_id
stringlengths
17
22
url
stringlengths
42
314
title
stringlengths
2
36
text
stringlengths
100
5.1k
score
float64
0.5
1
views
float64
23
11.1k
20231101.bn_972669_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9F%E0%A6%A8
টন
মেট্রিক টন ও লম্বা টনের পরস্পর পরিমাপগত পার্থক্য প্রায় ১১%। এদের উভয়ের সাথে খাটো টন পরিমাপটির পার্থক্য ১.৬%। সাধারণত "টন"-কে কথ্যভাষায় ব্যবহৃত সবচেয়ে ভারী একক বিবেচনা করা হয়।
0.5
2,023.301968
20231101.bn_972669_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9F%E0%A6%A8
টন
জায়গার আয়তনমিতিক পরিমাপেও টন এককটির উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। ৩৫ থেকে ১০০ ঘনফুট (০.৯৯ থেকে ২.৮৩ ঘনমিটার) আয়তনবিশিষ্ট স্থানের ধারণক্ষমতা বুঝাতে প্রায়ই "টন" একক ব্যবহৃত হয়।
0.5
2,023.301968
20231101.bn_972669_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9F%E0%A6%A8
টন
শক্তির একক-রূপেও টনের ব্যবহার পরিলক্ষিত হয়। কী পরিমাণে কয়লার দহন হলো কিংবা টিএনটি (ট্রাই নাইট্রো টলুইন) বিস্ফোরিত হলো, সেটি বুঝাতে এ এককের প্রয়োগ বিদ্যমান।
0.5
2,023.301968
20231101.bn_972669_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9F%E0%A6%A8
টন
রেফ্রিজারেটর বা শীতলীকরণ যন্ত্রের ক্ষেত্রে টন শব্দটি ক্ষমতার একক হিসেবে ভূমিকা রাখে। এক্ষেত্রে "শীতলীকরণ টন" বা টন অব রেফ্রিজারেশন ধারণাটি জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। প্রতিদিন এক খাটো টন বরফকে গলিয়ে পুনরায় ঘনীভূত বা ঠাণ্ডা করতে ব্যয়িত শক্তির পরিমাণই হলো টন অব রেফ্রিজারেশন। এক খাটো টনের অংশ-কে বরফকে গলিয়ে ঘনীভূত করে ব্যয়িত শক্তির পরিমাণ-কে বলা হয় "শীতলীকরণ টন/ঘণ্টা"।
0.5
2,023.301968
20231101.bn_1172_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
অস্ট্রিয়া
১৯৩৮ সালের মার্চ থেকে ১৯৪৫ সালের এপ্রিলের মধ্যে অস্ট্রিয়ার অধিকাংশ ইহুদীকে হয় হত্যা করা হয় অথবা নির্বাসনে যেতে বাধ্য করা হয়। সিন্তি, জিপসি, সমকামী এবং অন্যান্য রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্ব্বীদেরও একই পরিণাম ঘটে। ১৯৩৮ সালের আগে অস্ট্রিয়াতে ২ লক্ষ ইহুদী বাস করত। ১৯৩৮ থেকে ১৯৪০ সালের মধ্যে এদের অর্ধেকের বেশি দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়। জার্মানরা ইহুদীদের ব্যবসা ও দোকানপাটে লুটতরাজ চালায়। প্রায় ৩৫ হাজার ইহুদীকে পূর্ব ইউরোপে গেটো বা বস্তিতে পাঠানো হয়। প্রায় ৬৭ হাজার ইহুদীকে কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়; যুদ্ধশেষে এদের মাত্র ২ হাজার বেঁচে ছিল।
0.5
2,016.472992
20231101.bn_1172_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
অস্ট্রিয়া
১৯৪৫ সালে জার্মানির পরাজয়ের পর মিত্রশক্তিরা অস্ট্রিয়াকে চারভাগে ভাগ করে। ১৯৫৫ সালের ২৫শে অক্টোবর নাগাদ এরা সবাই অস্ট্রিয়া ত্যাগ করে এবং অস্ট্রিয়া পূর্ণ স্বাধীনতা পায়।
0.5
2,016.472992
20231101.bn_1172_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
অস্ট্রিয়া
অস্ট্রিয়ার রাজনীতি-র ভিত্তি একটি কেন্দ্রীয় সংসদীয় প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রী প্রজাতন্ত্র ব্যবস্থা, যেখানে চ্যান্সেলর হলেন সরকারপ্রধান। এটি একটি বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থা। সরকার নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী। আইন প্রণয়ন ক্ষমতা দ্বি-কাক্ষিক সংসদ (জাতীয় কাউন্সিল ও কেন্দ্রীয় কাউন্সিল) ও সরকার, উভয়ের হাতে ন্যস্ত। ১৯৪৯ সাল থেকে রক্ষণশীল দল Austrian People's party ও সমাজবাদী গণতান্ত্রিক দল Social Democratic Party of Austria দেশটির রাজনৈতিক ব্যবস্থায় প্রাধান্য বিস্তার করে আসছে।
0.5
2,016.472992
20231101.bn_1172_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
অস্ট্রিয়া
অস্ট্রিয়াকে তিনটি অসম ভৌগোলিক অঞ্চলে ভাগ করা যায়। এদের মধ্যে বৃহত্তম অংশটি (৬২%) হল আল্পস পর্বতমালার অপেক্ষাকৃত নবীন পাহাড়গুলি। এদের পূর্বে আছে পানোনীয় সমভূমি, এবং দানিউব নদীর উত্তরে আছে বোহেমীয় অরণ্য নামের একটি পুরানো কিন্তু অপেক্ষাকৃত নিচু গ্রানাইট পাথরে নির্মিত পার্বত্য অঞ্চল।
0.5
2,016.472992
20231101.bn_1172_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
অস্ট্রিয়া
দানিউব নদী দক্ষিণ-পশ্চিম জার্মানির ডোনাএশিঙেনের কাছ থেকে উৎপত্তি লাভ করে অস্ট্রিয়ার ভেতর দিয়ে পূর্বমুখে প্রবাহিত হয়ে কৃষ্ণসাগরে পতিত হয়েছে। আল্পসের উত্তরের ইন নদী, ৎসালজাখ নদী ও এন্স নদী দানিউবের উপনদী। অন্যদিকে আল্পসের দক্ষিণের অর্থাৎ মধ্য ও পূর্ব অস্ট্রিয়ার গাইল নদী, ড্রাভা নদী, ম্যুর্ৎস নদী ও মুরা নদী সার্বিয়াতে গিয়ে দানিউবে পতিত হয়েছে।
1
2,016.472992
20231101.bn_1172_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
অস্ট্রিয়া
আল্পসের তিনটি প্রধান শাখা, উত্তর চুনাপাথরীয় আল্পস, কেন্দ্রীয় আল্পস, ও দক্ষিণ চুনাপাথরীয় আল্পস অস্ট্রিয়ার পশ্চিম থেকে পূর্ব জুড়ে বিস্তৃত। ৩৭৯৭ মিটার উচ্চতাবিশিষ্ট গ্রোস্‌গ্লকনার অস্ট্রিয়ার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। অস্ট্রিয়ার মাত্র ২৮% অঞ্চল সমতল বা অপেক্ষাকৃত কম পাহাড়ি।
0.5
2,016.472992
20231101.bn_1172_15
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
অস্ট্রিয়া
অস্ট্রিয়ার অর্থনীতি ব্যবস্থাকে একটি সামাজিক বাজার অর্থনীতি হিসেবে গণ্য করা হয়। এর গঠন প্রতিবেশী জার্মানির অর্থনৈতিক ব্যবস্থার মতন।
0.5
2,016.472992
20231101.bn_1172_16
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
অস্ট্রিয়া
২০০৪ সালের তথ্য অনুযায়ী অস্ট্রিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৪র্থ ধনী দেশ। এখানকার মাথাপিছু স্থুল জাতীয় উৎপাদন প্রায় ২৭,৬৬৬ ইউরো। কেবন লুক্সেমবুর্গ, আয়ারল্যান্ড এবং নেদারল্যান্ড্‌স এই দিক থেকে অস্ট্রিয়ার চেয়ে এগিয়ে।
0.5
2,016.472992
20231101.bn_1172_17
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
অস্ট্রিয়া
সাম্প্রতিক বছরগুলিতে, ২০০২-২০০৬ সময়সীমাতে, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ১ থেকে ৩.৩%-এর মধ্যে স্থিতিশীল ছিল। মধ্য ইউরোপে অবস্থিত বলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের নতুন সদস্যরাষ্ট্রগুলির (যেগুলি বেশির ভাগই পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত) প্রবেশদ্বার হিসেবে অস্ট্রিয়া গুরুত্ব লাভ করেছে।
0.5
2,016.472992
20231101.bn_2949_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95
কর্ণাটক
কর্ণাটকের পশ্চিমে আরব সাগর, উত্তর-পশ্চিমে গোয়া, উত্তরে মহারাষ্ট্র, পূর্বে অন্ধ্রপ্রদেশ, দক্ষিণ-পূর্বে তামিলনাড়ু এবং দক্ষিণ-পশ্চিমে কেরল অবস্থিত। রাজ্যের মোট আয়তন (ভারতের মোট ভৌগোলিক আয়তনের ৫.৮৩%)। কর্ণাটক আয়তনের হিসেবে ভারতের অষ্টম বৃহত্তম এবং জনসংখ্যার হিসেবে ভারতের নবম বৃহত্তম রাজ্য। এই রাজ্যে ৩০টি জেলা রয়েছে। রাজ্যের সরকারি তথা সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ভাষা কন্নড়।
0.5
2,012.129156
20231101.bn_2949_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95
কর্ণাটক
কর্ণাটক দুটি প্রধান নদী অববাহিকায় অবস্থিত। রাজ্যের উত্তরে রয়েছে কৃষ্ণা ও তার উপনদীগুলির (ভীমা, ঘটপ্রভা, বেদবতী, মালপ্রভা ও তুঙ্গভদ্রা)। দক্ষিণে রয়েছে কাবেরী ও তার উপনদীগুলির (হেমাবতী, শিমশা, অর্কবতী, লক্ষ্মণতীর্থ ও কবিনী) অববাহিকা। এই নদীগুলি পূর্ববাহী। সব কটিই বঙ্গোপসাগরে পড়েছে।
0.5
2,012.129156
20231101.bn_2949_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95
কর্ণাটক
কর্ণাটক নামটির ব্যুৎপত্তি বিষয়ে মতভেদ রয়েছে। সাধারণভাবে মনে করা হয় কর্ণাটক নামটি এসেছে কন্নড় কারু ও নাডু শব্দদুটি থেকে। এর অর্থ উচ্চ ভূমি। অন্য মতে, কারু নাড়ু শব্দটির প্রকৃত অর্থ কৃষ্ণ ভূমি; কারণ কর্ণাটকের বায়ালুসীমে অঞ্চলে কালো কার্পাস মৃত্তিকা দেখা যায়। ব্রিটিশরা কৃষ্ণা নদীর দক্ষিণে দক্ষিণ ভারতের উভয় দিকেরই নাম দিয়েছিল কর্ণাটিক অঞ্চল।
0.5
2,012.129156
20231101.bn_2949_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95
কর্ণাটক
কর্ণাটকের ইতিহাস অতি প্রাচীন। এখানে প্রাচীন প্রস্তর যুগের নানা নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে। প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় ভারতের একাধিক শক্তিশালী সাম্রাজ্যের কেন্দ্র ছিল এই রাজ্য। এই সব সাম্রাজ্যের দার্শনিক ও চারণকবিরা যে সামাজিক, ধর্মীয় ও সাহিত্যিক আন্দোলনের সূচনা করেন, তার অস্তিত্ব আজও রয়েছে। ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতের দুটি ধারাতেই (কর্ণাটিক ও হিন্দুস্তানি) কর্ণাটকের অবদান রয়েছে। কন্নড় ভাষার লেখকেরা ভারতে সর্বাধিক সংখ্যক জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ করেছেন। এই রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু বর্তমান ভারতের একটি অগ্রণী বাণিজ্যিক ও প্রযুক্তি কেন্দ্র।
0.5
2,012.129156
20231101.bn_2949_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95
কর্ণাটক
কর্ণাটকে ৩১ টি জেলা রয়েছে। প্রতিটি জেলা জেলা প্রশাসক (জিলাদার) দ্বারা পরিচালিত হয়। জেলাগুলি আরও উপ-জেলা (তালুক) মধ্যে বিভক্ত, যা উপ-কমিশনার (তালুকদার) দ্বারা পরিচালিত; উপ-বিভাগগুলি ব্লক (তহসিল / হোবলি) সমন্বয়ে গঠিত, যা ব্লক উন্নয়ন অফিসার (তহসিলদার) দ্বারা পরিচালিত, যা গ্রাম পরিষদ (পঞ্চায়েত), নগর পৌরসভা (পুরসভা), নগর পৌর কাউন্সিল (নগরসভা) এবং শহর পৌর কর্পোরেশন দ্বারা গঠিত (মহানগর পালিকে)।
1
2,012.129156
20231101.bn_2949_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95
কর্ণাটক
এই রাজ্য আয়কর প্রদানে দেশের মধ্যে ৩য় সর্বোচ্চ অবদান রাখে। প্রায় ১.২ লক্ষ কোটি রুপি আয়কর আদায় হয় এখানথেকে।
0.5
2,012.129156
20231101.bn_2949_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95
কর্ণাটক
Nilakanta Sastri, K.A. (1955). A History of South India, From Prehistoric times to fall of Vijayanagar, OUP, New Delhi (Reprinted 2002) .
