_id
stringlengths
17
22
url
stringlengths
42
314
title
stringlengths
2
36
text
stringlengths
100
5.1k
score
float64
0.5
1
views
float64
23
11.1k
20231101.bn_4995_22
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4
শীত
শীতের কঠোরতা থেকে বাঁচার জন্য, অনেক প্রাণী অতিরিক্ত শীতের জন্য বিভিন্ন আচরণগত এবং রূপগত অভিযোজন তৈরি করেছে:
0.5
2,266.005714
20231101.bn_4995_23
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4
শীত
অভিবাসন হল পরিযায়ী পাখির মতো প্রাণীদের উপর শীতের একটি সাধারণ প্রভাব। কিছু প্রজাপতি ঋতু অনুসারে পরিযায়ীও হয়।
0.5
2,266.005714
20231101.bn_4995_24
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4
শীত
হাইবারনেশন হল শীতকালে বিপাকীয় কার্যকলাপ হ্রাসের একটি অবস্থা। কিছু প্রাণী শীতকালে "ঘুমিয়ে থাকে" এবং যখন উষ্ণ আবহাওয়া ফিরে আসে তখনই বেরিয়ে আসে; যেমন, গোফার, ব্যাঙ, সাপ এবং বাদুড়।
0.5
2,266.005714
20231101.bn_4995_25
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4
শীত
কিছু প্রাণী শীতের জন্য খাদ্য সঞ্চয় করে এবং সম্পূর্ণরূপে হাইবারনেট করার পরিবর্তে এতে বাস করে। কাঠবিড়ালি, বীভার, স্কঙ্কস, ব্যাজার এবং র্যাকুনদের ক্ষেত্রে এটি।
1
2,266.005714
20231101.bn_4995_26
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4
শীত
প্রতিরোধ পরিলক্ষিত হয় যখন একটি প্রাণী শীতকাল সহ্য করে তবে রঙ এবং পেশীগুলির মতো উপায়ে পরিবর্তন হয়। পশম বা প্লামেজের রঙ সাদা হয়ে যায় (বরফের সাথে বিভ্রান্ত হওয়ার জন্য) এবং এভাবে সারা বছর ধরে এর রহস্যময় রঙ বজায় থাকে। উদাহরণ হল রক পিটারমিগান, আর্কটিক ফক্স, ওয়েসেল, সাদা লেজযুক্ত জ্যাকরাবিট এবং পর্বত খরগোশ।
0.5
2,266.005714
20231101.bn_4995_27
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4
শীত
কিছু পশম-প্রলিপ্ত স্তন্যপায়ী শীতকালে একটি ভারী আবরণ জন্মায়; এটি পশমের তাপ-ধারণ ক্ষমতাকে উন্নত করে। শীতের মরসুমে আরও ভাল ঠান্ডা করার জন্য কোটটি পরে ফেলা হয়। শীতকালে ভারী কোট এটিকে ট্র্যাপারদের জন্য একটি প্রিয় ঋতু করে তুলেছিল, যারা আরও লাভজনক স্কিন খোঁজে।
0.5
2,266.005714
20231101.bn_4995_28
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4
শীত
তুষার এছাড়াও প্রাণীদের আচরণ প্রভাবিত করে; অনেকে বরফের মধ্যে বরফের অন্তরক বৈশিষ্ট্যের সুবিধা নেয়। ইঁদুর এবং ভোলগুলি সাধারণত তুষার স্তরের নীচে বাস করে।
0.5
2,266.005714
20231101.bn_4995_29
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4
শীত
কিছু বার্ষিক উদ্ভিদ শীতকালে বেঁচে থাকে না। অন্যান্য বার্ষিক গাছপালা তাদের জীবনচক্র সম্পূর্ণ করার জন্য শীতকালীন ঠান্ডা প্রয়োজন; এটি ভার্নালাইজেশন হিসাবে পরিচিত। বহুবর্ষজীবীদের জন্য, অনেক ছোটরা বরফের মধ্যে চাপা পড়ে এর অন্তরক প্রভাব থেকে লাভবান হয়। বড় গাছপালা, বিশেষ করে পর্ণমোচী গাছ, সাধারণত তাদের উপরের অংশ সুপ্ত অবস্থায় থাকে, কিন্তু তাদের শিকড় এখনও তুষার স্তর দ্বারা সুরক্ষিত থাকে। শীতকালে অল্প কিছু গাছে ফুল ফোটে, একটি ব্যতিক্রম হল ফুলের বরই, যা চীনা নববর্ষের সময় ফুল ফোটে। যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গাছপালা ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে ওঠে তাকে শক্ত করা বলে।
0.5
2,266.005714
20231101.bn_523419_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE
চাহিদা
অসংখ্য কারণে এবং পরিস্থিতিতে একজন ক্রেতার কোনো দ্রব্য ক্রয় করার ইচ্ছা প্রভাবিত হতে পারে। তারমধ্যে কিছু উল্লেখযোগ্য কারণ হল:
0.5
2,265.086749
20231101.bn_523419_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE
চাহিদা
দ্রব্যের নিজের মূল্য:সাধারণত দ্রব্যের নিজস্ব দাম ও চাহিদার মধ্যে বিপরীতমুখী সম্পর্ক কাজ করে। যখন দাম বাড়ে, চাহিদার পরিমাণ তখন কমে। এই বিপরীতমুখী সম্পর্কের ফলে চাহিদারেখার ঢাল সর্বদা নিম্নগামী হয়। চাহিদা ও দামের এই বিপরীতমুখী সম্পর্ক যথাযথ এবং স্বজ্ঞাত। যদি কোনো নতুন উপন্যাস এর মূল্য অনেক বেশি হয় তাহলে স্বাভাবিকভাবেই যে কোনো মানুষ এটি ক্রয় অপেক্ষা পাবলিক লাইব্রেরি হতে ধার নিয়ে পড়তে আগ্রহী হবে।
0.5
2,265.086749
20231101.bn_523419_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE
চাহিদা
সম্পর্কিত অন্য দ্রব্যের দাম: সম্পর্কিত দ্রব্য সাধারণত পরিপূরক ও পরিবর্তক দ্রব্যকে বুঝায়। পরিপূরক দ্রব্য হলো এমন একটি দ্রব্য যা প্রাথমিক দ্রব্যের সাথে ব্যবহৃত হয়। যেমন চায়ের সাথে দুধ ও চিনি ও গাড়ির সাথে পেট্রল। (নিখুঁত পরিপূরক দ্রব্য স্বতন্ত্র আচরণ করে। যদি একটি দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পায় তাহলে অপর দ্রব্যের চাহিদার পরিমাণ কমে যায়।)
0.5
2,265.086749
20231101.bn_523419_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE
চাহিদা
ভোক্তার ভবিষ্যৎ মূল্য ও আয় সম্পর্কে আশা: যদি একজন ভোক্তা বুঝতে পারে কোনো বিশেষ দ্রব্যের দাম ভবিষ্যতে বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে তাহলে সে দাম বাড়ার আগেই উক্ত দ্রব্য ক্রয় করতে চাইবে। আবার যদি একজন ভোক্তা তার ভবিষ্যৎ আয় বৃদ্ধি সম্পর্কে নিশ্চিত হয় তাহলে সে বর্তমানে উক্ত দ্রব্য ক্রয় করতে চাইবে।  দ্রব্যের আশানুরূপ প্রাপ্যতাও দাম ও চাহিদার ওপর পরিবর্তন আনে।
0.5
2,265.086749
20231101.bn_523419_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE
চাহিদা
দ্রব্যের চাহিদা এর নির্ধারকসমূহের ওপর নির্ভরশীল, চাহিদা ও এর নির্ধারকসমূহের নির্ভরশীলতার সম্পর্কের গাণিতিক প্রকাশকে অপেক্ষক বলে।
1
2,265.086749
20231101.bn_523419_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE
চাহিদা
উদাহরণস্বরূপ, Qd = (১০-২P) একটি চাহিদা অপেক্ষক যেখানে Qd একটি দ্রব্যের চাহিদার পরিমাণ, P দ্রব্যের দাম। সমতা চিহ্নের ডানের রাশিকে স্বাধীন  চলক ও বামের রাশিকে বলা হয় অধীন চলক। এখানে (-২P) এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে অধীন চলকের সাথে স্বাধীন চলকের বিপরীতমুখী সম্পর্ক বিদ্যমান। এর মাধ্যমে বোঝা যায় এই অপেক্ষক থেকে অঙ্কিত চাহিদা রেখার ঢাল হবে ডানদিকে নিম্নগামী।
0.5
2,265.086749
20231101.bn_523419_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE
চাহিদা
অর্থনীতিতে চাহিদারেখা হল একটি লেখচিত্র যেখানে কোনো দ্রব্যের দাম ও ভোক্তাদের নির্দিষ্ট দামে উক্ত দ্রব্য ক্রয় করার ইচ্ছার মধ্যকার সম্পর্ক দেখানো হয়।
