_id
stringlengths
17
22
url
stringlengths
42
314
title
stringlengths
2
36
text
stringlengths
100
5.1k
score
float64
0.5
1
views
float64
23
11.1k
20231101.bn_471874_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A7%8E%E0%A6%A8%E0%A6%BE
খৎনা
বিজেইউ ইন্টারন্যাশনাল-এ প্রকাশিত একটি সাম্প্রতিক বড় গবেষণায় দেখা গেছে যে প্রস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকির বিরুদ্ধে খৎনা একটি প্রতিরক্ষামূলক প্রভাব ফেলে , বিশেষ করে কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষদের মধ্যে যারা উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।
0.5
2,361.376099
20231101.bn_471874_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A7%8E%E0%A6%A8%E0%A6%BE
খৎনা
সমীক্ষায় দেখা গেছে, যে পুরুষদের ৩৫ বছরের বেশি বয়সে খৎনা করানো হয়েছিল তাদের প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি ৪৫ শতাংশ কমে যায়। জন্মের ১ বছরের মধ্যে খৎনা করানো পুরুষদের প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি ১৪ শতাংশ কমে গেছে। যারা প্রোস্টেট ক্যান্সারের উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে, তাদের জন্য খৎনা করানোটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।
0.5
2,361.376099
20231101.bn_471874_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A7%8E%E0%A6%A8%E0%A6%BE
খৎনা
কেনিয়া , দক্ষিণ আফ্রিকা এবং উগান্ডায় পরিচালিত গবেষণায় দেখা গেছে যে, খৎনা করানো একজন পুরুষের এইচআইভিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।
0.5
2,361.376099
20231101.bn_471874_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A7%8E%E0%A6%A8%E0%A6%BE
খৎনা
মায়ো ক্লিনিক প্রসিডিংস-এ প্রকাশিত একটি নতুন সমীক্ষায় দেখা গেছে, খৎনা না করা অর্ধেক পুরুষেরা তাদের জীবনকাল ধরে ফোরস্কিন বা তাদের লিঙ্গের সামনের চামড়ার কারণে সৃষ্ট রোগে আক্রান্ত হয়। গবেষণায় বলা হয়েছে যে, খৎনা ১০০ থেকে ১% ঝুঁকিতে কমিয়ে আনে।
0.5
2,361.376099
20231101.bn_471874_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A7%8E%E0%A6%A8%E0%A6%BE
খৎনা
বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে খৎনা করানো ছেলেদের তুলনায় খৎনা না করা ছেলেদের মূত্রনালীর সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। কানাডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে প্রকাশিত ২০১২ সালের একটি গবেষণা অনুসারে , খৎনা করা ছেলেদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি প্রায় 88 শতাংশ কম ছিল।
1
2,361.376099
20231101.bn_471874_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A7%8E%E0%A6%A8%E0%A6%BE
খৎনা
একটি খৎনা করা শিশুর জীবনের প্রথম বছরে ইউটিআই (মূত্রণালী সংক্রমণ) হওয়ার সম্ভাবনা ১,০০০ টির মধ্যে ১ টির মতো থাকে; যেখানে একটি খৎনা না করা শিশুর জীবনের প্রথম বছরে ইউটিআই হওয়ার সম্ভাবনা ১০০ জনের মধ্যে ১ টির মতো থাকে।
0.5
2,361.376099
20231101.bn_471874_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A7%8E%E0%A6%A8%E0%A6%BE
খৎনা
জেনিটাল হারপিস (HSV), হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) এবং সিফিলিস সহ বেশ কয়েকটি রোগের ঝুঁকি খৎনার দ্বারা কমে যায়।
0.5
2,361.376099
20231101.bn_471874_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A7%8E%E0%A6%A8%E0%A6%BE
খৎনা
অভিজ্ঞ চিকিৎসকের দ্বারা নবজাতকে খৎনা করাটা সাধারণত নিরাপদ খৎনায় সাধারণত জটিলতা সৃষ্টি হয় রক্তপাত বন্ধ না হলে, অধিক অথবা অনধিক লিঙ্গত্বক অপসারণে ইনফেকশন হলে। ৩ শতাংশ ক্ষেত্রে লঘু জটিলতা তৈরী হয়, তীব্র জটিলতা কমই তৈরী হয়। সুনির্দিষ্টভাবে কী পরিমাণ জটিলতা তৈরী হয়, তা নির্ধারণ করা কঠিন, কারণ এ বিষয়ে পর্যাপ্ত উপাত্ত সবসময় নথিবদ্ধ হয় না। জটিলতার সম্ভাবনা তখনি বাড়ে, যদি অনভিজ্ঞ কারো দ্বারা খৎনা করা হয় অথবা শিশুর বয়স যদি অনেক হয়ে যায়। তীব্র জটিলতা খুব কমই হয়, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ৫০০ জনে ১ জন শিশুর এ হেন জটিলতা তৈরী হয়। এই জটিলতার কারণে কেও মারা গিয়েছে, এমনটা সমাজে খুবই বিরল। শুধুমাত্র একটা প্রতিবেদনে এরকম উল্লেখ পাওয়া যায়। অন্যান্য জটিলতা হতে পারে, যেমন বারিড শিশ্ন, করেডে, ফাইমোসিস, স্কিন ব্রিজ, মেটাল স্টেনোসিস হতে পারে। এই জটিলতা গুলো হাসপাতালে না গিয়েই কৌশলে সারিয়ে তুলা যায়।
0.5
2,361.376099
20231101.bn_471874_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%96%E0%A7%8E%E0%A6%A8%E0%A6%BE
খৎনা
খৎনা নবজাতক শিশুর ক্ষেত্রে তীব্র ব্যথার সৃষ্টি করতে পারে। নবজাতকরা এই তীব্র ব্যথার পাশাপাশি ঔষুধে ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখায়।
0.5
2,361.376099
20231101.bn_7366_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A3%E0%A7%81
অণু
পদার্থের উপাদান হিসাবে অণুগুলো সাধারণ। এগুলো বেশিরভাগ মহাসাগর এবং বায়ুমণ্ডলও তৈরি করে। বেশিরভাগ জৈব পদার্থ হল অণু। জীবনসৃষ্টিকারী পদার্থগুলো, যেমন- প্রোটিন, অ্যামিনো অ্যাসিডগুলো অণু দিয়ে তৈরি। নিউক্লিক অ্যাসিড (ডিএনএ এবং আরএনএ), সুগার, কার্বোহাইড্রেট, চর্বি এবং ভিটামিন। পুষ্টিকর খনিজগুলো সাধারণত অণু নয়, যেমন: আয়রন সালফেট।
0.5
2,359.678057
20231101.bn_7366_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A3%E0%A7%81
অণু
তবে, পৃথিবীতে পরিচিত বেশিরভাগ কঠিন পদার্থ অণু দ্বারা তৈরি নয়। এর মধ্যে রয়েছে এমন সমস্ত খনিজ যা পৃথিবীর পদার্থ, মাটি, ময়লা, বালু, কাদামাটি, নুড়ি, পাথর, পাথর, বেডরক, গলিত অভ্যন্তর এবং পৃথিবীর মূলকে অন্তর্ভুক্ত করে। এগুলির মধ্যে অনেকগুলি রাসায়নিক বন্ধন রয়েছে তবে এটি শনাক্তযোগ্য অণু দ্বারা তৈরি নয়।
0.5
2,359.678057
20231101.bn_7366_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A3%E0%A7%81
অণু
কোনও সাধারণ অণু লবণের জন্য বা সমযোজী স্ফটিকগুলির জন্য সংজ্ঞায়িত করা যায় না, যদিও এগুলি প্রায়শই পুনরাবৃত্তি ইউনিটের কোষগুলির দ্বারা গঠিত হয় যা কোনও প্লেনে বিস্তৃত হয়, যেমন। গ্রাফিন বা ত্রি-মাত্রিক উদাঃ হীরা, কোয়ার্টজ, সোডিয়াম ক্লোরাইড। পুনরাবৃত্ত ইউনিট-সেলুলার-কাঠামোর থিমটি বেশিরভাগ ধাতুগুলির জন্যও ধারণ করে যা ধাতব বন্ধনের সাথে ঘনীভূত পর্যায়গুলি রয়েছে। সুতরাং শক্ত ধাতুগুলি অণু দ্বারা তৈরি হয় না।কাচগুলোয়, যা কঠিন এবং যা একটি বিতর্কিত বিশৃঙ্খলাবদ্ধ অবস্থার মধ্যে বিদ্যমান, রাসায়নিকগুলি রাসায়নিক বন্ড দ্বারা একত্রিত হয়, একটি নির্দিষ্ট অণুর উপস্থিতি না থাকার পরও, না লবণ চিহ্নিত করে এমন নিয়মিত পুনরাবৃত্তি একক-সেলুলার-কাঠামো ,সমযোজী স্ফটিকসমূহ এবং ধাতুসমূহ।
0.5
2,359.678057
20231101.bn_7366_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A3%E0%A7%81
অণু
[রসায়ন] বা [পদার্থবিজ্ঞান]এর উপর ফোকাস করা হচ্ছে কিনা তার উপর নির্ভর করে অণু বিজ্ঞানকে [আণবিক রসায়ন] বা [আণবিক পদার্থবিজ্ঞান] বলা হয়। আণবিক রসায়ন অণুগুলোর মধ্যে মিথস্ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণকারী আইনগুলির সাথে সম্পর্কিত যা রাসায়নিক বন্ধনগুলি গঠন এবং ভাঙ্গন (যখন আণবিক পদার্থবিজ্ঞান তাদের কাঠামো এবং বৈশিষ্ট্যগুলো নিয়ন্ত্রণ করে) এমন আইনগুলি নিয়ে কাজ করে। আণবিক বিজ্ঞানে, একটি অণুতে দুটি বা ততোধিক পরমাণুর সমন্বয়ে একটি স্থিতিশীল ব্যবস্থা থাকে। পলিটমিক আয়নগুলি কখনও কখনও বৈদ্যুতিকভাবে চার্জযুক্ত অণু হিসাবে কার্যকরী। অস্থিতিশীল অণু শব্দটি খুব প্রতিক্রিয়াশীল প্রজাতিগুলির জন্য ব্যবহৃত হয়, যেমন,[অনুরণন],[আণবিক নিউক্লিয়াস],[রেডিকাল], আণবিক [আয়ন], রাইডবার্গ অণু, ট্রানজিশন স্টেটস, [ভ্যানডার ওয়ালস বন্ধন], কমপ্লেক্স বা সংঘর্ষের পরমাণুর ব্যবস্থার জন্য [বোস-আইনস্টাইন ঘনীভবন]। Tamim brasil supprter