0.5
2,012.129156
20231101.bn_2949_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95
কর্ণাটক
R. Narasimhacharya, History of Kannada Literature, 1988, Asian Educational Services, New Delhi, Madras, 1988, .
0.5
2,012.129156
20231101.bn_2949_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%95%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%95
কর্ণাটক
Malini Adiga (2006), The Making of Southern Karnataka: Society, Polity and Culture in the early medieval period, AD 400–1030, Orient Longman, Chennai,
0.5
2,012.129156
20231101.bn_2963_25
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1
উত্তরাখণ্ড
উত্তরাখণ্ডের জাতিগত বৈচিত্র্যের কারণে এই রাজ্যে হিন্দি, কুমায়ুনি, গাড়োয়ালি, জৌনসারি ও ভোটি ভাষায় সমৃদ্ধ সাহিত্যিক ঐতিহ্য গড়ে উঠেছে। এই রাজ্যের বিভিন্ন কিংবদন্তির উৎস এই রাজ্যের চারণকবিদের কাব্যগীতি। এগুলিকে এখন হিন্দু সাহিত্যের ধ্রুপদি রচনা গণ্য করা হয়। গঙ্গাপ্রসাদ বিমল, মনোহর শ্যাম যোশী, প্রসূন যোশী, শেখর যোশী, শৈলেশ মাতিয়ানি, শিবানী, সংগীত নাটক অকাদেমি পুরস্কার-প্রাপ্ত মোহন উপ্রেতি, বি. এম. শাহ, সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার-প্রাপ্ত মঙ্গলেশ দাবরাল ও জ্ঞানপীঠ পুরস্কার-প্রাপ্ত সুমিত্রানন্দন পন্ত এই রাজ্যের প্রধান সাহিত্যিক। বিশিষ্ট দার্শনিক ও পরিবেশকর্মী সুন্দরলাল বহুগুণা ও বন্দনা শিবা এই রাজ্যের বাসিন্দা।
0.5
1,993.913716
20231101.bn_2963_26
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1
উত্তরাখণ্ড
উত্তরাখণ্ডের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হল সংগীত। মঙ্গল, বাসন্তী, খুদেদ, ও ছোপাটি এখানকার জনপ্রিয় লোকসংগীত। এগুলি হাওয়া হয় ঢোল, ডমরু, তুরি, রণসিঙা, ঢোলক, দৌর, থালি, ভাঙ্কোরা, মণ্ডন ও নসকবাজার সঙ্গতে। "বেদু পাকো" এই রাজ্যের একটি জনপ্রিয় লোকগান। এটি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন এবং রাজ্যেও একটি কিংবদন্তি। এটি উত্তরাখণ্ডের অঘোষিত রাষ্ট্রীয় সংগীত। উত্তরাখণ্ডে সংগীতের মাধ্যমে দেবদেবীদের আবাহন করা হয়। জাগর নামক ভূতপূজার অনুষ্ঠানে ‘জাগরিয়া’ বা গায়ক মহাভারত ও রামায়ণের কাহিনি অবলম্বনে দেবতাদের কীর্তি গানের মাধ্যমে উপস্থাপনা করেন। এই রাজ্যের জনপ্রিয় লোকসংগীতশিল্পীরা হলেন নরেন্দ্র সিং নেগি ও মিনা রাণা।
0.5
1,993.913716
20231101.bn_2963_27
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1
উত্তরাখণ্ড
উত্তরাখণ্ড ভূখণ্ডের নৃত্যকলা এই অঞ্চলের জীবন ও মানব অস্তিত্বের বিভিন্ন আবেগের সঙ্গে যুক্ত। পুরুষদের লংবীর নৃত্য অনেকটি জিমন্যাস্টিক ভঙ্গিমাগুলির অনুরূপ। দেরাদুনের আরেকটি বিখ্যাত লোকনৃত্য হল বরদা নটী নৃত্য। এটি বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসবের সময় আয়োজিত হয়। অন্যান্য বিখ্যাত নৃত্যগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হুরকা বাউল, ঝোরা-চাঁচরি, ঝুমাইলা, চুপহুলা ও ছোলিয়া।
0.5
1,993.913716
20231101.bn_2963_28
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1
উত্তরাখণ্ড
উত্তরাখণ্ডের স্থানীয় শিল্পকলার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ হল কাঠখোদাই শিল্প। রাজ্যের বিভিন্ন মন্দির অলংকরণের কাজে এই শিল্প ব্যবহৃত হয়। কাঠের উপর ফুল, দেবদেবী ও জ্যামিতিক নকশা আঁকা হয়। গ্রামের ঘরবাড়িতে দরজা, জানলা, সিলিং ও দেওয়াল চিত্রণেও এই শিল্প ব্যবহার করা হয়। বাড়ি ও মন্দিরে সুন্দর ছবি ও ম্যুরাল ব্যবহৃত হয়। ১৭শ ও ১৮শ শতাব্দীতে এই অঞ্চলে পাহাড়ি চিত্রকলা নামে চিত্রকলার এক বিশেষ শৈলী উদ্ভাবিত হয়েছিল। কাংড়া চিত্রকলার গাড়োয়াল শাখার সূত্রপাত ঘটেছিল মোলা রাম কর্তৃক। গুলার রাজ্যে কাংড়া চিত্রকলার সূচনা ঘটেছিল। কুমায়ুনি শিল্প জ্যামিতিক আকারে। অন্যদিকে গাড়োয়ালি শিল্প প্রকৃতির অনুষঙ্গে সৃষ্ট। উত্তরাখণ্ডের অন্যান্য শিল্পের মধ্যে সোনার গয়না, গাড়োয়ালের ঝুড়ি শিল্প, উলের শাল, স্কার্ফ ও গালিচাশিল্প বিখ্যাত। শেষোক্ত শিল্পটি উত্তর উত্তরাখণ্ডের ভোটিয়াদের উৎপাদন।
0.5
1,993.913716
20231101.bn_2963_29
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1
উত্তরাখণ্ড
রুটি ও সবজি উত্তরাখণ্ডের মানুষের প্রধান খাদ্য। তবে আমিষ খাবারও চলে। উত্তরাখণ্ডের মানুষদের খাদ্যাভ্যাসের একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হল টম্যাটো, দুধ ও দুগ্ধজাত খাদ্যের বহুল ব্যবহার। দুর্গম এলাকায় ফাইবার-সমৃদ্ধ কাঁচা খাদ্যশস্যের প্রচলন বেশি। বাজরা (স্থানীয় নাম ‘মাদুয়া’ বা ‘ঝিঙ্গোরা’) হল এই অঞ্চলের অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যশস্য। কুমায়ুন ও গাড়োয়ালের ভিতরের দিকের এলাকায় এই শস্যের চল আছে। সাধারণত দেশি ঘি বা সরষের তেল দিয়ে রান্না হয়। ‘জাখিয়া’ নামে একধরনের মশলা ব্যবহার করে সাধারণ রান্নাকে সুস্বাদু করে তোলা হয়। বল মিঠাই এখানকার এক জনপ্রিয় মিষ্টি। অন্যান্য জনপ্রিয় খাবার হল দুবুক, চেইন, কাপ, চুটকানি, সেই ও গুলগুলা। ‘ঝোই’ বা ‘ঝোলি’ নামে কাধির একটি আঞ্চলিক রূপান্তরও এখানে জনপ্রিয়।
1
1,993.913716
20231101.bn_2963_30
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1
উত্তরাখণ্ড
হিন্দুধর্মের অন্যতম প্রধান মেলা কুম্ভমেলা উত্তরাখণ্ডে আয়োজিত হয়। ভারতের যে চারটি তীর্থে এই মেলা হয় এই রাজ্যের হরিদ্বার তার অন্যতম। ২০১০ সালের মকর সংক্রান্তি (১৪ জানুয়ারি, ২০১০) থেকে বৈশাখ পূর্ণিমা স্নান (২৮, এপ্রিল, ২০১০) পর্যন্ত সর্বশেষ পূর্ণকুম্ভের আয়োজন করা হয়েছিল। বিশ্বের বৃহত্তম এই ধর্মীয় মেলায় শতাধিক বিদেশি পর্যটক এসেছিলেন। বৈঠকি হোলি, খারি হোলি ও মহিলা হোলির আকারে কুমায়ুনি হোলি বসন্ত পঞ্চমীতে শুরু হয় এবং এক মাস ধরে উৎসব ও সংগীতানুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে আয়োজিত হয়। গঙ্গা দশহরা, বসন্তপঞ্চমী, মকর সংক্রান্তি, ঘি সংক্রান্তি, খাতারুয়া, সাবিত্রী ব্রত ও ফুল দেই এই রাজ্যের অন্যতম প্রধান উৎসব।কানোয়ার যাত্রা, কাণ্ডালি উৎসব, রাম্মান, হারেলা মেলা, কৌচণ্ডী মেলা, উত্তরায়ণী মেলা ও নন্দা দেবী রাজ জাট মেলা এই রাজ্যের প্রধান মেলা।
0.5
1,993.913716
20231101.bn_2963_31
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1
উত্তরাখণ্ড
উত্তরাখণ্ড ভারতের দ্বিতীয় দ্রুততম উন্নয়নশীল রাজ্য। ২০০৫ অর্থবর্ষে রাজ্যের মোট আভ্যন্তরিণ উৎপাদন (স্থির দামের ভিত্তিতে) ছিল ২৪,৭৮৬ কোটি টাকা। ২০১২ অর্থবর্ষে তা বেড়ে হয়েছে ৬০,৮৯৮ টাকা। ২০০৫-১২ অর্থবর্ষ পর্যায়ে মোট আভ্যন্তরিণ উৎপাদন বৃদ্ধির হার ১৩.৭%। ২০১২ অর্থবর্ষে কর্মক্ষেত্র থেকে মোট আভ্যন্তরিণ উৎপাদনে অবদান ৫০%-এরও বেশি। উত্তরাখণ্ডে মাথাপিছু আয় ১,০৩,০০০ টাকা (২০১৩ অর্থবর্ষ); যা জাতীয় গড় ৭৪,৯২০ টাকার (২০১৩ অর্থবর্ষ) থেকে অনেকটা বেশি। ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক অনুসারে, ২০০০ সালের এপ্রিল থেকে ২০০৯ সালের অগস্ট মাস পর্যন্ত এই রাজ্যে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৬.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
0.5
1,993.913716
20231101.bn_2963_32
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1
উত্তরাখণ্ড
ভারতের অধিকাংশ রাজ্যের মতো উত্তরাখণ্ডের অর্থনীতির সবচেয়ে গুরুপূর্ণ ক্ষেত্র হল কৃষি। বাসমতী চাল, গম, সয়াবিন, চীনাবাদাম, কাঁচা খাদ্যশস্য, ডাল ও তৈলবীজ এই রাজ্যের প্রধান কৃষিজ পণ্য। ফলের মধ্যে আপেল, কমলালেবু, পেয়ারা, পিচ, লিচু ও খেজুর এখানে প্রচুর পরিমাণে ফলে। ফল-প্রক্রিয়াকরণ শিল্পও রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প। এই রাজ্যে লিচু, হর্টিকালচার, লতাপাতা, ঔষধি গাছ ও বাসমতী চালের জন্য বিশেষ কৃষিক্ষেত্র স্থাপন করা হয়েছে। ২০১০ সালে রাজ্যে ৮৩১ হাজার টন গম ও ৬১০ হাজার টন চাল উৎপাদিত হয়। অন্যদিকে এই রাজ্যের প্রধান অর্থকরী ফলস আখের উৎপাদন পরিমাণ ছিল ৫০৫৮ হাজার টন। রাজ্যের ৯০% এলাকা পার্বত্য অঞ্চল। তাই হেক্টর প্রতি উৎপাদনের হার বেশি হয়। রাজ্যের কৃষিক্ষেত্রের ৮৬% সমতল অঞ্চলে। অবশিষ্টাংশ পার্বত্য অঞ্চলে অবস্থিত।
0.5
1,993.913716
20231101.bn_2963_33
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%96%E0%A6%A3%E0%A7%8D%E0%A6%A1
উত্তরাখণ্ড
Husain, Z. (1995). Uttarakhand movement: the politics of identity and frustration, a psycho-analytical study of the separate state movement, 1815–1995. Bareilly: Prakash Book Depot.