0.5
2,265.086749
20231101.bn_523419_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE
চাহিদা
কোনো দ্রব্যের দামের পরিবর্তন এর ফলে চাহিদার যে পরিবর্তন সংঘটিত হয় তার মাত্রাকে চাহিদার দাম স্থিতিস্থাপকতা বলে। চাহিদার স্থিতিস্থাপকতার দ্বারা চাহিদার শতাংশিক পরিবর্তন ও দামের শতাংশিক পরিবর্তন-এর অনুপাতকে বোঝায়। চাহিদার দাম স্থিতিস্থাপকতার ক্ষেত্রে দাম ছাড়া চাহিদার অন্যান্য নির্ধারকসমূহ অপরিবর্তিত অবস্থায় থাকবে। চাহিদার দাম স্থিতিস্থাপকতার নির্ণয়ের ক্ষেত্রে যে সূত্র ব্যবহার করা হয় তা হলো:  (ΔQ/
0.5
2,265.086749
20231101.bn_523419_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A6%E0%A6%BE
চাহিদা
চাহিদা ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি হল বিজ্ঞান ও কলার সংমিশ্রণ যার মাধ্যমে অর্থনৈতিক মন্দা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
0.5
2,265.086749
20231101.bn_547921_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8
বিমান
সবচেয়ে ভারী বিমান ও সর্ববৃহৎ সচল স্থির পাখাবিশিষ্ট বিমান- আন্টোনভ এন-২২৫।আশির দশকে ইউক্রেনে নির্মিত, রাশিয়ান এসব পরিবহন বিমানগুলোর দৈর্ঘ্য ছিল ৮৪ মিটার এবং এদের পাখাগুলোর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত দুরত্ব ৮৮ মিটার। এদের সর্বোচ্চ লোডেড ভর ৫৫০-৭০০ টন।তাছাড়া এদের সর্বোচ্চ বেগ প্রায় ঘণ্টায় ৫০০ মাইল।
0.5
2,249.193733
20231101.bn_547921_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8
বিমান
সবচেয়ে বড় সামরিক বিমান — যৌথভাবে ইউক্রেনীয়/রাশিয়ান আন্টোনভ এন-১২৪ এবং আমেরিকান লকহিড সি-৫ গ্যালাক্সি পরিবহন বিমান। এদের উভয়ের সর্বোচ্চ লোডেড ভর প্রায় ৩৮০ টন।
0.5
2,249.193733
20231101.bn_547921_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8
বিমান
সবচেয়ে বড় বেসামরিক বিমান- যৌথভাবে ফরাসী এয়ারবাস বেলুগা ও আমেরিকান বোয়িং ড্রিমলিফটার পরিবহন বিমান।তাছাড়া,সবচেয়ে বড় বেসামরিক বিমান ফরাসী এয়ারবাস এ৩৮০ 'সুপার-জাম্বো' জেট।
0.5
2,249.193733
20231101.bn_547921_15
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8
বিমান
সর্বোচ্চ গতিসম্পন্ন উড্ডয়নের রেকর্ড ধারণকারী বিমান- নাসার এক্স-৪৩এ পেগাসাস, যা স্ক্রামজেট চালিত,শব্দোত্তর গতিসম্পন্ন, লিফটিং বডি, পরীক্ষামূলক বিমান যা ১৬ নভেম্বর, ২০০৪ তারিখে ম্যাক ৯.৬ বা ঘণ্টাপ্রতি ৭০০০ মাইল বেগ অর্জন করার মধ্য দিয়ে রেকর্ড গড়ে।
0.5
2,249.193733
20231101.bn_547921_16
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8
বিমান
সর্বাধিক গতিসম্পন্ন শক্তিচালিত উড়োজাহাজ উড্ডয়নের রেকর্ড- উত্তর আমেরিকান এক্স-১৫এ-২ উড়োজাহাজ ১৯৬৭ সালের ৩ অক্টোবর, ম্যাক ৬.৭২ বা ৪৫২০ মাইল প্রতিঘণ্টা বেগ তুলে এ রেকর্ড গড়ে।
1
2,249.193733
20231101.bn_547921_17
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8
বিমান
দ্রুততম স্থির পাখাবিশিষ্ট বিমান এবং গ্লাইডার- স্পেস শাটল, যা প্রায় ম্যাক ২৫ বা ঘণ্টায় ১৭০০০ মাইল বেগ তুলতে সক্ষম হয়।
0.5
2,249.193733
20231101.bn_547921_18
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8
বিমান
দ্রুততম বর্তমান সামরিক বিমান- যৌথভাবে সোভিয়েত/রাশিয়ান মিগ-২৫ যুদ্ধবিমান(ম্যাক ৩.২, ইঞ্জিন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া সাপেক্ষে এবং ম্যাক ২.৮৩, স্বাভাবিক অবস্থায়) এবং রাশিয়ান মিগ-৩১ (ম্যাক ২.৮৩)
0.5
2,249.193733
20231101.bn_547921_19
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8
বিমান
গ্লাইডার বিমানগুলো বায়ু অপেক্ষ ভারী এবংএকবার বাতাসে ভাসার পর এদের আর কোন শক্তিচালনার দরকার হয় না।এদের উড্ডয়নের জন্য বায়ুর সংস্পর্শ প্রয়োজন।
0.5
2,249.193733
20231101.bn_547921_20
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%A8
বিমান
উষ্ণ গ্যাসবেলুনগুলো বায়ু অপেক্ষা হালকা হয় এবং এরা বায়ুপ্রবাহের সাথে ভেসে বেড়ায়।এদের দিক বা গতি নিয়ন্ত্রণ করা না গেলেও বায়ুতে এদের উচ্চতা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
0.5
2,249.193733
20231101.bn_73978_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE
লালকেল্লা
দুর্গের প্রাচীর মসৃণ এবং দৃঢ়। দুর্গের দুটি প্রধান দরজা : দিল্লিগেট ও লাহোরগেট। লাহোরগেট হল প্রধান দরজা। এই গেট দিয়ে ঢুকলে একটি লম্বা আচ্ছাদিত বাজারপথ পড়ে। এর নাম চট্টাচক। এই পথের দু দিকের দেওয়াল দোকানের মতো করে স্টল দিয়ে সাজানো। চট্টাচক ধরে সোজা এলে উত্তর-দক্ষিণ পথ পাওয়া যায়। এই পথটি আসলে দুর্গের পশ্চিমের সামরিকক্ষেত্র ও পূর্বের রাজপ্রাসাদের সীমানা। এই পথের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত দরজাটিই হল দিল্লিগেট।
0.5
2,245.475379
20231101.bn_73978_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE
লালকেল্লা
দিল্লিগেটের বাইরে একটি বড়ো মুক্তাঙ্গন রয়েছে। এটি এককালে দিওয়ান-ই-আম-এর অঙ্গন রূপে ব্যবহৃত হত। এখানে ঝরোখা নামে একটি অলংকৃত সিংহাসনে বসে সম্রাট জনসাধারণকে দর্শন দিতেন। এই স্তম্ভগুলো সোনায় চিত্রিত ছিল এবং সোনা ও রুপোর রেলিং দিয়ে সাধারণকে সিংহাসনের থেকে পৃথক করে রাখা হত।
0.5
2,245.475379
20231101.bn_73978_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE
লালকেল্লা
দিওয়ান-ই-খাস ছিল পুরোপুরি শ্বেতপাথরে মোড়া একটি কক্ষ। এর স্তম্ভগুলো পুষ্পচিত্রে সজ্জিত ছিল। ভিতরের অলংকরণের কাজে ব্যবহৃত হয়েছিল প্রায়-মহামূল্যবান ধাতুসমূহ।
0.5
2,245.475379
20231101.bn_73978_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE
লালকেল্লা
সিংহাসনের পশ্চাতে ছিল সম্রাটপরিবারের নিজস্ব কক্ষগুলো। এই কক্ষগুলো দুর্গের পূর্বপ্রান্ত-ঘেঁষা দুটি কক্ষের সারির উপর অবস্থিত ছিল। এই সারি দুটি উচ্চ বেদীর উপর অবস্থিত ছিল এবং কক্ষগুলো থেকে যমুনা নদীর দৃশ্য দেখা যেত। কক্ষগুলো নহর-ই-বেহিস্ত (স্বর্গোদ্যানের জলধারা) নামে একটি নীরবচ্ছিন্ন জলধারা দ্বারা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এই জলধারা প্রত্যেক কক্ষের মাঝ বরাবর প্রসারিত ছিল। যমুনা নদী থেকে দুর্গের উত্তর-পূর্ব কোণে অবস্থিত শাহবুর্জ নামে একটি মিনারে জল টেনে তুলে এই জলধারাকে পুষ্ট করা হত। প্রাসাদটি নির্মিত হয়েছিল কুরআনে বর্ণিত স্বর্গোদ্যানের অনুকরণে। প্রাসাদের ভিতরের গাত্রে 'যদি পৃথিবীতে কোথাও স্বর্গ থাকে তবে তা এখানেই, তা এখানেই, তা এখানেই' কথাটি উপর্যুপরি দেওয়ালে খোদিত হয়েছিল। ইসলামি শিল্পকলা অনুযায়ী নির্মিত হলেও এই সব কক্ষে হিন্দু শিল্পকলার প্রভাবও খুঁজে পাওয়া যায়। প্রাসাদ প্রাঙ্গনটিকে মুঘল স্থাপত্যশৈলীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নিদর্শন বলে মনে করা হয়।