0.5
2,359.678057
20231101.bn_7366_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A3%E0%A7%81
অণু
মেরিয়াম-ওয়েবস্টার এবং অনলাইন এটিমোলজির অভিধান অনুসারে, "অণু" শব্দটি লাতিন "মোলস" বা ভরয়ের ক্ষুদ্র একক থেকে উদ্ভূত হয়েছে।
1
2,359.678057
20231101.bn_7366_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A3%E0%A7%81
অণু
অণু (১৭৯৪) - "অত্যন্ত মিনিটের কণা", ফ্রেঞ্চ মোলাকুলি (১৬৭৮) থেকে, নিউ লাতিন অণু থেকে, লাতিন moles থেকে যার অর্থ ক্ষুদ্রতর। প্রথমে একটি অস্পষ্ট শব্দের প্রচলন (১৮ শতকের শেষদিকে কেবল লাতিন আকারে ব্যবহৃত হয়েছিল) ডেসকার্টসের দর্শনে শনাক্ত করা যায়।
0.5
2,359.678057
20231101.bn_7366_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A3%E0%A7%81
অণু
অণুর সংজ্ঞাটি যখন অণুগুলির কাঠামোগত জ্ঞান বৃদ্ধি পেয়েছে তখন বিকশিত হয়েছে। পূর্বের সংজ্ঞাগুলি কম সুনির্দিষ্ট ছিল,বিশুদ্ধ রাসায়নিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা হিসাবে অণুকে সংজ্ঞায়িত করা হলেও তাদের গঠন এবং রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য বজায় রেখেছে।। এই সংজ্ঞাটি প্রায়শই ভেস্তে যায় যেহেতু সাধারণ সংজ্ঞার অনেকগুলি উপাদান যেমন শিলা, লবণ এবং ধাতুগুলি রাসায়নিকভাবে বাঁধা পরমাণু বা আয়নগুলির বৃহত স্ফটিক নেটওয়ার্কগুলির দ্বারা গঠিত তবে এটি পৃথক অণু দ্বারা তৈরি হয় না।
0.5
2,359.678057
20231101.bn_7366_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A3%E0%A7%81
অণু
অণুগুলি সমবায় বন্ধন বা আয়নিক বন্ধন দ্বারা একত্রে গঠিত হয়। বেশ কয়েক ধরনের অধাতব উপাদান পরিবেশে কেবল অণু হিসাবে বিদ্যমান। উদাহরণস্বরূপ, হাইড্রোজেন কেবল হাইড্রোজেন অণু হিসাবে বিদ্যমান। একটি যৌগের একটি অণু দুটি বা ততোধিক উপাদানগুলির দ্বারা তৈরি হয়। একটি একক উপাদানের দুই বা ততোধিক পরমাণু দিয়ে একটি সমপারমানবিক অণু তৈরি করা হয়।
0.5
2,359.678057
20231101.bn_7366_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%A3%E0%A7%81
অণু
কিছু লোকেরা যখন বলেন যে ধাতব স্ফটিককে ধাতব বন্ধন দ্বারা একত্রে রাখা একক দৈত্য অণু হিসাবে বিবেচনা করা যেতে পারে,অন্যরা উল্লেখ করেছেন যে এটি ধাতব অণুগুলির চেয়ে খুব আলাদাভাবে কাজ করে।
0.5
2,359.678057
20231101.bn_16445_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8
উজবেকিস্তান
রুশ শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পূর্বে বর্তমান উজবেকিস্তান বুখারা আমিরাত, খিভা খানাত এবং কোকান্দ খানাতের মধ্যে বিভক্ত ছিল। ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে উজবেকিস্তান রুশ সাম্রাজ্যের অন্তর্গত হয়। এসময় প্রচুরসংখ্যক রুশ এ অঞ্চলে বসতি স্থাপন করে। ১৯১২ সালের হিসাব অনুযায়ী, জারশাসিত উজবেকিস্তানে বসবাসকারী রুশদের সংখ্যা ছিল ২,১০,৩০৬ জন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে রুশ কর্তৃপক্ষ উজবেকিস্তানসহ কেন্দ্রীয় এশিয়া থেকে সৈন্য সংগ্রহ করার প্রচেষ্টা চালালে এ অঞ্চলব্যাপী বিদ্রোহ দেখা দেয়। ১৯১৭ সালে রুশ বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় জারতন্ত্রের পতন ঘটে এবং রাশিয়ায় গৃহযুদ্ধ শুরু হয়। এমতাবস্থায় রুশ সরকার উজবেকিস্তানের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে।
0.5
2,351.343039
20231101.bn_16445_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8
উজবেকিস্তান
১৯২০ সালের মধ্যে কেন্দ্রীয় এশিয়ায় রুশ কর্তৃত্ব পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় এবং কিছু প্রতিরোধ সত্ত্বেও উজবেকিস্তানসহ সমগ্র মধ্য এশিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯২৪ সালের ২৭ অক্টোবর উজবেক সোভিয়েত সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে হিটলারের নেতৃত্বাধীন জার্মানি সোভিয়েত ইউনিয়ন আক্রমণ করলে ১৪,৩৩,২৩০ জন উজবেক সৈন্য সোভিয়েত রেড আর্মির পক্ষে নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেয়। ২,৬৩,০০৫ জন উজবেক সৈন্য যুদ্ধ চলাকালে নিহত হন এবং ৩২,৬৭০ জন নিখোঁজ হন।
0.5
2,351.343039
20231101.bn_16445_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8
উজবেকিস্তান
১৯৯১ সালের ৩১ আগস্ট সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনকালে উজবেকিস্তান স্বাধীনতা ঘোষণা করে। ১ সেপ্টেম্বরকে উজবেকিস্তানের জাতীয় স্বাধীনতা দিবস ঘোষণা করা হয়।
0.5
2,351.343039
20231101.bn_16445_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8
উজবেকিস্তান
উজবেকিস্তানের রাজনীতি একটি রাষ্ট্রপতিশাসিত প্রজাতন্ত্র কাঠামোয় সংঘটিত হয়। রাষ্ট্রপতি হলেন একাধারে রাষ্ট্রের প্রধান ও সরকারপ্রধান। রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা সরকারের উপর ন্যস্ত। আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সরকার এবং দ্বিকাক্ষিক আইনসভা উভয়ের উপর ন্যস্ত। উজবেকিস্তানে সরকারী পদপ্রাপ্তি রাজনৈতিক দলের সদস্যপদ নয়, বরং কে কোন গোত্রের, তার উপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।
0.5
2,351.343039
20231101.bn_16445_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8
উজবেকিস্তান
উজবেকিস্তানের ৮০% এলাকা সমতল মরুভূমি। দেশের পূর্বভাগে রয়েছে সুউচ্চ পর্বতমালা যেগুলি ৪,৫০০ মিটার উচ্চতা পর্যন্ত উঠে গেছে। উজবেকিস্তানের দক্ষিণ-পূর্ব প্রান্ত তিয়ান শান পর্বতমালার পশ্চিম পাদদেশ নিয়ে গঠিত। উজবেকিস্তানের উত্তরের নিম্নভূমি কিজিল কুম নামের এক বিশাল মরুভূমি, যা দক্ষিণ কাজাকিস্তানেও প্রসারিত হয়েছে। ফের্গানা উপত্যকা উজবেকিস্তানের সবচেয়ে উর্বর অঞ্চল; এটি কিজিল কুম মরুভূমির ঠিক পূর্বে অবস্থিত এবং উত্তর, দক্ষিণ ও পশ্চিমে পর্বতমালা দ্বারা বেষ্টিত। সির দরিয়া নদী এই অঞ্চলটিকে কিজিল কুম মরুভূমি থেকে পৃথক করেছে। আমু দরিয়া অপর গুরুত্বপূর্ণ নদী।
1
2,351.343039
20231101.bn_16445_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8
উজবেকিস্তান
উজবেকিস্তানে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। ১৯৬৬ সালে এমনই এক ভূমিকম্পে রাজধানী তাশখন্দের বেশির ভাগ অংশ ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।
0.5
2,351.343039
20231101.bn_16445_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8
উজবেকিস্তান
উজবেকিস্তান প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের সভ্যতাকে সংযুক্তকারী বিখ্যাত রেশম পথের উপর অবস্থিত। উজবেকিস্তানের জাদুঘরগুলোতে প্রায় ২০ লক্ষের মত প্রত্নবস্তু রয়েছে, যেগুলি মধ্য এশিয়ায় প্রায় ৭০০০ বছর ধরে বসবাসকারী বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতি ও ইতিহাসের সাক্ষ্য বহন করছে। অনেক পর্যটক এই সমৃদ্ধ ইতিহাস সম্বন্ধে জানার উদ্দেশ্যে উজবেকিস্তান ভ্রমণ করেন। এছাড়াও যারা সক্রিয় পর্যটনে আগ্রহী, তাদের জন্য উজবেকিস্তানের পাহাড়গুলি চড়া এবং তুষারাবৃত পাহাড়গুলিতে স্কি করার সুব্যবস্থা আছে। উজবেকিস্তানের ২য় বৃহত্তম শহর সমরকন্দ রেশম পথের মধ্যস্থলে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বের প্রাচীনতম শহরগুলোর একটি। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৭ম শতকে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এখানকার অধিবাসীরা মূলত তাজিক। ৩২৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহান আলেকজান্ডার এটি বিজয় করেন। সমরকন্দের প্রধান আকর্ষণ রেগিস্তান নামের এলাকা, যার চারপাশ ঘিরে আছে অনেকগুলি প্রাচীন মাদ্রাসা। এছাড়াও এখানে অনেক বিখ্যাত মসজিদ ও স্মৃতিস্তম্ভ আছে।
0.5
2,351.343039
20231101.bn_16445_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8
উজবেকিস্তান
উজবেকিস্তানের সিগনেচার ডিশ হল পোলাও (প্লভ বা ওশ), যা সাধারণত চাল, মাংসের টুকরো এবং ভাজা গাজর এবং পেঁয়াজ দিয়ে তৈরি করা হয়।
0.5
2,351.343039
