে জলবিন্দু, সাবানের বুদবুদ এবং পৃষ্ঠটানজনিত অন্যান্য আকারের (যেমন পোকার পায়ের চাপে পুকুরের জলে যে বক্রতার সৃষ্টি হয়) ধারণা পাওয়া যায়। নিচের ছকে দেখানো হয়েছে, কী পরিমাণে জলবিন্দুর ব্যাসার্ধ কমার সাথে সাথে অভ্যন্তরীণ চাপ বৃদ্ধি হয়। মোটামুটি ছোটো জলবিন্দুর ক্ষেত্রে এর প্রভাব নগণ্য, কিন্তু জলবিন্দু আণবিক আয়তনে এসে পৌঁছলে চাপের পার্থক্য বিরাট হয় (কিন্তু যদি বিন্দুতে একটিই অণু থাকে, তবে বিষয়টি অর্থহীন হয়ে পড়ে)।
0.5
1,894.220947
20231101.bn_429684_21
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8
পৃষ্ঠটান
তরলের ওপর কোনো বস্তু ফেলা হলে, তার ওজন মুক্তপৃষ্ঠে চাপ দেয়, এবং সেই চাপ প্রশমিত করে পৃষ্ঠটান , যা বস্তুটির সাথে জলের সংযোগবিন্দু থেকে উদ্ভূত হয়। লক্ষণীয়, এর অনুভূমিক উপাংশ দুটির দিক ঠিক পরস্পরের বিপরীতমুখী, অর্থাৎ এরা নিজেদের প্রশমিত করতে পারে। কিন্তু এর উল্লম্ব উপাংশ দুটি একই দিকে গতিশীল, তাই এরা একত্রে ওজনকে প্রশমিত করে। এই ঘটনাটি ঘটাতে হলে বস্তুটির উপরিতলকে অবশ্যই জলবিকর্ষী হতে হবে, এবং বস্তুটির ভর এতই নগণ্য হবে, যাতে পৃষ্ঠটান তা সহ্য করতে পারে।
0.5
1,894.220947
20231101.bn_429684_22
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%83%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%A0%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A8
পৃষ্ঠটান
যে কোনো আকারের কাঠামো দিয়ে ঘিরে থাকা তরলের সর্বনিম্ন ক্ষেত্রফলযুক্ত মুক্তপৃষ্ঠের আকার গাণিতিকভাবে নির্ধারণ করা প্রায় অসম্ভব। তার দিয়ে তৈরি বহিঃকাঠামো সাবানজলে ডুবিয়ে আনলে, যে সাবানের সর তৈরি হয়, তা সর্বনিম্ন ক্ষেত্রফলযুক্ত আকারে পৌঁছয়।
0.5
1,894.220947
20231101.bn_10886_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%8F
আরএনএ
রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (অ্যাক্রোনিম বা সংক্ষিপ্তকরণে আরএনএ বা RNA) হল একটি নিউক্লিক অ্যাসিড যা সরাসরি প্রোটিন সংশ্লেষণের সাথে জড়িত এবং যার পলিনিউক্লিয়োটাইডের মনোমার এককগুলোতে গাঠনিক উপাদানরূপে রাইবোজ শুগার ও অন্যতম বেস বা ক্ষারক হিসেবে ইউরাসিল থাকে। রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড হল একটি গুরুত্বপূর্ণ নিউক্লিওটাইড যা নিউক্লিক অ্যাসিডের দীর্ঘ শৃঙ্খলের ন্যায় সমস্ত জীবন্ত কোষে উপস্থিত রয়েছে। সাধারণত ডিএনএ থেকে প্রাপ্ত এই নিউক্লিক অ্যাসিড মানবদেহে নতুন কোষ তৈরির জন্য দায়ী। আরএনএ-কে কোন কোন সময় এনজাইম হিসাবেও উল্লেখ করা হয় কারণ এটি শরীরের রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।
0.5
1,887.711688
20231101.bn_10886_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%8F
আরএনএ
RNA-এর প্রধান ভূমিকা হল প্রোটিন সংশ্লেষণ নিয়ন্ত্রণের জন্য ডিএনএ থেকে নির্দেশাবলী বহনকারী একটি বার্তাবাহক হিসাবে কাজ করা। আরএনএতে শুগার রিবোজ, ফসফেট এবং নাইট্রোজেনাস বেস অ্যাডেনাইন (এ), গুয়ানিন (জি), সাইটোসিন (সি), এবং ইউরাসিল (ইউ) রয়েছে। ডিএনএ এবং আরএনএ নাইট্রোজেনাস বেস এ, জি এবং সি ভাগ করে নেয়, থাইমিন সাধারণত ডিএনএতে উপস্থিত থাকে এবং ইউরাসিল সাধারণত আরএনএতে উপস্থিত থাকে।
