_id
stringlengths
17
22
url
stringlengths
42
314
title
stringlengths
2
36
text
stringlengths
100
5.1k
score
float64
0.5
1
views
float64
23
11.1k
20231101.bn_476646_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%A8
রুপাটাডিন
রুপাটাডিন অ্যালার্জির বিরুদ্ধে কাজ করে যেমন এটি মাস্ট কোষের ভাঙ্গনে বাঁধা দেয় ফলে মাস্ট কোষ থেকে সাইটোকাইনস বিশেষত টিউমার নেক্রসিস ফ্যাক্টর (TNF), হিস্টামিন প্রভৃতি বের হতে পারেনা।
1
1,577.317972
20231101.bn_476646_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%A8
রুপাটাডিন
রুপাটাডিনের কতিপয় সক্রিয় মেটাবোলাইট রয়েছে যেমন ডেসলোরাটাডিন, ৩- হাইড্রক্সিডেসলোরাটাডিন, ৫-হাইড্রক্সিডেসলোরাটাডিন, ৬-হাইড্রক্সিডেসলোরাটাডিন। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে এই ওষুধ খুব দ্রুত কাজ করতে সক্ষম এবং দীর্ঘদিন ব্যবহারেও নিরাপদ।
0.5
1,577.317972
20231101.bn_476646_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%A8
রুপাটাডিন
গর্ভাবস্থা, ১২ বছরের নিচের বাচ্চা, লিভার ও কিডনিজনিত রোগে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহারে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
0.5
1,577.317972
20231101.bn_476646_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%A8
রুপাটাডিন
CYP3A4 এঞ্জাইমকে বাধাপ্রদানকারীরা রুপাটাডিন এর বিপাক কমিয়ে দেয়। তাই রুপাটাডিন এর চিকিৎসা নেওয়ার সময় , ঠিক একি সময়ে CYP3A4 এঞ্জাইম বাধাদানকারী ওষুধ নেওয়া থেকে সতর্ক থাকুন।
0.5
1,577.317972
20231101.bn_476646_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A1%E0%A6%BF%E0%A6%A8
রুপাটাডিন
J. Uriach y Cia, S. A. নামক একটি স্পেনীয় কোম্পানি প্রথমবারের মত ২০০৩ সালে রুপাফিন নামে এটি বাজারে আনে।
0.5
1,577.317972
20231101.bn_5307_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE
ধ্রুবতারা
২০২২ সালে পোলারিসের গড় পতন হল ৮৯.৩৫ ডিগ্রি উত্তর; (যুগ জে২০০০-এ এটি ছিল ৮৯.২৬ ডিগ্রি উত্তর)। তাই এটি আকাশে উত্তরে এক ডিগ্রীর চেয়েও ভালো সূক্ষ্মতার কারণে প্রদর্শিত হয় এবং প্রকৃত দিগন্তের (প্রতিসরণ এবং অন্যান্য কারণের জন্য সংশোধন করার পরে) এটি যে কোণ তৈরি করে তা পর্যবেক্ষকের অক্ষাংশের একটি ডিগ্রীর মধ্যে। ২১০০ সালে মহাকাশীয় মেরুটি সবচেয়ে কাছের পোলারিস হবে।
0.5
1,572.66043
20231101.bn_5307_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE
ধ্রুবতারা
বিষুব (পাশাপাশি নক্ষত্রের সঠিক গতির) অগ্রগতির কারণে, উত্তর নক্ষত্রের ভূমিকা অতীতে (এবং দূরবর্তী ভবিষ্যতে) এক নক্ষত্র থেকে অন্য তারকায় চলে গেছে (এবং পাস হবে)। ৩০০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে, ড্র্যাকো নক্ষত্রমণ্ডলের অস্পষ্ট নক্ষত্র থুবান ছিল উত্তর নক্ষত্র, যা আকাশের মেরু থেকে ০.১° দূরত্বের মধ্যে সারিবদ্ধ ছিল, যা যে কোনো দৃশ্যমান মেরু নক্ষত্রের সবচেয়ে কাছের। যাইহোক, ৩.৬৭ মাত্রায় (চতুর্থ মাত্রা) এটি পোলারিসের মতো মাত্র এক-পঞ্চমাংশ উজ্জ্বল, এবং আজ এটি আলো-দূষিত শহুরে আকাশে অদৃশ্য।