0.5
2,245.475379
20231101.bn_73978_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE
লালকেল্লা
প্রাসাদের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত কক্ষ দুটি ছিল জেনানা বা মহিলাদের বাসস্থান। ছোটো কক্ষটির নাম মুমতাজ মহল (বর্তমানে একটি সংগ্রহালয়) এবং অপরটির নাম রংমহল। রংমহল তার চাকচিক্যময় অলংকৃত সিলিং এবং নহর-ই-বেহিস্ত-এর জলধারাপুষ্ট শ্বেতপাথরের জলাধারটির জন্য প্রসিদ্ধ।
1
2,245.475379
20231101.bn_73978_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE
লালকেল্লা
হামামের পশ্চিমে রয়েছে মোতি মসজিদ । এই মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল অনেক পরে। ১৬৫৯ সালে শাহজাহানের পুত্র আওরঙ্গজেব ব্যক্তিগত মসজিদ হিসেবে এটি নির্মাণ করেন। এটি একটি ছোটো, তিন-গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। এটি পুরো শ্বেতপাথরে নির্মিত।
0.5
2,245.475379
20231101.bn_73978_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE
লালকেল্লা
কেল্লার উত্তরে রয়েছে একটি আনুষ্ঠানিক উদ্যান। এর নাম হায়াত বক্স বাগ বা জীবন প্রদায়ী উদ্যান। উদ্যানটি দুটি পরস্পরচ্ছেদী জলধারা দ্বারা বিভক্ত। উত্তর-দক্ষিণ জলধারাটির দুই প্রান্তে দুটি কক্ষ রয়েছে। ১৮৪২ সালে শেষ সম্রাট বাহাদুর শাহ জাফর তৃতীয় কক্ষটি নির্মাণ করেন উদ্যানকেন্দ্রে দুই জলধারার ছেদনস্থলের উপরে।
0.5
2,245.475379
20231101.bn_73978_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE
লালকেল্লা
লালকেল্লা পুরনো দিল্লির সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থান। প্রতিবছর সহস্রাধিক পর্যটক এই কেল্লাটি দেখতে আসেন। এই কেল্লার প্রাঙ্গনেই প্রতি বছর ১৫ অগস্ট স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন। লালকেল্লা পুরনো দিল্লির বৃহত্তম স্থাপনাও বটে।
0.5
2,245.475379
20231101.bn_73978_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%95%E0%A7%87%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%B2%E0%A6%BE
লালকেল্লা
বর্তমানে সন্ধ্যায় লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো’র মাধ্যমে কেল্লায় মুঘল ইতিহাসের প্রদর্শনী করা হয়। এখানে ভারতের স্বাধীনতাসংগ্রামে শহিদদের স্মৃতিতে একটি জাদুঘরও রয়েছে। এই জাদুঘর ছাড়াও রয়েছে একটি পুরাতাত্ত্বিক জাদুঘর ও একটি ভারতীয় যুদ্ধস্মারক সংগ্রহালয়।
0.5
2,245.475379
20231101.bn_326545_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
পার্বতী
পার্বতী (সংস্কৃত: पार्वती) হলেন একজন হিন্দু দেবী। তিনি শিবের স্ত্রী এবং আদি পরাশক্তি ,অন্যান্য দেবীরা তার অংশ থেকে জাত, বা তার অবতার,তাকে বিভিন্ন রূপ পুজো করা হয় তাই তাকে হিন্দু ধর্মে সর্বোচ্চ দেবী বলা হয় । পার্বতী আদি পরাশক্তি সর্বোচ্চ দেবী মহামায়া। তিনি গৌরী বা উমা নামেও পরিচিত। পার্বতী শিবের দ্বিতীয়া স্ত্রী। তবে তিনি শিবের প্রথমা স্ত্রী সতী দাক্ষায়ণীরই অবতার। তিনি গণেশ ও কার্তিকের মা। কোনো কোনো সম্প্রদায়ে তাঁকে বিষ্ণুর ভগিনী মনে করা হয়। পার্বতী গিরিরাজ, পর্বতের দেবতা হিমালয় (হিমবান, হিমবন্ত) ও তার স্ত্রী দেবী মেনকার কন্যা। দেবীগঙ্গা হলেন পার্বতীর জ্যেষ্ঠ ভগিনী । এবং মৈনাক হলেন পার্বতীর জ্যেষ্ঠ ভ্রাতা।শিবের পাশে তার যে মূর্তি দেখা যায়, সেগুলি দ্বিভুজা। তবে তার একক মূর্তি চতুর্ভুজা, অষ্টভুজা বা দশভুজা, মহিষমর্দিনী সহস্রভুজা হয়; এবং এই মূর্তিগুলিতে তাঁকে সিংহবাহিনী রূপে দেখানো হয়। সাধারণত তাঁকে দয়াময়ী ও উগ্র দুই রূপেই দেখা হয়। তার দয়াময়ী মূর্তিগুলি হল কাত্যায়নী, অন্নপূর্ণা, মহাগৌরী, কমলা, ভুবনেশ্বরী ও ললিতা প্রভৃতি। অন্যদিকে তার ভয়ংকরী রূপগুলি হল দুর্গা, কালী, চামুণ্ডা, তারা, চণ্ডী ইত্যাদি। চৈত্র মাসের শুক্লানবমীর মৃগশিরা নক্ষত্রযুক্ত ব্রহ্মমূহুর্তে সদাশিবপত্নী শিবা পার্বতীরূপে মেনকার গর্ভে লীলাবশত মনুষ্য চর্ম ধারণ করে জন্ম নেন। তাই এই পবিত্র তিথির উক্ত দিনটিকে সনাতন ধর্মের “বিশ্ব মাতৃ দিবস” হিসেবে পালন করা হয়। আবার এটি ‘দেবী জয়ন্তী’ নামেও বিখ্যাত। এই দিনেই ভগবান রামচন্দ্রের জন্ম হয় , যা ‘রামনবমী’ নামে পরিচিত।
0.5
2,245.355669
20231101.bn_326545_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
পার্বতী
"পার্বতী" শব্দের অর্থ "পর্বতের কন্যা"। পার্বতী পর্বতের রাজা হিমালয়ের কন্যা বলে তাঁকে পার্বতী বলা হয়। হিমালয়ের কন্যা বলে তার অন্য নাম "শৈলজা", "অদ্রিজা", "নগজা", "নগনন্দিনী" , "শৈলপুত্রী", "হৈমবতী", "গিরিজা" , "গিরিনন্দিনী", বা "গিরিজাপুত্রী"। কখনও কখনও পার্বতীকে "পবিত্রা"ও বলা হয়; কারণ, তাঁকে অপাপবিদ্ধা ও পবিত্র মনে করা হয়। শিব ও তাঁকে একত্রে শাক্ত সর্বোচ্চ ঈশ্বর আদি পরাশক্তির "সগুণ স্বরূপ" মনে করা হয়।
0.5
2,245.355669
20231101.bn_326545_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
পার্বতী
শ্রীশ্রীচণ্ডী-তে তার অনেকগুলি নামের উল্লেখ আছে। এগুলির মধ্যে দুর্গা, মহাশক্তি, অম্বিকা, গৌরী, ভৈরবী, কালী, উমা, ললিতা, মাতৃ, মাহেশ্বরী, ভবানী ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। ললিতা সহস্রনাম স্তবে পার্বতীর ১০০০টি নামের উল্লেখ আছে।
0.5
2,245.355669
20231101.bn_326545_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
পার্বতী
পার্বতীর সবচেয়ে বেশি পরিচিত দুটি নাম হল উমা ও অপর্ণা। কয়েকটি প্রাচীন ধর্মগ্রন্থে দাক্ষায়ণীকে উমা বলা হলেও, রামায়ণে পার্বতীকেই উমা বলা হয়েছে। হরিবংশ-এ পার্বতীকে প্রথমে "অপর্ণা" বলে, পরে "উমা" বলা হয়েছে। অপর্ণা শব্দের অর্থ, যিনি ঘোর তপস্যা করেছেন (শিবকে পতি রূপে লাভ করার জন্য)। পার্বতীর মা মেনকা তার তপস্যা দেখে বলেছিলেন, "উ মা" (আর না)। সেই থেকে পার্বতীর অপর নাম উমা।
0.5
2,245.355669
20231101.bn_326545_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
পার্বতী