0.5
1,887.711688
20231101.bn_10886_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%8F
আরএনএ
রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিডের সমস্ত উপাদান ডিএনএ-এর মতোই থাকে, যার মধ্যে শুধুমাত্র ২টি প্রধান পার্থক্য রয়েছে। আরএনএ-তে ডিএনএর মতো অ্যাডেনিন, গুয়ানিন, সাইটোসিন নামক একই নাইট্রোজেন বেস রয়েছে, তবে থাইমিন যা ইউরাসিল দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। অ্যাডেনিন এবং ইউরাসিল RNA-এর প্রধান বেস হিসাবে বিবেচিত হয় এবং উভয়ই ২টি হাইড্রোজেন বন্ডের সাহায্যে বেস-জোট গঠন করে।
0.5
1,887.711688
20231101.bn_10886_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%8F
আরএনএ
ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ) এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড (আরএনএ) মূলত কোষ জীববিজ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অণু, যা সমস্ত জীবনের উপর ভিত্তি করে জেনেটিক তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য দায়ী। তাদের উভয়ের মধ্যে রৈখিক পলিমার, শর্করা, ফসফেট এবং বেস রয়েছে, তবে কিছু মূল পার্থক্য রয়েছে যা দুটিকে আলাদা করে। এই পার্থক্যগুলি দুটি অণুকে একসাথে কাজ করতে এবং তাদের প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করতে সাহায্য করে। এখানে, আমরা ডিএনএ এবং আরএন-এর মধ্যে কিছু মূল পার্থক্য আলোচনা করলাম:
0.5
1,887.711688
20231101.bn_10886_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%8F
আরএনএ
ডিএনএ এবং আরএনএ উভয়ই হল সমস্ত জীবের জেনেটিক তথ্যের রাসায়নিক বাহক। বেশিরভাগ জীবের মধ্যে, DNA (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) জেনেটিক তথ্য সঞ্চয় করে এবং বংশধরদের কাছে প্রেরণ করে। RNA (রিইবোনিউক্লিক অ্যাসিড) প্রধানত প্রোটিন সংশ্লেষণের জন্য জেনেটিক কোড ট্রান্সফারের সাথে জড়িত। কিছু ভাইরাস তাদের জেনেটিক উপাদান হিসাবে আরএনএ ব্যবহার করে। ডিএনএ বেশিরভাগ নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায় যেখানে আরএনএ কোষের সাইটোপ্লাজমে পাওয়া যায়। DNA এবং RNA-এর মধ্যে মূল পার্থক্য হল যে DNA এর পেন্টোজ শুগার হিসেবে ডিঅক্সিরাইবোজ থাকে এবং RNA এর পেন্টোজ শুগার রাইবোজ থাকে।
1
1,887.711688
20231101.bn_10886_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%8F
আরএনএ
বা বার্তাবাহী আর.এন.এ: যে সব RNA জিনের সংকেত অনুযায়ী প্রোটিন সংশ্লেষের ছাঁচ হিসেবে কার্যকর হয়ে নির্দিষ্ট অ্যামিনো অ্যাসিড অনুক্রম বাছাই করে তাই mRNA। DNA থেকে ট্রান্সক্রিপশনের মাধ্যমে mRNA সৃষ্টি হয়। mRNA চেইন এর মত। mRNA নির্দিষ্ট প্রোটিন সংশ্লেষণের বার্তা বহন করে। কোষের মোট RNA এর ৫-১০ ভাগ mRNA।
0.5
1,887.711688
20231101.bn_10886_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%8F
আরএনএ