20231101.bn_16445_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%9C%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A8
উজবেকিস্তান
অন্যান্য উল্লেখযোগ্য জাতীয় খাবারের মধ্যে রয়েছে শর্বা (শুর্ব বা শর্বা), চর্বিযুক্ত মাংসের বড় টুকরো (সাধারণত মাটন) এবং তাজা শাকসবজি দিয়ে তৈরি একটি স্যুপ; প্রধান কোর্স; ডিম্লামা, একটি মাংস এবং সবজি স্ট্যু; এবং বিভিন্ন কাবাব, সাধারণত একটি প্রধান কোর্স হিসাবে পরিবেশন করা হয়।
0.5
2,351.343039
20231101.bn_7451_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5
অশ্বত্থ
অশ্বত্থ, অশথ বা পিপুল (বৈজ্ঞানিক নাম: Ficus religiosa) এক প্রকার বট বা ডুমুর জাতীয় বৃক্ষ যার আদি নিবাস স্থানীয় ভারতীয় উপমহাদেশ এবং ইন্দোচীন। এছাড়া বাংলাদেশ, নেপাল, মায়ানমার, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, দক্ষিণ পশ্চিম চীন প্রভৃতি দেশেও এটি দেখতে পাওয়া যায়। এটি Moraceae পরিবারভুক্ত সপুষ্পক উদ্ভিদ।
0.5
2,346.090873
20231101.bn_7451_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5
অশ্বত্থ
অশ্বত্থ গাছ ৩০ মিটার লম্বা হতে পারে। এর কান্ডের বেড় ৩ মিটার পর্যন্ত হতে পারে। এর ফুলগুলো ফলের ভেতরে লুকায়িত থাকে। এর পাতা পান পাতার আকৃতির, ডগায় লেজ থাকে। পাতা ১০-১৭ সেমি লম্বা এবং ৮-১২ সেমি চওড়া। শীতকালে এর পাতা ঝরে যায়, বসন্তে তামাটে রঙের কচি পাতা গজায়। পিপল ফল ডুমুরের মতই তবে পাকা ফল বেগুনি রঙের; কাঁচা ফল সবুজ; ফলের আকার ১-১.৫ সেমি। এই গাছতলায় অল্প বাতাসেও ঝমঝম আওয়াজ শোনা যায়। পাতার লেজের সাথে পাতার ফলকের আঘাতেই এমন শব্দ হয়। অশ্বত্থে ঝুরিমূল থাকে না। অশ্বত্থ গাছের বনসাই বেশ জনপ্রিয়।
0.5
2,346.090873
20231101.bn_7451_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5
অশ্বত্থ
অশ্বত্থ একটি দীর্ঘজীবী গাছ যার গড় আয়ু ৯০০-১৫০০ বছর। কয়েকটি স্থানীয় আবাসস্থলে এটি ৩০০০ বছরের বেশি সময় ধরে বসবাস করছে বলে জানা গেছে। এছাড়াও ২০০০ বছরের পুরোনো কিছু গাছের বর্ণনা পাওয়া গেছে, যেমন শ্রীলঙ্কার প্রাচীন শহর অনুরাধাপুরের পিপুল গাছ জয়া শ্রী মহা বোধি যা ২২৫০ বছরেরও বেশি বয়সী বলে মনে করা হয় এবং এটি "বিশ্বের প্রাচীনতম ঐতিহাসিক ধর্মীয় গুরুত্ববহ গাছ"।
0.5
2,346.090873
20231101.bn_7451_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5
অশ্বত্থ
অশ্বত্থ মূলত এশিয়ার গ্রীষ্মমন্ডলীয় অঞ্চলের অধিবাসী হলেও বর্তমানে এটি সারা বিশ্বে বিস্তার লাভ করছে, চাষ করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে এটি প্রাকৃতিকভাবে অভিযোজিত হয়ে গিয়েছে।
0.5
2,346.090873
20231101.bn_7451_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5
অশ্বত্থ
অশ্বত্থ ভারতীয় উপমহাদেশ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া যেমন বাংলাদেশ, ভুটান, চীন (ইউনান প্রদেশ), ভারত (আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ বাদে), লাওস, নেপাল, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম অঞ্চলের স্থানীয় বৃক্ষ। প্রাথমিকভাবে ২৮৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে শ্রীলঙ্কা এবং পরে ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুরসহ অন্যান্য প্রতিবেশী এশীয় দেশগুলিতে এর সূচনা হয়েছিল।
1
2,346.090873
20231101.bn_7451_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5
অশ্বত্থ
গৌতম বুদ্ধ এক অশ্বত্থ বৃক্ষের নিচে ধ্যান করার সময় বোধি (জ্ঞান) লাভ করেন। এই স্থানটি বর্তমানে ভারতের বিহারে বুদ্ধগয়ায় অবস্থিত। যদিও মূল গাছটি একাধিকবার ধ্বংস হয়ে গিয়েছে, এবং প্রতিস্থাপিত হয়েছে। মূল গাছের একটি শাখা ২৮৮ খ্রিস্টপূর্বাব্দে শ্রীলঙ্কার অনুরাধাপুরে রোপণ করা হয় এবং এটি জয় শ্রী মহা বোধি নামে পরিচিত। এটি বিশ্বের প্রাচীনতম সপুষ্পক উদ্ভিদ।
0.5
2,346.090873
20231101.bn_7451_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5
অশ্বত্থ
যেকোনো অশ্বত্থ বৃক্ষকেই বোধিবৃক্ষ বলা যায় না। গৌতম বুদ্ধ যে অশ্বত্থ বৃক্ষটির নিচে বোধিলাভ করেন, সেই বৃক্ষের বংশধরদেরকেই বোধিবৃক্ষ বলে। এর অন্যান্য নামগুলো হলো বোধিবৃক্ষ, বোধিদ্রুম, Bo-Tree, Bo, bawdir, bodhi tree, holy tree ইত্যাদি। সংস্কৃত ভাষায় 'বোধি' শব্দের অর্থ 'জ্ঞান'; এই শব্দটি শ্রীলঙ্কায় বিবর্তিত হয়ে 'বো' শব্দে রূপান্তরিত হয়েছে।
0.5
2,346.090873
20231101.bn_7451_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5
অশ্বত্থ
হিন্দু সাধু-সন্ন্যাসীরা এখনও পবিত্র অশ্বত্থ গাছের নিচে ধ্যান করেন এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বীগণ অশ্বত্থ গাছের চারপাশে প্রদক্ষিণ করেন। সাধারনত "বৃক্ষ রাজায় নমঃ" বলতে বলতে গাছের চারপাশে সাত বার প্রদক্ষিণ করা হয়, যার অর্থ "গাছের রাজাকে নমস্কার"। ধারণা করা হয় যে বিশেষ ২৭ টি গাছ, ২৭ টি নক্ষত্রকে প্রতিনিধিত্ব করে। এর মধ্যে অশ্বত্থ গাছ পুষ্যা নক্ষত্রের প্রতিনিধিত্ব করে।
0.5
2,346.090873
20231101.bn_7451_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%85%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A5
অশ্বত্থ
ভগবত গীতায়, শ্রীকৃষ্ণ বলছেন, "আমি গাছের মধ্যে পিপুল, ঋষিদের মধ্যে নারদ, গান্ধারদের মধ্যে চিত্ররথ এবং সিদ্ধপুরুষদের মধ্যে ঋষি কপিল।"
0.5
2,346.090873
20231101.bn_12179_127
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE
উগান্ডা
২০২০ সাল পর্যন্ত, অলিম্পিকে উগান্ডা মোট দুটি স্বর্ণ, তিনটি রৌপ্য এবং দুটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে; যার মধ্যে চারটি ছিল বক্সিং এবং তিনটি অ্যাথলেটিক্সে। কমনওয়েলথ গেমসে উগান্ডা ১৩টি স্বর্ণপদক এবং মোট ৪৯টি পদক সংগ্রহ করেছে, সবগুলোই বক্সিং এবং অ্যাথলেটিক্সে।
0.5
2,336.061266
20231101.bn_12179_128
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE
উগান্ডা
উগান্ডা জাতীয় বক্সিং দলকে বলা হয় দ্য বোম্বার্স। তারা ১৯৬৮ থেকে ১৯৮০ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে চারটি পদক জিতেছে, পাশাপাশি ১৯৭৪ সালের বিশ্ব অপেশাদার বক্সিং চ্যাম্পিয়নশিপে দুটি পদক জিতেছে। উল্লেখযোগ্য বক্সারদের মধ্যে রয়েছেন কর্নেলিয়াস বোজা-এডওয়ার্ডস, জাস্টিন জুকো, আইয়ুব কালুলে, জন মুগাবি, এরিদাদি মুকওয়াঙ্গা, জোসেফ নুবুগা, কাসিম ওমা, স্যাম রুকুন্ডো এবং লিও রওয়াবওগো।
0.5
2,336.061266
20231101.bn_12179_129
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE
উগান্ডা
অ্যাথলেটিক্সে, জন আকি-বুয়া উগান্ডার হয়ে প্রথম অলিম্পিক স্বর্ণপদক জিতেছেন। মিউনিখে ১৯৭২ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে, তিনি ৪৭.৮২ সেকেন্ডের বিশ্ব রেকর্ড সময়ের সাথে ৪০০ মিটার হার্ডলস রেস জিতেছিলেন। ৪০০ মিটার দৌড়বিদ ডেভিস কামোগা ১৯৯৬ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক আটলান্টায় ব্রোঞ্জ পদক এবং ১৯৯৭ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে রৌপ্য পদক অর্জন করেন। ডরকাস ইনজিকুরু ২০০৫ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ এবং ২০০৬ কমনওয়েলথ গেমসে ৩০০০ মিটার স্টিপলচেজ জিতেছিলেন।
0.5
2,336.061266
20231101.bn_12179_130
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE
উগান্ডা
স্টিফেন কিপ্রোটিচ লন্ডনে ২০১২ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক এবং ২০১৩ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ম্যারাথন জিতেছেন এবং ২০১৩ টোকিও ম্যারাথনে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন। জোশুয়া চেপ্টেগি ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ, ওয়ার্ল্ড অ্যাথলেটিক্স ক্রস কান্ট্রি চ্যাম্পিয়নশিপ এবং কমনওয়েলথ গেমসে ১০ কিমি রেস জিতেছেন এবং ৫ কিমি এবং ১৫ কিমিতে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন। হালিমা নাকাই ২০১৯ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে ৮০০ মিটার দৌড় জিতেছেন।
