_id
stringlengths
17
22
url
stringlengths
42
314
title
stringlengths
2
36
text
stringlengths
100
5.1k
score
float64
0.5
1
views
float64
23
11.1k
20231101.bn_419135_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE
জাহান্নাম
আবু হুরায়রা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমরা একদা রাসূল (ﷺ) এর সাথে ছিলাম। এমন সময় একটি বিকট শব্দ শোনা গেল। রাসূল (ﷺ) বললেন, "তোমরা কি জান এটা কিসের শব্দ?" আমরা বললাম, "আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলই এ ব্যাপারে ভাল জানেন।" তিনি বললেন, "এটি একটি পাথর, যা আজ থেকে সত্তর বছর পূর্বে জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হয়েছিল, আর তা তার তলদেশে যেতে ছিল এবং এত দিনে সেখানে গিয়ে পৌঁছেছে।" (সহীহ মুসলিম)
0.5
2,132.523517
20231101.bn_419135_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE
জাহান্নাম
আবু হুরায়রা রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূল (ﷺ) কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন, "বান্দা মুখ দিয়ে এমন কথা বলে ফেলে, যার ফলে সে জাহান্নামে আকাশ ও যমিনের দূরত্বের চেয়েও গভীরে চলে যায়।"(সহীহ মুসলিম-কিতাবুয যুহদ)
1
2,132.523517
20231101.bn_419135_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE
জাহান্নাম
বিশ্বাস করা হয়, জাহান্নামীরা যখন খাবার চাইবে তখন তাদের দেয়া হবে যাক্কুম নামক কাটা যুক্ত ফল, আর তাদেরকে দেয়া হবে জাহান্নামীদের উত্তপ্ত রক্ত ও পুঁজ। মূলে গাস্সাক শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এর অর্থ হয়ঃ পুঁজ, রক্ত, পুঁজ মেশানো রক্ত এবং চোখ ও গায়ের চামড়া থেকে বিভিন্ন ধরনের কঠোর দৈহিক নির্যাতনের ফলে যেসব রস বের হয়, যা প্রচণ্ড দুৰ্গন্ধযুক্ত।
0.5
2,132.523517
20231101.bn_419135_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE
জাহান্নাম
হযরত আনাস রাযিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু সূত্রে নবী করিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, 'হে লোক সকল ! তোমরা (আল্লাহর আযাবের ভয়ে) বেশি করে কাঁদ । আর যদি তোমরা এরূপ করতে না পার (কান্না যদি না আসে) , তাহলে অন্তত (ভয়ে) কান্নার ভান কর । কেননা, জাহান্নামীরা জাহান্নামে গিয়ে এমনভাবে কাঁদবে যে, তাদের অশ্রু তাদের মুখের উপর এভাবে গড়িয়ে পড়বে , মনে হবে এটা পানির নালা । এভাবে কাঁদতে কাঁদতে তাদের অশ্রু শেষ হয়ে যাবে এবং এর স্হলে রক্ত প্রবাহিত হতে শুরু করবে । তারপর (এ রক্ত ক্ষরণের দরুন) তাদের চোখে ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে যাবে । ( এরপর এই ক্ষত স্থান থেকে আরো বেশি রক্ত বের হবে, তখন জাহান্নামীদের এই অশ্রু এবং রক্তের পরিমাণ এমন হবে যে,) সেখানে যদি অনেকগুলো নৈাকা চালিয়ে দেওয়া হয়, তাহলে অনায়াসে চলতে পারবে । - শরহুস সুন্নাহ ।
0.5
2,132.523517
20231101.bn_419135_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE
জাহান্নাম
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস বর্ণিত , রাসূলূল্লাহ (ﷺ) এ আয়াতটি তেলাওয়াত করলেন, 'তোমরা আল্লাহকে যথার্থভাবে ভয় কর এবং এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ কর যে, মুসলিম না হয়ে তোমরা মরবে না ।' এরপর তিনি (আল্লাহকে এবং আল্লাহর আযাবকে ভয় করা প্রসঙ্গে ) বললেনঃ যাককুম (যার প্রসঙ্গে কুরআনে বলা হয়েছে এটা জাহান্নামে উৎপন্ন এক প্রকার গাছ এবং এটা জাহান্নামীদের খাবার হবে ) এর একটি ফোটা যদি এই দুনিয়ায় ছিটকে পড়ে, তাহলে পৃথিবীতে বসবাসকারী সবার জীবনোপকরণ বিনষ্ট করে দিবে । অতএব, ঐ ব্যক্তির কি অবস্হা হবে যার খাবারই হবে যাক্কুম ?' - তিরমিযি ।
0.5
2,132.523517
20231101.bn_419135_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AE
জাহান্নাম
জাহান্নামীদের মধ্যে সবচেয়ে কম শাস্তি হবে আবু তালিবের। তার পায়ে দু’খানা আগুনের জুতা পরিয়ে দেয়া হবে, ফলে তার মাথার মগজ ফুটতে থাকবে। বুখারী- ইবেন আব্বাস
0.5
2,132.523517
20231101.bn_76998_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2
বকুল
হিন্দি - বকুল, বলসারি,मौलसरी , মাউলসারাউ (Maulsarau), মাউলসের (Maulser), মাউলসিরি (Maulsiri), মোলসারি (Molsari), মুলসারি (Mulsari), তেন্ডু (Tendu), মাউলসারি (Maulsari), মোলসিরি (Molsiri), মোরসালি (Morsali).
0.5
2,131.458028
20231101.bn_76998_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2
বকুল
তামিল ভাষায় - மகிழம்பூ Magizhamboo, আলাগু (Alagu), ইলাঞ্চি (Ilanci), ইলাঞ্জি (Ilanji), কেসারাম (Kesaram), কোসারাম (Kosaram), ম্যাগিল (Magil), ম্যাগিলাম (Magilam), ভাগুলাম (Vagulam), মগাদাম (Mogadam), ম্যাগিশ (Magish), মাকিলাম্পু (Makilampu), মাকিলাম ভিটটু (Makilam vittu), কেছারাম (Kecaram), মাকিলাম মারাম (Makilam maram), মাকুলাম্পু (Makulampu), ভাকুলাম্পু (Vakulampu), ম্যাগিঝ (Magizh), মাগাদাম (Magadam), ম্যাগিঝাম (Maghizham), মোগিদাম (Mogidam), ভাকুলাম (Vakulam), মাহিলা (Mahila), মাকিঝাম্পু (Makizampu).
0.5
2,131.458028
20231101.bn_76998_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2
বকুল
মালয়েশিয়া - বিতিছ (Bitis), ইলেঙ্গি (Elengi), মেংকুলা (Mengkula), বাকুলাম (Bakulam), ইলাঙ্গি (Elangi), ইলান্নি(Elanni), এলেঙ্গি (Elengi), ইলান্নি (Ilanni), ইরান্নি (Iranni), মাকুরাম (Makuram), মুকুরা (Mukura), এলানি (Elani), এলেঙ্গি (Elengii), এলেঞ্জি (Elenjee), এরিনি (Erini), মাকিরা (Makira), মাকুরা (Makura)
0.5
2,131.458028
20231101.bn_76998_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2
বকুল
বকুল একটি চিরহরিৎ বৃক্ষ। এটি ১৬ মিটার পর্যন্ত লম্বা হয়। মাঝারি আকারের এই গাছ দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও উত্তর অস্ট্রেলিয়ার গ্রীষ্মমন্ডলীয় বনাঞ্চলে জন্মে।
0.5
2,131.458028
20231101.bn_76998_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2
বকুল
এই বৃক্ষের পাতা গুলো মসৃন, গাড় সবুজ ও ঢেউ খেলানো, আকারে ৫ থেকে ১৪ সেন্টিমিটার লম্বা এবং ২।৫ থেকে ৬ সেন্টিমিটার চওড়া হয়।
1
2,131.458028
20231101.bn_76998_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2
বকুল
বকুল ফুল আকারে খুব ছোট ছোট হয়। আকারে বড় জোড় ১ সেঃ মিঃ। দেখতে ছোট ছোট তারার মতো ফুল গুলো যখন ফোটে তখন গাছের চেহারা হয় অন্যরকম। এবং মাটিতে যখন ঝড়ে পরে তার দৃশ্য নয়নাভিরাম। বকুল ছোট তারার মত হলুদাভ সাদা বা ক্রীম রঙের হয়। এই ফুল রাত্রে ফোটে এবং সারাদিন ধরে টুপটাপ ঝরতে থাকে। ভারি সুগন্ধী এই বকুল। শুকনো বকুল ফুলের সুগন্ধটা অনেকদিন থাকে তাই এই ফুলের মালা অনেকদিন ঘরে রেখে দেয়া যায়।
0.5
2,131.458028
20231101.bn_76998_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2
বকুল
বকুল ফল বকুল গাছে ছোট ছোট কুলের মত ডিম্বাকৃতির ফল হয় ।ফল গুলো কাঁচা অবস্থায় সবুজ,পাঁকলে লাল বর্ণ ধারণ করে।পাখিরা বকুল ফল খেয়ে থাকে। অনেক সময় বাচ্চাদের ও বকুল ফল খেতে দেখা যায়। ফলের স্বাদ কষ যুক্ত হালকা মিষ্টি। গাছে এই ফল আসে বর্ষাকালে ।
0.5
2,131.458028
20231101.bn_76998_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2
বকুল
বীজ - বকুল ফলে একটি করে ডিম্বাকৃতির, বাদামী বীজ থাকে। তবে কখনও কখনও দুটি বীজও থাকতে দেখা যায় । এই বীজ থেকে অনুদ্বায়ী তেল পাওয়া যায়।
0.5
2,131.458028