0.5
1,993.913716
20231101.bn_754087_37
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BF
স্বাস্থ্যবিধি
অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়ালসমূহ হল ঐ সব পণ্য যেগুলো ব্যাক্টেরিয়া প্রতিরোধ করে। কিছু কিছু পণ্যের গায়ে "অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়াল" লেখা থাকলেও এগুলো আসলে  ব্যাক্টেরিয়ার বংশবৃদ্ধি রোধ করতে পারে ব্যাক্টেরিয়া চিরতরে ধ্বংস করতে পারে না। তাই পণ্যের গায়ে লেখা দেখে নেওয়া উচিত "kills" bacteria। আ্যান্টিব্যক্টেরিয়ালসমূহ সাধারণত ছত্রাক বা ভাইরাস ধ্বংসকারী হয় না; যদি না এর গায়ে এগুলো লেখা থকে।
0.5
1,985.301864
20231101.bn_754087_38
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BF
স্বাস্থ্যবিধি
স্যানিটাইজার বলা হয় ঐসব পদার্থকে যেগুলো পরিষ্কারক ও ইনফেকশন-নিরোধক হিসেবে কাজ করে। সাম্প্রতিককালে এই শব্দটি সাধারণত অ্যালকোহলজাত পণ্যের ক্ষেত্রে বেশি ব্যবহার হচ্ছে যেগুলো হাতের ইনফেকশন রোধে ব্যবহৃত হয় (অ্যালকোহল হ্যান্ড স্যানিটাইজার)। তবে এইসব স্যানিটাইজার মাটি মাখা হাতের জীবাণু নাশে কার্যকর নয়।
0.5
1,985.301864
20231101.bn_754087_39
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BF
স্বাস্থ্যবিধি
বায়োসাইড শব্দটি উল্লিখিত শব্দগুলোর তুলনায় অনেক ব্যাপক। যেসব পদার্থ অণুজীব বিনাশ করে, দুর্বল করে দেয় অথবা বংশবিস্তার রোধ করে সেগুলোকেই বায়োসাইড বলে। এর মধ্যে  ইনফেকশন-নিরোধক, অ্যান্টিস্যাপ্টিকসমূহ(যেগুলো অ্যান্টিব্যাক্টেরিয়ালের তুলনায় কম সক্রিয়) এবং সারের কীটনাশকও অন্তর্ভুক্ত যেহেতু এগুলো অণুবীক্ষণিক জীবদের সাথে লড়াই করে।
0.5
1,985.301864
20231101.bn_754087_40
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BF
স্বাস্থ্যবিধি
উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সংক্রামক রোগ-ব্যধি প্রতিরোধে বৈশ্বিকভাবে বিশুদ্ধ পানি ও উন্নত স্যনিট্যাশনের সহজলভ্যতাকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। জনগণের মাঝে স্বাস্থ্যসচেনতামূলক কার্যক্রম এ ব্যাপারে বেশি ফলপ্রসূ। মানুষ সচেতন হলে নিরাপদ পানি ও উন্নত স্যনিটেশনের ব্যবস্থা করা জটিল কিছু নয়। তাই গণসচেনতামূলক কার্যক্রমকে স্থায়ী উন্নয়ন লক্ষ্য এর ৬ নম্বর পয়েন্টে সংযুক্ত করা হয়েছে যার দ্বিতীয় লক্ষ্যে হচ্ছে, '২০৩০ সালের মধ্যে সবার জন্য পর্যাপ্ত এবং যথাযথ স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা এবং খোলা স্থানে মল-মূত্রত্যাগ বন্ধ করা। বিশেষত প্রাপ্ত নারী ও কমবয়েসী মেয়ে এবং আশংকাজনক ব্যক্তিদের প্রয়োজনের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করা।' নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন এবং স্বাস্থ্যবিধির মাঝে খুবই অন্তর্নিহিত সম্পর্ক বিদ্যমান থাকায়  স্বাস্থ্যসেবাদাতা(সরকারি বা বেসরকারি) প্রতিষ্ঠানগুলোতে  এগুলোকে একত্রে সংক্ষেপে 'WaSH'বলা হয় (water, sanitation, hygen)।
0.5
1,985.301864
20231101.bn_754087_41
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BF
স্বাস্থ্যবিধি
প্রতিবছর ডায়রিয়া রোগে প্রায় ২মিলিয়ন(২০ লাখ) মানুষ মারা যায়। এদরে মধ্যে বেশিরভাগই ৫ বছরের নিচের শিশু। উন্নয়নশীল দেশগুলোকে বেশি আক্রান্ত হয় দুস্থ, মফস্বলে অবস্থিত কিংবা গ্রামীণ পরিবারগুলো। এইসব পরিবারগুলোতে রোগ-ব্যাধির নির্মূল করতে পর্যাপ্ত পানি সরবরাহ করা, উন্নত স্যনিটারি পায়খানার ব্যবস্থা করে দেয়া এবং সুস্বাস্থ্যবিধির নিয়মাবলি শিক্ষা দান প্রয়োজন।
1
1,985.301864
20231101.bn_754087_42
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BF
স্বাস্থ্যবিধি
গবেষণা বলছে, সাবান দিয়ে হাত ধোওয়ার প্রচলন যদি ব্যাপকভাবে করা যায় তাহলে ডায়রিয়ায় মৃত্যুর হার শতকরা ৫০ভাগ এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের রোগ প্রায় ২৫ ভাগ কমানো সম্ভব।  সাবান দিয়ে হাত ধুলে ত্বকের ইনফেকশন, চোখে কৃমির সংক্রমণও প্রতিরোধ করা যায়।
0.5
1,985.301864
20231101.bn_754087_43
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BF
স্বাস্থ্যবিধি
অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধির অনুশীলন যেমন, নির্দিষ্ট ময়লা ফেলার স্থানে ময়লা ফেলা, মেঝে বা দেয়াল পরিষ্কার রাখা, গৃহপালিত পশুর যত্ন নেয়া ইত্যাদি স্বল্পআয়ের পরিবারগুলোতে রোগসংক্রমণ ও পরিবারে একজন থেকে রোগ-শোক অন্যজনের শরীরে বিস্তারের ধারা প্রতিরোধে অত্যন্ত কার্যকর পদক্ষেপ।
0.5
1,985.301864
20231101.bn_754087_44
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BF
স্বাস্থ্যবিধি
টয়লেট পরিষ্কার রাখা, হাত ধোওয়ার ব্যবস্থা রাখালে দুর্গন্ধ প্রতিরোধ করা যায় এবং সমাজেও একে ভাল চোখে দেখে। যেসব অঞ্চলে এখনও খোলা জায়গায় পেশাব-পায়খানা করার প্রথা আছে (উন্নয়নশীল দেশগুলোর কিছু গ্রামেও এমন অবস্থা বিরাজমান) পেশাব-পায়খানার জন্য টয়লেট ব্যবহার ও ভাল করে হাত ধোওয়ার জন্য মানুষকে সামাজিকভাবে অনুপ্রাণিত করা যায়। সামাজিকভাবে গ্রহণযোগ্যতা সমাজের মানুষদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার।
0.5
1,985.301864
20231101.bn_754087_45
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A5%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%A7%E0%A6%BF
স্বাস্থ্যবিধি
ঘর-বাড়িতে পানি বিশুদ্ধকরণ এবং নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণের মাধ্যমে নিরাপদ পানি পান নিশ্চিত করা যায়। নিরাপদ পানি পানের নিশ্চয়তা দেয়া এখন উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতেও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি ইউরোপেও ধারণা করা হয়, ১২০ মিলিয়নের মত মানুষ নিরাপদ পানি পান করতে পারছে না। পানির বিশুদ্ধতা ধরে রাখতে পারলেই ডাইরিয়ার মত রোগ-ব্যাধী প্রতিরোধ করা সম্ভব। তাছাড়া জরুরি অবস্থার জন্যও নিরাপদ পানি সংরক্ষণ করে রাখা প্রয়োজন। ঘরে ধরে রাখা বিশুদ্ধ পানিও দূষিত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে(যেমন, ময়লা হাতের সংস্পর্শে কিংবা পুরাতন পাত্র তথা কলস, মটকা ইত্যাদি ব্যবহারে)। বিধায় নিরাপদ পানি সংরক্ষণের পাত্র বা স্থানও গুরুত্বপূর্ণ।
0.5
1,985.301864
20231101.bn_317619_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE
বীমা
১ একই ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে এমন অনেক উপাদানের অস্তিত্বঃ যেহেতু একটি বীমা কোম্পানি ক্ষয়ক্ষতির ক্ষতিপূরণ দিয়ে থাকে তাই বাস্তবে সেই ধরনের ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে এমন উপাদান প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান থাকতে হবে। যেমনঃ 'লয়েডস অফ লন্ডন' জনপ্রিয় শিল্পী এবং খেলোয়াড়দের জীবন এবং তাদের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের বীমা করানোর জন্য বিখ্যাত। এখানে লয়েডস অফ লন্ডন যেসব উপাদানের বীমা করায় সেগুলো বাস্তব জীবনে প্রচুর পরিমাণে বিদ্যমান এবং এই উপাদানগুলো একই ধরনের না হলেও এগুলোকে একই শ্রেণিতে ফেলা যায়।
0.5
1,985.297095
20231101.bn_317619_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE
বীমা
২ নির্দিষ্ট ক্ষয়ক্ষতিঃ বোঝাতে বীমা কোম্পানি শুধুমাত্র একটি বা একাধিক নির্দিষ্ট ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ থাকবে। যেমনঃ একটি গাড়ির যদি শুধু অগ্নি বীমা করা থাকে তাহলে বীমা কোম্পানি গাড়িটি হারিয়ে গেলে কোনো ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য থাকবে না।
0.5
1,985.297095
20231101.bn_317619_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE
বীমা
৩ দূর্ঘটনাজনিত ক্ষতিঃ অর্থাৎ যে পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হবে তা অবশ্যই নিয়ন্ত্রনের বাইরে থাকবে। যদি গাফিলতির কারণে কোনো ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হয় তাহলে এর ক্ষতিপূরণ নাও পাওয়া যেতে পারে।