0.5
2,336.061266
20231101.bn_12179_131
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE
উগান্ডা
দেশটিতে একটি ক্রমবর্ধমান সফল জাতীয় বাস্কেটবল দল রয়েছে। এটির ডাকনাম "দ্য সিলভারব্যাকস", এবং তারা ২০১৫ এফআইবিএ ​​আফ্রিকা চ্যাম্পিয়নশিপে আত্মপ্রকাশ করে।
1
2,336.061266
20231101.bn_12179_132
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE
উগান্ডা
জুলাই ২০১১ সালে, কাম্পালা, উগান্ডা প্রথমবারের মতো উইলিয়ামসপোর্ট, পেনসিলভানিয়াতে ২০১১ লিটল লিগ ওয়ার্ল্ড সিরিজের জন্য যোগ্যতা অর্জন করে, সৌদি আরবের বেসবল দল ধরন এলএলকে পরাজিত করে, যদিও ভিসা জটিলতা তাদের সিরিজে অংশগ্রহণ করতে বাধা দেয়। উগান্ডা থেকে লিটল লিগ দল ২০১২ লিটল লিগ ওয়ার্ল্ড সিরিজের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছিল এবং অংশগ্রহণ করেছিল।
0.5
2,336.061266
20231101.bn_12179_133
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE
উগান্ডা
উগান্ডার চলচ্চিত্র শিল্প তুলনামূলকভাবে তরুণ। এটি দ্রুত বিকশিত হচ্ছে, কিন্তু এখনও চ্যালেঞ্জের একটি ভাণ্ডার এর সম্মুখীন। আমাকুলা, পার্ল ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল, মাইশা আফ্রিকান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল এবং মান্য হিউম্যান রাইটস ফেস্টিভ্যালের মতো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের প্রসারে শিল্পের জন্য সমর্থন পাওয়া গেছে। যাইহোক, চলচ্চিত্র নির্মাতারা হলিউডের বড় বাজেটের চলচ্চিত্র ছাড়াও মহাদেশের অন্যান্য দেশ যেমন নাইজেরিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার প্রতিযোগী বাজারের বিরুদ্ধে লড়াই করে।
0.5
2,336.061266
20231101.bn_12179_134
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE
উগান্ডা
প্রথম সর্বজনীনভাবে স্বীকৃত চলচ্চিত্র যেটি শুধুমাত্র উগান্ডার দ্বারা নির্মিত হয়েছিল তা ছিল “অনুভূতি সংগ্রাম”, যেটি ২০০৫ সালে হাজ্জি আশরাফ সেমওগেরের দ্বারা পরিচালিত এবং লেখা হয়েছিল। এটি উগান্ডায় চলচ্চিত্রের আরোহণের বছরকে চিহ্নিত করে, এমন একটি সময় যেখানে অনেক উৎসাহী নিজেদেরকে বিভিন্ন ক্ষমতার সিনেমাটোগ্রাফার হিসাবে শ্রেণীবদ্ধ করতে গর্বিত ছিলেন।
0.5
2,336.061266
20231101.bn_12179_135
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%89%E0%A6%97%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A1%E0%A6%BE
উগান্ডা
স্থানীয় চলচ্চিত্র শিল্প দুই ধরনের চলচ্চিত্র নির্মাতাদের মধ্যে মেরুকরণ করা হয়। প্রথমটি হল ফিল্ম নির্মাতা যারা নলিউড ভিডিও ফিল্ম যুগের গেরিলা পদ্ধতি ব্যবহার করে ফিল্ম তৈরি করে, প্রায় দুই সপ্তাহের মধ্যে একটি ছবি মন্থন করে এবং অস্থায়ী ভিডিও হলগুলিতে স্ক্রিনিং করে। দ্বিতীয়টি হল সেই ফিল্মমেকার যার ফিল্মের নান্দনিকতা রয়েছে, কিন্তু সীমিত তহবিলের সাথে দাতার নগদ অর্থের জন্য প্রতিযোগিতামূলক ঝাঁকুনির উপর নির্ভর করতে হয়।
0.5
2,336.061266
20231101.bn_1209_32
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7
বিশ্বকোষ
অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং আইনীসহ বিভিন্ন বিষয়ের কারণে বিশ্বকোষের আকার পরিবর্তিত হয়েছে। রেনেসাঁর সময়ে মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষদের পড়ার বেশি সময় ছিল এবং বিশ্বকোস তাদের আরও জানতে সাহায্য করে। প্রকাশকরা তাদের প্রকাশনা বৃদ্ধি করতে চেয়েছিল, তাই জার্মানির মতো দেশগুলো দ্রুত প্রকাশনার জন্য বর্ণানুক্রমিক অংশ বাদ দিয়ে বই প্রকাশ করা শুরু করে। প্রকাশকরা একাই তাদের সকল ব্যয় বহন করতে পারত না। এজন্য একাধিক প্রকাশক যৌথভাবে একটি ভালো বিশ্বকোষ তৈরি করতে অর্থ ব্যয় করত। যখন একই মূল্যে প্রকাশনা অসম্ভব হয়ে পড়ে তখন প্রকাশকরা সাবস্ক্রিপসশন এবং সিরিয়াল প্রকাশনা পদ্ধতি ব্যবহার করা শুরু করল। এই পদ্ধতি কার্যকর হলে মূলধন বৃদ্ধি পায় এবং বিশ্বকোষের জন্য একটি স্থির শুরু হয়। প্রতিদ্বন্দ্বীতার সৃষ্টি হলে, দুর্বল অনুন্নত আইনের কারণে কটিরাইট হওয়া শুরু হয়। বেশি বিত্রি করার জন্য এবং যাতে খদ্দেরদের বেশি অর্থ খরচ না করতে হয় তাই দ্রুততর এবং কম খরচে বিশ্বকোষ তৈরির জন্য কিছু প্রকাশক অন্যান্য প্রকাশকের কীর্তি নকল করেন। মধ্যবিত্ত মানুষের ঘরে থাকা গ্রন্থগারে বিশ্বকোষ রাখা থাকত। ইউরোপিওরা তাদের আশেপাশের সমাজ সম্পর্কে বিস্মিত হতে থাকে, ফলে সরকারের বিরূদ্ধে বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
0.5
2,333.167826
20231101.bn_1209_33
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7
বিশ্বকোষ
সাধারণ উদ্দেশ্যে তৈরি ব্যাপকভাবে বণ্টন করা মুদ্রিত বিশ্বকোষের আধুনিক ধারণা ১৮ শতকের বিশ্বকোষবিদের পূর্বেই এসেছে। চেম্বারের ক্লাইকোপিডিয়া, ইউনিভার্সাল ডিকশনারি অব আর্ট এন্ড সাইয়েন্সেস (১৭২৮), ডেনি দিদেহো (১৭৫০) ও যিন দে রোন্ড দা’লেম্বার্ট (১৭৫১ থেকে) এর এনসাইক্লোপেডি, এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা (১৭৬৮) এবং কনভার্সেসন লেক্সিকন বর্তমানে আমাদের পরিচিত রূপে প্রকাশিত হয়। এগুলোতে অনেক বিষয় গভীরভাবে আলোচনা করা হয় এবং লেখাগুলো একটি বোধগোম্য, নিয়মানুগ পদ্ধতিতে সাজানো হয়।১৭২৮ সালে, চেম্বার এর ১৭০৪ সালে জন হারিস কর্তৃক প্রকাশিত লেক্সিকুম টেকনিকুম এবং তার পরবর্তী কীর্তিগুলো অনুসরণ করেন। চেম্বারের কীর্তিটি নাম এবং বিষয়বস্তু অনুযায়ী ছিল শিল্প এবং বিজ্ঞানের একটি ইংরেজি অভিধান, যাতে শুধু শিল্পের শর্তগুলোই নয়, বরং শিল্পগুলোরও ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
0.5
2,333.167826
20231101.bn_1209_34
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7
বিশ্বকোষ
১৯২০ এর দশকে হামর্সওর্য়থ এর সার্বজনীন বিশ্বকোষ এবং শিশুদের বিশ্বকোষের মতো জনপ্রিয় এবং সাশ্রয়ী বিশ্বকোষগুলোর আবির্ভাব হয়।
0.5
2,333.167826
20231101.bn_1209_35
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7
বিশ্বকোষ
১৯৫০ এবং ১৯৬০ এর দশকে যুক্তরাষ্ট্রে কিছু ব্যাপক জনপ্রিয় বিশ্বকোষ প্রকাশিত হয়, যেগুলো কিস্তিতে বিক্রি করা হয়। ফাঙ্ক এন্ড ওয়াগনালস এবং ওয়ার্ল্ড বুক ছিল এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত। এগুলোর প্রায় ৯০ শতাংশ বাড়িতে-বাড়িতে গিয়ে বিক্রি করা হয়েছে। জেক লিঞ্চ তার বইয়ের মধ্যে লিখেছেন যে, বিশ্বকোষ বিক্রেতারা এত সুলভ ছিল যে তারা কৌতুকের কেন্দ্র হয়ে যায়। “তারা শুধু বই নয়, বরং তারা একটি জীবনব্যবস্থা, একটি ভবিষ্যৎ এবং সামাজিক গতিশীলতার একটি প্রতিজ্ঞা বিক্রি করছেন” বলে তিনি তাদের কাজের ক্ষেত্রকে ব্যাখ্যা করেন। ১৯৬১ সালে ওয়ার্ল্ড বুক এর একটি বিজ্ঞাপনে একজন নারীর হাতে একটি অর্ডার ফর্ম দেখিয়ে বলা হয়েছে, “আপনি এখন আপনার হাতে আপনার পরিবারের ভবিষ্যৎ ধরে রেখেছেন”।
0.5
2,333.167826
20231101.bn_1209_36
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7
বিশ্বকোষ
বিংশ শতাব্দির ২য় অংশে অনেকগুলো বিশেষায়িত বিশ্বকোষ প্রকাশিত হয়, যেখানে মূলত নির্দিষ্ট কোনো শিল্প বা পেশাকে সমর্থন দেওয়ার জন্য কোনো নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের বিষয়গুলো সংকলিত করা হয়। এই প্রচলনটি স্থায়ী হয়। বর্তমানে কমপক্ষে এক খন্ড আকারের বিশ্বকোষ রয়েছে, যাতে শিক্ষার সকল ক্ষেত্রগুলো না থাকলেও জীবনীতিশাস্ত্রের মতো ছোট বিষয়গুলো ছিল।
1
2,333.167826
20231101.bn_1209_37
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7
বিশ্বকোষ
২০ শতাব্দির মধ্যে নিজস্ব কম্পিউটারে ব্যবহারের জন্য সিডি-রোমে বিশ্বকোষ প্রকাশ করা হয়। মাইক্রোসফট -এর এনকার্টা এর কোনো মুদ্রিত সংকলন না থাকায় এটি এরকম বিশ্বকোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। এর নিবন্ধগুলোতে ভিডিও, অডিও ফাইল এবং অসংখ্য উচ্চ মানসম্মত চিত্র ব্যবহার করা হয়.