20231101.bn_76998_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%81%E0%A6%B2
বকুল
ভারি সুন্দর গাছ এই বকুল, ঘন সবুজ পাতায় ঠাসা, মাথাটা গোলগাল কিংম্বা লম্বাটে। বয়স্ক গাছ ৩০- ৪০ মিটার উঁচু হয়ে থাকে। কখনই পাতা ঝরিয়ে উদোম হয় না বলে আদর্শ ছায়াতরুও। শিক্ষাঙ্গন, মন্দির, রাস্তাপার্শ্ব, উদ্যান, বাড়ীতে বকুল গাছ লাগানো হয়।
0.5
2,131.458028
20231101.bn_581052_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2
রুবেল
মাসুম পারভেজ রুবেল (জন্ম: ৩ মে ১৯৬০) একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র অভিনেতা, ফাইটিং ডিরেক্টর, প্রযোজক ও পরিচালক। রুবেল লড়াকু চলচ্চিত্রে অভিনয় করার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন। সোহেল রানা অভিনীত ৮০ সালের একটি চলচ্চিত্রে নেপথ্য কন্ঠ দিয়েছেন। বাংলাদেশ চলচ্চিত্রে তিনি মার্শাল কিংবদন্তি ও অ্যাকশন কিং হিরো হিসেবে সুপরিচিত। প্রায় আড়াই শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন এই অভিনেতা। রুবেলের উল্লেখযোগ্য ছবির মধ্যে আছে উত্থান পতন, উদ্ধার, বীরপুরুষ, বজ্রমুষ্টি, ও ভণ্ড।
0.5
2,127.086912
20231101.bn_581052_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2
রুবেল
রুবেল ১৯৬০ সালে বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। রুবেল ২২ বছর বয়সে পরপর দুইবার যথাক্রমে ১৯৮২ ও ১৯৮৩ সালে জাতীয় কারাতে চ্যাম্পিয়নশিপে স্বর্ণ পদক লাভ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে পড়ার সময় ২৬ বছর বয়সে বড় ভাই মাসুদ পারভেজ ওরফে সোহেল রানা’র প্রযোজিত ও শহিদুল ইসলাম খোকন পরিচালিত ‘লড়াকু’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে আগমন করেন । রুবেল ছিলেন মার্শাল আর্টে পারদর্শী একজন নায়ক যার ছবিতে থাকতো নিত্য নতুন মারপিটের কৌশল।
0.5
2,127.086912
20231101.bn_581052_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2
রুবেল
রুবেল বাংলা ছবিতে অ্যাকশন হিরো হিসেবে বেশি পরিচিত। এছাড়া লড়াকু নায়ক,বাংলার ব্রুসলী, সুপারষ্টার, মেগাস্টার নামেও পরিচিত।তিনি ২৪ বছর বয়সে ১৯৮৬ সালে "লড়াকু" চলচ্চিত্রে অভিনয় করার মধ্যে দিয়ে চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন। এই ছবি পরিচালনা করেন শহীদুল ইসলাম খোকন। এছাড়াও তিনি সামাজিক, রোমান্টিক, কমেডি ঘরানার ছবিও করছেন। পরবর্তীতে খোকনের সাথে জুটি বেঁধে ২৭টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। ব্যতিক্রমী ভাবনার সব ছবি উপহার দিয়েছেন তারা দুজন। তাদের সব ছবিই পেয়েছে আকাশচুম্বী ব্যবসায়িক সাফল্য।তাদের দুজনের কাজের মধ্যে প্রায় সবগুলো ছবিই টানা হাউজফুলের রেকর্ড আছে। ২০০২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘চাই ক্ষমতা’ রুবেল আর খোকন জুটির শেষ ছবি। নায়ক রুবেল অভিনীত কোন ছবিই প্রায় দেড় যুগের বেশি সময় ফ্লপ বা ব্যবসায়িক ভাবে ব্যর্থ হয়নি।এমনকি রুবেল অভিনীত প্রথম টানা ১০টি মুক্তিপ্রাপ্ত ছবিই ছিল বাম্পারহিট এবং সুপার হিট। লড়াকু নায়ক রুবেল একাধারে নায়ক, প্রযোজক, পরিবেশক, কণ্ঠশিল্পী ও চিত্রপরিচালক, ফাইট ডিরেক্টর । রুবেল শুধু একজন অভিনেতাই ছিলেন না, সেই শুরু থেকেই তিনি অভিনয়ের পাশাপাশি ফাইট ডিরেক্টর হিসেবেও সফল ছিলেন। তার সবগুলো ছবিতেই ‘দ্যা একশন ওয়ারিয়রস’ নামে একটি নিজস্ব ফাইটিং গ্রুপ ছিল।
0.5
2,127.086912
20231101.bn_581052_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2
রুবেল
রুবেল ১৯৮৫ সালের ১০ মার্চ সুলতানা পারভেজ নীলার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের এক ছেলে নীলয় পারভেজ নীলয়।তার জন্ম ১৯৮৬ সালের ২৫ মার্চ।
0.5
2,127.086912
20231101.bn_581052_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2
রুবেল
১)লড়াকু(সোহেল রানা-পাপড়ী,রুবেল-জুলিয়া,ড্যানি সিডাক,খলিল,মায়া,মতি,দিলদার) - শহীদুল ইসলাম খোকন - ১৬.০৮.১৯৮৬ - ঈদুল আযহা
1
2,127.086912
20231101.bn_581052_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2
রুবেল
২-১)বীরপুরুষ(সোহেল রানা,রুবেল,কামাল পারভেজ,সুচরিতা,কবিতা,ড্যানি সিডাক,খলিল,মায়া হাজারিকা) - শহীদুল ইসলাম খোকন - ১৮.০৫.১৯৮৮ - ঈদুল ফিতর
0.5
2,127.086912
20231101.bn_581052_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2
রুবেল
৩-১)মারকশাহ(সোহেল রানা-সুচরিতা,রুবেল-পাপড়ী,ড্যানি সিডাক,আবুল খায়ের,মতি,কবির খা,কোবরা) - মাসুদ পারভেজ - ২০.০১.১৯৮৯
0.5
2,127.086912
20231101.bn_581052_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2
রুবেল
৪-২)আমিই শাহেনশাহ(রুবেল-সুচরিতা,প্রবীর মিত্র,ড্যানি সিডাক,আমির সিরাজী,পুনম,খালেদা আক্তার কল্পনা,রাশেদা) - আবুল খায়ের বুলবুল - ১৬.০৬.১৯৮৯
0.5
2,127.086912
20231101.bn_581052_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%B2
রুবেল
৫-৩) বীর বিক্রম (রুবেল-দিতি,জাবেদ-রানী,সোহেল চৌধুরী, প্রবীর মিত্র,আনোয়ার হোসেন,ড্যানি সিডাক,রাজীব) - আহমেদ সাত্তার - ২৩.০৬.১৯৮৯
0.5
2,127.086912
20231101.bn_2943_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
গোয়া
খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দীতে, গোয়ার মৌর্য সাম্রাজ্যের অংশ ছিল, বৌদ্ধ সম্রাট মগধের অশোকের শাসনকর্তা ছিলেন। বৌদ্ধ সন্ন্যাসীরা গোয়ার বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। ২য় শতকের বিসি এবং ৬ষ্ঠ শতকের মাঝামাঝি সময়ে, গোয়া রাজ্যের গোয়াগুলির ভৌগ শাসন করেন। করওয়ারের চুতুস কোহাপুরে সপ্তদশ শতাব্দী (২য় শতাব্দী খ্রিষ্টপূর্বাব্দ থেকে দ্বিতীয় শতাব্দী), পশ্চিমাঞ্চলীয় খ্রিস্টপূর্ব (প্রায় ১৫০ খ্রিষ্টাব্দ), পশ্চিমী মহারাষ্ট্রের আগ্রাসার, গুজরাটের যাদব গোত্রের ভোপা এবং কোকেন কালচেউরিসের মতামত হিসাবে মরিয়াস। পরে বিদ্রোহের চালুকযে়র শাসন চলে, যিনি ৫৭৮ থেকে ৭৫৩ এর মাঝামাঝি সময়ে এবং ৭৫৩ থেকে ৯৬৩ খ্রিষ্টাব্দে মালকধের রাষ্ট্রকূটদের শাসন করেন। ৭৬৫ থেকে ১০১৫ খ্রিষ্টাব্দে কোকেনের দক্ষিণ সিলহারা গুহায় চালুক্য ও রাষ্ট্রকূটদের সামন্তবাদী শাসন করতেন। পরবর্তী কয়েক শতাব্দী ধরে, গোয়া ক্রমবর্ধমান কাদমাবাদের দ্বারা শাসিত হয় পূর্বে কল্যাণী চলোউয়াসদের সামন্তবাদীরা পরে তারা সার্বভৌম গোয়াতে জৈনবাদের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করে।
0.5
2,124.596168
20231101.bn_2943_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
গোয়া
১৩১২ সালে, গোয়া দিল্লী সুলতানাত শাসনের অধীনে এসেছিল। এই অঞ্চলের রাজত্বের দৃঢ়তা ছিল দুর্বল, এবং ১৩৭০ খ্রিষ্টাব্দে এটি বিজয়নগর সাম্রাজ্যের হরিহর আমিকে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়। ১৪৬৯ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বিজয়নগর সাম্রাজ্যের অঞ্চলটি অনুষ্ঠিত হয়, যখন এটি গুড়গুড়ীর বাহমানি সুলতানদের দ্বারা শাসিত হয়েছিল। এই রাজবংশের পতনের পরে, এলাকাটি বেজাপুরের আদিল শাহের হাতে পড়ে, যারা পর্তুগীজদের ভলহা গোয়া (বা পুরাতন গোয়া) নামে পরিচিত তাদের অক্জিলিয়ারী রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
0.5
2,124.596168
20231101.bn_2943_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
গোয়া
১৫১০ খ্রিষ্টাব্দে, পর্তুগিজরা ক্ষমতাসীন বেজাপুর সুলতান ইউসুফ আদিল শাহকে স্থানীয় মিত্র টিমাইয়া সাহায্যে পরাজিত করে। তারা Velha গোয়া একটি স্থায়ী বাস্তু সেট আপ এটি গোয়াতে পর্তুগিজ শাসনের শুরুতে ছিল, যা ১৯৬১ সালে এটির সংযোজন হওয়ার আগে সাড়ে চার শতকের জন্য স্থায়ী হবে।