0.5
1,985.297095
20231101.bn_317619_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE
বীমা
৫ প্রিমিয়াম অবশ্যই সাশ্রয়ী হতে হবেঃ সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ যতই ব্যাপক হোক না কেনো, বীমা প্রিমিয়াম অবশ্যই বীমা গ্রহণকারীর নাগালের মধ্যে থাকতে হবে।
0.5
1,985.297095
20231101.bn_317619_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE
বীমা
৬ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অবশ্যই পরিমানযোগ্য হতে হবেঃ যেহেতু সবধরনের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া যায় না এবং বীমা কোম্পানি শুধুমাত্র টাকার অঙ্কে ক্ষতিপূরণ দিতে পারে তাই সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি টাকার অঙ্কে পরিমাপ করতে হবে।
1
1,985.297095
20231101.bn_317619_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE
বীমা
৭ প্রাকৃতিক মহাদূর্যোগের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের পরিমাণ সীমিত হবেঃ যেমনঃ বন্যা বা ভূমিকম্পের ফলে যে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়, বীমা কোম্পানিগুলো এই পরিমাণ ক্ষতিপূরণ দেওয়া থেকে বিরত থাকে কারণ এত ব্যাপক পরিমাণ ক্ষতিপূরণ কোনো একক বীমা কোম্পানির পক্ষে দেওয়া সম্ভব হয় না।
0.5
1,985.297095
20231101.bn_317619_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE
বীমা
জীবন বীমা হল মানুষের মৃত্যুজনিত ঝুঁকি, ক্ষতি, বিপদ হস্তান্তরে বা এড়ানোর একটি কৌশল। বীমাগ্রহীতার মৃত্যু অথবা বার্ধক্য অবস্থায় বীমাগ্রহীতা অথবা তার পরিবার পরিজনদের আর্থিক ক্ষতি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আধুনিক যুগে জীবন বীমা একটি কার্যকর মাধ্যমে হিসেবে কাজ করে।
0.5
1,985.297095
20231101.bn_317619_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE
বীমা
বীমাগ্রহীতার নির্দিষ্ট হারে প্রিমিয়াম পরিশোধের বিনিময়ে বীমাকারী প্রতিষ্ঠান বা বীমা কোম্পানীর বা মেয়াদ শেষে একটি নির্দিষ্ট সময় পরে অথবা তার মৃত্যুর পর পূর্ব নির্ধারিত পরিমান অর্থ পরিশোধের যে প্রতিশ্রুতি দেয় এ চুক্তিগত ব্যবস্থাকে জীবন বীমা বলা হয়। সুতরাং জীবন বীমা হলো বীমাগ্রহীতা এবং বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সম্পাদিত একটি আধুনিক চুক্তি যাতে সুনির্দিষ্ট প্রিমিয়াম পরিশোধের প্রতিদান হিসেবে বীমাকারী প্রতিষ্ঠান বীমাগ্রহীতাকে অথবা তার উত্তরাধিকারীদের বা তার মনোনীত ব্যক্তিকে তার মৃত্যুর পর অথবা একটি নির্দিষ্ট মেয়াদ শেষে নির্ধারিত পরিমাণ অর্থ পরিশোধের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে।
0.5
1,985.297095
20231101.bn_317619_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A7%80%E0%A6%AE%E0%A6%BE
বীমা
নৌপথে পরিচালিত জাহাজ, জাহাজের পণ্য বা মাশুল বীমাপত্র নির্দিষ্ট বিপদ দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বীমাকারী ক্ষতিপূরণের নিশ্চয়তা দিয়ে যে চুক্তি সম্পাদন করে তাকে নৌ বীমা বা সামুদ্রিক বীমা বলে।
0.5
1,985.297095
20231101.bn_325506_43
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F
হ্যামলেট
নাটকের বেশিরভাগ প্রোটেস্ট্যান্ট সুরগুলি ডেনমার্কীয় কাঠামো থেকে উদ্ভূত হয়েছে - যা তৎকালে এবং এখনও প্রধানত একটি প্রোটেস্ট্যান্ট দেশ। যদিও নাটকের কাল্পনিক ডেনমার্ক এই অন্তর্নিহিত সত্যকে চিত্রিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট নয়। সংলাপগুলো জার্মান শহর উইটেনবার্গের প্রতিই দৃষ্টি আকর্ষণ করে যেখানে হ্যামলেট, হোরেশিও, রোজেনক্র্যান্টজ এবং গিল্ডেনস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। এখানেই প্রোটেস্ট্যান্ট সংস্কারক মার্টিন লুথার ১৫১৭ সালে 'নাইন্টি-ফাইভ থিসিস উপস্থাপন করে গির্জাতন্ত্রের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছিলেন।
0.5
1,983.549062
20231101.bn_325506_44
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F
হ্যামলেট
হ্যামলেটকে প্রায়শই একটি দার্শনিক চরিত্র হিসাবে বিবেচনা করা হয়, আপেক্ষিকতাবাদী, অস্তিত্ববাদী এবং সংশয়বাদী। উদাহরণস্বরূপ, তিনি রোজেনক্র্যান্টজকে যখন বলেন: "ভাল বা খারাপ বলে কিছু নেই, চিন্তাভাবনার ধরনই একে তৈরি করে', তখন এর মধ্য দিয়ে তিনি অধ্যাত্মবাদী ধারণার প্রকাশ ঘটান। আসলে বাস্তব বলে কিছু নেই, যা আছে তা মূলত ব্যক্তির মানসিক, এই ধারনাটি গ্রীক সোফিস্ট উৎস থেকে এসেছে যার মূল হল, যেহেতু ইন্দ্রিয়ের মাধ্যম ছাড়া কোন কিছুই অনুধাবন করা যায় না - এবং যেহেতু সমস্ত ব্যক্তি উপলব্ধি করে, এবং বিষয়গুলি পৃথক পৃথকভাবে উপলব্ধি করে - তাই পরম সত্য বলে কিছু নেই, যা আছে তা হল আপেক্ষিক সত্য। অস্তিত্ববাদের সুস্পষ্ট কথিত উদাহরণটি হ'ল "হবে নাকি হবে না", যেখানে অনেকে মনে করেন হ্যামলেট জীবন ও কর্মের প্রকাশে "হওয়া" এবং মৃত্যু ও নিষ্ক্রিয়তার প্রকাশে 'না হওয়া" শব্দটি ব্যবহার করেছেন।
0.5
1,983.549062
20231101.bn_325506_45
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F
হ্যামলেট
হ্যামলেট ফরাসি রেনেসাঁর মানবতাবাদী মিশেল ডি মন্টেইন দ্বারা প্রচারিত সমসাময়িক সংশয়বাদকে প্রতিফলিত করে। মন্টেইনের পূর্বে, পিকো দেলা মিরান্ডোলার মতো মানবতাবাদীরা যুক্তি দিয়েছিলেন যে, মানুষ ঈশ্বরের সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ সৃষ্টি এবং সে তার নিজস্ব প্রকৃতি বেছে নিতে সক্ষম। তবে এই দৃষ্টিভঙ্গিকে পরবর্তীকালে মন্টেইনের এসেইস'' এ ১৫৮০ সালে চ্যালেঞ্জ জানানো হয়েছিল। হ্যামলেটের "মানুষ কত অদ্ভুত" উক্তিটি মন্টেইনের ধারণাকেই প্রতিধ্বনিত করে বলে মনে হয়। এখন শেকসপিয়ার সরাসরি মন্টেইন থেকে নিয়েছিলেন কিনা নাকি উভয় ব্যক্তিই সময়ের চেতনার সাথে একইভাবে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছিলেন তা নিয়ে পন্ডিতদের মধ্যে বিবিধ আলোচনা হয়েছে।
0.5
1,983.549062
20231101.bn_325506_46
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F
হ্যামলেট
হ্যামলেট সম্পর্কিত সিগমুন্ড ফ্রয়েডের চিন্তা ভাবনা প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল তাঁর 'ইন্টারপ্রিটেশন অফ ড্রিমস (১৮৯৯) গ্রন্থে, 'সফোক্লিস' ট্র্যাজেডির ইডিপাস রেক্সের পাদটীকা হিসাবে। এগুলি সবই নিউরোসিসের কারণ সম্পর্কে তাঁর বিবেচনার অংশ। ফ্রয়েড নাটকগুলির সম্পূর্ণ ব্যাখ্যা প্রদান করেন নি, তবে দুটি ট্র্যাজেডিকে তাঁর মনস্তাত্ত্বিক তত্ত্বগুলোর চিত্রায়ন ও সমর্থন তৈরি করতে ব্যবহার করেন, যা তার রোগীদের চিকিত্সার উপর নির্ভর করে এবং তার গবেষণার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। হ্যামলেটের প্রযোজনাগুলো ফ্রয়েডের ধারণাগুলোকে তাদের নিজস্ব ব্যাখ্যার সমর্থনে ব্যবহার করেছে। ইন্টারপ্রিটেশন অফ ড্রিমস ' গ্রন্থে ফ্রয়েড বলেন, তাঁর অভিজ্ঞতা অনুসারে "পিতামাতাই সব মানুষের শিশুতোষ মনস্তত্ত্ব গঠনে ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যারা পরবর্তীকালে সাইকোনিউরোটিক হয়ে ওঠে" এবং "একজন অভিভাবকের প্রতি বেশি দুর্বল হয়ে পড়া এবং অপরকে অপছন্দ করা" এটি একটি সাধারণ প্রবণতা শৈশবকালে এবং এটিই "পরবর্তী স্নায়ুতন্ত্রের" গুরুত্বপূর্ণ উৎস উপাদান হয়ে দাঁড়ায়। ফ্রয়েডের বিবেচনায়, সফোক্লিসের ট্র্যাজেডি, ইডিপাস রেক্সে পিতৃহত্যা ও অজাচারের যে গল্পটি রয়েছে তা আমাদের কিংবদন্তি বিষয় দিয়ে সমৃদ্ধ করেছে এবং যা এই ধারণাকেও সুদৃঢ় করছে যে "পুরোনো কিংবদন্তির গভীর এবং সর্বজনীন বৈধতা" "শিশুতোষ মনোবিজ্ঞান" এর এই তত্ত্বগুলির বৈধতা অনুধাবনের মধ্য দিয়েই শুধুমাত্র বোধগম্য হওয়া সম্ভব। ফ্রয়েডের মনস্তাত্ত্বিক যে তত্ত্বগুলোকে তিনি ইডিপাস কমপ্লেক্স হিসেবে নামকরণ করেন সেগুলোকে এক পর্যায়ে 'হ্যামলেট কমপ্লেক্স' হিসেবেও বিবেচনা করতে শুরু করেন। তাঁর মতে, হ্যামলেট আর ইডিপাস দুজনের মনজাগতিক সূত্র একই কিন্তু প্রকাশ ভিন্ন রকম। একই বিষয়কে সামলে নিতে সময় ও সভ্যতার পরিবর্তনে মানুষের আবেগ দমনের প্রক্রিয়াটি সুস্পষ্ট দেখা যায় দুটো নাটকেই। ইডিপাসে অজাচার এবং হত্যা দুটোই স্বপ্ন থেকে বাস্তবে রূপ নিয়েছিল কিন্তু হ্যামলেট এ সে ধরনের তাড়না দমিতই থেকে গেছে অথচ ভিন্ন ধরনের প্রেক্ষাপটে হ্যামলেটকে যথেষ্ট আগ্রাসী আচরণেও দেখা গিয়েছে।