অন্যদিকে পার্বতী একসঙ্গে "গৌরী" (গৌরবর্ণা দেবী) এবং "কালী" বা "শ্যামা" (কৃষ্ণবর্ণা দেবী) নামে অভিহিত হন। কারণ, তিনি শান্ত স্ত্রী উমা। কিন্তু বিপদের সময় ভয়ংকরী কালী দেবীতে রূপান্তরিত হন। এই দুই পরস্পর বিপরীত রূপ পার্বতীর দুই রকম প্রকৃতির কথা নির্দেশ করে। আবার "কামাখ্যী" রূপে তিনি ভক্তির দেবী।
1
2,245.355669
20231101.bn_326545_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
পার্বতী
ভাদ্র মাসের শুক্লপক্ষের সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী তিথিতে গৌরীপূজা হয়। তাঁকে শস্য ও নারীর রক্ষাকারী দেবী মনে করা হয়। গৌরীপূজাও সাধারণত মেয়েরাই করে। এই উৎসবটি পার্বতীর পূত্র গণেশের পূজার (গণেশ চতুর্থী) সঙ্গে যুক্ত। মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে গৌরীপূজা খুব জনপ্রিয়। রাজস্থানে গঙ্গৌর উৎসবের সময় গৌরীপূজা হয়। চৈত্র মাসের প্রথম দিন পূজা শুরু হয় এবং ১৮দিন চলে। এই সময় মাটি দিয়ে ঈশ্বর আর গৌরীমূর্তি বানানো হয়। পার্বতী পূজার একটি বিশেষ উৎসব হল নবরাত্রি ও দুর্গাপূজা বাংলাতে মহালয়া থেকে দশমী অবধি দেবী পার্বতীর মহিষাসুরমর্দিনী রূপের পুজো হয়। এই সময় পার্বতীর সব কটি রূপকে পূজা করা হয়। উত্তর ভারতে নবরাত্রি উৎসবের সময় শৈলপুত্রী, ব্রহ্মচারিণী, চন্দ্রঘণ্টা, কুষ্মাণ্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়ানী, কালরাত্রি, মহাগৌরী ও সিদ্ধিদাত্রী - এই নবদুর্গার পূজা হয়।
0.5
2,245.355669
20231101.bn_326545_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
পার্বতী
চৈত্র ও বৈশাখ মাসের শুক্লা তৃতীয়ার দিন হয় "গৌরী তৃতীয়া"। হিন্দুরা বিশ্বাস করেন, এই সময় একমাস পার্বতী বাপের বাড়িতে থাকেন। মহারাষ্ট্র ও কর্ণাটকে এই উৎসব খুব জনপ্রিয়। উত্তর ভারতে এই উৎসব ততটা জনপ্রিয় নয়। পশ্চিমবঙ্গে এই উৎসব পালিতই হয় না। এই সময় সধবা মেয়েরা পিরামিড আকৃতির ধাপযুক্ত বেদী তৈরি করে তার উপরে পার্বতীর মূর্তি ও নিচে গয়নাগাটি, অন্যান্য দেবদেবীর মূর্তি ও ছবি ইত্যাদি রাখেন। রাতে প্রার্থনা করা হয়। তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশে দীপাবলির দিন কেতরা গৌরী বৃতাম উৎসব হয়। এইদিন সধবা মেয়েরা সারাদিন উপোষ করেন এবং মিষ্টি বানিয়ে বাড়ির সকলের মঙ্গল্যের জন্য দেবীকে মিষ্টি দিয়ে পূজা করেন। চৈত্র মাসের শুক্লানবমীর মৃগশিরা নক্ষত্রযুক্ত ব্রহ্মমূহুর্তে সদাশিবপত্নী শিবা পার্বতীরূপে মেনকার গর্ভে লীলাবশত মনুষ্য চর্ম ধারণ করে জন্ম নেন। তাই এই পবিত্র তিথির উক্ত দিনটিকে সনাতন ধর্মের “বিশ্ব মাতৃ দিবস” হিসেবে পালন করা হয়। আবার এটি ‘দেবী জয়ন্তী’ নামেও বিখ্যাত।
0.5
2,245.355669
20231101.bn_326545_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
পার্বতী
Hindu Goddesses: Vision of the Divine Feminine in the Hindu Religious Traditions () by David Kinsley
0.5
2,245.355669
20231101.bn_326545_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%80
পার্বতী
Researches Into the Nature and Affinity of Ancient and Hindu Mythology by Vans Kennedy; Published 1831; Printed for Longman, Rees, Orme, Brown, and Green; 494 pages; Original from Harvard University; Digitized Jul 11, 2005
0.5
2,245.355669
20231101.bn_82600_46
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97
ভরবেগ
আপেক্ষিকতার নিয়ম অনুসরণকারী একটি বিলিয়ার্ড খেলায়, যদি একটি স্থির কণা স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষে একটি চলন্ত কণার দ্বারা আঘাতপ্রাপ্ত হয়, সংঘর্ষের পর কণা দুটি দ্বারা গঠিত পথ একটি সূক্ষ্মকোণ গঠন করবে। কিন্তু অ-আপেক্ষিক ঘটনার ক্ষেত্রে তারা সমকোণ গঠন করবে।
0.5
2,235.507646
20231101.bn_82600_47
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97
ভরবেগ
একটি কণার জন্য, অস্থায়ী অংশকের মধ্যে সম্পর্ক, , হলো প্ল্যাঙ্ক-আইনস্টাইন সম্পর্ক এবং স্থানিক অংশকের মধ্যে সম্পর্ক, , একটি ডি ব্রগলি পদার্থ তরঙ্গ বর্ণনা করে।
0.5
2,235.507646
20231101.bn_82600_48
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97
ভরবেগ
নিউটনের সূত্রসমূহ কিছু গতিতে প্রয়োগ করা কঠিন হতে পারে কারণ গতি কিছু সীমাবদ্ধতা দ্বারা সীমাবদ্ধ। উদাহরণস্বরূপ, অ্যাবাকাসের গুটি এর তার বরাবর নড়াচড়া করতে বাধ্য এবং পেন্ডুলামের বব ঝুলন বিন্দু থেকে একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব পর্যন্ত দোল খেতে পারে। এইসব সীমাবদ্ধতা, কার্তেসীয় স্থানাঙ্ককে সাধারণীকৃত স্থানাংকের একটি সেট দ্বারা পরিবর্তন করে অন্তর্ভুক্ত করা যেতে পারে। সাধারণীকৃত স্থানাংকে বলবিদ্যার সমস্যা সমাধানের জন্য পরিশোধিত গাণিতিক পদ্ধতি প্রণীত হয়েছে। এর ফলে সাধারণীকৃত ভরবেগ বা অনুবন্ধী ভরবেগের উদ্ভব ঘটে, যা রৈখিক এবং কৌণিক উভয় ভরবেগের ধারণা প্রসারিত করে। ভর এবং বেগের গুণফল থেকে প্রাপ্ত ভরবেগকে সাধারণীকৃত ভরবেগ থেকে আলাদা করার জন্য, পূর্বেরটিকে যান্ত্রিক, গতীয় বা কিনেম্যাটিক ভরবেগ হিসাবে উল্লেখ করা হয়। দুটি প্রধান পদ্ধতি নিচে বর্ণনা করা হল।
0.5
2,235.507646
20231101.bn_82600_49
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97
ভরবেগ
ল্যাগ্রাঞ্জীয় বলবিদ্যায়, ল্যাগরেঞ্জিয় কে গতিশক্তি এবং বিভবশক্তি এর মধ্যে পার্থক্য হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়:
0.5
2,235.507646
20231101.bn_82600_50
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97
ভরবেগ
যদি সাধারণীকৃত স্থানাংক ভেক্টর হিসেবে উপস্থাপিত হয় এবং সময় ব্যবকলন চলকের ওপর একটি বিন্দু হিসেবে প্রকাশিত হয়, তবে গতির সমীকরণসমূহ সমীকরণের একটি সেট:
1
2,235.507646
20231101.bn_82600_51
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97
ভরবেগ
যদি একটি স্থানাঙ্ক , কার্তেসীয় স্থানাঙ্ক না হয়, তবে সংশ্লিষ্ট সাধারণীকৃত ভরবেগ অংশক অপরিহার্যভাবে রৈখিক ভরবেগের মাত্রা ধারণ করেনা। যদি কার্তেসীয় স্থানাঙ্ক হয় তবুও যান্ত্রিক ভরবেগের ভরবেগের সমান হবেনা যদি বিভব বেগের ওপর নির্ভরশীল হয়। কিছু সূত্র প্রতীক দ্বারা গতীয় ভরবেগ প্রকাশ করে।
0.5
2,235.507646
20231101.bn_82600_52
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97
ভরবেগ
এই গাণিতিক কাঠামোতে, একটি সাধারণীকৃত ভরবেগ, সাধারণীকৃত স্থানাংকের সাথে সংযুক্ত। এর অংশক নিম্নোক্তভাবে সংজ্ঞায়িত:
0.5
2,235.507646
20231101.bn_82600_53
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97