রাইবোজোমাল RNA বা rRNA : রাইবোজোম এর প্রধান গাঠনিক উপাদান হলো rRNA.কোষের শতকরা ৮০-৯০ ভাগ হলো rRNA. কোষের রাইবোজোম এদের অবস্থান।
0.5
1,887.711688
20231101.bn_10886_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%8F
আরএনএ
যে সব RNA জেনেটিক কোড অনুযায়ী একেকটি অ্যামিনো এসিড কে mRNA তে স্থানান্তর করে প্রোটিন সংশ্লেষে সাহায্য করে সেগুলোকে tRNA বা ট্রান্সফার RNA বলে। প্রতিটি কোষে প্রায় ৩১-৪২ ধরনের tRNA থাকে। নিউক্লিয়াসের ভিতরে tRNA এর সৃষ্টি হয়। প্রতিটি tRNA তে মোটামুটি ৯০ টি নিউক্লি্উটাইড থাকে। প্রাথমিকভাবে প্রতিটি tRNA এক সূত্রক এবং লম্বা চেইনের মতো থাকে কিন্তু পরবর্তীতে এটি ভাঁজ হয়ে যায় এবং বভিন্ন বেস-এর মধ্যে জোডার সৃষ্টি হয়ে প্রতিটি tRNA-তে একাধিক ফাঁস সৃষ্টি হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফাঁস হলো অ্যান্টিকোডন ফাঁস যা mRNA-এর কোডন এর সাথে মুখোমুখি বসে যেতে পারে। tRNA-৩ প্রান্ত এক সূত্রক এবং সব সময়ই CCA ধারায় বেস সজ্জিত থাকে। এখানে অ্যামিনো এসিড সংযুক্ত হয়। ফাঁস অবস্থায় সবসময়ই অ্যান্টিকোডন ফাঁস ও অ্যামিনো এসিড সাইট বিপরীত অবস্থানে থাকে। তিনটি বেস নিয়ে অ্যান্টিকোডন সৃষ্টি হয়।
0.5
1,887.711688
20231101.bn_10886_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B0%E0%A6%8F%E0%A6%A8%E0%A6%8F
আরএনএ
মাইনর RNA বা miRNA সিটোপ্লাজমীয় RNA ও নিউক্লীয় RNA নামের কিছু RNA আছে যা এনজাইম এর কাঠামো দান করে।
0.5
1,887.711688
20231101.bn_394252_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE
অপ্সরা
দেবতা ও অসুরদের দ্বারা সমুদ্রমন্থনের সময় মেনকের জন্ম হয়েছিল। তিনি দ্রুত বুদ্ধিমত্তা ও সহজাত প্রতিভা সহ তিন জগতের সবচেয়ে মন্ত্রমুগ্ধ অপ্সরা (স্বর্গীয় জলদেবী) একজন, কিন্তু পরিবার চান।
0.5
1,884.053363
20231101.bn_394252_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE
অপ্সরা
বিশ্বামিত্র দেবতাদের ভয় দেখিয়েছিলেন এবং এমনকি অন্য স্বর্গ তৈরি করার চেষ্টা করেছিলেন - ইন্দ্র, তার ক্ষমতার দ্বারা ভীত, মেনকাকে স্বর্গ থেকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলেন তাকে প্রলুব্ধ করতে এবং তার ধ্যান ভঙ্গ করতে। মেনকা বিশ্বামিত্রের সৌন্দর্য দেখে তার লালসা ও আবেগকে সফলভাবে উস্কে দিয়েছিলেন। তিনি বিশ্বামিত্রের ধ্যান ভঙ্গ করতে সফল হন। যাইহোক, তিনি তার সাথে অকৃত্রিম প্রেমে পড়েছিলেন এবং তাদের একটি শিশুর জন্ম হয়েছিল, যেটি পরে ঋষি কণ্বের আশ্রমে বেড়ে ওঠে এবং তাকে শকুন্তলা নামে ডাকা হয়। পরে, শকুন্তলা রাজা দুষ্মন্তের প্রেমে পড়েন এবং ভরত নামে একটি সন্তানের জন্ম দেন, যিনি হিন্দু ঐতিহ্য অনুসারে দেশের নাম দেন।
0.5
1,884.053363
20231101.bn_394252_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE
অপ্সরা