0.5
1,983.549062
20231101.bn_325506_47
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F
হ্যামলেট
ফ্রয়েড বলছেন, হ্যামলেট চরিত্রটি এমন একটি অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যায় যেখানে তার তিনটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা তাঁর মতে: ১) "নায়ক মানসিক বিকারগ্রস্ত নন, তবে নাটকের প্রবাহে তিনি তা হয়ে ওঠেন"। ২) "দমনকৃত বাসনা এমন একটি বিষয় যা আমাদের সবার মধ্যেই দমিত থাকে"। এই দমন "আমাদের স্বতন্ত্র বিকাশের প্রাথমিক পর্যায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত"। হ্যামলেটের চরিত্রতে শ্রোতারা একে সনাক্ত করেন, কারণ "আমরাও একই বিরোধের শিকার।" ৩) আর থিয়েটারে সাধারণত দমনকৃত আবেগের সংগ্রাম আবেগতাড়িত মঞ্চের নায়ক আর দর্শক উভয়ের মধ্যেই সচেতনভাবে উপস্থিত হয় যেমনটি "মনোবিশ্লেষণমূলক চিকিত্সায় দেখা যায়"।
1
1,983.549062
20231101.bn_325506_48
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F
হ্যামলেট
ফ্রয়েড উল্লেখ করেছেন যে, হ্যামলেট একটি ব্যতিক্রম, কেননা সাইকোপ্যাথিক বা মানসিক বিকারগ্রস্ত চরিত্রগুলো সাধারণত মঞ্চ নাটকের ক্ষেত্রে অকার্যকর থাকে; যদি না শ্রোতা চরিত্রের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের সাথে পরিচিত থাকেন তারা "জীবনের জন্য যেমন মঞ্চের জন্যও ততটাই অকেজো হয়ে যায়", কারণ তারা অন্তর্দৃষ্টি বা সহানুভূতিকে অনুপ্রাণিত করে না। ফ্রয়েড বলছেন, "আর নাট্যকারের কাজ হল আমাদেরকেও একই মানসিক অস্বাভাবিকতায় নিয়ে যাওয়া ।"
0.5
1,983.549062
20231101.bn_325506_49
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F
হ্যামলেট
টমাস হপকিনস পরিচালিত নিউ ইয়র্কে জন ব্যারিমোরের দীর্ঘকালীন ১৯২২ সালের অভিনয় ভিক্টোরিয়ানের বিরুদ্ধে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী বিদ্রোহকে সামনে রেখে "চরিত্রের প্রতি ফ্রয়েডিয়ান দৃষ্টিভঙ্গীর নতুন ভিত তৈরি করেছিল"। উনিশ শতকের প্রথাগত ভদ্র, মিষ্টি রাজপুত্রকে উপস্থাপন করার চেয়ে তাঁর "অস্পষ্ট অভিপ্রায়" ছিল, চরিত্রকে পৌরুষদীপ্ত এবং লালসামগ্ন করে তোলা।
0.5
1,983.549062
20231101.bn_325506_50
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F
হ্যামলেট
হ্যামলেটের ওপর ব্লুম'স শেক্সপিয়র থ্রু দ্য এইজেস ভলিউমটিতে, সম্পাদক ব্লুম এবং ফস্টার দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে ব্যক্ত করেছেন যে, সমস্ত ট্র্যাজেডি জুড়ে নাটকটিতে হ্যামলেটের চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলার ক্ষেত্রে শেক্সপিয়ারের উদ্দেশ্য হ্যামলেটে চিত্রিত বৈশিষ্ট্যের পরিধিকে সম্পূর্ণভাবে পরিবেষ্টনের জন্য ফ্রয়েডের ওডিপাস কমপ্লেক্সের ক্ষমতাকেও ছাড়িয়ে গেছে।
0.5
1,983.549062
20231101.bn_325506_51
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%B2%E0%A7%87%E0%A6%9F
হ্যামলেট
জোশুয়া রথম্যান দ্য নিউইয়র্কার ম্যাগাজিনে লিখেছেন যে " আমরা যখন বলি যে ফ্রয়েড হ্যামলেটকে বুঝতে ওডিপাস কমপ্লেক্সের ধারণাটি ব্যবহার করেছিলেন তখন আমরা ভুল বলি"। বিষয়টি আসলে অন্যভাবে হয়েছিল: হ্যামলেট ফ্রয়েডকে মনোবিশ্লেষণ বুঝতে এবং সম্ভবত আবিষ্কার করার ক্ষেত্রে সহায়তা করেছিল"। রথম্যান উপসংহারে বলেছিলেন, "ওডিপাস কমপ্লেক্স একটি অসম্পূর্ণ নাম। বরঞ্চ এটিকে 'হ্যামলেট কমপ্লেক্স' বলা উচিত।
0.5
1,983.549062
20231101.bn_375922_16
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B0
গাজর
১০. হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় দ্বারা পরিচালিত সম্প্রতি এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা সপ্তাহে ছয়টির বেশি গাজর খান বা খাচ্ছেন তাদের স্ট্রোকের ঝুঁকি যারা এর থেকে কম পরিমানে কম বা একটি গাজর খাচ্ছেন তাদের তুলনায় অনেক কম হয়। তাই স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে হলে এখনি নিজের খাবারের তালিকায় যুক্ত করুন গাজর। সালাদ হিসেবেও খেতে পারেন বা তরকারিতেও দিতে পারেন।
0.5
1,982.237032
20231101.bn_375922_17
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B0
গাজর
গাজরে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে বিটা ক্যারোটিন। এই বিটা ক্যারোটিন শিশু থেকে বৃদ্ধ সবার চোখের পুষ্টি জোগায়, চোখের স্নায়ুকে করে শক্তিশালী। গবেষণায় দেখা গেছে, যারা নিয়মিত কচি গাজর খায়, তাদের চোখের অসুখ হয় তুলনা মূলক কম। ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বাড়াতে গাজরের গুরুত্ব অনেক।
0.5
1,982.237032
20231101.bn_375922_18
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B0
গাজর
নতুন দাঁত বের হয়েছে বা সবজি দিয়ে খিচুড়ি খেতে পারে, এমন শিশুদের জন্য গাজর দিয়ে তৈরি খিচুড়ি যথেষ্ট উপকারী। গাজর খেলে দাঁতের মাড়ির দুর্বলতা কমে, খাবার হজম হয় ভালোভাবে। কারণ, এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশজাতীয় উপাদান। এই উপাদান কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
0.5
1,982.237032
20231101.bn_375922_19
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B0
গাজর
মায়ের দুধের পরিবর্তে কৌটার দুধ খায়, এমন শিশুদের কোষ্ঠকাঠিন্য হয় বেশি। এই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দেবে গাজরের খিচুড়ি। শিশু গাজরের খিচুড়ি না খেলে দিতে পারেন গাজরের হালুয়া। গাজরের হালুয়া শিশুদের বুদ্ধি বিকাশে সাহায্য করে। কারণ, চিনি থাকে হালুয়ায়। চিনি মানে গ্লুকোজ, যা মস্তিষ্কের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।
0.5
1,982.237032
20231101.bn_375922_20
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B0
গাজর
গাজরের রস দেহে চর্বির মাত্রা কমায়। তাই ওজন কমাতে চান এমন ব্যক্তিরা কচি গাজর, কাঁচা পেপে, কচি বাঁধাকপির টুকরা খেতে পারেন ভাত, আলু, রুটির পরিবর্তে। গাজর রক্তের প্রধান উপাদান আরবিসিকে দীর্ঘজীবী করে। এতে রক্তে বেড়ে যায় হিমোগ্লোবিনের মাত্রা। রক্ত বাড়াতে হলে তাই প্রতিদিন অন্তত একটি কচি গাজর খান।
1
1,982.237032
20231101.bn_375922_21
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B0
গাজর
শরীরের যেসব কোলেস্টেরল রক্তের মধ্যে মিশে রক্তে জমাট বেঁধে যায়, হূৎপিণ্ড থেকে রক্ত সারা শরীরে পৌঁছাতে বাধা তৈরি করে, সেসব কোলেস্টেরলের পরিমাণ কমায় গাজর। আর কিছু কোলেস্টেরল বা চর্বি রয়েছে, যা ত্বকে কোলেস্টেরলের বা লাইপোপ্রোটিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
0.5
1,982.237032
20231101.bn_375922_22
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B0
গাজর
যেকোনো বড় অস্ত্রোপচারের পর রক্তের ঘাটতি হয়। এই ঘাটতি পূরণ করবে গাজর। মানুষের মেধাশক্তি বাড়ানোর জন্য কাজ করে গাজর। মস্তিষ্কের স্নায়ুগুলোকে করে দ্বিগুণ কর্মক্ষম। তাই গাজর হোক আপনার বন্ধু।
0.5
1,982.237032
20231101.bn_375922_23
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B0
গাজর
ন্যাচারাল অ্যান্টি অক্সিডেন্টের পরিমাণ গাজরে অনেক বেশি, যা তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। এতে খনিজ লবণও রয়েছে পর্যাপ্ত হারে, যা মানুষের হাড়, দাঁত, নখ, চুলের জন্য বয়ে আনে সুফল। শর্করা বা কার্বোহাইড্রেটও এর উপাদান। তাই গাজর বেশি মিষ্টি হলে কিডনি রোগে আক্রান্ত, অতিরিক্ত মোটা ব্যক্তি ও ডায়াবেটিসের রোগীরা গাজর খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিন। মাটির নিচে জন্মানোর জন্য এতে শর্করার পরিমাণ থাকে বেশি, ডায়াবেটিসের রোগীরা গাজরের পরিমাণ কমিয়ে সালাদে বাড়িয়ে দিন শসার পরিমাণ।