ভরবেগ
এখন যদি একটি প্রদত্ত স্থানাংক , ল্যাগরেঞ্জিয়তে প্রদর্শিত না হয় (যদিও এর সময় ব্যবকলন প্রদর্শিত হতে পারে), তবে
0.5
2,235.507646
20231101.bn_82600_54
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%97
ভরবেগ
এমনকি যদি সাধারণীকৃত স্থানাংক শুধুমাত্র সাধারণ স্থানিক স্থানাঙ্ক হয়, তবুও অনুবন্ধী ভরবেগ সাধারণ ভরবেগ স্থানাংক নাও হতে পারে। তড়িৎচুম্বকত্ব বিভাগে এর একটি উদাহরণ পাওয়া যায়।
0.5
2,235.507646
20231101.bn_11397_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%80
প্রতিবন্ধী
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) প্রকাশিত "International classification of impairment, Disability and Handicap (ICIDH)" শীর্ষক প্রকাশনায় বিকলাঙ্গ ও প্রতিবন্ধী সমস্যাকে ৩ শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে, যথা- ১. দূর্বলতা (Impairment), ২. অক্ষমতা (Disability ), ৩. প্রতিবন্ধী (Handicap)।
0.5
2,234.305469
20231101.bn_11397_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%80
প্রতিবন্ধী
বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ আইন , ২০০১-এ বলা হয়েছে যে, " প্রতিবন্ধী অর্থ এমন এক ব্যক্তি যিনি জন্মগতভাবে বা রোগাক্রান্ত হয়ে বা দুর্ঘটনায় আহত হয়ে বা অপচিকিৎসায় বা অন্য কোনো কারণে দৈহিকভাবে বিকলাঙ্গ বা মানসিকভাবে ভারসাম্যহীন এবং উক্তরুপ বৈকল্য বা ভারসাম্যহীনতার ফলে স্থায়ীভাবে আংশিক বা সম্পূর্ণ কর্মক্ষমতাহীন এবং স্বাভাবিক জীবনযাপনে অক্ষম"।
0.5
2,234.305469
20231101.bn_11397_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%80
প্রতিবন্ধী
প্রাথমিক প্রতিবন্ধিতাঃ বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধীত্ব নিয়ে জণ্মগ্রহণ করলে তাকে প্রাথমিক প্রতিবন্ধীতা বলা হয় ৷
0.5
2,234.305469
20231101.bn_11397_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%80
প্রতিবন্ধী
পরবতী বা অর্জিত প্রতিবন্ধিতাঃ জণ্মের পরে বিভিন্ন কারণে প্রতিবন্ধিত্ব বরণ করে থাকলে তাকে পরবতীᐂ বা অর্জিত প্রতিবন্ধিতা বলা হয় ৷
0.5
2,234.305469
20231101.bn_11397_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%80
প্রতিবন্ধী
এমন অনেক ব্যক্তি আছেন যাঁদের প্রতিবন্ধকতা বাইরে থেকে দেখে বুঝতে পারা যায় না। বিভিন্ন প্রকার দীর্ঘমেয়াদী অসুখ, মানসিক রোগ, অটিজম, অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার , অ্যাটেনশন ডেফিশিট হাইপার অ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার, বুদ্ধি-প্রতিবন্ধকতা এই শ্রেণির মধ্যে পড়ে।
1
2,234.305469
20231101.bn_11397_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%80
প্রতিবন্ধী
এই প্রতিবন্ধকতা গুলি দৈনন্দিন জীবনে নানা সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে যেমন সামাজিক নিয়ম কে বুঝতে পারা, সামাজিক মেলামেশা, মনঃ সংযোগ, রাস্তা চিনতে পারা, নিজেকে নিরাপদ রাখা, কোথায় কোন কথা কতটুকু বলা উচিত তার বোধ ইত্যাদিতে ঘাটতি থাকতে পারে। যেহেতু বাইরে থেকে এই প্রতিবন্ধকতা গুলি দেখা যায়না, তাই লোকজন আক্রান্ত ব্যক্তিকে অলস বা নিশ্চেষ্ট ভেবে দুরব্যাবহার করে থাকেন। এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তি নানাপ্রকার নির্যাতন (bullying) এবং বঞ্চনার শিকার হয়।
0.5
2,234.305469
20231101.bn_11397_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%80
প্রতিবন্ধী
বেশীর ভাগ প্রতিবন্ধতার কারণ আমাদের জানা নেই ৷ কিন্তু যেগুলো সম্বন্ধে জানা যায়, তা কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়৷ যা নিচে উল্লেখ করা হলো ঃ
0.5
2,234.305469
20231101.bn_11397_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%80
প্রতিবন্ধী
গর্ভাবস্থায় প্রথম তিন মাসের মধ্যে যদি মা কোনরকম কড়া ঔষধ গ্রহণ করে থাকে অথবা কীটনাশক, রাসায়নিক, রশ্মি, বিষক্রিয়া গ্রহণ করে থাকে ৷
0.5
2,234.305469
20231101.bn_11397_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A4%E0%A6%BF%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A7%E0%A7%80
প্রতিবন্ধী
গর্ভাবস্থায় যদি মায়ের বিশেষ হাম হয়৷ এটি সাধারণত প্রভাব বিস্তার করে থাকে ইন্দ্রিয়স্থান (শ্রবন এবং দৃষ্টি প্রতিবন্ধিদের ক্ষেত্রে), মস্তিস্কের সেরেব্রাল পালসি অথবা মানসিক প্রতিবন্ধিত্ব অথবা শরীরের অভ্যন্তরের বাহুতেও প্রভাব বিস্তার করতে পারে৷
0.5
2,234.305469
20231101.bn_249640_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A6%82
জাফলং
বাংলাদেশের সিলেটের সীমান্তবর্তী এলাকায় জাফলং অবস্থিত। এর অপর পাশে ভারতের ডাউকি অঞ্চল। ডাউকি অঞ্চলের পাহাড় থেকে ডাওকি নদী এই জাফলং দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। মূলত পিয়াইন নদীর অববাহিকায় জাফলং অবস্থিত। সিলেট জেলার জাফলং-তামাবিল-লালাখাল অঞ্চলে রয়েছে পাহাড়ী উত্তলভঙ্গ। এই উত্তলভঙ্গে পাললিক শিলা প্রকটিত হয়ে আছে, তাই ওখানে বেশ কয়েকবার ভূতাত্ত্বিক জরিপ পরিচালনা করা হয়েছে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে।
0.5
2,221.857537
20231101.bn_249640_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A6%82
জাফলং
বাংলাদেশে চার ধরনের কঠিন শিলা পাওয়া যায়, তন্মধ্যে ভোলাগঞ্জ-জাফলং-এ পাওয়া যায় কঠিন শিলার নুড়ি। এছাড়া বর্ষাকালে ভারতীয় সীমান্তবর্তী শিলং মালভূমির পাহাড়গুলোতে প্রবল বৃষ্টিপাত হলে ঐসব পাহাড় থেকে ডাউকি নদীর প্রবল স্রোত বয়ে আনে বড় বড় গণ্ডশিলাও (boulder)। একারণে সিলেট এলাকার জাফলং-এর নদীতে প্রচুর পরিমাণে পাথর পাওয়া যায়। আর এই এলাকার মানুষের এক বৃহৎ অংশের জীবিকা গড়ে উঠেছে এই পাথর উত্তোলন ও তা প্রক্রিয়াজাতকরণকে ঘিরে।
0.5
2,221.857537
20231101.bn_249640_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A6%82
জাফলং
জাফলং-এ পাথর ছাড়াও পাওয়া গেছে সাদামাটি বা চীনামাটিও, যদিও সেখানে মাটি বা বালি পরিশোধন করার মতো কোনো অবকাঠামো নেই।
0.5
2,221.857537
20231101.bn_249640_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A6%82
জাফলং
এই এলাকায় যেমন সাধারণ বাঙালিরা বসবাস করেন, তেমনি বাস করেন উপজাতিরাও। জাফলং-এর বল্লা, সংগ্রামপুঞ্জি, নকশিয়াপুঞ্জি, লামাপুঞ্জি ও প্রতাপপুর জুড়ে রয়েছে ৫টি খাসিয়াপুঞ্জী। আদমশুমারী অনুযায়ী জাফলং-এ ১,৯৫৩ জন খাসিয়া উপজাতি বাস করেন।