দক্ষ কন্যা সতী যখন হিমালয়ে মহাদেব অর্থাৎ শিবের সাথে হিমালয়ে বসবাস করতেন তখন মেনকা ছিলেন সতীর শখি। কিন্তু সতী যখন মারা যান তখন মেনকা কঠোর তপস্যা করতে আরম্ভ করলেন- যেন সতী তার কন্যা হয়ে আবার জন্ম গ্রহণ করেন। তার তপস্যা ভগবতী সন্তুষ্ট হয়ে তাকে বর দেন- তার একশত পুত্র সন্তান ও একটি কন্যা সন্তান হবে। বর লাভের পর মৈনাক প্রভৃতির জন্ম হয় এবং সতী পুনরায় জন্ম গ্রহণ করেন।
0.5
1,884.053363
20231101.bn_394252_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE
অপ্সরা
মহাভারত অনুসারে, গন্ধর্বরাজ বিশ্বাবসু ও মেনকা মিলনে এক কন্য সন্তানের জন্ম হয়। মেনকা তাকে মহর্ষি স্হূলকেশ এর আশ্রমের পাশে নদীর তীরে রেখে চলে যায়। মহর্ষি সে কন্যা আশ্রমে রেখে বড় করে এবং নাম রাখে প্রমদ্বরা। এই প্রমদ্বরাই মহাভারতের বিখ্যাত রাজা রুরুর স্ত্রী।
0.5
1,884.053363
20231101.bn_394252_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE
অপ্সরা
রম্ভা হল হিন্দু পুরাণে দেবালোকের জাদুকারিনী, সুন্দর নারী এবং অপ্সরার রাণী। রম্ভা হল কুবেরের পুত্র নলকুবেরের স্ত্রী। মহাভারত অনুসারে, রম্ভা ঋষি কশ্যপ ও তাঁর স্ত্রী প্রাধার কন্যা। ভাগবত পুরাণ অনুসারে, তার মায়ের নাম মুনি। কিছু পুরাণ অনুসারে, সমুদ্রমন্থন এর সময় ক্ষীরসাগর (দুধের সাগর) থেকে রম্ভা এবং অন্যান্য অপ্সরাদের উদ্ভব হয়েছিল।
1
1,884.053363
20231101.bn_394252_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE
অপ্সরা
দেব ইন্দ্র রাজা তাকে ঋষিদের তপস্যার প্রলোভনের বিরুদ্ধে অনুশোচনার বিশুদ্ধতা পরীক্ষা করার জন্য রম্ভাকে তাদের তপস্যা ভঙ্গ করতে বলতেন। ঋষি বিশ্বামিত্রর অনুশোচনায় বিরক্ত করার জন্য বিশ্বামিত্র তাকে ১০,০০০ বছরের জন্য পাথর হয়ে থাকার অভিশাপ দেন, যে পর্যন্ত না একজন ব্রাহ্মণ তাকে মুক্তি না করে।
0.5
1,884.053363
20231101.bn_394252_15
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE
অপ্সরা
মহাকাব্য রামায়ণ মধ্যে, লঙ্কার রাজা রাবণ রম্ভাকে ধর্ষণ করে। যারা ফলে ব্রহ্মা তাকে অভিশপ্ত করে, যদি সে আবার অন্য মেয়েকে ধর্ষণ করে তাহলে তার মাথা বিস্ফোরিত হবে।
0.5
1,884.053363
20231101.bn_394252_16
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE
অপ্সরা
তিলোত্তমা হিন্দু পুরাণে বর্ণিত অপ্সরা। সংস্কৃত তিলোত্তমা মানে শ্রেষ্ঠত্বের ক্ষুদ্রতম কণা বা যার শ্রেষ্ঠত্ব সর্বোচ্চ গুণাবলী স্থিরীকৃত হতে পারে।
0.5
1,884.053363
20231101.bn_394252_17
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%B0%E0%A6%BE
অপ্সরা
মহাভারত অনুসারে, ব্রহ্মার অনুরোধে ঐশ্বরিক স্থপতি বিশ্বকর্মা কর্তৃক তিলোত্তমা সৃষ্ট হয়েছে যাবতীয় সর্বশ্রেষ্ঠ উপাদানসমূহের সমন্বয়ে। তিনি অসুর, সুন্দ ও উপাসুন্দ, এই তিন দেবতার পারস্পরিক ধ্বংসের জন্য দায়ী। এমনকি শিব ও ইন্দ্রের মতো দেবতারা নিজেদের তিলোত্তমার প্রেমমুগ্ধ বর্ণনা করে।
0.5
1,884.053363
20231101.bn_301070_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A7%88%E0%A6%A5%E0%A7%81%E0%A6%A8
পদমৈথুন