0.5
1,982.237032
20231101.bn_375922_24
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%B0
গাজর
গাজর অত্যন্ত পুষ্টিকর, সুস্বাদু এবং খাদ্যআঁশসমৃদ্ধ শীতকালীন সবজি, যা প্রায় সারা বছরই পাওয়া যায়। তরকারি ও সালাদ হিসেবে গাজর খাওয়া যায়। এ ছাড়া গাজর দিয়ে অনেক সুস্বাদু খাবার তৈরি করা যায়। তবে রান্না করে খাওয়ার চেয়ে গাজর কাঁচা খাওয়া বেশি ভালো। কারণ এতে পুষ্টির অপচয় কম হয়।
0.5
1,982.237032
20231101.bn_84028_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF
তিমি
তিমিরা পরষ্পরের সাথে এক ধরনের সুরেলা শব্দ করে যোগাযোগ করে, যা তিমির গান নামে পরিচিত। তিমির বিশালতা ও শক্তিমত্ততার মতোই এদের গানও অনেক জোরালো (প্রজাতিভেদে); স্পার্ম তিমির গান মৃদু গুঞ্জনের মতো শোনায়, আবার সব শিকারী দাঁতযুক্ত তিমি (অডোন্টোসেটি) শব্দযোগাযোগ ব্যবহার করে, যা বহু মাইল দূর থেকেও শুনতে পাওয়া যায়। জানা গেছে তিমি ১৬৩ ডেসিবেল শব্দ তীব্রতায় ২০,০০০ একুস্টিক ওয়াটে শব্দ তৈরি করে।
0.5
1,972.869013
20231101.bn_84028_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF
তিমি
স্ত্রী তিমি একটি করে বাচ্চার জন্ম দেয়। এর লালন-পালন করার সময়টি বেশ দীর্ঘ (অধিকাংশ প্রজাতিতেই এক বছরের বেশি), এ সময়টিতে মা ও শিশু তিমির মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধন গড়ে ওঠে। বেশিরভাগ তিমির প্রজনন উপযোগী হবার বয়স মোটামুটি দীর্ঘ, সাধারণত সাত থেকে দশ বছর। এমন প্রজনন ধারায় খুব অল্প সংখ্যক বংশধরই তৈরি হয়, তবে তাদের টিকে থাকার সম্ভাবনাও বেশি হয়।
0.5
1,972.869013
20231101.bn_84028_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF
তিমি
তিমি সাধারণত প্রজননের সময় সুনির্দিষ্ট সঙ্গী বাছাই করে না: অনেক প্রজাতিতেই প্রতি মৌসুমে একটি স্ত্রী তিমির একাধিক সঙ্গী থাকে। জন্মের সময় নবজাতকেরা লেজ-প্রথম অবস্থায় ভূমিষ্ঠ হয়, যার ফলে এর ডুবে যাবার ঝুঁকি কম হয়। জলজ পরিবেশে মা তিমি তার শিশুকে পেস্টের মত দলা পাকানো দুধ পান করায়। এই দুধে প্রায় ৫০ শতাংশ ফ্যাট থাকে এবং শিশু তিমি প্রায় ৬ মাস বয়স পর্যন্ত এই দুধ পান করে।
0.5
1,972.869013
20231101.bn_84028_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF
তিমি
তিমি হাঙরের বৃদ্ধি, দীর্ঘায়ু এবং প্রজনন খুব কম বোঝা যায়। কশেরুকার বৃদ্ধির ব্যান্ড বার্ষিক বা দ্বিবার্ষিকভাবে গঠিত হয় কিনা তা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল, যা তিমি হাঙরের বয়স, বৃদ্ধি এবং দীর্ঘায়ু নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ। ২০২০ সালের একটি গবেষণায় ১৯৫০-৬০ এর দশকে তিমি হাঙ্গরের কশেরুকার গ্রোথ ব্যান্ডে পাওয়া কার্বন-14 আইসোটোপের অনুপাতের সাথে পারমাণবিক পরীক্ষার ইভেন্টের তুলনা করা হয়েছে, তারা দেখেছে যে বৃদ্ধির ব্যান্ডগুলি বার্ষিকভাবে স্থাপন করা হয়। গবেষণায় ১০ মিটার (৩৩ ফুট) মহিলার জন্য ৫০ বছর এবং ৯.৯ মিটার পুরুষের জন্য ৩৫ বছর বয়স পাওয়া গেছে। মেরুদণ্ডের বৃদ্ধির ব্যান্ড এবং বন্য তিমি হাঙ্গর পরিমাপের বিভিন্ন গবেষণায় তাদের জীবনকাল ~৮০ বছর এবং ~১৩০ বছর পর্যন্ত অনুমান করা হয়েছে।
0.5
1,972.869013
20231101.bn_84028_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF
তিমি
প্রমাণ দেখায় যে জীবনের প্রাথমিক পর্যায়ে পুরুষরা মহিলাদের তুলনায় দ্রুত বৃদ্ধি পায় কিন্তু শেষ পর্যন্ত ছোট আকারে পৌঁছায়। তিমি হাঙ্গর দেরিতে যৌন পরিপক্কতা প্রদর্শন করে। মুক্ত-সাঁতার কাটা তিমি হাঙরের দিকে তাকিয়ে থাকা একটি গবেষণায় পুরুষদের পরিপক্কতার বয়স অনুমান করা হয়েছে ~২৫ বছর।
1
1,972.869013
20231101.bn_84028_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF
তিমি
তিমি হাঙ্গরের ছানা দেখা যায়নি, তবে সেন্ট হেলেনায় দুবার মিলন দেখা গেছে। ২০১৯ সালে অস্ট্রেলিয়ায় বিমানের মাধ্যমে নিঙ্গালু রিফের কাছে তিমি হাঙরের মধ্যে এই প্রজাতির সঙ্গম প্রথমবারের মতো চিত্রায়িত হয়েছিল, যখন একটি বড় পুরুষ একটি ছোট, অপরিণত মহিলার সাথে সঙ্গম করার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিল।
0.5
1,972.869013
20231101.bn_84028_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF
তিমি
১৯৯৬ সালের জুলাই মাসে একটি ~১০.৬ মিটার (35 ft) মহিলার ক্যাপচার যা ~৩০০ টি বাচ্চার সাথে গর্ভবতী ছিল তা নির্দেশ করে যে তিমি হাঙ্গরগুলি ওভোভিভিপারাস। ডিমগুলি দেহে থাকে এবং স্ত্রীরা ৪০ থেকে ৬০ সেমি (১৬ থেকে ২৪ ইঞ্চি) লম্বা হয়। প্রমাণগুলি ইঙ্গিত দেয় যে হাঙ্গরছানাগুলি একবারে জন্মগ্রহণ করে না, বরং মহিলারা একটি মিলন থেকে শুক্রাণু ধরে রাখে এবং দীর্ঘ সময়ের জন্য হাঙ্গরছানাগুলোর একটি স্থির প্রবাহ তৈরি করে।
0.5
1,972.869013
20231101.bn_84028_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF
তিমি
৭ মার্চ ২০০৯-এ, ফিলিপাইনের সামুদ্রিক বিজ্ঞানীরা আবিষ্কার করেন যে তিমি হাঙরের সবচেয়ে ছোট জীবন্ত নমুনা বলে বিশ্বাস করা হয়। মাত্র ৩৮ সেন্টিমিটার (১৫ ইঞ্চি) পরিমাপের অল্প বয়স্ক হাঙ্গরটিকে ফিলিপাইনের পিলার, সোরসোগনের একটি সমুদ্র সৈকতে একটি বাঁকের সাথে লেজ বাঁধা অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল এবং তাকে বনে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। এই আবিষ্কারের উপর ভিত্তি করে, কিছু বিজ্ঞানী আর বিশ্বাস করেন না যে এই এলাকাটি শুধুমাত্র একটি খাদ্যের জায়গা; এই সাইট একটি জন্মভূমি হতে পারে, পাশাপাশি. তরুণ তিমি হাঙ্গর এবং গর্ভবতী মহিলা উভয়কেই দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের সেন্ট হেলেনার জলে দেখা গেছে, যেখানে গ্রীষ্মকালে অসংখ্য তিমি হাঙর দেখা যায়।
0.5
1,972.869013
20231101.bn_84028_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BF
তিমি
গত আগস্ট ২০১৯ সালের র‍্যাপলারের একটি প্রতিবেদনে, বছরের প্রথমার্ধে WWF ফিলিপাইনের ফটো শনাক্তকরণ কার্যক্রমের সময় তিমি হাঙর দেখা গিয়েছিল। মোট ১৬৮ টি দেখা হয়েছে - এর মধ্যে ৬৪ টি "পুনরায় দেখা" বা পূর্বে রেকর্ড করা তিমি হাঙরের পুনরাবির্ভাব। WWF উল্লেখ করেছে যে ২০১৯ সালের প্রথমার্ধে ১৬৮ জন ব্যক্তির মধ্যে "খুব অল্পবয়সী তিমি হাঙ্গর কিশোর" চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের উপস্থিতি থেকে বোঝা যায় যে টিকাও পাস হতে পারে তিমি হাঙরের জন্য একটি পুপিং গ্রাউন্ড, যা এলাকার পরিবেশগত গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তুলবে।
0.5
1,972.869013
20231101.bn_77007_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4
সমুদ্রগুপ্ত
এলাহাবাদ প্রশস্তির সপ্তম স্তবক অর্থাৎ তেরো ও চোদ্দো সংখ্যক ছত্রে উত্তর ভারতের অচ্যুত, নাগসেন, গণপতিনাগ ও কোটা পরিবারের বিরুদ্ধে সমুদ্রগুপ্তের অভিযানের বর্ণনা আছে। প্রথম তিন জন রাজার নাম উল্লিখিত হলেও তাদের রাজবংশের উল্লেখ করা হয়নি; আবার চতুর্থ জনের ক্ষেত্রে নামোল্লেখ না থাকলেও তিনি যে কোটা পরিবারের রাজা, তা স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে প্রশস্তিতে। অন্যান্য সূত্রে সাহায্যে এই চার রাজাকে সনাক্ত করা হয়ে থাকে। এঁরা হলেন:
0.5
1,971.241201
20231101.bn_77007_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4
সমুদ্রগুপ্ত
অচ্যুত – অহিচ্ছত্রের রাজা। উত্তর প্রদেশের বেরিলি জেলার রামনগরে প্রাপ্ত আনুমানিক খ্রিস্টীয় তৃতীয় শতকের কয়েকটি মুদ্রায় ‘অচ্যু’ নামে এক রাজার উল্লেখ পাওয়া যায়। ই জে ব়্যাপসন ও ভিনসেন্ট স্মিথ এই মুদ্রাগুলি পরীক্ষা করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে অচ্যু ও অচ্যুত একই ব্যক্তি ও অহিচ্ছত্রের রাজা। এই মত প্রায় সকল ঐতিহাসিকই গ্রহণ করেন।