0.5
2,333.167826
20231101.bn_1209_38
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7
বিশ্বকোষ
ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং অনলাইন ক্রাউডসোর্সিং এর কারণে বিশ্বকোষগেুলো বিষয়ের বিস্তৃতি এবং গভীরতার দিক সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠেছে। ওপেন সোর্স মিডিয়াউইকি সফটওয়্যার এবং উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন সমর্থিত একটি বহুভাষাভিত্তিক মুক্ত লাইসেন্স ইন্টারনেট বিশ্বকোষ, উইকিপিডিয়া ২০০১ সালে স্থাপিত হয়। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা অনলাইন এর মতো বিশেষজ্ঞদের লেখা বাণিজ্যিক বিশ্বকোষ সাথে বৈসাদৃশ্যপূর্ণভাবে সেচ্ছাসেবক সম্পাদকরা যৌথভাবে উইকিপিডিয়া গড়ে তুল এবং পরিচালনা করে। উইপিডিয়া যৌথভাবে সম্মত নিয়মকানুন এবং ব্যবহারকারীদের যৌথ অবদানে পরিচালিত হয়। এর অধিকাংশ অবদানকারীরা চদ্মনাম ব্যবহার করে নিজেকে গোপন রাখে। অন্তর্নিহিত মান এবং বাইরের উৎসের সমর্থনের উপর ভিত্তি করে এর উপাদানগুলো পর্যালোচনা, চেক, রাখা এবং অপসারণ করা হয়।
0.5
2,333.167826
20231101.bn_1209_39
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7
বিশ্বকোষ
ঐতিহ্যবাহী বিশ্বকোষগুলোর নির্ভরযোগ্যতা রচয়িতা এবং সংযুক্ত পেশাদার বিশেষজ্ঞদের উপর নির্ভর করে। অনেক শিক্ষাবিদ, শিক্ষক এবং সাংবাদিকরা উইকিপিডিয়ার মতো ক্রাউডসোর্সড বিশ্বকোষকে তথ্যের নির্ভরযোগ্য উৎস হিসেবে মনে করেন না এবং উইকিপিডিয়ার উন্মুক্ত সম্পাদনা ব্যবস্থা এবং গোপন ক্রাউডসোর্সিং কাঠামোর জন্য সেটি নিজের মানের দিক থেকেও কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস নয়। ২০০৫ সালে, নেচার এর করা একটি গবেষণা থেকে জানা যায় যে, উইকিপিডিয়ার নিবন্ধগুলো এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা এর নিবন্ধগুলোর সাথে মোটামুটিভাবে তুলনাযোগ্য, যেগুলোতে একই সংখ্যক বড় ভুল এবং বাস্তবিকতার আরও ১/৩ বেশি ভুল রয়েছে তবে উইকিপিডিয়ার নিবন্ধগুলো বিভ্রান্তিকর এবং কম পাঠযোগ্য হতে পারে। এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা গবেষণাটিতে সমস্যা ছিল বলে বিবেচনা করে সেটি প্রত্যাখ্যান করে। ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত উইকিপিডিয়ার পৃষ্ঠা দেখা সংখ্যা ছিল ১৮ বিলিয়ন এবং প্রতি মাসে ৫০০ মিলিয়ন নতুন পরিদর্শক ছিল। সমালোচকরা বিতর্ক করে যে, উইকিপিডিয়া এ বিষয়ে পদ্ধতিগত পক্ষপাতমূলক তথ্য প্রদর্শন করে।
0.5
2,333.167826
20231101.bn_1209_40
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A7%8B%E0%A6%B7
বিশ্বকোষ
বিভিন্ন বিষয়ের উপর আরও ছোট, সাধারণত আরও বিশেষায়িত কিছু বিশ্বকোষ আছে, যেগুলোর কয়েকটি কোনো নির্দিষ্ট স্থান বা সময়ের জন্য নির্দিষ্ট থাকতে পারে। এ রকম বিশ্বকোষের একটি উদাহরণ হলো স্ট্যানফোর্ড এনসাইক্লোপিডিয়া অফ ফিলোসফি।
0.5
2,333.167826
20231101.bn_42643_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
আহ্‌মদীয়া
১৯১৩ সনের দিকেই আহমদীয়া জামাত বিদেশে তাদের প্রচার কর্ম শুরু করে (যেমন লন্ডনে ফজল মসজিদ নির্মাণ)। অনেক ঐতিহাসিকদের মতে আহমদীয়া আমেরিকায় 'সিভিল রাইটস মুভমেন্ট' বা নাগরিক অধিকার আন্দোলনের অগ্রদূত। এটি ১৯৫০ পর্যন্ত "আফ্রিকান-আমেরিকান ইসলামে তর্কসাপেক্ষে সবচেয়ে প্রভাবশালী সম্প্রদায়" হিসেবে বিবেচিত এবং বিশেষ করে আফ্রিকা মহাদেশে বিপুল একটি ধর্মমত।
0.5
2,320.070035
20231101.bn_42643_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
আহ্‌মদীয়া
মুসলমানদের প্রচলিত বিশ্বাসের সাথে আহমদীদের মতবাদের ভিন্নতা থাকায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মূলধারার মুসলমানগণ প্রথম থেকেই আহমদীয়ার বিরোধিতা করে আসছে। ১৯৭৪ সালে পাকিস্তান সরকার আহমদীদের অমুসলিম ঘোষণা করে। পাকিস্তানের মত বাংলাদেশের বিভিন্ন ইসলামী দলগুলোর পক্ষ থেকে আহমদীদের অমুসলিম ঘোষণা করার জন্য আন্দোলন হতে থাকে। বিভিন্ন সময়ে আহমদী মুসলমানরা বিভিন্ন সহিংসতার শিকার হয়ে থাকেন।
0.5
2,320.070035
20231101.bn_42643_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
আহ্‌মদীয়া
আহমদীরা বিশ্বাস করে যে আল্লাহ্‌ মসীহকে সশরীরে (জীবন্ত অবস্থায়) আসমানে (সপ্ত স্বর্গের একটি) তুলে নিয়ে যান নি। তিনি এই পৃথিবীতেই (মাজার কাশ্মীরের শ্রীনগরে একটি এলাকায়) স্বাভাবিকভাবে মৃত্যবরণ করেছেন এবং মৃত্যুর পর বেহেশতে চলে গেছেন। যীশুর পুনরাগমন হবে এবং তা হবে মোহাম্মদের উম্মতদের মধ্য থেকে। তাদের যুক্তি হল যদি ইসলামকে পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে বেহেশত থেকে যীশুকেই পাঠাতে হয় তাহলে সেটা খাতামান্নাবিয়ীন হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা:) এর মর্যাদার পরিপন্থী। তাছাড়া কোরআনে যিশুকে [ ঈসা (আ:) কে] বনী ইসরাঈল জাতির নবী বলে উল্লেখ করা হয়েছে [সুরা সাফফ]। কাজেই তিনিই যদি আগমন করেন তবে তিনি কোরআনের নিয়মের বাহিরে গিয়ে মুসলমান জাতির জন্য নবী হতে পারেন না। যীশুর দায়িত্ব পালন করার জন্য তাই মুসলমানদের মধ্য থেকে উঠে আসবেন কেউ যিনি ইসলামের পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করবেন। আর ইনি হলেন মির্যা গোলাম আহমদ।
0.5
2,320.070035
20231101.bn_42643_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
আহ্‌মদীয়া
দাবি করা হয়, মির্যা গোলাম আহমদ একসময় নিজেকে অন্য নবীদের মতই নবী দাবি করেছিলেন যা সূরা আহযাবের ৪০ নং আয়াতের পরীপন্থী।
0.5
2,320.070035
20231101.bn_42643_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
আহ্‌মদীয়া
সূরা আন-নিসার ১৫৭-১৫৮ আয়াত অনুসারে, ইসলামের নবী হযরত ঈসা (আ.)-কে হত্যা করা হয় নি বরং আল্লাহ্ তাকে তার কাছে তুলে নিয়েছেন। সূরা আন-নিসার সেই আয়াত দু'টি হল:
1
2,320.070035
20231101.bn_42643_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
আহ্‌মদীয়া
হাদিস অনুসারে নবী ঈসা (আ.) আসমান থেকে সরাসরি দামেস্কের পূর্ব দিকে মসজিদের সাদা মিনারের পাশে অবতরণ করবেন। তিনি এসে আল-মাহদীর (যিনি ইসলামের শেষ নবীর (সা.) মেয়ে ফাতিমার বংশের হবেন) নেতৃত্বে সালাত আদায় করবেন। তিনি দাজ্জালকে হত্যা করবেন, ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলবেন, শুকর নিধন করবেন, জিযিয়া রহিত করবেন। ইমাম মাহদী ও মসীহ দুইজন আলাদা ব্যক্তি হবেন। এই বিষয়গুলো মির্যা গোলাম আহমদের দাবির বিপরীত হওয়ায় আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত আহমদীয়াদের অমুসলিম (কাফির) বলা হয়। কেননা মুসলিম হতে হলে সর্বপ্রথম কুরআনের প্রতিটি বাক্যে বিশ্বাস রাখতে হবে। কিন্তু তারা সূরা আন-নিসার ১৫৭-১৫৮ নম্বর আয়াতে বর্ণিত ঈসা (আ.) কে আকাশে তুলে নেয়ার বিষয়টি বিশ্বাস করে না। অন্যদিকে ইমাম মাহদী এবং মসীহ ভিন্ন ব্যক্তি হবেন, সেটাও বিশ্বাস করে না। সেজন্য তারা ইসলামিক বিশ্বাস অনুযায়ী কাফির হবে বলে বিশ্বের ওলামায়ে কেরাম তাদেরকে কাফির বলে ফতওয়া দিয়েছেন।
0.5
2,320.070035
20231101.bn_42643_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
আহ্‌মদীয়া