0.5
2,124.596168
20231101.bn_2943_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
গোয়া
১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগিজরা ভেলহা গোয়া থেকে রাজধানী তেজাই থেকে পালিয়ে যায়। আঠারোোো শতকের মধ্যভাগে, পর্তুগিজ গোয়া বেশিরভাগ বর্তমান রাষ্ট্রীয় সীমাতে বিস্তৃত হয়েছিল। ঐতিহ্যগতভাবে পর্তুগিজরা ভারতের অন্যান্য সম্পত্তি হারিয়ে ফেলে যতক্ষণ পর্যন্ত না তাদের সীমান্ত স্থির হয়ে যায় এবং এস্তাদো দ্য ভারতিয়া পোর্টগুয়েস বা পর্তুগিজ ভারত গঠিত হয়, যার মধ্যে গোয়া বৃহত্তম অঞ্চল ছিল।
0.5
2,124.596168
20231101.bn_2943_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
গোয়া
১৯৪৭ সালে ভারত থেকে ব্রিটিশদের স্বাধীনতা লাভের পর, ভারতীয় উপমহাদেশের পর্তুগিজ অঞ্চলগুলি ভারতে প্রবেশ করতে অনুরোধ জানায়। পর্তুগাল তার ভারতীয় ছিটমহলের সার্বভৌমত্ব উপর আলোচনার প্রত্যাখ্যান। ১৯৬১ সালের ১৯ ডিসেম্বর ভারতীয় বাহিনী অপারেশন বিজয়ের সাথে সামরিক অভিযান শুরু করে, ফলে গোয়া, দমন ও দিউকে ভারতীয় ইউনিয়নে অধিগ্রহণ করা হয়। গোয়া, দমন ও দিউ সহ বরাবরে ভারতের কেন্দ্রীয় শাসিত কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসাবে সংগঠিত হয়। ১৯৮৭ সালের ৩০ শে মে, কেন্দ্রীয় অঞ্চল বিভক্ত হয়ে যায়, এবং গোয়া ভারতের ২৫-পঞ্চমাংশ রাষ্ট্র গঠিত হয়, দমন ও দিউ একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে রয়েছেন।
1
2,124.596168
20231101.bn_2943_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
গোয়া
গোয়া ৩,৭০২ বর্গকিলোমিটার (১,৪২৯ বর্গ মাইল) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। এটি অক্ষাংশ ১৪°৫৩'৫৪" উত্তর এবং ১৫°৪০'০০" উত্তর এবং দ্রাঘিমাংশ ৭৩°৪০'৩৩" পূর্ব এবং ৭৪°২০'১৩" পূর্ব এর মধ্যে অবস্থিত।
0.5
2,124.596168
20231101.bn_2943_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
গোয়া
গোয়া উপকূলবর্তী কোনকান নামে পরিচিত, যা পশ্চিমাঞ্চলীয় পর্বতমালার ক্রমবর্ধমান অববাহিকা, যা ডেকান প্লেটের থেকে পৃথক করে। সর্বোচ্চ পয়েন্ট সোনসোগর যা ১,১৬৭ মিটার (৩,৮২৯ ফুট) উচ্চতায় অবস্থিত। গোয়া রাজ্যে ১০১ কিমি (৬৩ মাইল) উপকূল রয়েছে।
0.5
2,124.596168
20231101.bn_2943_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
গোয়া
গোয়ার সাতটি প্রধান নদী জুয়ারি, মান্ডোভি, তেরেকহোল, চপোরা, গালগিবাগ, কুম্বারুয়া খাল, তালপোনা ও সাল। জুয়ারী এবং মন্দোভিটি হল কুম্বারজুয়া খালের অভ্যন্তরস্থ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী, যা একটি বড় এস্তুয়ারিন জটিল গঠন করে। এইসব নদী দক্ষিণ পশ্চিম বর্ষাকালে বৃষ্টিপাতের ওপর নির্ভর করে এবং তাদের মোহোনা রাজ্যের ভৌগোলিক এলাকার ৬৯% জুড়ে রয়েছে। এই নদীগুলি ভারতের সবচেয়ে ব্যস্ততম নদীর মধ্যে পড়ে। গোয়াতে ৪০টি মোহোনা, আটটি সামুদ্রিক এবং প্রায় ৯০ নদী দ্বীপ রয়েছে। গোয়া নদীর মোট নৌযান দৈর্ঘ্য ২৫৩ কিমি (১৫৭ মাইল)। গোয়াতে কাদম্বব রাজবংশের শাসনকালে নির্মিত ৩০০ টিরও অধিক প্রাচীন পানির ট্যাংক এবং ১০০ টি ঔষধি স্প্রিংস রয়েছে।
0.5
2,124.596168
20231101.bn_2943_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%97%E0%A7%8B%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
গোয়া
দক্ষিণ এশিয়ার সেরা প্রাকৃতিক আশ্রয়স্থলগুলির মধ্যে একটি হল জাউয়ার নদীটির উপর অবস্থিত মরমুগাও আশ্রয়।
0.5
2,124.596168
20231101.bn_11117_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8
দেবদাস
ঘটনা পরম্পরায় দেবদাসকে কলকাতা শহরে পাঠানো হয় পড়াশোনা করার জন্য। কয়েক বছর পর ছুটির সময় সে তার গ্ৰামে ফিরে আসে। কৈশোরে উত্তীর্ণ দুজন হঠাৎই অনুভব করে, তাদের বাল্যকালের বন্ধুত্ত্ব আর‌ও গভীর কিছুতে উত্তীর্ণ হয়েছে। দেবদাস দেখে যে তার ছোটবেলার পারু বদলে গেছে। পার্বতী তাদের কৈশোরের প্রেম বিবাহবন্ধনে পরিস্ফুটনের কথা ভাবে। প্রচলিত সামাজিক রীতি অনুযায়ী, পার্বতীর বাবা-মাকে দেবদাসের বাবা-মায়ের কাছে তাদের বিবাহের প্রস্তাব আনতে হবে।
0.5
2,119.106483
20231101.bn_11117_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8
দেবদাস
পার্বতীর মা দেবদাসের মা হরিমতির কাছে বিয়ের প্রস্তাব আনলে তিনি আনন্দিত হলেও অ-জমিদার পরিবারের সাথে এই সম্পর্ক রাখতে তিনি বিশেষ উৎসাহী হননা। তাছাড়া পার্বতীর পরিবারে দির্ঘকাল থেকে বরের পরিবার থেকে 'পণ' গ্ৰহনের প্রথা চলে আসছে। দেবদাসের মা তাই পার্বতীর পরিবারকে "বেচা-কেনা ছোটঘর" মনে করে এই সম্পর্কে অসম্মত হন। দেবদাসের বাবা, নারায়ণ মুখার্জিও এই যুক্তি সমর্থন করেন। এতে পার্বতীর পিতা নীলকন্ঠ চক্রবর্তী অপমানিত বোধ করেন ও পার্বতীর জন্য আরও ধনী গৃহে বিয়ে ঠিক করেন।
0.5
2,119.106483
20231101.bn_11117_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8
দেবদাস
পার্বতী একথা জানলে দেবদাস অন্তত তাকে গ্ৰহণ করবে এই আশায় রাতের অন্ধকারে তার সাথে দেখা করে। দেবদাস মনস্থির করে তার বাবাকে বললে, তিনি অরাজি হন।
0.5
2,119.106483
20231101.bn_11117_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8
দেবদাস
বিভ্রান্ত অবস্থায়, দেবদাস বাড়ি থেকে কলকাতায় পালিয়ে যায়। সে চিঠি লিখে পার্বতীকে জানায় যে সে এই সম্পর্ক আর রাখতে চায় না।
0.5
2,119.106483
20231101.bn_11117_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8
দেবদাস
পার্বতী বিয়ের জন্য প্রস্তুত হয়। এরপর দেবদাস বললেও আর সে ফিরে যেতে চায় না ও কাপুরুষতার জন্য তাকে ধিক্কার জানায়। তবুও, সে দেবদাসকে বলে যে তার মৃত্যুর আগে যেন সে দেবদাসকে অন্তত একবার দেখতে পায়। দেবদাস এই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়।
1
2,119.106483
20231101.bn_11117_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8
দেবদাস
দেবদাস কলকাতায় ফিরে যায় ও পার্বতীর হাতিপোতা গ্ৰামে ভুবন চৌধুরী নামে এক জমিদারের সাথে বিয়ে হয়। ভুবন চৌধুরীর পূর্বের স্ত্রী মারা গেছেন ও তার তিনজন সন্তান রয়েছে, যারা পার্বতীর প্রায় সমবয়সী বা তার চেয়ে বড়ো।
0.5
2,119.106483
20231101.bn_11117_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8
দেবদাস
কলকাতায় গিয়ে দেবদাসের চুনীলালের সাথে বন্ধুত্ব হয় ও তার মাধ্যমে সে চন্দ্রমুখী নামে এক [[বাঈজী র সাথে পরিচিত হয়। সে দেবদাসের প্রেমে পড়ে, যদিও দেবদাস তাকে ঘৃণা করতে থাকে। হতাশাগ্ৰস্ত দেবদাস অত্যধিক মদ্যপান শুরু করলে তার শরীর ক্রমশ ভে‌‌ঙে পড়ে। চন্দ্রমুখী তার দেখভাল করতে থাকে। দেবদাস তার মনে প্রতিনিয়ত পার্বতী ও চন্দ্রমুখীর তুলনা করতে থাকে ও চন্দ্রমুখীকে সে পারুর কথা বলে। দুঃখ ভুলতে দেবদাস ক্রমশ মদ্যপানের মাত্রা বাড়াতে থাকে ও তাতে তার স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটে। চন্দ্রমুখী বুঝতে পারে যে দেবদাসের ভিতরের আসল মানুষটির আজ পতন ঘটেছে। লক্ষ্যশূন্য দেবদাস শেষপর্যন্ত চন্দ্রমুখীর প্রেমে পড়তে বাধ্য হয়।
0.5
2,119.106483
20231101.bn_11117_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8
দেবদাস
শীঘ্র আসন্ন মৃত্যুর কথা অনুভব করতে পেরে দেবদাস, পারুকে দেওয়া তার পূর্বের প্রতিজ্ঞা পূর্ণ করতে হাতিপোতা গ্ৰামে পার্বতীর কাছে র‌ওনা হয়। পার্বতীর বাড়ির সামনে পৌঁছে, এক অন্ধকার শীতের রাতে শারীরিক ও মানসিক যন্ত্রণায় কাতরাতে কাতরাতে দেবদাসের মৃত্যু হয়। দেবদাসের মৃত্যুর খবর শুনে পার্বতী সেখানে ছুটে যায়, কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর আগেই, বাড়ির লোকজন তাকে বাড়ির চৌকাঠ অতিক্রম করতে দেয়না।