0.5
1,971.241201
20231101.bn_77007_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4
সমুদ্রগুপ্ত
নাগসেন – পরবর্তীকালের রচনা বাণভট্টের হর্ষচরিত গ্রন্থে নাগসেনের পরিচয় উল্লেখ করা হয়েছে। ইনি নাগবংশজাত ও পদ্মাবতীর শাসনকর্তা। পদ্মাবতী অধুনা মধ্যপ্রদেশের নরওয়ারের নিকটস্থ পদম পাওয়া অঞ্চল। ই জে ব়্যাপসন এলাহাবাদ প্রশস্তির নাগসেনকে এই পদ্মাবতীর নাগসেন হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। তার মত অন্যান্য ঐতিহাসিকগণ স্বীকারও করেছেন।
0.5
1,971.241201
20231101.bn_77007_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4
সমুদ্রগুপ্ত
গণপতিনাগ – মথুরার শাসনকর্তা। এ এস আলতেকার এই অঞ্চলে প্রাপ্ত গণপতিনাগের অসংখ্য মুদ্রা দেখে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন। পুরাণেও মথুরার নাগবংশের উল্লেখ আছে। আবার বেসনগরে প্রাপ্ত তার নামাঙ্কিত কয়েকটি মুদ্রা দেখে ডি আর ভান্ডারকর তাকে বেসনগর বা বিদিশার রাজা বলে উল্লেখ করেছেন। যদিও এই মত খুব একটা গ্রহণযোগ্য নয়।
0.5
1,971.241201
20231101.bn_77007_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4
সমুদ্রগুপ্ত
কোটা পরিবার – পূর্ব পাঞ্জাব ও দিল্লিতে প্রাপ্ত কোটা পরিবারের কিছু মুদ্রার ভিত্তিতে এই পরিবারকে উচ্চ গাঙ্গেয় উপত্যকার শাসক বলে মনে করা হয়ে থাকে। তবে আলেকজান্ডার কানিংহাম এই মুদ্রাগুলি বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছেন যে এগুলি ষষ্ঠ থেকে নবম শতাব্দীর মধ্যবর্তী সময়ের। ঐতিহাসিক পি এল গুপ্ত তাই এলাহাবাদ প্রশস্তিতে উল্লিখিত কোটা পরিবারের সনাক্তকরণ প্রসঙ্গে সন্দেহ প্রকাশ করেন। উয়ান চোয়াঙ-এর বিবরণীর ভিত্তিতে তিনি বলেছেন যে, কোটা পরিবার উচ্চ গাঙ্গেয় উপত্যকারই দক্ষিণ পঞ্চাল অঞ্চল শাসন করতেন।
1
1,971.241201
20231101.bn_77007_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4
সমুদ্রগুপ্ত
ঐতিহাসিক কে পি জয়সোয়ালের মতে, এই যুদ্ধ সংগঠিত হয় অহিচ্ছত্র, মথুরা, পদ্মাবতী ও দক্ষিণ পঞ্চালের মধ্যবর্তী কৌশাম্বী অঞ্চলে। কে পি জয়সোয়াল ও এস কে আয়েঙ্গার আরও বলেছেন যে অচ্যুত, নাগসেন ও কোটা পরিবার জোটবদ্ধভাবে সমুদ্রগুপ্তকে প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। তবে এই যুক্তির পশ্চাতে বিশেষ তথ্য পাওয়া যায় না।
0.5
1,971.241201
20231101.bn_77007_15
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4
সমুদ্রগুপ্ত
উত্তর ভারতে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করার পর সমুদ্রগুপ্ত দাক্ষিণাত্য বিজয়ে অগ্রসর হন, উত্তর ভারত সম্পূর্ণ জয় করার আগেই তিনি দক্ষিণের রাজ্যসমূহ নিজ ছত্রছায়ায় এনেছিলেন, তা বিতর্কিত। এলাহাবাদ প্রশস্তির দশম থেকে দ্বাদশ স্তবক পর্যন্ত সমুদ্রগুপ্তের বিভিন্ন রাজ্য বিজয়ের সংবাদ পাওয়া যায়। এই প্রশস্তিতে বলা হয়েছে দাক্ষিণাত্যের সকল রাজা (‘সর্বদক্ষিণাপথরাজ’) তার হাতে পরাস্ত হয়েছিলেন। প্রশস্তিতে দাক্ষিণাত্যের মোট বারো জন রাজার নাম উল্লিখিত আছে। এঁরা হলেন :
0.5
1,971.241201
20231101.bn_77007_16
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4
সমুদ্রগুপ্ত
কোসলের মহেন্দ্র – অনুমিত হয় বর্তমান ছত্তিসগড় রাজ্য ও ওড়িশা রাজ্যের সম্বলপুর ও গঞ্জাম জেলার কিছু অংশ নিয়ে মহাকোসল বা দক্ষিণ কোসলই প্রশস্তি উল্লিখিত রাজা মহেন্দ্রের রাজ্য। এর রাজধানী ছিল শ্রীপুর।
0.5
1,971.241201
20231101.bn_77007_17
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%A4
সমুদ্রগুপ্ত
মহাকান্তারের ব্যাঘ্ররাজ – মহাকান্তার রাজ্যের অবস্থান নিয়ে ঐতিহাসিক মহলে মতবিরোধ আছে। এইচ সি রায়চৌধুরীর মতে মধ্যপ্রদেশ-ছত্তিসগড় সন্নিহিত বনাঞ্চলই মহাকান্তার; জে দুব্রেইলের মতে মহাকান্তার ওড়িশা রাজ্যের সোনপুরের দক্ষিণাঞ্চল; জি রামদাস ওড়িশার মহেন্দ্রগিরি অঞ্চলকে মহাকান্তার মনে করেন; ডি আর ভাণ্ডারকর ও রমেশচন্দ্র মজুমদার অজয়গড়ের নাচেন-কি তলার বাকাটকরাজ পৃথিবী সেনের অধীন সামন্ত ব্যাঘ্রদেবকে মহাকান্তারের ব্যাঘ্ররাজ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন।
0.5
1,971.241201
20231101.bn_7476_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BF
অ্যান্টিবডি
বি-কোষগুলি অভিযোজনশীল অনাক্রম্যতন্ত্রের অংশ। বি-কোষ এবং অ্যান্টিবডি বা প্রতিরক্ষিকাগুলি একত্রে অনাক্রম্যতা বা রোগ প্রতিরোধের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলির একটি সম্পাদন করে থাকে: তারা দেহে অনুপ্রবেশকারী কোনও প্রত্যুৎপাদককে শনাক্ত করে ও বিপুল সংখ্যক প্রতিরক্ষামূলক প্রোটিন উৎপাদন করে। প্রতিরক্ষিকাগুলির ভৌত রূপ দুই ধরনের হয়। রক্তে দ্রাব্য প্রতিরক্ষিকাগুলি বি-কোষ থেকে ক্ষরিত হয়ে রক্ত ও কলারসের মাধ্যমে দেহের সর্বত্র চষে বেড়িয়ে ঐ প্রত্যুৎপাদকটির সমস্ত চিহ্ন দেহ থেকে মুছে ফেলে।
0.5
1,964.067932
20231101.bn_7476_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BF
অ্যান্টিবডি
প্রতিরক্ষিকার আরেকটি রূপ ক্ষরিত হয় না, বরং বি-কোষের কোষপ্রাচীরের সাথে আবদ্ধ থাকে। এগুলিকে প্রত্যুৎপাদক গ্রাহক (অ্যান্টিজেন রিসেপ্টর) বা বি-কোষ গ্রাহক (বি-সেল রিসেপ্টর) বলে। বি-কোষগুলি এই প্রত্যুৎপাদক গ্রাহকগুলির মাধ্যমে প্রত্যুৎপাদকগুলিকে শনাক্ত করে। বি-কোষগুলি সমন্বিতভাবে প্রত্যুৎপাদকের প্রায় অসীম সংখ্যক প্রকারভেদ শনাক্ত করতে সক্ষম। কিন্তু একটিমাত্র বি-কোষ এককভাবে কেবলমাত্র এক ধরনের প্রত্যুৎপাদকের সাথেই আবদ্ধ হতে পারে। কোনও নির্দিষ্ট বি-কোষের পৃষ্ঠে প্রাপ্ত সমস্ত প্রত্যুৎপাদক গ্রাহক অভিন্নরূপী হয়, আর ভিন্ন ভিন্ন বি-কোষের প্রত্যুৎপাদক গ্রাহকগুলিও ভিন্ন ভিন্ন হয়।
0.5
1,964.067932
20231101.bn_7476_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BF
অ্যান্টিবডি
প্রত্যুৎপাদক গ্রাহকগুলির সাধারণ কাঠামো মোটামুটি একই রকম হলেও এদের অণুর যে অঞ্চলটি প্রত্যুৎপাদকের সাথে আবদ্ধ হয় (অর্থাৎ প্রত্যুৎপাদক বন্ধন-অঞ্চল), সেখানে বিভিন্নতা থাকে। প্রত্যুৎপাদক বন্ধন-অঞ্চলের এই কাঠামোগত বৈচিত্র্যের কারণে ভিন্ন ভিন্ন বি-কোষ ভিন্ন ভিন্ন প্রত্যুৎপাদক শনাক্ত করতে পারে। প্রত্যুৎপাদক গ্রাহক সম্পূর্ণ প্রত্যুৎপাদকটিকে আসলে শনাক্ত করতে পারে না; বরং এটি প্রত্যুৎপাদকের পৃষ্ঠদেশের একটি অংশবিশেষের সাথে আবদ্ধ হয়। এই অঞ্চলটিকে বলা হয় প্রত্যুৎপাদকীয় নির্ধারক (অ্যান্টিজেন ডিটারমিনেন্ট) বা উপাঞ্চল (এপিটোপ)। কোনও প্রত্যুৎপাদক গ্রাহক এবং প্রত্যুৎপাদকীয় নির্ধারকের মধ্যে কেবল তখনই বন্ধন ঘটে, যখন তাদের আণবিক কাঠামোদ্বয় একে অপরের সাথে পরিপূরক হয়। যদি তাদের কাঠামো পরিপূরক হয়, তবে প্রত্যুৎপাদক গ্রাহক এবং প্রত্যুৎপাদকীয় নির্ধারক একে অপরের সাথে ধাঁধার দুইটি অংশের মত খাপ খেয়ে মিলে যায়। এই সম্মিলনের ঘটনাটি বি কোষসমূহে প্রতিরক্ষিকা সংশ্লেষণ বা উৎপাদনের পূর্বশর্ত। প্রাণীরা এখনও যেসমস্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসেনি, সেগুলির জন্য তাদের দেহে প্রতিরক্ষিকা থাকে না। কিন্তু সম্ভাব্য যেকোনও বহিরাগত পদার্থের আণবিক বিন্যাসের সাথে খাপ খেতে পারে, এরকম বহু সংখ্যক ভিন্ন প্রকারের প্রতিরক্ষিকা প্রাণীদেহে উৎপাদন হওয়া সম্ভব।
0.5
1,964.067932
20231101.bn_7476_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BF
অ্যান্টিবডি
একবার সক্রিয় হলে হলে বি-কোষগুলি বিভাজিত হয়ে বিশেষ ধরনের কিছু কোষগুচ্ছ উৎপন্ন করে যাদের নাম প্লাজমা কোষ বা রক্তরসকোষ। এই কোষগুলিই হল অ্যান্টিবডি বা প্রতিরক্ষিকা তৈরির কারখানা। এছাড়া বি-কোষগুলি আরও কিছু স্মৃতি বি-কোষের জন্ম দেয় যেগুলি দেহে অনেক দিন বেঁচে থাকে এবং একই প্রত্যুৎপাদক দেহে প্রবেশ করলে সেগুলিকে স্মরণ করতে পারে যাতে বি-কোষগুলি ভবিষ্যৎ বেশি দ্রুত এগুলির বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া করতে পারে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বি-কোষকে পূর্ণরূপে সক্রিয় করতে বি-কোষের সাথে সহায়ক টি-কোষের আন্তঃক্রিয়ার প্রয়োজন হয়।