পদমৈথুন অভেদকারী যৌনসহবাস-এর একটি নমুনা বিশেষ যা পূর্বরাগের ক্রিয়া হিসাবে অথবা যৌনসঙ্গীটির রাগমোচন গ্রহণ করা পর্যন্ত সম্পাদিত হতে পারে। যাদের পাদদেশ বস্তুকাম আছে, যারা তাদের পুরুষাঙ্গে পায়ের পাতাদ্বয়ের দর্শনমাত্র এবং অনুভবে বিশেষভাবে কামোত্তেজিত হয়ে ওঠে, তাদের কাছে এই দুটিই খুব জনপ্রিয়। পদমৈথুনের সর্ব্বোচ স্তরে তীব্র রাগমোচন (যদি রাগমোচনের উদ্দেশে করা হয়) এবং শক্তিশালী লিঙ্গ ঋজুতা এবং আরো সবল যৌনমিলন (যদি পূর্বরাগের উদ্দেশে করা হয়) সম্ভব হয়। এটি সম্পন্ন করা যেতে পারে নগ্নপদে, অথবা কিছু পরিহিত অবস্থায় যেমন মোজা, প্যাণ্টীহোস, স্টকিংস, ফ্লিপ-ফ্লপ, হাই হিল, বুট এবং চপ্পল।
0.5
1,881.785022
20231101.bn_301070_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A7%88%E0%A6%A5%E0%A7%81%E0%A6%A8
পদমৈথুন
শিথিল বা খাড়া করা এর ফুট মধ্যে নারীদের মধ্যে যে মহিলাদের পায়ের একমাত্র খোলা জুতা অধীনে লিঙ্গ লিঙ্গ একটি নরম সুখী মধ্যে tickling পায় অ্যাঙ্কিল 'জিন্সজ কাজ' সহ পাদদেশের পেছনের পেছনের অংশে এবং পুরুষের জিনস দ্বারা প্রসারিত জিন্সের প্রসারিত পুরুষ পায়ে পুরুষের যৌনাঙ্গি উদ্দীপনাগুলি মহিলা পা দিয়ে সংস্পর্শে আসে যখন শেষ লিঙ্গ মহিলা ফুট sesorial দৃশ্যে আকর্ষণ নিজেকে উত্সাহিত এবং যত তাড়াতাড়ি মহিলার pulls এবং স্লিপ মহিলা পায়ের পাতার মোজাবিশেষ সঙ্গে তিনি পায়ের দ্বারা লিঙ্গ লাগে এবং glans pulls এবং জন্য grabs ইনামেল দিয়ে মহিলা ছিদ্র করে পুরুষ লিঙ্গ একটি শ্বাসনামা এবং মানুষের প্রচণ্ড উত্তেজনা দিকে এগিয়ে যায় যদি কোনও মহিলা দেখেন যে তিনি দীর্ঘ সময় ধরে পদমৈথুন করতে অক্ষম কিংবা বন্ধন আলগা হয়ে আসছে তখন পুরুষটি মহিলাটির পায়ের পাতাদ্বয় ধরে রাখতে এবং তার পদধনুতে খোঁচা দিতে পারেন, অনুরূপভাবে মহিলাটির যোনিতেও এটি করতে পারেন।
0.5
1,881.785022
20231101.bn_301070_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A7%88%E0%A6%A5%E0%A7%81%E0%A6%A8
পদমৈথুন
পর্যায়ক্রমে অথবা একই সময়ে একজনের পায়ের আঙ্গুল, পদতল এবং পদধনু ব্যবহার করে সঙ্গীটির যৌনাঙ্গ আন্দোলিত ও মর্দন।
0.5
1,881.785022
20231101.bn_301070_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A7%88%E0%A6%A5%E0%A7%81%E0%A6%A8
পদমৈথুন
পদাঙ্গুলিমৈথুন: একজন মহিলা সঙ্গী প্রাথমিকভাবে তার পায়ের আঙ্গুল ব্যবহার করে অপর সঙ্গীটির লিঙ্গ ঘর্ষণ করে, ক্রমাগত তার পায়ের বুড়ো-অঙ্গুলী এবং দ্বিতীয় অঙ্গুলী এর মধ্যে পুরুষটির লিঙ্গের শিশ্নাগ্র এবং/অথবা শিশ্ন-খাদ স্থাপন করে।
0.5
1,881.785022
20231101.bn_301070_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A7%88%E0%A6%A5%E0%A7%81%E0%A6%A8
পদমৈথুন
পদবিন্যাস: একজন মহিলা সঙ্গী অপর সঙ্গীটির লিঙ্গে পদবিন্যাস দ্বারা একটা চাপ প্রয়োগ করে। এটা হিল দিয়ে, নগ্নপদে বা অন্যান্য পাদুকা দ্বারা করা হতে পারে।
1
1,881.785022
20231101.bn_301070_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A7%88%E0%A6%A5%E0%A7%81%E0%A6%A8
পদমৈথুন