বাংলাদেশের পঞ্চগড়ে ও ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে ক্ষুদ্র পরিসরে আহমদীয়া জামাতের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে সারা দেশে ১০৩টি শাখা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪২৫টি স্থানে আহমদীদের বসবাস বা কার্যক্রম রয়েছে। পঞ্চগড়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সুন্দরবন, আহমদনগর-শালসিঁড়ি, রাজশাহী, কুমিল্লা এবং জামালপুর-ময়মনসিংহ অঞ্চলে আহ্‌মদীদের সংখ্যা উল্ল্যেখযোগ্য। জামাতের সাংগঠিক কার্যক্রম স্বেচ্ছাসেবকদের দ্বারা পরিচালিত হয়। জামাতের ৬৫জন মোবাল্লেগ রয়েছে যারা জামাতের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে থাকে। এই জামা’ত ১৯২০ সন থেকে বাংলাদেশের প্রাচীনতম পাক্ষিক পত্রিকা ‘আহ্‌মদী’ নিয়মিতভাবে বের করে আসছে। অঙ্গসংগঠনসমূহের নিজস্ব ম্যাগাজিন/বুলেটিন রয়েছে।
0.5
2,320.070035
20231101.bn_42643_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
আহ্‌মদীয়া
৩ মার্চ ২০২৩ সালে পঞ্চগড়ে আহমদিয়া সম্প্রদায়ের সালানা জলসা বন্ধের দাবিতে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, সম্মিলিত খতমে নবুয়ত সংরক্ষণ পরিষদ, ইমান-আকিদা রক্ষা কমিটি, ইমাম-মোয়াজ্জিন কল্যাণ সমিতি, পঞ্চগড় কওমি ওলামা পরিষদ ও জাতীয় ওলামা মাশায়েক আইম্মা পরিষদের ডাকে স্থানীয় মুসল্লিরা চৌরঙ্গী মোড়ে সমবেত হয়ে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। পুলিশ-বিক্ষোভকারী সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে আরিফুর রহমান নামের ২৮ বছরের এক তরুনের মৃত্যু হয়।
0.5
2,320.070035
20231101.bn_42643_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%86%E0%A6%B9%E0%A7%8D%E2%80%8C%E0%A6%AE%E0%A6%A6%E0%A7%80%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
আহ্‌মদীয়া
Official Website of the Lahore Ahmadiyya Movement for the Propagation of Islam – Ahmadiyya Anjuman Ishaat-e-Islam Lahore
0.5
2,320.070035
20231101.bn_4354_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
বিরিয়ানি
পোলাও ও বিরিয়ানি দুটো খাবারই সুগন্ধি চাল ও মাংস দিয়ে রান্না করা হয়। তারপরও এদের মাঝে বেশ কিছুটা পার্থক্য আছে। পোলাওতে মাংস দেওয়া বা না দেওয়া ঐচ্ছিক। তবে পোলাও এর উৎপত্তি মধ্য এশিয়ায়। সেখানে পোলাও মাংসের সাথেই রান্না করা হয়। এমনকি বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে অনেকটা এভাবেই পোলাও রান্না করা হয়। মুঘলরা মধ্য এশিয়া থেকে আসার সময়ে পোলাও এর সংস্কৃতি মাতৃভূমি থেকে সঙ্গে করে নিয়ে আসে। পোলাও বিরিয়ানির মূল পার্থক্য যতটা না রান্নার প্রণালীতে তার চেয়েও অনেক বেশি মশলার ব্যবহারে। বিরিয়ানির মশলায় উপাদানের বৈচিত্র্য অনেক বেশি, মশলাও ব্যবহার করা হয় তুলনামূলক বেশি পরিমাণে। ফলে বিরিয়ানির মশলার ঝাঁঝ পোলাও এর চেয়ে অনেক বেশি কড়া হয়।
0.5
2,286.274108
20231101.bn_4354_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
বিরিয়ানি
মধ্য এশিয়ার উজবেকিস্তান বা তুর্কমেনিস্তান এ হালের পোলাও এবং বিরিয়ানির আদিরূপের সাক্ষাৎ পাওয়া যায়। তবে ভারতীয় উপমহাদেশে এত বেশি মশলার ব্যবহার হয় তাতে সমরখন্দ বা বুখারার সেই আদি পোলাও বেশ পানসে ও জৌলুসহীন মনে হয়। পোলাও এবং বিরিয়ানির আরেকটি বড় পার্থক্য আছে তাদের মৌলিক রন্ধন প্রণালীতে। পোলাও রান্নার আগে চাল ধুয়ে কিছুক্ষণ রেখে দেয়া হয় ও পরে পানিতে ফুটিয়ে সেদ্ধ করা হয়। কিন্তু বিরিয়ানিতে চালের সুঘ্রাণ অবিকৃত রাখতে চাল বেশি ধোয়া কিংবা ফোটানো হয়না। বরঞ্চ আগে থেকে ফুটিয়ে গরম পানি যোগ করা হয়।
0.5
2,286.274108
20231101.bn_4354_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
বিরিয়ানি
তেহারীকে বিরিয়ানির একটি বিশেষ পরিমার্জিত ধরন বলা চলে। তেহারীতে গোশতের পরিমাণ থাকে কম। আলু ও হাড় থাকে বেশি। মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় চড়া দামের কারণে খরচ বাঁচাতে এই বৈচিত্র্য আনা হয়েছিল। তবে প্রেক্ষাপট বদলে গেলেও এখনও আবেদন বদলে যায়নি তেহারীর।
0.5
2,286.274108
20231101.bn_4354_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
বিরিয়ানি
কাচ্চি- এ পদ্ধতিতে খাসি/গরু/মুরগির মাংস টকদই ও মসলা দিয়ে মেরিনেট করে, কাঁচা মাংস আধা সিদ্ধ চালের সঙ্গে একইসাথে রান্না করা হয়।
0.5
2,286.274108
20231101.bn_4354_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
বিরিয়ানি
অঞ্চল অনুসারে বিরিয়ানিতে ভিন্ন ভিন্ন উপাদান ব্যবহার করা হয়। তবে মাংস (মুরগী, ছাগল, গো-মাংস, ভেড়া,চিংড়ি বা মাছ) এবং চাল বিরিয়ানির প্রধান উপাদান। বিরিয়ানির চাল সবসময়েই লম্বা বা চিকন প্রকারের যেমনঃ তুলশীমালা, বাসমতী বা কালিজিরা চাল বা চিনিগুড়া ব্যবহার করা হয়। বিরিয়ানির চাল প্রথমে ভালো করে ধুয়ে নেওয়া হয়। তারপর তা বেশ কয়েকঘণ্টা ভিজিয়ে রাখা হয়। তারপর গরম পানি তে শহী জিরা, গরমমশলা মেশানো হয়, এরপর এতে ভেজানো চাল দিয়ে সিদ্ধ / আধা সিদ্ধ করা হয়। ম্যারিনেট করা মাংসের বড় টুকরো তা সে মুরগি হোক বা খাসি বা গরু‌‌, চালে মেশানো হয়। হাঁড়িতে চাল ও মাংস স্তরে স্তরে সাজিয়ে রাখা হয়, দুটি স্তরের মধ্যে ঘি দেওয়া হয়। এছাড়াও নানারকম মশলা মেশানো হয়। শেষে হাঁড়ির মুখ আটা দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিরিয়ানিতে আলু ও আলুবোখরা, দই ব্যবহার করা হয়।
1
2,286.274108
20231101.bn_4354_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
বিরিয়ানি
ভারতীয় উপমহাদেশের দেশগুলোতে অন্যান্য খাদ্যের পদগুলোর মত বিরিয়ানিতেও শাকসবজির ব্যবহার দেখা যায়। বিরিয়ানিতে সাধারণত জায়ফল , লবঙ্গ , এলাচ, দারুচিনি, তেজপাতা, ধনিয়া, পুদিনা পাতা ইত্যাদি মসলা ব্যবহার করা হয়।
0.5
2,286.274108
20231101.bn_4354_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
বিরিয়ানি
বিরিয়ানিস মশালার সাথে প্রধান উপাদানটি মুরগী ​​বা ছাগলের মাংস; বিশেষ জাতগুলি পরিবর্তে গরুর মাংস বা সামুদ্রিক খাবার ব্যবহার করা হয়। বিরিয়ানি সাধারণত চাটনি ,সিদ্ধ ডিম এবং সালাদ দিয়ে বিরিয়ানি পরিবেশন করা হয়।
0.5
2,286.274108
20231101.bn_4354_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
বিরিয়ানি
কাচ্চি বিরিয়ানি এর উৎপত্তি মধ্য এশিয়ায় হলেও এটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো, বিশেষ করে ভারত, বাংলাদেশ, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশে একটি জনপ্রিয় খাবার। এটি প্রচলিত এক বিশেষ প্রকারের খাবার যা সুগন্ধি চাল, ঘি/তেল, গরম মশলা এবং কাঁচা মাংস মিশিয়ে রান্না করা হয়। এটি ভারতীয় উপমহাদেশের মুসলমানদের মাধ্যমে প্রসারতা লাভ করে।
0.5
2,286.274108
20231101.bn_4354_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%BF
বিরিয়ানি
কাচ্চি বিরিয়ানির মাংস প্রথমে আলাদা ভাবে রান্না করে তার উপরে সমান ভাবে সেদ্ধ চাল বিছিয়ে দেয়া হয়।এরপরে পাত্রটির মুখে ঢাকনা দিয়ে চারপাশ আটা দিয়ে বন্ধ করে তা চুলায় বসিয়ে দেয়া হয় ।এভাবে তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে তৈরি হয়ে যাবে কাচ্চি বিরিয়ানি।
0.5
2,286.274108
20231101.bn_35103_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%AF%E0%A6%BC
বর্ণপরিচয়
ডক্টর বন্দ্যোপাধ্যায় লিখেছেন, “শোনা যায়, প্যারীচরণ সরকার এবং বিদ্যাসাগর একদা সিদ্ধান্ত করেন যে, দু’জনে ইংরেজি ও বাংলায় বর্ণশিক্ষা বিষয়ক প্রাথমিক পুস্তিকা লিখবেন। তদনুসারে প্যারীচরণ First Book of Reading এবং বিদ্যাসাগর ‘বর্ণপরিচয় প্রথম ভাগ’ প্রকাশ করেন।” বিহারীলাল সরকারের রচনা থেকে জানা যায় মফস্বলে স্কুল পরিদর্শনে যাওয়ার সময় পালকিতে বসে পথেই বর্ণপরিচয়ের পাণ্ডুলিপি তৈরি করেছিলেন বিদ্যাসাগর। ১৮৫৫ সালের এপ্রিলে (১৩ এপ্রিল অর্থাৎ ১লা বৈশাখ,সংবৎ ১৯১২ /১লা এপ্রিল,১৮৫৫ ) প্রকাশিত হয় বর্ণপরিচয় প্রথম ভাগ এবং ওই বছরেই জুনে (১৪ ই জুন অর্থাৎ ১লা আষাঢ়,সংবৎ ১৯১২) প্রকাশিত হয় বর্ণপরিচয় দ্বিতীয় ভাগ। বিহারীলাল আরও লিখেছেন, “প্রথম প্রকাশে বর্ণপরিচয়ের আদর হয় নাই। ইহাতে বিদ্যাসাগর মহাশয় নিরাশ হন; কিন্তু ক্রমে ইহার আদর বাড়িতে থাকে।” প্যারীচরণের ইংরেজি গ্রন্থখানিও বাঙালি সমাজে দীর্ঘকালের আদরের বস্তু ছিল। তবে আজকের বিশ্বায়নের যুগে এই গ্রন্থটির শিক্ষামূল্য কিছুই অবশিষ্ট নেই। অথচ বিদ্যাসাগর মহাশয়ের গ্রন্থটি আজও বাঙালি সমাজে শিশুদের বাংলা শিক্ষার প্রথম সহায়ক হয়ে রয়ে গেছে।