0.5
2,221.857537
20231101.bn_249640_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A6%82
জাফলং
ঐতিহাসিকদের মতে বহু হাজার বছর ধরে জাফলং ছিল খাসিয়া জৈন্তা-রাজার অধীনে থাকা এক নির্জন বনভূমি। ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দে জমিদারী প্রথার বিলুপ্তির মধ্য দিয়ে খাসিয়া-জৈন্তা রাজ্যের অবসান ঘটলেও বেশ কয়েক বছর জাফলংয়ের বিস্তীর্ণ এলাকা পতিতও পড়েছিল। পরবর্তিতে ব্যবসায়ীরা পাথরের সন্ধানে বিভিন্ন এলাকা থেকে নৌপথে জাফলং আসতে শুরু করেন, আর পাথর ব্যবসার প্রসার ঘটতে থাকলে একসময় গড়ে ওঠে নতুন জনবসতি।
1
2,221.857537
20231101.bn_249640_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A6%82
জাফলং
১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় সিলেটে মুক্তিযোদ্ধাদের ক্যাম্প ছিল জাফলংয়ের সীমান্তের ওপারে ভারতের ডাউকিতে। ১৩ জুলাই ইপিআর ও ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সদস্যদের একটি সশস্ত্র দল জাফলংয়ে ঢোকে। পিয়াইন নদীর ভাটিতে বাংলাদেশ অংশে রাজাকার আজিরউদ্দিনের বাড়িতে ছিল একদল পাকিস্তানি সেনা। উভয় পক্ষের মধ্যে দুই দফা যুদ্ধ শেষে পাকিস্তানি বাহিনীর ৫ সেনা নিহত হলে পাকিস্তানিরা পলিয়ে যায়। একই সময় দুজন মুক্তিযোদ্ধাও আহত হন। এছাড়া জাফলংয়ের পাশে সারি নদীতেও বড় আকারের যুদ্ধ হয়। আর এভাবেই শত্রুমুক্ত হয়ে স্বাধীনতা পায় জাফলং। আর আজ জাফলং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থানের রূপ পরিগ্রহ করেছে।
0.5
2,221.857537
20231101.bn_249640_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A6%82
জাফলং
জাফলং-এর বাংলাদেশ সীমান্তে দাঁড়ালে ভারত সীমান্ত-অভ্যন্তরে থাকা উঁচু উঁচু পাহাড়শ্রেণী দেখা যায়। এসব পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝরণা পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। এছাড়া ভারতের ডাউকি বন্দরের ঝুলন্ত সেতুও আকর্ষণ করে অনেককে। এছাড়া সর্পিলাকারে বয়ে চলা ডাওকি নদীও টানে পর্যটকদের। মৌসুমী বায়ুপ্রবাহের ফলে ভারত সীমান্তে প্রবল বৃষ্টিপাত হওয়ায় নদীর স্রোত বেড়ে গেলে নদী ফিরে পায় তার প্রাণ, আর হয়ে ওঠে আরো মনোরম। ডাওকি নদীর পানির স্বচ্ছতাও জাফলং-এর অন্যতম আকর্ষণ। পহেলা বৈশাখে বাংলা নববর্ষকে ঘিরে জাফলং-এ আয়োজন করা হয় বৈশাখী মেলা। এই মেলাকে ঘিরে উৎসবে মুখরিত হয়ে উঠে পুরো এলাকা। বর্ষাকাল আর শীতকালে জাফলং-এর আলাদা আলাদা সৌন্দর্য ফুটে ওঠে। বর্ষাকালে বৃষ্টিস্নাত গাছগাছালি আর খরস্রোতা নদী হয় দেখার মতো। তাছাড়া পাহাড়ের মাথায় মেঘের দৃশ্যও যথেষ্ট মনোরম।
0.5
2,221.857537
20231101.bn_249640_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A6%82
জাফলং
জাফলং-এ নারিকেল আর সুপারির গাছকে কেন্দ্র করে বাস করে প্রচুর বাদুড়। এছাড়া জাফলং বাজার কিংবা জাফলং জমিদার বাড়িতে আবাস করেছে বাদুড়। যদিও খাদ্যসংকট, আর মানুষের উৎপাতে, কিংবা অবাধ বৃক্ষনিধনে অনেক বাদুড় জাফলং ছেড়ে চলে যাচ্ছে জৈয়ন্তিয়া আর গোয়াইনঘাটের বেঁচে থাকা বনাঞ্চলে, কিংবা প্রতিবেশী দেশ ভারতে।
0.5
2,221.857537
20231101.bn_249640_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%AB%E0%A6%B2%E0%A6%82
জাফলং
জাফলং-এর পাথর শিল্প একদিকে যেমন ঐ এলাকাকে সকল অঞ্চলের কাছে পরিচিত করেছে, তেমনি এই পাথর শিল্পের যথেচ্ছ বিস্তারে এলাকার বাতাস হয়ে পড়েছে কলুষিত। যন্ত্রের সহায়তায় উন্মুক্ত উপায়ে পাথর ভাঙার কারণে ভাঙা পাথরের গুঁড়া আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়ছে আর সাধারণ্যের শ্বাস-প্রশ্বাসকে ব্যাহত করছে। এছাড়া সরকারি বিধিনিষেধের তোয়াক্কা না করে নদী থেকে যথেচ্ছ পাথর উত্তোলন নদীর জীববৈচিত্র্য আর উদ্ভিদবৈচিত্র্যকে করে তুলেছে হুমকির সম্মুখিন। এছাড়া অনুমোদনহীনভাবে ৩০-৩৫ ফুট গর্ত করে পাথর উত্তোলন নদী এবং নদী অববাহিকার ভূমিকে করছে হুমকির সম্মুখিন। এলাকার প্রভাবশালীদের হস্তক্ষেপে বিপুল পরিমাণ গাছ কেটে ফেলার কারণে প্রায়ই সেখানে নানা রোগব্যাধির প্রকোপ লক্ষ্য করা যায়। তাছাড়া উজান থেকে নেমে আসা পাথর আর বালুতে সয়লাব হয়ে যাওয়ায় পিয়াইন নদীর নাব্যতা কমে গেছে। ফলে হঠাৎই উজান থেকে নেমে আসা ঢলে ক্ষতিগ্রস্থক্ষতিগ্রস্ত হয় নিকটবর্তি অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা; যেমন: ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে ডাউকি সীমান্তে এরকমই উজান থেকে ধেয়ে আসা ঢলে বিডিআর ক্যাম্পসহ বেশ কিছু এলাকা লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ২০০৯ খ্রিষ্টাব্দের ২০ মে তারিখেও অনুরূপ ঢলে ক্ষতিগ্রস্থক্ষতিগ্রস্ত হয় চা-বাগানসহ বস্তি। এছাড়া নিষিদ্ধ "বোমা মেশিন" (স্থানীয় নাম) দিয়ে নদী থেকে পাথর উত্তোলনের কারণে স্থানীয় পিয়াইন নদী বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে বিপুল সম্পদের অপচয়ও পরিবেশ বিপর্যয়ের অন্যতম একটি উদাহরণ (প্রেক্ষিত জুলাই ২০১২)।
0.5
2,221.857537
20231101.bn_474947_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE
স্বাধীনতা
স্বাধীনতা () হলো একটি এমন বিশেষণ, যা একটি জাতি, দেশ বা রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে একটি বিশেষ অবস্থান বোঝায়; যেখান তাদের নিজস্ব শাসনব্যবস্থা ও আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব থাকবে। স্বাধীনতার বিপরীত হচ্ছে পরাধীনতা। তবে স্বাধীনতা কোনো অর্থেই যা খুশি তাই করা বোঝায় না। স্বাধীনতা সুদীর্ঘ বিপ্লব বা সহিংসতা যেভাবেই হোক, এর উদ্দেশ্য থাকে সার্বভৌমত্ব অর্জন করা। যদিও কিছু বিপ্লবের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য থাকে জাতীয় স্বাধীনতা অর্জন; তবে অধিকাংশই শুধুমাত্র ক্ষমতা লাভের উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়।
0.5
2,220.039993
20231101.bn_474947_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE
স্বাধীনতা
যেমন: রাশিয়ার অক্টোবর বিপ্লব জাতীয় স্বাধীনতার উদ্দেশ্যে সংঘটিত হয়নি ( যদিও এতে রুশ সাম্রাজ্যে ক্ষমতার পালা বদল হয় এবং এর ফলস্বরূপ পোল্যান্ড, ফিনল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া, লাতভিয়া, ইস্তোনিয়া স্বাধীনতা লাভ করে)। আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু থেকেই জাতীয় স্বাধীনতার উদ্দেশ্যেই ছিল।
0.5
2,220.039993
20231101.bn_474947_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE
স্বাধীনতা
স্বায়ত্তশাসনও এক ধরনের স্বাধীনতা, যেখানে কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ অনেক কিছু নিয়ন্ত্রণ করে থাকে এবং নিজের কর্তৃত্বও বজায় রাখতে সক্ষম হয়।
0.5
2,220.039993
20231101.bn_474947_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE
স্বাধীনতা
১৭৭০ এর দশকে শুরু হয়ে আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ ১৮২০ এর দশক পর্যন্ত চলে। তখন রাজকীয় দুর্গের পতন ঘটে এবং আমেরিকা স্বাধীন হয়।
0.5
2,220.039993
20231101.bn_474947_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE
স্বাধীনতা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ফলাফলস্বরূপ উসমানীয় সাম্রাজ্য ও অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরি সাম্রাজ্যের পতন ঘটে এবং এর ফলে বলকান অঞ্চলে অনেক স্বাধীন দেশের জন্ম হয়।
1
2,220.039993
20231101.bn_474947_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE
স্বাধীনতা
এরপর ১৯৪৫ থেকে ১৯৭৯ সাল পর্যন্ত ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্যগুলি থেকে ৭০টি নতুন রাষ্ট্র স্বাধীনতা পায়।
0.5
2,220.039993
20231101.bn_474947_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE
স্বাধীনতা
একটি দেশ বা রাজ্যের স্বাধীনতা লাভ করার অনেক উদ্দেশ্য থাকে। স্বাধীনতা লাভের উপায়গুলোর মধ্যে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ (যেমন : ভারত স্বাধীনতা আন্দোলন) থেকে শুরু করে সহিংসতা পর্যন্ত হতে পারে (যেমন: বিভিন্ন দেশের গৃহযুদ্ধ)।
0.5
2,220.039993
20231101.bn_474947_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE
স্বাধীনতা
The dates of independence, as they have been ported into many articles from the CIA World Factbook are defined as follows:
0.5
2,220.039993
20231101.bn_474947_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A7%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%BE
স্বাধীনতা
For most countries, [the given date is that] when sovereignty was achieved...For the other countries, the date given may not represent "independence" in the strict sense, but rather some significant nationhood event such as the traditional founding date or the date of unification, federation, confederation, establishment, or fundamental change in the form of government, such as state succession.
0.5
2,220.039993
20231101.bn_108915_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%BF
বাল্মীকি
বাল্মীকিধর্ম রামায়ণ ও যোগবাশিষ্ঠ গ্রন্থদ্বয়ে বর্ণিত বাল্মীকির শিক্ষা অবলম্বনে সংগঠিত একটি ধর্মীয় আন্দোলন।
0.5
2,218.106766
20231101.bn_108915_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%BF
বাল্মীকি
খ্রিষ্টীয় প্রথম শতাব্দী থেকেই বাল্মীকিকে ধ্রুপদি সংস্কৃত সাহিত্যের জনক মনে করা হতে থাকে। অশ্বঘোষের বুদ্ধচরিত কাব্যে আছে:
0.5
2,218.106766
20231101.bn_108915_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%BF
বাল্মীকি
এই উক্তি ও তার পূর্বাপর শ্লোকগুলির বক্তব্য থেকে বাল্মীকি ও চ্যবনের মধ্যে একটি পারিবারিক সম্পর্কের কথা অনুমিত হয়ে থাকে।
0.5
2,218.106766
20231101.bn_108915_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%BF
বাল্মীকি
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বাল্মীকি কর্তৃক রামায়ণ রচনার নেপথ্য-আখ্যান অবলম্বনে বাল্মীকি-প্রতিভা গীতিনাট্যটি রচনা করেছিলেন।
0.5
2,218.106766
20231101.bn_108915_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%BF
বাল্মীকি
উত্তরকাণ্ড-এ বাল্মীকির প্রথম জীবনের একটি কাহিনি পাওয়া যায় । প্রথম জীবনে বাল্মীকি ছিলেন রাজপথের দস্যু । তিনি দস্যুবৃত্তি ক'রেই পরিবার পালন করতেন । একদিন দেবর্ষি নারদকে লুণ্ঠন করতে গেলে নারদ তাকে জিজ্ঞাসা করলেন যে তার পাপের ভাগী তার পরিবার হতে চায় কি-না । নারদের মন্ত্রণায় তিনি তার পরিবারের সদস্যদের এই প্রশ্ন করলে সকলেই জানান যে তার পাপের ভাগী তারা হতে চান না । মর্মাহত হয়ে দস্যুজীবনের পরম সত্য উপলব্ধি ক'রে তিনি নারদের নিকট ক্ষমা ভিক্ষা করেন । নারদ তাকে রাম নাম জপ করতে শেখান । দস্যু সাধনায় বসেন এবং ছয় হাজার বছর সাধনা করে ব্রহ্মের বরে কবিত্বশক্তি পান । সাধনাকালে তার দেহ বল্মীকের স্তূপে ঢেকে গিয়েছিল ব'লে তার নামকরণ করাা হয় বাল্মীকি । কৃত্তিবাস ওঝা বিরচিত রামায়ণের সূচনায় এই কাহিনির উল্লেখ রয়েছে। এরপর অনেকেই তার কাছ থেকে দীক্ষা নেন ও শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন।
1
2,218.106766
20231101.bn_108915_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%BF
বাল্মীকি
বাল্মীকি রচিত মূল রামায়ণে ২৪,০০০ শ্লোক ছিল। এই রামায়ণ ছয়টি (মতান্তরে সাতটি) কাণ্ড বা খণ্ডে বিভক্ত ছিল। রামায়ণের উপজীব্য অযোধ্যার রাজকুমার রামের জীবনকথা। খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০ থেকে ১০০ অব্দের মধ্যে কোনো এক সময়ে এই মহাকাব্য রচিত হয়। এই মহাকাব্য মহাভারতের পূর্বসূরি।
0.5
2,218.106766
20231101.bn_108915_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%BF
বাল্মীকি
কথিত আছে, কোন একদিন মুনিবর বাল্মীকি শিষ্য ভরদ্বাজকে সাথে নিয়ে তমসা-তীর্থে স্নান করতে যাত্রা পথে প্রকৃতির অপরূপ নৈসর্গিক শোভা সন্দর্শনে বিমুগ্ধ হয়ে ইতস্তত বিচরণ করছেন। এক ব্যাধ বাল্মীকির সম্মুখেই এক ক্রৌঞ্চযুগলের মধ্যে পুরুষ ক্রৌঞ্চকে তীরবিদ্ধ করে । স্ত্রী ক্রৌঞ্চটি করুণ সুরে বিলাপ করতে থাকে । এই দৃশ্য দেখে ক্রুদ্ধ বাল্মীকির মুখ থেকে অভিশাপ বাণীর আকারে উচ্চারিত হয় সৃষ্টির প্রথম শ্লোক :
0.5
2,218.106766
20231101.bn_108915_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%BF
বাল্মীকি
- নিষাদ , তুই চিরকাল প্রতিষ্ঠা লাভ করবি না , কারণ তুই কামমোহিত ক্রৌঞ্চমিথুনের একটিকে বধ করেছিস । এ পঙক্তিটিকে সংস্কৃত সাহিত্য সৃষ্টিধারার আদি কবিতা ভেবে বাল্মীকিকে ‘আদি-কবি’ও বলা হয়ে থাকে ।
0.5
2,218.106766
20231101.bn_108915_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A7%80%E0%A6%95%E0%A6%BF
বাল্মীকি