0.5
2,119.106483
20231101.bn_11117_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B8
দেবদাস
শরৎচন্দ্র তার অন্যান্য অনেক উপন্যাসগুলির মতো এটিতেও তৎকালীন বঙ্গসমাজের নিষ্ঠুরতার চিত্র কঠোরভাবে তুলে ধরেছেন, যে সমাজব্যবস্থা এক সত্যিকারের প্রেমের শুভ পরিনতির এক বৃহৎ বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
0.5
2,119.106483
20231101.bn_254168_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%88
লক্ষ্মীবাঈ
রাণী লক্ষ্মী বাঈ ভারতবর্ষের 'জাতীয় বীরাঙ্গনা' হিসেবে ব্যাপক পরিচিতি পান। তাকে ভারতীয় রমণীদের সাহসী প্রতীক ও প্রতিকল্প হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। সুভাষ চন্দ্র বসু'র নেতৃত্বাধীন আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রথম নারী দলের নামকরণ করেন রাণী লক্ষ্মী বাঈকে স্মরণপূর্ব্বক।
0.5
2,113.393711
20231101.bn_254168_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%88
লক্ষ্মীবাঈ
ভারতীয় মহিলা কবি সুভদ্রা কুমারী চৌহান (১৯০৪-১৯৪৮) রাণী লক্ষ্মী বাঈকে স্মরণ করে একটি কবিতা লিখেন। কবিতার নামকরণ করা হয় ঝাঁসী কি রাণী, যাতে জাতীয় বীরাঙ্গনা হিসেবে তাকে উল্লেখ করেছেন তিনি।
0.5
2,113.393711
20231101.bn_254168_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%88
লক্ষ্মীবাঈ
১৮৭৮ সালে কর্ণেল ম্যালসন লিখিত "দ্য হিস্ট্রি অব দ্য ইন্ডিয়ান মুটিনি" পুস্তকে লক্ষ্মী বাঈ বিষয়ে আলোকপাত করেন। তিনি লিখেন,
0.5
2,113.393711
20231101.bn_254168_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%88
লক্ষ্মীবাঈ
সাম্প্রতিককালে, ২১ জুলাই, ২০১১ তারিখে লক্ষ্মী বাঈকে বিশ্বের শীর্ষ ১০ জন ডানপিটে রমণীদের একজন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যারা তাদের স্বামীদের কাছ থেকে সক্রিয় সহযোগিতা পেয়েছিলেন। টাইম ম্যাগাজিনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়। তালিকায় ঝাঁসীর রাণীর অবস্থান ছিল ৮ম।
0.5
2,113.393711
20231101.bn_254168_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%88
লক্ষ্মীবাঈ
ব্রোঞ্জ মূর্তিতে খচিত ভাস্কর্য্যে রানী লক্ষ্মী বাঈকে ঝাঁসী এবং গোয়ালিয়র - উভয় শহরেই ঘোড়ায় আরোহিত অবস্থায় অঙ্কিত করা হয়েছে।
1
2,113.393711
20231101.bn_254168_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%88
লক্ষ্মীবাঈ
জর্জ ম্যাকডোনাল্ড ফ্রেজার রচিত "ফ্ল্যাশম্যান ইন দ্য গ্রেট গেম" শীর্ষক ঐতিহাসিক ও কাল্পনিক উপন্যাসে ভারতীয়দের আন্দোলন সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে। এতে ফ্ল্যাশম্যান এবং রাণী লক্ষ্মী বাঈয়ের মধ্যে অনেকগুলো বৈঠকের কথা তুলে ধরা হয়।
0.5
2,113.393711
20231101.bn_254168_15
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%88
লক্ষ্মীবাঈ
মাইকেল ডি গ্রেস কর্তৃক ফরাসী ভাষায় লিখিত "লা ফ্যামে সেক্রি" উপন্যাসে ঝাঁসীর রাণীর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে তুলে ধরা হয়। এতে রাণী এবং একজন ইংরেজ আইনজীবির মধ্যেকার ঘনিষ্ঠতা তুলে ধরা হয়।
0.5
2,113.393711
20231101.bn_254168_16
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%88
লক্ষ্মীবাঈ
জন মাস্টার লিখিত নাইটরানার্স অব বেঙ্গল উপন্যাসে রডনি স্যাভেজ নামীয় এক ব্রিটিশ অফিসার এবং রানী লক্ষ্মী বাঈয়ের সম্পর্ককে ঘিরে রচিত হয়েছে। জানুয়ারী, ১৯৫১ তে প্রকাশিত বইটি অ্যামেরিকান লিটারেরি গিল্ড'সে মাসের সেরা বই হিসেবে পরিচিতি পেয়েছিল। কিন্তু রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বইটি বেশ কিছু সমালোচনার সম্মুখীন হয়। এটি ছিল ঐতিহাসিক উপন্যাসের একটি ধারা যা ভারতে একটি ব্রিটিশ পরিবারের অংশগ্রহণ নিয়ে রচিত।
0.5
2,113.393711
20231101.bn_254168_17
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%88
লক্ষ্মীবাঈ
মহাশ্বেতা দেবী "ঝাঁসী কি রাণী" নামে একটি বই লিখেছেন। বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন সাগরী এবং মন্দিরা সেনগুপ্তা। উক্ত বইয়ে রাণী লক্ষ্মী বাঈ সম্বন্ধে ব্যাপক ও বিস্তৃতভাবে আলোকপাত করা হয়েছে। এতে ঐতিহাসিক দলিলপত্রাদি, প্রচলিত লোকগাঁথা, কবিতাসমগ্র এবং মুখে মুখে চলে আসা বিভিন্ন তথ্যাবলী সমন্বয় করার মাধ্যমে গবেষণা করা হয়। ঐতিহাসিক দলিলগুলোর অধিকাংশই ঝাঁসীর রাণীর নাতি জি.সি. তাম্বের কাছ থেকে সংগ্রহ করা হয়। বাংলা ভাষায় লিখিত মূল বইটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত হয়, যার আইএসবিএন নং হলোঃ ৮১-৭০৪৬-১৭৫-৮।
0.5
2,113.393711
20231101.bn_6389_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8
সুদান
আরব বিজয়ীরা নুবিয়াতে বহুবার সেনা অভিযান পরিচালনা করে ব্যর্থ হয়। শেষ পর্যন্ত মিসরের আরব প্রধান নুবিয়ানদের সাথে একটি চুক্তি করেন। এ চুক্তি-পরবর্তী ৬৮৭ বছর টিকে ছিল। এ সময় দুই অঞ্চলের মধ্যে যোগাযোগ অনেক বেড়ে যায়। পারস্পরিক বিবাহ, আরব বণিক ও বসতি স্থাপনকারীদের মাধ্যমে সেখানে ধীরে ধীরে ইসলাম ধর্মের প্রসার ঘটে। ১০৯৩ সালে সর্বপ্রথম একজন মুসলিম শাসক নুবিয়ার ক্ষমতায় আসেন।
0.5
2,093.76947
20231101.bn_6389_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8
সুদান
পঞ্চদশ শতকে এ অঞ্চলে ফাঞ্জ সালতানাত প্রতিষ্ঠিত হয়। ষোড়শ শতকে এর আরো বিস্তৃতি ঘটে। তবে ধীরে ধীরে এ সালতানাত দুর্বল হতে থাকে। ১৮২০ সালে মিসরের রাজা মুহাম্মদ আলি সুদান দখলের জন্য প্রায় চার হাজার সেনা পাঠান। এতে দুর্বল ফাঞ্জ সালতানাতের পতন ঘটে। আত্মসমর্পণ করেন শেষ ফাঞ্জ শাসক সপ্তম বাদি।
0.5
2,093.76947
20231101.bn_6389_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8
সুদান
১৮২০ সালে মিসরের ওসমানীয় শাসক মুহাম্মদ আলি পাশা সুদান দখল করেন। নামেমাত্র ওসমানীয়দের অধীনে থাকলেও পাশা মূলত নিজেকে মিসরের স্বাধীন শাসক হিসেবেই প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। পাশা তার ছেলে ইসমাইলকে সুদান শাসনের দায়িত্ব দেন। ইসমাইল ও তার পরবর্তী শাসকরা সুদানে বহু অবকাঠামো গড়ে তোলেন।
0.5
2,093.76947
20231101.bn_6389_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8
সুদান
১৮৭৯ সালে ইসমাইল পদত্যাগে বাধ্য হন এবং ইসমাইলের ছেলে প্রথম তৌফিক বাবার স্থলাভিষিক্ত হন। তবে তৌফিকের দুর্নীতির কারণে সেখানে অল্প দিনের মধ্যেই একটি বিপ্লব হয়। তৌফিক ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে ব্রিটিশদের সাহায্য কামনা করেন। এ সুযোগে ব্রিটিশরা ১৮৮২ সালে মিসর দখল করে নেয়। স্বাভাবিকভাবে সুদানও ব্রিটিশদের দখলে চলে আসে। তখন শুরু হয় ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন। এতে নেতৃত্ব দেন মুহাম্মদ আহমদ ইবনে আবদ আল্লাহ। ১৮৮৫ সালে সুদানে ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল গর্ডনের পতন হয়। সুদান থেকে প্রত্যাহার করা হয় মিসরীয় ও ব্রিটিশ সৈন্য।
0.5
2,093.76947
20231101.bn_6389_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8
সুদান
জিহাদি চেতনায় জনগণকে সংগঠিত করলেও বিপ্লবের পর তিনি দেশটিতে কোনো ইসলামি আইন চালু করেননি। তার উদ্দেশ্য ছিল অনেকটা রাজনৈতিক। তিনি ছিলেন এক ধরনের সামরিক শাসক। তবে ক্ষমতায় আরোহণের মাত্র ছয় মাসের মধ্যে তিনি মারা যান। এরপর ক্ষমতায় আসেন আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মদ। তিনি নিজেকে খলিফা ঘোষণা করেন। এ খলিফার শাসনও ছিল স্বৈরাচারীর মতো। তার নির্দেশে ১৮৮৭ সালে প্রায় ৬০ হাজার সৈন্য ইথিওপিয়ায় অভিযান চালায়। ১৮৮৯ সালে তারা মিসরেও অভিযান চালায়। তবে মিসর অভিযানে পরাজিত হয় তারা। ব্রিটিশ বাহিনীর নেতৃত্বাধীন মিসরীয়রা হটিয়ে দেয় সুদানিদের। ১৮৯৩ সালে বেলজিয়ান ও ইতালিয়ানরা ইথিওপিয়া থেকে সুদানিদের হটাতে সহায়তা করে।