0.5
2,283.461797
20231101.bn_35103_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%AF%E0%A6%BC
বর্ণপরিচয়
এরপর আবারও ১২৫ বছরে কেবল স্বরবর্ণমালা থেকে "ঌ" (লি) ও ব্যঞ্জনবর্ণমালা থেকে "অন্তস্থ ব" বাদ গিয়েছে। ফলে বলা যায়, আধুনিক বাংলা বর্ণমালার মূল রূপকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
0.5
2,283.461797
20231101.bn_35103_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%AF%E0%A6%BC
বর্ণপরিচয়
তার বর্ণপরিচয় এর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো, এই প্রথম শিশুদের উপযোগী সহজবোধ্য ও সংক্ষিপ্ত বাক্য দিয়ে পাঠ রচনা করা হয়েছে। এখানে প্রথমে শিশু বর্ণক্রমিক পদ্ধতিতে বর্ণ শিখবে, বর্ণের সঙ্গে মুখে মুখে ছোট ছোট শব্দ শিখবে, এরপর বর্ণপরিচয়-এর পরীক্ষা, তারপর বর্ণযোজনা ও ফলা সংযোগে বানান শেখার সূচনা। এরপর রয়েছে সহজবোধ্য ছোট বাক্যের ছোট ছোট প্রাঞ্জল গদ্য রচনা।
0.5
2,283.461797
20231101.bn_35103_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%AF%E0%A6%BC
বর্ণপরিচয়
এভাবে তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির সঙ্গে আমরা পরিচিত হয়ে যাই। এখানে আমরা দেখি আগেকার অবোধ্য-দুর্বোধ্য শব্দকদম্ব মুখস্থ করার পরিবর্তে শিশু পরিচিত শব্দ শিখছে ও স্বচ্ছন্দ বাংলা গদ্য রচনার সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে। এভাবে সহজ সাবলীল ও আধুনিক বাংলা গদ্যের পথ প্রশস্ত করে দিলেন বিদ্যাসাগর সব শিক্ষিত বাঙালির জন্য।
0.5
2,283.461797
20231101.bn_35103_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%AF%E0%A6%BC
বর্ণপরিচয়
চতুর্থ গুরুত্ববহ বিষয়টি হলো যতিচিহ্ন। ইতিপূর্বে বাংলা গদ্যে যতিচিহ্নের বিষয়ে সচেতনতা ও প্রয়োগ নৈপুণ্য দেখা যায়নি। বিদ্যাসাগরের এসব সাবলীল স্বচ্ছন্দ গদ্যে যতিচিহ্নের ব্যবহার লক্ষণীয়। বর্ণপরিচয়-এর ১৯ সংখ্যক পাঠ থেকে উদাহরণ টানা যায়-‘গোপাল যখন পড়িতে যায়, পথে খেলা করে না; সকলের আগে পাঠশালায় যায়; পাঠশালায় গিয়া আপনার জায়গায় বসে; আপনার জায়গায় বসিয়া, বই খুলিয়া পড়িতে থাকে; যখন গুরু মহাশয় নূতন পড়া দেন, মন দিয়া শুনে।’ যতিচিহ্নের বিষয়ে তার বিশেষ সচেতনতার কথা ভাষাচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় দৃষ্টান্তসহকারে উল্লেখ করে মন্তব্য করেছেন- ‘তাঁহার এই সংস্কারকামী মনের বিশেষ পরিচয় পাওয়া যায় তাঁহার বিরাম-চিহ্নের প্রয়োগের ক্রমবাহূল্য দেখিয়া।’ (ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর-মনীষী স্মরণে, ২ : ১৩)
1
2,283.461797
20231101.bn_35103_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%AF%E0%A6%BC
বর্ণপরিচয়
পঞ্চম বৈশিষ্ট্য হলো, এর গদ্যাংশের মৌলিক সাহিত্য গুণ। যে ২০টি পাঠ রয়েছে তাকে বাংলা শিশুসাহিত্যের সূচনাপর্ব বলা যায়। ছোট ছোট বাক্য, তাতে ছবি যেমন তেমনি ছন্দও ফুটে ওঠে। যেমন-
0.5
2,283.461797
20231101.bn_35103_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%AF%E0%A6%BC
বর্ণপরিচয়
এখানে প্রসঙ্গক্রমে সুনীতিকুমারের লেখা থেকে উদ্ধৃতি দেওয়া যায়। তিনি লিখেছেন "বাঙ্গালা গদ্য-সার্থক বাঙ্গালা গদ্য-অনেকে লিখিয়াছেন এবং আজও অনেকে লিখিতেছে। বাঙ্গালা গদ্যের অন্তর্নিহিত ঝংকার সম্বন্ধে সচেতন হওয়া এখনকার দিনে অসম্ভব নয়। কিন্তু যখন ভালো গদ্যের নমুনা কদাচিৎ দেখা যাইত, সেইকালে বিদ্যাসাগর যে কী অনন্যসাধারণ প্রতিভাবলে বাঙ্গালা গদ্যের সেই অন্তর্নিহিত ঝংকারের সম্ভাবনা বা অস্তিত্ব আবিষ্কার করিতে সমর্থ হইয়াছিলেন, তাহা ভাবিলে বিস্ময়াবিষ্ট হইতে হয়।---অর্থাৎ গদ্য রচনার ছন্দবিষয়ে তিনিই ছিলেন প্রথম দ্রষ্টা ও স্রষ্টা; গদ্যপাঠের ধ্বনি-সামঞ্জস্যে যে পাঠক ও শ্রোতা আনন্দ পাইতে পারে, এই সূক্ষ্ম অনুভূতি তাঁহার ছিল।"
0.5
2,283.461797
20231101.bn_35103_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%AF%E0%A6%BC
বর্ণপরিচয়
তার গদ্যের এই গুণ সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন, "গদ্যের পদগুলির মধ্যে একটা ধ্বনি-সামঞ্জস্য স্থাপন করিয়া তাহার গতির মধ্যে একটি অনতি লক্ষ্য ছন্দঃস্রোত রক্ষা করিয়া, সৌম্য এবং সবল শব্দগুলি নির্বাচন করিয়া, বিদ্যাসাগর বাংলাকে সৌন্দর্য ও পরিপূর্ণতা দান করিয়াছেন।"
0.5
2,283.461797
20231101.bn_35103_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%A3%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%AF%E0%A6%BC
বর্ণপরিচয়
এভাবে ধাপে ধাপে বাক্য দীর্ঘ হয়েছে, ধারাবাহিকভাবে বাক্য রচিত হয়ে অনুচ্ছেদ হয়ে উঠে শেষে কাহিনীর দিকে গেছে। সবই সহজ স্বচ্ছন্দ প্রাঞ্জল গদ্যে তিনি রচনা করেছেন।
0.5
2,283.461797
20231101.bn_288143_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B9
ফিকহ
ফিকহ (আরবি ভাষায়: الفقه) হলো ইসলামি আইনশাস্ত্র, যা অধ্যয়নের মাধ্যমে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সকল বিষয়ে ইসলামী শরীয়তের বিধান জানা যায়। কুরআন ও হাদীসের মৌলিক বিধানগুলোর প্রায়োগিক রূপ হলো ফিকহ শাস্ত্র। বাংলা ভাষায় এটিকে ফেকাহ, ফেকাহশাস্ত্র এবং ইলমুল ফিকহ-ও বলা হয়। ফিকহে প্রশিক্ষিত একজন ব্যক্তি ফকীহ (বহুবচন ফুকাহা) নামে পরিচিত। ইমাম আবু হানিফা (রহ.) ফিকহ শাস্ত্রের জনক।
0.5
2,280.983077
20231101.bn_288143_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B9
ফিকহ
ফিকহ একটি আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ হলো উপলব্ধি করা, গভীরভাবে কিছু বুঝতে পারা,উন্মোচন করা, অনুধাবন করা, সূক্ষ্মদর্শিতা ইত্যাদি। ইসলামের পরিভাষায় ফিকহ হলো এমন শাস্ত্র, যার মাধ্যমে ইসলামের উৎসসমূহ তথা কুরআন ও হাদীস থেকে বিস্তারিত প্রমাণসহ ব্যবহারিক জীবনের বিভিন্ন বিধি-বিধান ও ইসলামি সমাধান জানা যায়। ফিকহ শব্দটি এই অর্থেই বেশি প্রসিদ্ধ। তবে বর্তমানে আরবি ভাষায় আইনশাস্ত্রকেই ফিকহ বলা হয়, সেটা ইসলামি আইনশাস্ত্র হোক অথবা অন্য কোন আইনশাস্ত্র হোক।
0.5
2,280.983077
20231101.bn_288143_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B9
ফিকহ
ইসলামের সকল বিধানের মৌলিক উৎস চারটি। এই চারটি উৎস ছাড়া কোন বিধান প্রণয়ন সম্ভব নয়। এই চারটি উৎস হলো: কুরআন, হাদিস, ইজমা, কিয়াস। এই চারটি মৌলিক উৎস ছাড়াও অন্যান্য কিছু উৎসও রয়েছে।
0.5
2,280.983077
20231101.bn_288143_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B9
ফিকহ
ইসলামি আইনের মূল ভিত্তি ও উৎস হলো কুরআন। ইসলামি আইনবিজ্ঞানে কুরআনের অবস্থান হলো প্রচলিত আইনবিজ্ঞানে সংবিধানের অবস্থানের মতো। কুরআনে বেশিরভাগ আইনের ক্ষেত্রেই সংক্ষিপ্ত মৌলিক আলোচনা করা হয়েছে। যেমন, কুরআনে নামাজ ও যাকাতের আদেশ করা হয়েছে। কিন্তু এগুলোর সময়, পরিমাণ ও নিয়ম-কানুন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়নি। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে কুরআনে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। যেমন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টন, হদ এবং যে সকল নারীদের সাথে বিবাহ অবৈধ। কুরআনে যেসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়নি সেগুলো জানার জন্য হাদিসের সহায়তা নিতে হয়।