0.5
1,964.067932
20231101.bn_7476_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BF
অ্যান্টিবডি
প্রতিটি অ্যান্টিবডি বা প্রতিরক্ষিকা অণু প্রকৃতপক্ষে এর উৎপাদনকারী বি-কোষের প্রত্যুৎপাদক গ্রাহকের অভিন্নরূপী হয়। এই প্রোটিনগুলির মূল কাঠামোতে থাকে দুই জোড়া পলিপেপটাইড শৃঙ্খল (পেপটাইড বন্ধনে আবদ্ধ অ্যামিনো অ্যাসিডের দীর্ঘ ধারা) যেগুলি ইংরেজি ওয়াই (Y) আকৃতিতে নমনীয়ভাবে সজ্জিত থাকে। এই ওয়াই-আকৃতির কাণ্ডটি দুইটি অভিন্নরূপী ভারী শৃঙ্খলের এক প্রান্ত নিয়ে গঠিত হয়। আর ওয়াইয়ের দুই বাহুর প্রতিটি কাণ্ডের একটি ভারী শৃঙ্খলের অবশিষ্ট প্রান্ত এবং একটি হালকা শৃঙ্খল (অপেক্ষাকৃত ছোট প্রোটিন) নিয়ে গঠিত হয়। হালকা শৃঙ্খল দুইটির রূপও অভিন্ন। একই শ্রেণীর প্রতিরক্ষিকাসমূহে কাণ্ড অংশটি এবং দুই বাহুর নিম্নাংশগুলি মোটামুটি সমরূপী হয় এবং এগুলিকে তাই অপরিবর্তনশীল অঞ্চল নামে ডাকা হয়। কিন্তু দুই বাহুর অগ্রপ্রান্তদ্বয় অত্যন্ত বৈচিত্র্যময় হয় এবং এই অগ্রপ্রান্তগুলি দিয়েই প্রতিরক্ষিকা প্রত্যুৎপাদকের সাথে আবদ্ধ হয়। সুতরাং প্রতিটি প্রতিরক্ষিকাতে দুইটি অভিন্ন প্রত্যুৎপাদক বন্ধন-অঞ্চল আছে, যেগুলি প্রতিটি বাহুর অগ্রপ্রান্তে অবস্থিত, আর প্রত্যুৎপাদক বন্ধন-অঞ্চলগুলির বৈচিত্র্য বিপুল।
1
1,964.067932
20231101.bn_7476_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BF
অ্যান্টিবডি
কাঠামোর অপরিবর্তনশীল অঞ্চলের গঠন অনুযায়ী এ পর্যন্ত প্রাপ্ত অ্যান্টিবডি বা প্রতিরক্ষিকাগুলিকে পাঁচটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে। ইংরেজি শব্দ ইমিউনোগ্লোবিন (Immunoglobin)-এর সংক্ষিপ্ত রূপ Ig-এর সাথে একটি ইংরেজি বর্ণ যোগ করে একেকটি শ্রেণীকে নির্দেশ করা হয়। এই ৫টি শ্রেণী হল IgG, IgM, IgA, IgD, এবং IgE। এই পাঁচ শ্রেণীর প্রতিরক্ষিকা কেবল এদের কাঠামোর অপরিবর্তনশীল অঞ্চলের গঠনেই নয়, বরং কর্মস্থল অনুযায়ীও ভিন্ন হয়। যেমন IgG, যা কিনা সবচেয়ে সহজপ্রাপ্য প্রতিরক্ষিকা, প্রধানত রক্তে ও কলারসে অবস্থান করে। অন্যদিকে IgA প্রতিরক্ষিকাগুলি শ্বসননালী ও পরিপাকনালীকে আবৃতকারী মিউকাস স্তরগুলিতে পাওয়া যায়। নবজাতকদের দেহে প্রথম যে প্রতিরক্ষিকাটি তৈরি হয়, তা হল IgM। এছাড়া প্রথমবার কোনও রোগ সংক্রমণের সময়ও IgM উৎপন্ন হয়। কোনও প্রত্যুৎপাদকের সাথে দ্বিতীয়বার সংস্পর্শে আসলে দেহে IgG প্রতিরক্ষিকা উৎপন্ন হয়। IgE শ্রেণীর প্রতিরক্ষিকাগুলি অ্যালার্জির সাথে সম্পর্কিত। IgA শ্রেণীর প্রতিরক্ষিকাগুলি লালারসে এবং মায়ের বুকের দুধে পাওয়া যায়। IgD শ্রেণীর প্রতিরক্ষিকাগুলির ভূমিকা এখনও অজ্ঞাত।
0.5
1,964.067932
20231101.bn_7476_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BF
অ্যান্টিবডি
যেসব অ্যান্টিবডি বা প্রতিরক্ষিকা রোগ-সংক্রমিত মানুষ বা প্রাণীর রক্তরস থেকে আহরণ করা হয়, সেগুলিকে প্রাক-উৎপাদিত প্রতিরক্ষিকা বলে। এগুলিকে প্রায়শই আরেকজন মানুষের দেহে প্রতিরক্ষিকাসমৃদ্ধ রক্তাম্বুর মাধ্যমে প্রয়োগ করা হয়। এর ফলে দেহে দ্রুতগতিতে ক্রিয়াশীল বিষ বা জীবাণুদের বিরুদ্ধে (যেমন সর্পদষ্ট বা ধনুষ্টংকারে আক্রান্ত রোগীদের দেহে) ত্বরিত এবং পরোক্ষ অনাক্রম্যতা অর্জিত হয়।
0.5
1,964.067932
20231101.bn_7476_15
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BF
অ্যান্টিবডি
স্বয়ং-অনাক্রম্য ব্যাধিগুলিতে যেমন বহুগণিত কঠিনীভবন (মালটিপল স্ক্লেরোসিস) এবং লুপাস (সিস্টেমিক লুপাস এরিথেমাটোসাস অর্থাৎ “সমগ্র দেহব্যাপী নেকড়ে-জাতীয় লালছোপ”) ব্যাধিতে দেহ ভুল করে স্বাভাবিক কলাকোষের উপাদানের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি বা প্রতিরক্ষিকা উৎপাদন করে। কখনও কখনও ভাইরাসের কারণে এই অনাক্রম্য প্রক্রিয়াটি ব্যহত হতে পারে।
0.5
1,964.067932
20231101.bn_7476_16
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%9F%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A1%E0%A6%BF
অ্যান্টিবডি
যেসমস্ত ব্যক্তির অস্থিমজ্জাকোষ অর্বুদ (মালটিপল মাইয়েলোমা) নামক এক ধরনের মারাত্মক অর্বুদ বা টিউমার থাকে, তাদের রক্তে এক বিশেষ ধরনের অ্যান্টিবডি বা প্রতিরক্ষিকা উচ্চ মাত্রায় অবস্থান করে। ১৯৭০-এর দশকে বিজ্ঞানীরা এই মজ্জাকোষ ক্যান্সারের কোষগুলিকে এমন সব লসিকাকোষের সাথে সংযুক্ত করেন, যে লসিকাকোষগুলি অতীতে কোনও প্রত্যুৎপাদকের সংস্পর্শে এসেছে। এই সংযোজনের ফলে যে সঙ্করকোষগুচ্ছ উৎপন্ন হয় (যাদেরকে "হাইব্রিডোমা" অর্থাৎ সঙ্কর-অর্বুদ বলা হয়) সেগুলি একটি বিশেষ বিন্যাসের বিপুল পরিমাণ অনুকৃতিমূলক (“ক্লোন”) প্রতিরক্ষিকা উৎপাদন করতে পারে, যাদেরকে একক-অনুকৃতি প্রতিরক্ষিকা (মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি) বলা হয়। যথাযথ সঙ্কর-অর্বুদ নির্বাচনের মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা এমন বিশুদ্ধ প্রতিরক্ষিকা উৎপাদন করতে পারেন, যা তাদের নির্বাচিত কোনও বহিরাগত পদার্থের সাথে আবদ্ধ হতে সক্ষম।
0.5
1,964.067932
20231101.bn_2956_31
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
নাগাল্যান্ড
রাজ্যটি ২০০১ সালের আদমশুমারি থেকে ২০১১ সালের আদমশুমারির মধ্যে জনসংখ্যা হ্রাস দেখিয়েছে, জনগণনাতে জনসংখ্যা হ্রাস দেখানো একমাত্র রাজ্য। এটিকে বিগত আদমশুমারিতে ভুল গণনা করার জন্য পণ্ডিতদের দ্বারা দায়ী করা হয়েছে। নাগাল্যান্ডের ২০১১ সালের আদমশুমারি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বলে মনে করা হয়।
0.5
1,959.830226
20231101.bn_2956_32
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
নাগাল্যান্ড
বৃহত্তম শহুরে সমষ্টি ডিমাপুর (১২২,৮৩৪) এবং কোহিমা (১১৫,২৮৩) কেন্দ্রিক। অন্যান্য প্রধান শহরগুলি (এবং ২০১১ সালের আদমশুমারি জনসংখ্যা) হল টুয়েনসাং (৩৬,৭৭৪), মোকোকচুং (৩৫,৯১৩), ওহকা (৩৫,০০৪), মোন (২৬,৩২৮), চুমুকেদিমা (২৫,৮৮৫), জুনহেবোটো (২২,৬৩৩), কিফিরে (১৬,১৮১), কুদা (১৬,১০৮), কোহিমা গ্রাম (১৫,৭৩৪), ফেক (১৪,২০৪), ফুটসেরো (১০,৩৭১) এবং ডিফুপার 'এ' (১০,২৪৬)।
0.5
1,959.830226
20231101.bn_2956_33
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
নাগাল্যান্ড
রাজ্যটিতে ১৭টি প্রধান উপজাতি রয়েছে - আঙ্গামি, আও, চাখেসাং, চ্যাং, কাচারি, খিয়ামনিউঙ্গান, কোনিয়াক, কুকি, লোথা, ফোম, পোচুরি, রেংমা, সঙ্গতাম, সুমি, তিখির, ইমখিউং এবং জেমে- লিয়াংগি ( জেম -লিয়াংগি)।
0.5
1,959.830226
20231101.bn_2956_34
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
নাগাল্যান্ড
ডিমাপুর শহরের আশেপাশে বসবাসকারী বাঙালি, মারোয়ারি, নেপালি, পাঞ্জাবি এবং অন্যান্যদের মতো অ-উপজাতি সম্প্রদায়েরও বিশাল জনসংখ্যা রয়েছে।
0.5
1,959.830226
20231101.bn_2956_35
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
নাগাল্যান্ড
নাগারা জনসংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ। ২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে নাগাল্যান্ডে ২ মিলিয়ন মানুষ বাস করে।রাজ্যে নাগা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা প্রায় ১.৮ মিলিয়ন, জনসংখ্যার ৯০% এরও বেশি।এগুলি বেশিরভাগই চীন-তিব্বতি ভাষা পরিবারের অন্তর্গত। শেফার নাগাল্যান্ড এবং এর আশেপাশে পাওয়া ভাষার জন্য তার নিজস্ব শ্রেণিবিন্যাস ব্যবস্থা নিয়ে এসেছিলেন। প্রতিটি উপজাতির এক বা একাধিক উপভাষা রয়েছে যা অন্যদের কাছে দুর্বোধ্য।
1
1,959.830226
20231101.bn_2956_36
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1
নাগাল্যান্ড
১৯৬৭ সালে, নাগাল্যান্ড অ্যাসেম্বলি ভারতীয় ইংরেজিকে নাগাল্যান্ডের সরকারী ভাষা হিসাবে ঘোষণা করে এবং এটি নাগাল্যান্ডে শিক্ষার মাধ্যম। ইংরেজি ব্যতীত, নাগামিজ, অসমীয়া ভিত্তিক একটি ক্রেওল ভাষা, ব্যাপকভাবে কথ্য।
0.5
1,959.830226