1
2,093.76947
20231101.bn_6389_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8
সুদান
১৮৯০ সালে ব্রিটিশরা সুদানে আধিপত্য পুনঃপ্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। বহু চেষ্টার পর ব্রিটিশরা ১৮৯৯ সালে ইঙ্গ-মিসরীয় সুদান প্রতিষ্ঠা করে। এর ফলে সুদান শাসনের ভার এক মিসরীয় গভর্নরের হাতে ন্যস্ত হয়। ব্রিটিশ সরকারের পরামর্শে এ গভর্নর নিয়োগ করা হতো। সুদান এ সময় মূলত ব্রিটিশ কলোনি হিসেবে পরিচিত ছিল। ১৯২৪ থেকে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশরা সুদানকে দু’টি ভাগে ভাগ করে শাসন করত। দেশটির উত্তরাঞ্চলে সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানদের এবং দক্ষিণাঞ্চলে খ্রিষ্টানদের আধিপত্য টিকিয়ে রেখে। ১৯৫৬ সালে সুদান ব্রিটিশদের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।
0.5
2,093.76947
20231101.bn_6389_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8
সুদান
ব্রিটিশ শাসনের শুরু থেকেই মিসরীয়রা দাবি করতে থাকে, মিসর ও সুদান এক রাষ্ট্র হবে। কিন্তু মিসরীয়রা শেষ পর্যন্ত উপলব্ধি করে, সুদানের ওপর মিসরীয় সার্বভৌমত্ব দাবি বাতিল না করলে ব্রিটিশরা স্বাধীনতাকে বিলম্বিত করবে। এ উপলব্ধির পর ১৯৫৪ সালে মিসরীয়রা ব্রিটিশদের সাথে একটি চুক্তি করে। ওই চুক্তি অনুসারে ১৯৫৬ সালের ১ জানুয়ারি সুদান স্বাধীনতা লাভ করে। ইসমাইল আল আজহারি সুদানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও আধুনিক সুদানের প্রথম সরকারের নেতৃত্ব দেন।
0.5
2,093.76947
20231101.bn_6389_15
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8
সুদান
তবে স্বাধীনতার এক বছর আগে ১৯৫৫ সালে দেশটিতে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। খ্রিষ্টান অধ্যুষিত দক্ষিণাঞ্চলের আশঙ্কা, স্বাধীন সুদানে নেতৃত্ব দেবে উত্তরের মুসলমান জনগোষ্ঠী। কারণ উত্তরাঞ্চলের মুসলমানদের সাথে মিসরসহ আরব বিশ্বের সুসম্পর্ক রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে দুই অঞ্চলে দুই ধরনের প্রশাসন চালুর দাবি জানায় ব্রিটিশরা।
0.5
2,093.76947
20231101.bn_6389_16
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%A8
সুদান
১৯৫৫ থেকে ১৯৭২ সাল পর্যন্ত দেশটিতে গৃহযুদ্ধ চলে। গৃহযুদ্ধ চলতে থাকলে স্বাধীনতার পরপরই একজন সামরিক কর্মকর্তা দেশটির ক্ষমতা দখল করেন। ১৯৭২ সালে এক চুক্তিতে দেশটিতে গৃহযুদ্ধের অবসান হলেও ১৯৮৩ সালেই আবার গৃহযুদ্ধ শুরু হয় দেশটিতে।
0.5
2,093.76947
20231101.bn_270535_19
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8
আগুন
এছাড়াও আগুন শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে নির্যাতন এবং মৃত্যুদণ্ডের একটি উপায় হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যেমন দগ্ধ করে মৃত্যুদণ্ড এবং সেই সাথে লোহার বুটের মত নির্যাতন যন্ত্র, যা পানি, তেল, এমনকি সীসা দিয়ে ভর্তি করে পরিধানকারীর যন্ত্রণার জন্য উন্মুক্ত আগুনের উপর উত্তপ্ত করা যেতো।
0.5
2,085.823194
20231101.bn_270535_20
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8
আগুন
নব্যপ্রস্তর যুগীয় বিপ্লব অবধি, শস্য ভিত্তিক কৃষি প্রবর্তনের সময়, সারা বিশ্বের মানুষ প্রাকৃতিক ব্যবস্থাপনায় আগুন কে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে শুরু করে। এটি অনিয়ন্ত্রিত "উষ্ণ আগুন", যা মাটিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে, তা নয় বরং এটি নিয়ন্ত্রিত বা "শীতল আগুন"। উষ্ণ আগুন উদ্ভিদ এবং প্রাণী ধ্বংস করে এবং বিভিন্ন গোষ্ঠীকে বিপন্ন করে। এটি বিশেষত বর্তমানকালের বনের একটি সমস্যা যেখানে কাষ্ঠল ফসলের বৃদ্ধি উৎসাহিত করার জন্য প্রচলিত আগুনের নিবারণ করা হয়। শীতল আগুন সাধারণত বসন্ত এবং শরৎকালে তৈরি করা হয়। এর সাহায্যে লতাগুল্ম পরিষ্কার করা হয় ও বায়োমাস পোড়ানো হয়, যা অধিক ঘন হয়ে গেলে উষ্ণ আগুন তৈরি করতে পারে। এগুলো পরিবেশে অধিক বিভিন্নতা প্রদান করে যা উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সৃষ্টিতে সহায়তা করে। এগুলো ঘন, অচল বন মানুষের পক্ষে অতিক্রমযোগ্য করে তোলে। প্রাকৃতিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে অগ্নিকাণ্ডের আরেকটি ব্যবহার হচ্ছে কৃষিকাজের জন্য জমি পরিষ্কার। এই ধরনের কৃষি এখনও ক্রান্তীয় আফ্রিকা, এশিয়া এবং দক্ষিণ আমেরিকা জুড়ে প্রচলিত। আর্থ ইনস্টিটিউটের সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চ এন্ড কনজারভেশন-এর একজন পরিবেশবিদ, মিগুয়েল পিনেদো-ভাস্কুয়েজ এর মতে "বর্ধিত এলাকা পরিষ্কার এবং মাটিতে বৃদ্ধিপ্রাপ্ত গাছপালা থেকে পুষ্টি পুনরায় মাটিতে মুক্ত করার ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য, এটি একটি উপযুক্ত উপায়"। তবে এই উপযুক্ত কৌশলটিও সমস্যাজনক। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, বন উজাড়করণ এবং উষ্ণ জলবায়ু পৃথিবীর পৃষ্ঠকে আরও অধিক দাবানল প্রবণ করে তুলছে। এগুলো বাস্তুতন্ত্র এবং মানব অবকাঠামোর ক্ষতি করে, স্বাস্থ্য-জনিত সমস্যার সৃষ্টি করে, এবং কার্বন এবং স্যুটের সর্পিল পাঠায় যা বায়ুমণ্ডলের আরো উষ্ণতাকে উৎসাহিত করতে পারে - এবং এইভাবে আরো আগুনে খাওয়ানো হয়। এগুলো বাস্তুতন্ত্র এবং মানব অবকাঠামোর ক্ষতি করে, স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করে এবং কার্বন ও সুট্‌ এর নির্গমন ঘটিয়ে বায়ুমণ্ডলের উষ্ণতাকে আরো প্রণোদিত করতে পারে। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী, প্রায় ৫০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার, যা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্ধেকের বেশির এলাকার সমান, একটি নির্দিষ্ট বছরে পুড়ে যায়।
0.5
2,085.823194
20231101.bn_270535_21
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8
আগুন
আগুনের অসংখ্য আধুনিক প্রয়োগ রয়েছে। বৃহত্তর অর্থে, পৃথিবীর প্রায় প্রতিটি মানুষই প্রতিদিনি একটি নিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থায় আগুন ব্যবহার করে। অন্তর্দহন ইঞ্জিন বিশিষ্ট যানবাহন ব্যবহারকারীরা প্রতিবার গাড়ি চালানোর সময় আগুন ব্যবহার করে। তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করে মানুষের চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করা হয়।
0.5
2,085.823194
20231101.bn_270535_22
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8
আগুন