0.5
2,280.983077
20231101.bn_288143_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B9
ফিকহ
হাদিসের শাব্দিক ও পারিভাষিক বিভিন্ন অর্থ আছে। কিন্তু ইসলামি আইনবিজ্ঞানের ভাষায় হাদিস বলে বোঝানো হয় এমন বিষয়কে, কথা, কাজ কিংবা আচরণের মাধ্যমে মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে যা সম্পর্কে সম্মতি অথবা নিষেধাজ্ঞা বর্ণিত রয়েছে। ইসলামি আইনে পরিভাষায় কখনো কখনো হাদিসের সমার্থক হিসেবে "সুন্নাহ" শব্দটিও ব্যবহার করা হয়। আইনের উৎস হিসেবে হাদিসের স্থান কুরআনের পরের স্তরে। কারণ, হাদিসের মাধ্যমে কুরআনের বিভিন্ন বিধানের ব্যাখ্যা দেয়া হয়। কিন্তু হাদিস আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে কুরআন থেকে স্বতন্ত্র। কারণ, হাদিসে এমন বহু বিধান উল্লেখ করা হয়েছে, যা সম্পর্কে কুরআনে কোন আলোচনা করা হয়নি। তবে হাদিস থেকে যে কোন বিধান আহরণের জন্য হাদিসটিকে অবশ্যই হাদিস বিশারদগণের কাছে মানোত্তীর্ণ বা সহিহ হতে হবে। নইলে সে হাদীস থেকে বিধান গ্রহণ কিংবা প্রণয়ন করা যাবে না।
1
2,280.983077
20231101.bn_288143_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B9
ফিকহ
ইজমা (আরবিতে:إجماع) অর্থ ঐকমত্যে পৌঁছা। ইসলামি আইনের পরিভাষায় ইজমা বলা হয়, কোন বিষয়ে ইসলামি আইনবিদগণের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তকে। এই ঐকমত্য মুহাম্মাদ (সঃ) এর মৃত্যু-পরবর্তী যে কোন সময় বা যুগেই হতে পারে। ইসলামি আইনের উৎস হিসেবে ইজমার অবস্থান হাদিসের পরে। ইজমা শরীয়তের মৌলিক উৎস হওয়া কুরআন ও হাদীসের বক্তব্য দ্বারা প্রমাণিত। ইজমা দ্বারা সাব্যস্ত বিধান সমূহের একটি হলো, মৃতব্যক্তি শুধুমাত্র পিতা ও এক সন্তান রেখে মারা গেলে সম্পত্তি বণ্টনের বিধানটি।
0.5
2,280.983077
20231101.bn_288143_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B9
ফিকহ
দুই বিষয়ের বাহ্যিক বা অর্থগত সামঞ্জস্যবিধানকে কিয়াস বলে। অর্থাৎ এমন নতুন বিষয় যার বিধান কুরআন-হাদিসে নেই কিন্তু তার মতো অন্য আরেকটি বিষয়ের বিধান সেখানে আছে। তখন কুরআন-হাদিসে উল্লেখিত বিষয়ের সাথে সামঞ্জস্য থাকার কারণে অনুল্লেখিত বিষয়ের সমাধান সেখান থেকে আহরণ করাকে কিয়াস বলা হয়। কিয়াসের অবস্থান ইজমার পরে।
0.5
2,280.983077
20231101.bn_288143_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B9
ফিকহ
Potz, Richard: Islamic Law and the Transfer of European Law, European History Online, Mainz: Institute of European History, 2011, retrieved: November 28, 2011.
0.5
2,280.983077
20231101.bn_288143_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AB%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%B9
ফিকহ
imamfaisal.com - hundreds of free mp3s explaining the fiqh of tahara, marriage, business, etc. according to the scholars.
0.5
2,280.983077
20231101.bn_5292_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%81
লায়লী-মজনু
কায়েসের বংশ হ'ল: কায়স বিন আল-মুলাওয়াহ বিন মুজাহিম বিন-আদস বিন রাবহাহ বিন জা'দাহ বিন কাব বীন বিনাবী বিন - বিন বিনা বাইন বিনত বিনা বাইন বাইন বাইন বাইন বাইন বাইন আদনান । _
0.5
2,277.205591
20231101.bn_5292_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%81
লায়লী-মজনু
قيس بن الملوّح بن مزاحم بن عدس بن ربيعة بن جعدة بن كعب بن ربيعة بن عامر بن صعصعة معاوية بن بكر بن هوازن بن منصور بن عكرمة بن خصفة بن قيس عيلان بن مضر بن نزار بن معد بن عدنان
0.5
2,277.205591
20231101.bn_5292_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%81
লায়লী-মজনু
কায়েস নজদে ৬৪৫ খ্রিস্টাব্দে (হিজরি ২৪ হিজরি ) জন্মগ্রহণ করেন এবং হিজরির ১ম শতাব্দীতে পঞ্চম উমাইয়া খলিফা আবদ আল-মালিক ইবনে মারওয়ানের শাসনামলে ৬৮৮ খ্রিস্টাব্দে (হিজরি ৬৮ হিজরি ) মৃত্যুবরণ করেন। আরব মরুভূমি ।
0.5
2,277.205591
20231101.bn_5292_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%81
লায়লী-মজনু
কায়েস হলেন দুজন আল-কায়সাইন কবি আল-মুতায়মিন ( আরবি : المتيمين ), অন্যজন হলেন কায়েস বিন ধরীহ ( قيس بن ذريح ), যার নাম " মাজনুন লুবনা ( مجنون لبنى )"। এটি (এক মহিলার দ্বারা) বর্ণিত হয়েছে যে কায়েস 68 হিজরিতে (688 খ্রিস্টাব্দের অনুরূপ) মৃত্যুবরণ করেন, পাথরের মধ্যে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায় (যেখানে লায়লাকে কবর দেওয়া হয়েছিল) এবং তার লাশ তার পরিবারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
0.5
2,277.205591
20231101.bn_5292_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%81
লায়লী-মজনু
লায়লার বংশ হল: লায়লা বিনতে মাহদি বিন সা'দ বিন মুজাহিম বিন আদস বিন রাবিয়াহ বিন জা'দাহ বিন কাব বিন রাবিয়াহ বিন হাওয়াযিন বিন মনসুর বিন আকরামাহ বিন খাসফাহ বিন আবিনান আবিনান বিন আবিনান ) ।
1
2,277.205591
20231101.bn_5292_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%81
লায়লী-মজনু
ليلى بنت مهدي بن سعد بن مزاحم بن عدس بن ربيعة بن جعدة بن كعب بن ربيعة بن عامر بن صعصعة معاوية بن بكر بن هوازن بن منصور بن عكرمة بن خصفة بن قيس عيلان بن مضر بن نزار بن معد بن عدنان
0.5
2,277.205591
20231101.bn_5292_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%81
লায়লী-মজনু
লায়লা নজদে ৬৪৮ খ্রিস্টাব্দে (হিজরী ২৮ হিজরি ) জন্মগ্রহণ করেন এবং তার মৃত্যুর তারিখ অজানা। তিনি পঞ্চম উমাইয়া খলিফা আবদ আল-মালিক ইবনে মারওয়ানের শাসনামলে হিজরির ১ম শতাব্দীতে আরবের মরুভূমিতে মারা যান ।
0.5
2,277.205591
20231101.bn_5292_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%81
লায়লী-মজনু
বনু আমির গোত্রের আন-নাজু' ( النجوع ) নামক একটি শহরে কায়সের চার বছর পরে লায়লার জন্ম হয় । শহরটিকে আজ তার " লায়লা " নামে ডাকা হয় এবং এটি রিয়াদ অঞ্চলের আল-আফলজ প্রদেশের রাজধানী ।
0.5
2,277.205591
20231101.bn_5292_15
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%B2%E0%A7%80-%E0%A6%AE%E0%A6%9C%E0%A6%A8%E0%A7%81
লায়লী-মজনু
বেদুইন মৌখিক ঐতিহ্য থেকে এটি বিশ্বাস করা হয় যে কায়স এবং লায়লা বর্তমানে সৌদি আরবের আল-আফলজ প্রদেশে জন্মগ্রহণ করেছিলেন এবং যেখানে "লায়লা" শহরটি বিদ্যমান ছিল।
0.5
2,277.205591
20231101.bn_4995_21
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B6%E0%A7%80%E0%A6%A4
শীত
নির্দিষ্ট তারিখের ব্যবহার এড়িয়ে শীতের পরিবেশগত হিসাব ক্যালেন্ডার-ভিত্তিক থেকে আলাদা। এটি বেশিরভাগ বাস্তুবিজ্ঞানীদের দ্বারা স্বীকৃত ছয়টি ঋতুর মধ্যে একটি যারা প্রথাগতভাবে বছরের এই সময়ের জন্য হাইবারনাল শব্দটি ব্যবহার করে (অন্যান্য পরিবেশগত ঋতুগুলি হল প্রাচ্যের, ভার্নাল, এস্টিভাল, সেরোটিনাল এবং শরৎকাল)। হাইবারনাল ঋতু প্রতি বছর জৈবিক সুপ্ততার প্রধান সময়ের সাথে মিলে যায় যার তারিখ পৃথিবীর নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলে স্থানীয় এবং আঞ্চলিক জলবায়ু অনুসারে পরিবর্তিত হয়। মৃদু নাতিশীতোষ্ণ জলবায়ুতে জানুয়ারী মাসের শেষের দিকে ক্রোকাসের মতো ফুলের উদ্ভিদের উপস্থিতি পরিবেশগত শীত থেকে পূর্ববর্তী ঋতুতে পরিবর্তনকে চিহ্নিত করতে পারে।
0.5
2,266.005714