পদমৈথুনের প্রধান দুই ধরনের অবস্থান বা ভঙ্গী আছে: সেইসব মহিলারা যারা পায়ের উপরিভাগ বিকশিত করতে পারে এবং যারা পদতল বিকশিত করতে পারে। পুরুষ বিশেষে প্রথমটি অথবা দ্বিতীয়টি দ্বারা অধিক কামোত্তেজিত হয়। সাধারণত যেসব পুরুষেরা পদতল পছন্দ করে তারা খুশি হয় যখন নারী তার পায়ের আঙ্গুল কূঞ্চিতকরণ দ্বারা তার পদতল কূঞ্চিত করে। কিন্তু প্রথমে যে অবস্থান বা ভঙ্গীতে পদমৈথুন হয় সেটা নিম্নে লিখিত হল।
0.5
1,881.785022
20231101.bn_301070_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A7%88%E0%A6%A5%E0%A7%81%E0%A6%A8
পদমৈথুন
উভয় ব্যক্তি মুখোমুখি বসা অবস্থায়, একটি যৌন অভ্যাস fuckfeet গোড়ালি মধ্যে মহিলা পায়ের মধ্যে লিঙ্গ রাখুন এবং মহিলা পায়ের পিছনে পাতাদ্বয়ের ব্যবহারে উদ্দীপিত করে তোলে। যে ব্যক্তি পদমৈথুন প্রয়োগ করছেন তিনি তার পেটের উপর ভর দিয়ে শুয়ে, সঙ্গীটির থেকে বিপরীতে মুখ করে তার পায়ের পাতাদ্বয় ব্যবহার করেও ক্রিয়াটি করতে পারেন। এই অবস্থানকে অনেক সময় "বিপরীত পদমৈথুন" বলা হয়। অথবা, যে ব্যক্তি পদমৈথুন প্রয়োগ করছেন তিনি দুই পা ফাঁক করে পিছন থেকে, সঙ্গীটির চারপাশে তার পায়ে বেড় দিয়ে ক্রিয়াটি করতে পারেন।
0.5
1,881.785022
20231101.bn_301070_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A7%88%E0%A6%A5%E0%A7%81%E0%A6%A8
পদমৈথুন
যে ব্যক্তিটি পদমৈথুন গ্রহণ করছেন তিনি কোনও উচ্চস্থানে (যেমন একটি চেয়ার বা বিছানা) সোজা দাঁড়িয়ে অথবা বসে থাকেন, যেখানে যে ব্যক্তিটি পদমৈথুন প্রয়োগ করছেন তিনি সঙ্গীটির থেকে নিম্নস্থানে পিঠের উপর ভর দিয়ে শুয়ে, পা বাড়িয়ে পুরুষটির পুরুসাঙ্গের উপর তার পায়ের পাতাদ্বয়ের নিপূণভাবে ব্যবহার করেন।
0.5
1,881.785022
20231101.bn_301070_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%A6%E0%A6%AE%E0%A7%88%E0%A6%A5%E0%A7%81%E0%A6%A8
পদমৈথুন
যে ব্যক্তিটি পদমৈথুন গ্রহণ করছেন তিনি নিম্ন স্থানে, যেমন ঘরের মেঝেতে শুয়ে থাকেন, যেখানে যে ব্যক্তিটি পদমৈথুন প্রয়োগ করছেন তিনি সঙ্গীটির থেকে উচ্চস্থানে বসে, নিম্নে শায়িত পুরুষটির লিঙ্গ নিজের পায়ের পাতাদ্বয়ের সাহায্যে মর্দন ও পেষন করে তৃপ্তি প্রদান করেন।
0.5
1,881.785022
20231101.bn_108773_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E
জলবিদ্যুৎ
যেহেতু জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কোনো ধরনের জ্বালানী পোড়ানো হয় না, তাই এখান থেকে সরাসরি কোনো কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন হয় না। যদিও সামান্য কিছু কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমন হয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি বানাতে অর্থাৎ যন্ত্রপাতি তৈরি করতে। ফলে এর গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমনকারী জ্বালানীনির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের তুলনায় খুবই কম। ইউরোপিয়ান কমিশনের অর্থায়নে শক্তির উৎসগ‌ুলোর গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমনের হারের পরীক্ষা চালানো হয় ExternE প্রজেক্টে। গবেষণা অনুযায়ী জলবিদ্যুৎ অন্য যেকোনো বিদ্যুৎ-উৎস থেকে কম গ্রীনহাউজ গ্যাস উৎপন্ন করে। এ তালিকায় দ্বিতীয় হলো বায়ু শক্তি, তৃতীয় পারমাণবিক শক্তি এবং চতুর্থ সৌরশক্তি। সবচেয়ে বেশি পরিমাণ গ্রীনহাউস গ্যাস নির্গমন হয় অধিক তাপমাত্রায়। কারণ তাপ বাড়লে জলের প্রসারণ ঘটে এবং আয়তন বাড়ে। ফলে জলের চাপ বাড়ে, আর চাপই হলো জলবিদ্যুতের চালনশক্তি।