যুদ্ধে আগুন ব্যবহারের একটি দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। আগুন সব প্রারম্ভিক তাপীয় অস্ত্রের ভিত্তি হিসেবে কাজ করেছে। ট্রোজান যুদ্ধের সময় একটি কাঠের ঘোড়ায় লুকিয়ে, গ্রিক সৈন্যদের ট্রয় পুড়িয়ে ফেলার ঘটনা হোমার বর্ণনা করেছেন। পরবর্তীতে বাইজেন্টাইন নৌবহর জাহাজ ও সৈন্য আক্রমণ করতে গ্রিকদের তৈরি আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে, পদাতিক বাহিনী সর্বপ্রথম আধুনিক ফ্লেমথ্রোয়ার বা অগ্নি-বর্ষক ব্যবহার করে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সফলভাবে সশস্ত্র যানবাহনে এই অস্ত্র সংযুক্ত করা হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে, অক্ষ এবং মিত্রশক্তি উভয়েই সমানভাবে আগ্নেয় বোমা ব্যবহার করে, উল্লেখযোগ্যভাবে টোকিও, রটার্ডাম, লন্ডন, হামবুর্গ এবং কুখ্যাতভাবে ড্রেসডেনে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমান বাহিনী যুদ্ধের শেষ মাসগুলোতে জাপানি লক্ষ্যবস্তুর বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে আগ্নেয় বোমা প্রয়োগ করে ও প্রাথমিকভাবে কাঠ এবং কাগজের বাড়ি নির্মিত সমগ্র শহর ধ্বংস করে। ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে তারা নাপ্লাম বোমা ব্যবহার শুরু করে; যদিও ভিয়েতনাম যুদ্ধের আগ পর্যন্ত এর ব্যবহার জনগণের মনোযোগ আকর্ষণ করেনি, এ যুদ্ধে মলটভ ককটেইল ও ব্যবহার করা হয়।
0.5
2,085.823194
20231101.bn_270535_23
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8
আগুন
জ্বালানি প্রজ্জ্বলিত করা হলে ব্যবহারযোগ্য শক্তি মুক্ত হয়। কাঠ একটি প্রাগৈতিহাসিক জ্বালানি এবং আজও জীবাশ্ম জ্বালানি হিসেবে বেশ কার্যকর। বিদ্যুৎ কেন্দ্রে খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, এবং কয়লার মত জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার করে বর্তমানে বিশ্বের অধিকাংশ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়; ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি বা আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, ২০০২ সালে বিশ্বের প্রায় ৮০% শক্তি এসব উৎস থেকে এসেছে। বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রে আগুনের সাহায্যে পানি উত্তপ্ত করে বাষ্প তৈরি করা হয় যা টার্বাইন চালায়। এরপর টার্বাইন, একটি বৈদ্যুতিক জেনারেটরের ঘূর্ণনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। এছাড়াও বাহ্যিক এবং অন্তর্দহন উভয় ইঞ্জিনেই আগুনের সাহায্যে সরাসরি যান্ত্রিক কাজ লাভ করা যায়।
1
2,085.823194
20231101.bn_270535_24
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8
আগুন
আগুন জ্বলার পর দাহ্য পদার্থের অদহনযোগ্য কঠিন অবশেষের গলনাঙ্ক শিখা তাপমাত্রার নিচে থাকলে তাকে ক্লিঙ্কার বলা হয় , যাতে এটি শীতল হয়ে ঘনীভূত হয় এবং এই অবশেষকে ছাই বলা হয় যদি এর গলনাঙ্ক শিখা তাপমাত্রার উপরে থাকে।
0.5
2,085.823194
20231101.bn_270535_25
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8
আগুন
বিশ্বব্যাপী দাবানল প্রতিরোধের জন্য বিভিন্ন কৌশল ব্যবহার করা হয়, যেমন বন্যভূমির আগুন ব্যবহার বা নিয়ন্ত্রিত অগ্নিকাণ্ড। বন্যভূমির আগুন ব্যবহার অর্থ হলো প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট আগুন পর্যবেক্ষণ করা হয় কিন্তু পুড়তে দেওয়া হয়। নিয়ন্ত্রিত অগ্নিকাণ্ড হলো কম বিপজ্জনক আবহাওয়ায় সরকারী সংস্থা দ্বারা প্রজ্জ্বলিত আগুন।
0.5
2,085.823194
20231101.bn_270535_26
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8
আগুন
অনিয়ন্ত্রিত আগুন নেভানোর জন্য অধিকাংশ উন্নত এলাকায় দমকল বাহিনী অগ্নিনির্বাপন সেবা প্রদান করে থাকে। প্রশিক্ষিত দমকল বাহিনীর কর্মীরা প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, পানি সরবরাহ ব্যবস্থা যেমন ফায়ার হাইড্রান্ট অথবা ফোম ব্যবহার করে আগুন নিয়ন্ত্রণ করে।
0.5
2,085.823194
20231101.bn_270535_27
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%97%E0%A7%81%E0%A6%A8
আগুন
অগ্নিনির্বাপন মূলত আগুন জ্বলনের উৎস হ্রাস করার উদ্দেশ্যে করা হয়। এছাড়াও কীভাবে আগুন এড়াতে হয় মানুষকে সে শিক্ষা দেওয়াও এর অন্তর্ভুক্ত। বিভিন্ন বিদ্যালয় এবং উঁচু ভবনে প্রায়ই ফায়ার ড্রিল পরিচালনা করে নাগরিকদের অগ্নিকাণ্ডের প্রতিক্রিয়া কেমন হওয়া উচিত সে শিক্ষা দেওয়া হয়। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ধ্বংসাত্মক আগুন জ্বালানো অধিকাংশ স্থানেই অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।
0.5
2,085.823194
20231101.bn_552635_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8
তাস
তাস বিশেষত ভারি কাগজ, পাতলা পিচবোর্ড, প্লাস্টিক প্রলিপ্ত কাগজ বা পাতলা প্লাস্টিক দ্বারা নির্মিত কাগজের টুকরো বিশেষ যাতে আলাদা কতগুলো সতন্ত্র চিহ্ন অঙ্কিত থাকে এবং এগুলো তাসখেলায় ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারের সুবিধার্থে তাসের আকার সাধারণত করতলের সমান রাখা হয়।
0.5
2,081.603145
20231101.bn_552635_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8
তাস
তাসের একটি সম্পূর্ণ সেটকে ইংরেজিতে প্যাক বা ডেক ও অন্যসব ভাষায় সেট বলে এবং খেলার সময় তাসের উপসেটকে সাধারণত হ্যান্ড বা হাত বলা হয়। তাসের একটি সেট বিভিন্ন রকমের খেলা খেলতে ব্যবহৃত হতে পারে, নানান রকম উপাদান দক্ষতা ও সুযোগ সহ, টাকার জন্যেও তাসের ব্যবহার হয় (যেমঃ কাসিনোতে জুজু ও ব্লাকজ্যাক)। তাসের পাত্তি বিভ্রম সৃষ্টি, তাসের ঘর তৈরি, ভাগ্যগণনা ও স্মৃতি ক্রীড়া খেলা ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
0.5
2,081.603145
20231101.bn_552635_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8
তাস
একটি সেটের প্রতিটি তাসের সম্মুখে (অথবা সোজা দিকে) আলাদা আলাদা চিহ্ন অঙ্কিত থাকে এবং খেলার নিয়ম অনুযায়ী সেগুলোর ব্যবহার নির্ধারণ করা হয়। একটি সেটের প্রতিটি তাসের উল্ট দিক অভিন্ন রাখা হয়, যাতে তাসটি কী চিহ্নের তা না বোঝা যায়। সাধারণত প্রত্যেক তাস মসৃণ হয়; তবে, অন্ধ মানুষদের জন্য সংখ্যা ও চিহ্নরূপ বুঝার সুবিধার্থে ব্রেইল ব্যবহার করা হয়।
0.5
2,081.603145
20231101.bn_552635_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8
তাস
উৎসর্গকৃত তাসখেলার জন্য আলাদা সেট থাকে যা শুধুমাত্র নির্দিষ্ট খেলায় ব্যবহৃত হয়। এই নিবন্ধে বর্ণীত তাসগুলো বিভিন্ন খেলায় ব্যবহৃত হয় এবং সবগুলোরই সাধারণ উৎপত্তি মূল মামলুক মিসরের মান্য সেট থেকে। একটি সেট চার রকমের চিহ্নেরূপে (Suit) বিভক্ত, প্রত্যেক চিহ্নেরূপে তিনটি ফেস পাত্তি ও সাংখ্যিক পাত্তি অথবা পিপ পাত্তি থাকে।
0.5
2,081.603145
20231101.bn_552635_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8
তাস
পাণ্ডিত্যপূর্ণ ঐক্যমত্য যে তাসের উৎপত্তি সাম্রাজিক চীনে হয়েছিল। সেগুলো সর্বপ্রথম তাং রাজবংশের (৬১৮-৯০৭) সময় ৯ম শতাব্দীর প্রথম দিকে উদ্ভাবিত হয়েছিল। এবং ২৯ খেলার জনক কারলস্‌ বিদ্যুৎ। তিনি ৯ম শতাব্দীর মধ্যভাগে তাসের এই খেলাটি আবিস্কার করেন।
1
2,081.603145
20231101.bn_552635_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8
তাস
পারস্য দেশে তাসের আগমনকাল সম্পর্কে জানা যায় না। তবে হতে পারে সিল্ক রোড অথবা ১৩য় শতাব্দীকালে মোঙ্গলদের হাত ধরে পারস্যে তাসের আগমণ ঘটে। পার্শি তাসে, গানজেফা বা গানজাফা নামে পরিচিত, যেখানে আটপ্রকার চিহ্নরূপ (suit) বর্তমান। ১৬ শতাব্দীর প্রথমদিকে মুঘলগণ ভারতে তাসের আবির্ভাব ঘটান, তখন ভারতেও তাসকে গানজাফা বলা হত।
0.5
2,081.603145
20231101.bn_552635_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8
তাস
১। খেলোয়াড় এবং কার্ডঃ টুয়েন্টি নাইন খেলতে চারজন বন্ধুর দরকার। দুজনের দুটি গ্রুপে বিভক্ত হয়ে খেলাটি খেলতে হবে। একি দলের দুজন মুখোমুখি বসতে হবে। এভাবে চারজন গোল হয়ে বসে খেলা শুরু করবেন।
0.5
2,081.603145
20231101.bn_552635_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8
তাস
২। ৫২টি কার্ড থেকে ৩২টি কার্ড ব্যবহার করা হয় খেলার জন্যে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে ৮টি করে কার্ড নেয়া হয়। অর্থাৎ ডায়মন্ড, হার্টস, স্পেড এবং ক্লাবস এর গ্রুপে