এরপর মুনিবর শিষ্যগণকে নিয়ে আশ্রমে উপবিষ্ট আছেন এমন সময়ে ব্রহ্মা উপস্থিত হলেন। তিনি ব্রহ্মাকে ব্যাধ-বৃত্তান্ত বলে স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করে শোনান। ব্রহ্মা বললেন, “শোকের সময় এটি তোমার মুখ হতে নিঃসৃত হয়েছে। অতএব, এটি শ্লোক নামে অভিহিত হউক”। তুমি এরূপ শ্লোকে রামচরিত্যাখ্যায়ক রামায়ণ গ্রন্থ রচনা কর। সেই অনুসারে মুনিবর বাল্মীকি রামায়ণ রচনা করেন।
0.5
2,218.106766
20231101.bn_42647_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0
পলিমার
ফাইবার পলিমারঃ দুই বা ততোধিক পলিমার যখন আন্তঃপলিমারিক বন্ধনে (Intrapolymer Bond) আবদ্ধ হয়ে নতুন পলিমার সৃষ্টি করে তাদের ফাইবার পলিমার বলে। এটি প্রধানত কার্বন এবং হাইড্রোজেন পরমাণুর সমন্বয়ে গঠিত এবং কার্বন ও হাইড্রোজেন ঊপস্থিত থেকে বন্ধন সৃষ্টির মাধ্যমে ফাইবার পলিমার গঠন করতে পারে।
0.5
2,216.387481
20231101.bn_42647_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0
পলিমার
এ জাতীয় পলিমারকরণ বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে মনোমার অণুসমূহ কোন পদার্থের অপসারণ ব্যতীত পরস্পরের সাথে যুক্ত হয়। একই কার্যকরী মূলক যুক্ত মনোমার যেমন, অ্যালকিন, প্রতিস্থাপিত অ্যালকিন, ভিনাইল যৌগ, অ্যালকাইন, অ্যালডিহাইড প্রভৃতি সংযোজন পলিমারকরণ বিক্রিয়া প্রদর্শন করে থাকে।
0.5
2,216.387481
20231101.bn_42647_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0
পলিমার
ইথিন গ্যাসকে ১০০০-১২০০ atm চাপ প্রয়োগ করে তরলে পরিণত করে সামান্য অক্সিজেন এর উপস্থিতিতে ২০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে ইথিনের ৬০০-১০০০ অণু (মতান্তরে ৪০০-২০০০) যুক্ত হয়ে পলিথিন গঠন করে। অধিক চাপ পদ্ধতিতে প্রভাবক হিসেবে অক্সিজেন অথবা জৈব পারঅক্সাইড যেমন বেনজোয়িল পারঅক্সাইড অর্থাৎ (C6H5CO)2O2 ব্যবহার হয়। স্বল্প চাপ পদ্ধতিতে ধাতব প্রভাবক ব্যবহার হয়। এগুলোকে Cr2O3 বা সিলিকা অ্যালুমিনা ধারকের উপর রাখা হয়। তাপমাত্রা থাকে ৭০ ডিগ্রী সেলসিয়াস এবং চাপ ৫-১০ atm থাকে। পলিথিন সাদা, অস্বচ্ছ ও নমনীয় কিন্তু শক্ত প্লাস্টিক। এসিড, ক্ষার ও অন্যান্য দ্রাবক দ্বারা আক্রান্ত হয় না। উত্তম তড়িৎ অন্তরক। বোতল, পানির ট্যাংক তৈরিতেও ব্যবহার হয়। পলিথিনের নিম্ন, মধ্যম ও উচ্চ আপেক্ষিক গুরুত্বের তিন শ্রেণীর পলিমার আছে। আপেক্ষিক গুরুত্বের মান যথাক্রমে ০.৯২৫, ০.৯২৬ ও ০.৯৪।
0.5
2,216.387481
20231101.bn_42647_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0
পলিমার
জৈব দ্রাবক হেপ্টেন-এ প্রোপিন দ্রবীভূত করে ১৪০ বায়ুচাপে টাইটেনিয়াম ট্রাইক্লোরাইড (TiCl3) প্রভাবকের উপস্থিতিতে উত্তপ্ত করলে উচ্চ পলিপ্রোপিন বা পলিপ্রোপিলিন উৎপন্ন হয়। এটিও শক্ত প্লাস্টিক। পলিপ্রোপিলিন সবচেয়ে হালকা অথচ শক্ত পলিমার প্লাস্টিক। কৃত্রিম সুতা, মোটা রশ্মি, কার্পেট, উন্নত মানের কন্টেইনার তৈরিতে এর ব্যাপক ব্যবহার হয়।
0.5
2,216.387481
20231101.bn_42647_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0
পলিমার
প্রায় ১৬০ ডিগ্রী – ২৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত মারকিউরি ক্লোরাইড (Hg2Cl2) প্রভাবকের উপর দিয়ে অ্যাসিটিলিন ও শুষ্ক হাইড্রোজেন ক্লোরাইড গ্যাসের মিশ্রণ চালনা করলে সংযোজন বিক্রিয়ার ফলে ভিনাইল ক্লোরাইড গ্যাস উৎপন্ন হয়। উৎপন্ন ভিনাইল ক্লোরাইডকে জৈব পারঅক্সাইড যেমন, বেনজোয়িল পারঅক্সাইড অথবা টারসিয়ারি বিউটাইল পারঅক্সাইড প্রভাবকের উপস্থিতিতে অধিক চাপ ও উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিভিনাইল ক্লোরাইড উৎপন্ন হয়। উৎপন্ন PVC-কে ৫২ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ও ৯ atm চাপে হেপ্টেন দ্রাবকে রাখা হয়।
1
2,216.387481
20231101.bn_42647_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0
পলিমার
কৃত্রিম চামড়া তৈরিতে, ঘরের মেঝের কার্পেটিং প্রস্তুতিতে, ঘরের ছাদ তৈরির জিনিসপত্র তৈরিতে, প্লাস্টিক সিরিঞ্জ, রেইন কোর্ট, গ্রামোফোন রেকর্ড তৈরির জন্য ব্যবহার হয়।
0.5
2,216.387481
20231101.bn_42647_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0
পলিমার
প্রথমে শুষ্ক অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইড প্রভাবকের উপস্থিতিতে বেনজিন এর সাথে ইথিলিন এর বিক্রিয়ায় ইথাইল বেনজিন প্রস্তুত করা হয়। পরে ইথাইল বেনজিনকে ৬৫০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত ফেরিক অক্সাইড বা ক্রোমিয়াম অক্সাইড প্রভাবকের উপর দিয়ে চালনা করলে হাইড্রোজেন অপসারিত হয়ে স্ট্যারিন উৎপন্ন হয়। স্ট্যারিন থেকে যুত পলিমারকরণ প্রক্রিয়ায় পলিস্ট্যারিন প্রস্তুত করা হয়।
0.5
2,216.387481
20231101.bn_42647_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0
পলিমার
খাবার পাত্র, কসমেটিকের পাত্র, প্লাস্টিক কাপ, খেলনা, বিভিন্ন প্লাস্টিক কেবিনেট, প্যাকেজিং সামগ্রী তৈরিতে এর ব্যবহার আছে।
0.5
2,216.387481
20231101.bn_42647_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AA%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0
পলিমার
ক্লোরোডাইফ্লোরো মিথেন ও হাইড্রোক্লোরিক গ্যাসের মিশ্রণকে প্রায় ৯০০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে টেট্রাফ্লোরো ইথিলিন উৎপন্ন হয়।
0.5
2,216.387481
20231101.bn_92842_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AF%E0%A7%81
অযু
অযু হল ইসলামের বিধান অনুসারে দেহের অঙ্গ-প্রতঙ্গ ধৌত করার মাধ্যমে পবিত্রতা অর্জনের একটি পন্থা। মুসলমানদের নামাজের পূর্বে অযু করে নেয়া বাধ্যতামূলক। কুরআনে আছে, "নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারী এবং অপবিত্রতা থেকে যারা বেঁচে থাকে তাদেরকে পছন্দ করেন। (আল কুরআন ২:২২২)" ।
0.5
2,204.789765
20231101.bn_92842_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%AF%E0%A7%81
অযু
কুরআন পড়তে ও স্পর্শ করতেও অযু করতে হয়। তবে তা বাধ্যতামূলক নয়। কুরআনে বর্ণিত আছে, "যারা পাক-পবিত্র, তারা ব্যতীত অন্য কেউ একে স্পর্শ করবে না।"(সূরা ওয়াক্কিয়াহ্, আয়াত:৭৯)। এখানে পাক পবিত্র বলতে দৈহিক পবিত্রতা নয় বরং আত্মিক পবিত্রতার কথা বলা হয়েছে। দেহ ও পরিধেয় কাপড়ের পবিত্রতা অর্জনকে আরবিতে বলে তাহারাত্‌। অযু বা গোসলের মাধ্যমে তাহারাত্‌ আর্জন করা যায়। হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, "পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ধর্মের অর্ধেক"। (সহীহ মুসলিম)।
0.5
2,204.789765