0.5
1,878.6586
20231101.bn_108773_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E
জলবিদ্যুৎ
বাঁধ ধ্বসে পড়া মানবসৃষ্ট সবচেয়ে বড় দুর্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম। এমনকি ভালো নকশা দ্বারা প্রস্তুতকৃত বাঁধও শতভাগ নিরাপদ নয়। যেমন: বাঙ্কিয়াও বাঁধ ধ্বসে পড়ে দক্ষিণ চীনে তাৎক্ষণিকভাবে ২৬,০০০ মানুষ মারা যায়। লক্ষাধিক মানুষ গৃহহীন হয়। ভুল জায়গায় বাঁধ স্থাপনের কারণে, বাঁধ অনেক ভয়ানক দুর্যোগও বয়ে আনতে পারে, যেমন ১৯৫৭ খ্রিষ্টাব্দে ইতালিতে ভেয়ন্ট বাঁধ-এর কারণে ২,০০০ মানুষ মারা যায়।
0.5
1,878.6586
20231101.bn_108773_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E
জলবিদ্যুৎ
এছাড়াও মাছের আবাসস্থল ও খাদ্যাভাসের পরিবর্তন ঘটে, মাছের চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে, বাধ পূর্ববর্তী বিস্তীর্ন অঞ্চল প্লাবিত হয় ও বাধ পরবর্তী অঞ্চলে তীব্র খরা দেখা দিতে পারে।
0.5
1,878.6586
20231101.bn_108773_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E
জলবিদ্যুৎ
যদিও ঠিক কতটুকু ক্ষমতার অধিকারী হলে একটি জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রকে 'বড়' বলা যাবে তার সীমা নেই, তারপরও কয়েকশ' মেগাওয়াট থেকে ১০ গিগাওয়াটেরও বেশি ক্ষমতার বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকেই সাধারণত 'বড়' বলা হয়। বর্তমানে শুধুমাত্র তিনটি কেন্দ্র আছে যা ১০ গিগাওয়াটের থেকেও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম; সেগুলো হলো: ত্রি জর্জেস ড্যাম (২২.৫ গিগাওয়াট), ইটাপু ড্যাম (১৪ গিগাওয়াট), গুরি ড্যাম (১০.২ গিগাওয়াট)। বড় জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোই সাধারণত সবচেয়ে বেশি শক্তির উৎস হয়ে থাকে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, এমন কিছু জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র আছে যা বর্তমানের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগ‌ুলোর দ্বিগুণের চেয়েও বেশি শক্তি উৎপাদন করে থাকে।
0.5
1,878.6586
20231101.bn_108773_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E
জলবিদ্যুৎ
যদিও বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকেই অধিকাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়, তবুও কিছু কিছু ক্ষেত্রে ছোট কেন্দ্রেরও প্রয়োজন আছে। ১০ মেগাওয়াট বা তার কম ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোকেই সাধারণত ছোট বিদ্যুৎ কেন্দ্র বলা হয়। অবশ্য উত্তর আমেরিকার প্রজেক্টে এর সীমা ৩০ মেগাওয়াট পর্যন্ত। একটি ছোট বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি বিদ্যুৎ বিতরণ গ্রীডের সাথে যুক্ত থাকতে পারে, থাকতে পারে শুধুমাত্র একটি বিচ্ছিন্ন এলাকার সাথে অথবা শুধুমাত্র কোনো একটি বাসার সাথে। ছোট কেন্দ্রে সাধারণত অর্থ, প্রযুক্তি এবং পরিবেশগত সুযোগ সুবিধা জরিপ করে দেখতে হয় না, যেখানে বড় প্রকল্পে এসবে যথেষ্ট সময় এবং গুরুত্ব দিতে হয়। তাই প্রায়ই এইসব ছোট প্রকল্প খুব দ্রুততার সাথে সম্পন্ন করা যায়। এইসব ছোট বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ এবং অন্যান্য প্রকল্পের সাথেও তৈরি করা হয়। এর ফলে সেসব প্রকল্পের খরচ কমে যাবার সাথে সাথে সেগুলোর বাস্তবায়নও সহজতর হয়।
1
1,878.6586
20231101.bn_108773_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E
জলবিদ্যুৎ
ব্রাজিল, কানাডা, নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড এবং ভেনেজুয়েলা হলো একমাত্র দেশ যেখানে পানিবিদ্যুৎ, শক্তির প্রধান উৎস। প্যারাগুয়ে হচ্ছে এমন একটি দেশ যেখানে শুধুমাত্র শক্তির ১০০% উৎসই জলবিদ্যুৎ নয়, বরং তাদের মোট জলবিদ্যুৎ উৎপাদনের ৯০%ই অন্যান্য দেশে (ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনায়) রপ্তানি করা হয়। নরওয়ের মোট বিদ্যুতের ৯৮-৯৯% আসে পানিবিদ্যুৎ থেকে।
0.5
1,878.6586
20231101.bn_108773_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%B2%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A7%8E
জলবিদ্যুৎ
দক্ষিণ এশিয়ার দেশ বাংলাদেশে ১৯০৬ সালে সর্বপ্রথম জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়। এদেশের একমাত্র পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র কাপ্তাইয়ে অবস্থিত। কর্ণফুলী নদীর উপর বাঁধ দিয়ে রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই উপজেলায় কাপ্তাই বাঁধ তৈরি করা হয়। ১৯৬২ খ্রিষ্টাব্দে ৪৬ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট নিয়ে কেন্দ্রটির যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীকালে ৫০ মেগাওয়াট করে আরো তিনটি ইউনিট স্থাপন করা হয়। এর মধ্যে তিন নম্বর ইউনিটটি ১৯৮২, এবং ৪ ও ৫ নম্বর ইউনিট চালু হয় ১৯৮৭ খ্রিষ্টাব্দে। এর মধ্যে প্রথম তিনটি বসে যুক্তরাষ্ট্রের প্রযুক্তিতে। পরের দুটি স্থাপন করে জাপানের টোকিও ইলেক্ট্রিক পাওয়ার সার্ভিসেস কোম্পানি (টেপ্সকো)। এ দুটি স্থাপনের সময়ই আরো দুটি ইউনিট স্থাপনের জন্য আনুষঙ্গিক সুবিধা রেখে দেয়া হয়। জাপানী এই প্রতিষ্ঠানটিই ১৯৯৮ খ্রিষ্টাব্দে সেখানে আরো বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব কিনা সে বিষয়ে একটি সম্ভাব্যতা যাচাই করে। এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে তারা জানায়, বর্তমান অবকাঠামো এবং এই পানি দিয়েই কাপ্তাই হ্রদে ৫০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন আরো দুটি ইউনিট বসানো সম্ভব। তাতে কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ আরো কমে আসবে। বর্তমানে গড়ে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় হয় বিশ পয়সা।
0.5
1,878.6586