0.5
2,081.603145
20231101.bn_552635_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8
তাস
এ আটটি করে কার্ড খেলার জন্যে নেয়া হবে। এদের পাওয়ার উপরের ক্রমিক অনুসারে। বাকী কার্ডগুলর মদ্ধ্যে ২ থেকে ৫ পর্যন্ত কার্ড ট্রাম কার্ড । দেখানোর জন্যে ব্যবহার করা হবে। এগুল স্তুপ করে মাঝখানে রেখে দিতে হবে। আর একটি করে রেড এবং ব্ল্যাক কালারের ৬ নম্বর কার্ডটি দুটি গ্রুপের স্কোর রাখার জন্যে ব্যবহার হবে। অর্থাৎ ডায়মন্ড এবং ক্লাবস পাবে একটি গ্রুপ হার্টস এবং স্পেড পাবে অপর গ্রুপ।
0.5
2,081.603145
20231101.bn_4712_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A6%BF/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A6%B8
এইচআইভি/এইডস
২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বে প্রায় ৩ কোটি ৬৭ লক্ষ লোক এইচআইভি (মানব প্রতিরক্ষা অভাবসৃষ্টিকারী ভাইরাস) দ্বারা আক্রান্ত ছিল এবং ঐ বছর এইডসের কারণে ১০ লক্ষ লোকের মৃত্যু হয়। তবে ২০১৬ সালে ২০১৫ সালের তুলনায় নতুন এইচআইভি সংক্রমণের সংখ্যা ৩ লক্ষ কম ছিল। বেশির ভাগ এইডস আক্রান্ত রোগীই সাহারা-নিম্ন আফ্রিকাতে বাস করে। ১৯৮০-র দশকের শুরুতে রোগটি চিহ্নিত করার পর থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত সারা বিশ্বব্যাপী এইডস রোগে মোট আনুমানিক ৩ কোটি ৫০ লক্ষ লোক মারা গেছে। এইডসকে বর্তমানে একটি মহামারী ব্যাধি হিসেবে গণ্য করা হয়, যা বিশ্বের বিশাল এক আয়তন জুড়ে বিদ্যমান এবং যা সক্রিয়ভাবে ছড়িয়ে পড়ছে। এইচআইভি ভাইরাসটি সম্ভবত ১৯শ শতকের শেষভাগে বা ২০শ শতকের শুরুর দিকে পশ্চিম-মধ্য আফ্রিকাতে উৎপত্তিলাভ করে। ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র সিডিসি সর্বপ্রথম রোগটি শনাক্ত করে এবং তার পরে ১৯৮০-র দশকের শুরুর দিকে এই রোগের কারণ হিসেবে এইচআইভি ভাইরাসকে শনাক্ত করা হয়। সিডিসি'র (রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র, যুক্তরাষ্ট্র সরকার) ২০১৭ সালের জরিপ অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রে এইচ.আই.ভি. আক্রান্তের ৭০ শতাংশই সমকামী এবং উভকামী পুরুষ।
0.5
2,077.990265
20231101.bn_4712_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A6%BF/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A6%B8
এইচআইভি/এইডস
এইচ.আই.ভি. ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত গ্রহণ করলে, বা তার ব্যবহৃত ইনজেকশনের সিরিঞ্জ বা সূঁচ ব্যবহার করলে।
0.5
2,077.990265
20231101.bn_4712_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A6%BF/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A6%B8
এইচআইভি/এইডস
এইচ.আই.ভি. ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত গর্ভবতী মায়ের শিশুরও আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা গর্ভধারণের শেষদিকে বা প্রসবের সময় হতে পারে। তবে জিডোভুডিন ওষুধ ব্যবহার করে এই সম্ভাবনা কিছুটা কমিয়ে আনা যায়, এবং তা করলে মায়ের বুকের দুধও বাচ্চাকে দেওয়া যেতে পারে (কারণ মায়ের বুকের দুধ না পেলে গরিব ঘরে জন্মানো বাচ্চার মৃত্যুসম্ভাবনা আরো বেশি)
0.5
2,077.990265
20231101.bn_4712_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A6%BF/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A6%B8
এইচআইভি/এইডস
আসলে দেহজাত অধিকাংশ তরল ক্ষরণে এইচ.আই.ভি. নিষ্কৃত হয়। তবে স্নেহপদার্থের আবরণ (envelop) থাকায় এইচ.আই.ভি. অত্যন্ত ভঙ্গুর। তাই এইচ.আই.ভি. শরীরের বাইরে বেশিক্ষণ বাঁচেনা। এই কারণে সরাসরি রক্ত বা যৌন নিঃসরণ শরীরে প্রবেশ না করলে এইচ.আই.ভি. সংক্রমণের সম্ভাবনা খুব কম। শুধুমাত্র স্পর্শ, একসাথে খাওয়া, এমনকি একই জামাকাপড় পরা, বা মশার কামড়ে কখনো এইচ.আই.ভি. ছড়ায়না। তাই এইচ.আই.ভি. সংক্রমণ ছোঁয়াচে নয় (not contageous)।
0.5
2,077.990265
20231101.bn_4712_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A6%BF/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A6%B8
এইচআইভি/এইডস
এইডস একটি ভয়ানক ব্যাধি। ১৯৮১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিডিসি (Center of Disease Control and Prevention) তথা রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র এই রোগ প্রথম শনাক্ত করে। নিউমোসিস্টিন কারিনি (Pneumocystis carinii) এবং কাপোসি-র সার্কোমা (Kaposi's sarcoma) নামে দুটি বিরল রোগের সংক্রমণ ভয়াবহভাবে বৃদ্ধি পেলে CDC সতর্ক হয়ে ওঠে। অবশেষে ১৯৮৪ সালে ফ্রান্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানীরা এই মহামারী রোগের ভাইরাস শনাক্ত করেন। ফরাসি বৈজ্ঞানিকেরা এর নাম দেন লিম্ফাডেনোপ্যাথি-অ্যাসোসিয়েটেড ভাইরাস (Lymphadenopathy-associated virus, LAV) অর্থাত "লসিকাগ্রন্থির রোগ-সংশ্লিষ্ট ভাইরাস"। আর মার্কিনীরা এর নাম দেয় Human T-cell Lymphotropic virus, strain III (HTLV III) অর্থাৎ "মানব টি-কোষ লসিকাগ্রন্থি-অভিমুখী ভাইরাস"। ১৯৮৬ সালে এই ভাইরাসের পুনঃনামকরণ করা হয় Human ImmunoDeficiency Virus (HIV) অর্থাাই "মানব প্রতিরক্ষা অভাব সৃষ্টিকারী ভাইরাস"। এইচ আই ভি ভাইরাস মানুষের শরীরের টি-সহায়ক কোষগুলিকে (T-helper cell) আক্রমণ করে যেগুলি শরীরের রোগ প্রতিরোধের জন্যে অতীব প্রয়োজনীয়।
1
2,077.990265
20231101.bn_4712_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A6%BF/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A6%B8
এইচআইভি/এইডস
এইডস এখন বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে। ২০০৭ সালের গণনা অনুযায়ী বিশ্বব্যাপী আনুমানিক ৩ কোটি ৩২ লক্ষ মানুষ এইডস-এ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে যাদের মধ্যে ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ছিলো শিশু। এর তিন-চতুর্থাংশেরই মৃত্যু ঘটেছে আফ্রিকার সাহারা-নিম্ন ও অর্থনৈতিকভাবে অনগ্রসর অঞ্চলে।
0.5
2,077.990265
20231101.bn_4712_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A6%BF/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A6%B8
এইচআইভি/এইডস
এইচ আই ভি ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত বেশির ভাগ রোগীই কোন লক্ষণ ছাড়া এই রোগ বহন করে। তবে কখনো কখনো এই ভাইরাসে আক্রান্ত হবার ৬ থেকে ৭ সপ্তাহ পরে কিছু অনির্দিষ্ট লক্ষণ দেখা দিতে পারে যেমন জ্বর, গলা ব্যাথা, মাথা ব্যথা, ফুলে ওঠা লসিকা গ্রন্থি (enlarged lymph node), ইত্যাদি। এইসব লক্ষণ কোনও রকম চিকিৎসা ছাড়াই সেরে যায়, যার কারণে রোগী এ ভাইরাস সম্পর্কে অবগত হয়না। এইচ আই ভি ভাইরাস কোনরকম লক্ষণ ছাড়াই সর্বোচ্চ ১০ বছর মানুষের শরীরে নিরবে বাস করতে পারে।
0.5
2,077.990265
20231101.bn_4712_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A6%BF/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A6%B8
এইচআইভি/এইডস
এইডস রোগের কোন চিকিৎসা এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। গবেষকরা এ পর্যন্ত অনেক ঔষধ আবিষ্কার করেছেন। প্রথম শ্রেণীর ঔষধের নাম নিউক্লিওসাইড রিভার্স ট্রান্সক্রিপটেজ ইনহিবিটর (Nucleoside reverse transcriptase inhibitors), যা এইচ আই ভি ভাইরাসের সংক্রমণকে বিলম্বিত করে। দ্বিতীয় শ্রেণীর ঔষধের নাম প্রোটিয়েজ ইনহিবিটর (Protease inhibitors) যা এইচ আই ভি ভাইরাসের পুনর্বৃত্তিতে (replication) বাধা সৃষ্টি করে। যেহেতু শুধু যে কোনও একটি শ্রেণীর ঔষুধ এককভাবে শরীরে কার্যকর হয় না, তাই সমন্বিত ঔষধ দেয়া হয়। এই চর্চাকে বলা হয় হার্ট বা হাইলি অ্যাকটিভ অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (HAART, Highly Active Antiretroviral Therapy) অর্থাৎ অতি সক্রিয় রেট্রোভাইরাস প্রতিরোধী চিকিৎসা। যদিও হার্ট (HAART) এইডস উপশম করে না, এটি এইডস রোগীর মৃত্যুসংখ্যা কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।
0.5
2,077.990265
20231101.bn_4712_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%9A%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%AD%E0%A6%BF/%E0%A6%8F%E0%A6%87%E0%A6%A1%E0%A6%B8
এইচআইভি/এইডস
এইচআইভি-১ এবং এইচআইভি -২ উভয় ধরনের ভাইরাসই পশ্চিম-মধ্য আফ্রিকার অ-মানব প্রজাতির প্রাণী থেকে উৎপত্তি বলে ধারণা করা হয়, যেগুলি ২০শ শতকের প্রথম দিকে মানুষের মধ্যে স্থানান্তরিত হয়। এইচআইভি-১ ভাইরাসটি দক্ষিণ ক্যামেরুনে সিআইভি (সিপিজি) নামক ভাইরাসের বিবর্তনের মাধ্যমে উৎপন্ন হয়েছে বলে মনে করা হয়। সিআইভি হল সিমিয়ান ইমিউনোডফেসিসিস ভাইরাস (সিআইভি) তথা "বানরজাতীয় প্রাণীর প্রতিরক্ষা অভাবসৃষ্টিকারী ভাইরাস", যা বন্য শিম্পাঞ্জিকে সংক্রামিত করে (এইচআইভি-১ শিম্পাঞ্জির উপপ্রজাতি প্যান ট্রগলডাইজ ট্রগলোডাইটে সিআইপিপিএস ডেনডিক্স থেকে উৎপত্তি হয়)। এইচআইভি-২ এর নিকটতম আত্মীয় SIV (smm), সোটি ম্যাগাজি (সেরোকসবুস এটিস এটিস) এর একটি ভাইরাস, উপকূলীয় পশ্চিম আফ্রিকায় বসবাসকারী একটি পুরানো বিশ্বের বানর (দক্ষিণ সেনেগাল থেকে কোত দিভোয়ারের পশ্চিমাংশ পর্যন্ত)। নতুন বিশ্বের বানর যেমন আওল বানর এইচআইভি-১ সংক্রমণ প্রতিরোধী, সম্ভবত দুটি ভাইরাস প্রতিরোধক জিনের একটি জেনোমিক সংযোজক তাদের দেহে বিদ্যমান। মনে করা হয় এইচআইভি-১ ভাইরাস অন্ততপক্ষে তিনটি পৃথক অবস্থানের উপর ভিত্তি করে এম, এন এবং ও-এর তিন গ্রুপের ভাইরাসকে উৎসাহিত করে ।
0.5
2,077.990265
20231101.bn_28617_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মুর্শিদাবাদ
অষ্টাদশ শতাব্দীর সময় মুর্শিদাবাদ একটি সমৃদ্ধ শহর ছিল। সত্তর বছর ধরে এটি মুঘল সাম্রাজ্যের বঙ্গ সুবাহের রাজধানী ছিল, আধুনিক-আধুনিক বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার রাজ্যগুলির আওতাধীন এই অঞ্চলটি ছিল। এটি ছিল বাংলার বংশগত নবাব এবং রাজ্যের কোষাগার, রাজস্ব অফিস এবং বিচার বিভাগের আসন। বাংলা ছিল সবচেয়ে ধনী মুঘল প্রদেশ। মুর্শিদাবাদ ছিল একটি বৈশ্বিক শহর। ১৭৫০ এর দশকে এর জনসংখ্যা ৭ লাখে পৌঁছেছে। এটি ছিল জগৎ শেঠ এবং আর্মেনীয়দের সহ ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল এবং বিস্তৃত ইউরেশিয়ার ধনী ব্যাংকিং এবং বণিক পরিবারগুলির বাড়ি।
0.5
2,074.856218
20231101.bn_28617_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মুর্শিদাবাদ
মুর্শিদাবাদের আগের নাম ছিল মুখসুসাবাদ, লোকে বলতো মুখসুদাবাদ। তারও আগে নাম ছিল সৈদাবাদ। আইন-ই-আকবরি-তে উল্লেখ আছে - মখসুস খাঁ নামে একজন ওমরাহ ছিলেন দিল্লীর বাদশা আকবরের অধীনে রাজমহলের ফৌজদার। তার ভাই সৈয়দ খাঁ ছিলেন আকবরের অধীনে বাংলার সুবাদার (১৫৮৭ - ১৫৯৫ সাল)। সুবাদার সৈয়দ খাঁর নাম থেকে সৈদাবাদ হয়েছিল। সয়েরউল-মুতাক্ষরীণ এ উল্লেখ আছে তারও আগে নাম ছিল কুলাডিয়া।
0.5
2,074.856218
20231101.bn_28617_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মুর্শিদাবাদ
মখসুস খাঁ পর্তুগীজদের বাংলা থেকে তাড়ানোর জন্য সৈন্য নিয়ে আসেন। ষোলো শতকের শেষ দশকসমূহে বাংলা এবং বিহারে দায়িত্ব পালন করেন মখসুস খাঁ। তিনি একটি বিশ্রামাগার নির্মাণ করেন এবং দোকান দ্বারা একে ঘিরে রাখেন। স্থানটি তার নামানুসারে মুখসুসাবাদ বা মুখসুদাবাদ নামে পরিচিত হয়।
0.5
2,074.856218
20231101.bn_28617_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মুর্শিদাবাদ
১৭০৪ সালে নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ রাজস্ব আদায় কেন্দ্র ঢাকা থেকে স্থানান্তরিত করেন মুখসুদাবাদে। তারপর দিল্লীর সম্রাট ঔরঙ্গজেবের অনুমতি পেয়ে নিজের নামে মুখসুদাবাদের নাম পরিবর্তন করে রাখেন মুর্শিদাবাদ।মুর্শিদাবাদ বাংলা,বিহার ও ওড়িষার রাজধানী ছিল।
0.5
2,074.856218
20231101.bn_28617_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মুর্শিদাবাদ
ভারতের ২০০১ সালের আদম শুমারি অনুসারে মুর্শিদাবাদ জেলার জনসংখ্যা হল ৫৮,৬৬,৫৬৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৫১% এবং নারী ৪৯%।
1
2,074.856218
20231101.bn_28617_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মুর্শিদাবাদ
এখানে সাক্ষরতার হার ৬৬%। পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭১% এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৬১%। সারা ভারতের সাক্ষরতার হার ৫৯.৫%, তার চাইতে মুর্শিদাবাদ এর সাক্ষরতার হার বেশি।
0.5
2,074.856218
20231101.bn_28617_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মুর্শিদাবাদ
এই শহর ছুঁয়ে জাতীয় সড়ক ৩১২ গিয়েছে। শহরের মধ্যভাগ দিয়ে সিরাজ উদ দৌলা রোড জিয়াগঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত।
0.5
2,074.856218
20231101.bn_28617_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মুর্শিদাবাদ
জাহানকোষা - আনুমানিক ১৭০৪-০৫ সালে নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ ঢাকা থেকে রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তরিত করবার সময় ওই কামানটি এখানে নিয়ে আসেন।
0.5
2,074.856218
20231101.bn_28617_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A7%81%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6
মুর্শিদাবাদ
কাটরা মসজিদ - এটি ১৭২৩ এবং ১৭২৪ সালের মধ্যে নির্মিত হয়। এখানে নওয়াব মুর্শিদকুলি খাঁ-এর সমাধি রয়েছে। এটি ভারতীয় উপমহাদেশের বৃহত্তম কাফেলা কেন্দ্রের একটি।
0.5
2,074.856218
20231101.bn_66976_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%B2
অ্যালকোহল
রসায়নে অ্যালকোহল () বলতে এমন সব জৈব যৌগকে বোঝায় যাদের হাইড্রক্সিল কার্যকারী গ্রুপটি একটি অ্যালকাইল বা অ্যারাইল গ্রুপের কার্বনের সাথে একটি বন্ধনের মাধ্যমে যুক্ত থাকে। সাধারণভাবে অ্যালকোহলকে CnH2n+1OH এই সাধারণ সূত্রের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
0.5
2,069.170729
20231101.bn_66976_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%B2
অ্যালকোহল
আলকোহল শব্দটি আরবি শব্দ "আল-কুহ" থেকে এসেছে যার অর্থ সাধারণভাবে ইথানল। ইথানল বর্ণহীন একধরনের উদ্বায়ী তরল যা গাঁজনের মাধ্যমে আখ থেকে তৈরি করা যায়।
0.5
2,069.170729
20231101.bn_66976_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%B2
অ্যালকোহল
আলকোহলকে সাধারণত প্রাইমারি (১ ডিগ্রি), সেকেন্ডারি (২ ডিগ্রি) ও টারসিয়ারি (৩ ডিগ্রি) এই তিনভাগে ভাগ করা হয়। ইথানল, আইসোপ্রোপাইল আলকোহল, টারসিয়ারি বিউটাইল অ্যালকোহল যথাক্রমে প্রাইমারি, সেকেন্ডারি ও টারসিয়ারি অ্যাকোহলের সবচাইতে সরল উদাহরণ।
0.5
2,069.170729
20231101.bn_66976_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%B2
অ্যালকোহল
একমাত্র ব্যতিক্রম ফিনল (কার্বলিক এসিড) যার হাইড্রোক্সিল কার্যকারী গ্রুপ ফিনাইল (অ্যারাইল) গ্রুপের সাথে সাধারণ অ্যালকোহলের মত সরাসরি একটি বন্ধনের সাথে যুক্ত, কিন্তু যার রাসায়নিক ধর্ম সাধারণ অ্যালকোহলের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। তাই ফিনলকে আলকোহলের সমগোত্রীয় ধরা হয় না।
0.5
2,069.170729