0.5
1,572.66043
20231101.bn_5307_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE
ধ্রুবতারা
খ্রিস্টপূর্ব প্রথম সহস্রাব্দের সময়, বেটা উরসে মাইনোরিস ("কোচাব") ছিল স্বর্গীয় মেরুর সবচেয়ে কাছের উজ্জ্বল নক্ষত্র, কিন্তু এটি কখনই মেরুটিকে চিহ্নিত করার মতো যথেষ্ট কাছাকাছি ছিল না, এবং সিএ-তে গ্রীক নেভিগেটর পাইথিয়াস। ৩২০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে স্বর্গীয় মেরুকে নক্ষত্রবিহীন বলে বর্ণনা করা হয়েছে। রোমান যুগে, স্বর্গীয় মেরু পোলারিস এবং কোচাবের মধ্যে প্রায় সমান দূরত্ব ছিল।
0.5
1,572.66043
20231101.bn_5307_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE
ধ্রুবতারা
বিষুবগুলির অগ্রগতি একটি চক্র সম্পূর্ণ করতে প্রায় ২৫,৭৭০ বছর সময় নেয়। পোলারিসের গড় অবস্থান (অগ্রসরতা এবং সঠিক গতির হিসাব গ্রহণ করে) সর্বাধিক পতনে পৌঁছাবে +৮৯°৩২'২৩", যা ২১০২ সালের ফেব্রুয়ারিতে মহাকাশীয় উত্তর মেরু থেকে ১৬৫৭" (বা ০.৪৬০৩°) এ অনুবাদ করে। এর সর্বোচ্চ স্পষ্টতা ২১০০ সালে ২৪শে মার্চ তারিখে স্বর্গীয় উত্তর মেরু থেকে ক্ষয় (অনুষঙ্গ এবং বিকৃতির হিসাব গ্রহণ করে) হবে +৮৯°৩২'৫০.৬২", যা ১৬২৯" (বা ০.৪৫২৬°)।
0.5
1,572.66043
20231101.bn_5307_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE
ধ্রুবতারা
উত্তরীয় নক্ষত্র সেফিয়াসের নক্ষত্রে উত্তর মহাকাশীয় মেরুকে পরবর্তী সময়ে অগ্রভাগ নির্দেশ করবে। মেরুটি ৩০০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে পোলারিস এবং গামা সেফেই ("এররাই") এর মধ্যে সমান দূরত্বে মহাকাশে চলে যাবে, এররাই ৪২০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে উত্তর মহাকাশীয় মেরুর সাথে তার সবচেয়ে কাছাকাছি সারিবদ্ধতায় পৌঁছে যাবে। আয়োটা সেফেই এবং বিটা সেফেই ৫২০০ খ্রিস্টাব্দের কিছু সময় উত্তর মহাকাশীয় মেরুর উভয় পাশে দাঁড়াবে, ৭৫০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে উজ্জ্বল নক্ষত্র আলফা সেফেই ("অলডেরামিন") এর সাথে কাছাকাছি সারিবদ্ধ হওয়ার আগে।
1
1,572.66043
20231101.bn_5307_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE
ধ্রুবতারা
প্রিসেশন তখন উত্তর নক্ষত্র সিগনাসের নক্ষত্রের দিকে উত্তর মহাকাশীয় মেরু নির্দেশ করবে। খ্রিস্টপূর্ব ১ম সহস্রাব্দের বিটা উরসে মাইনোরিসের মতো, খ্রিস্টপূর্ব ১০ম সহস্রাব্দে স্বর্গীয় মেরুর সবচেয়ে কাছের উজ্জ্বল নক্ষত্র, প্রথম মাত্রার ডেনেব, মেরু থেকে ৭° দূরত্বে থাকবে, মেরুটিকে চিহ্নিত করার মতো এতটা কাছাকাছি কখনই হবে না, তৃতীয় মাত্রার ডেল্টা সিগনি আরও সহায়ক মেরু নক্ষত্র হবে, আকাশের উত্তর থেকে ৩° দূরত্বে, প্রায় ১১,২৫০ খ্রিস্টাব্দে। প্রিসেশন তখন উত্তর মহাকাশীয় মেরুকে লিরা নক্ষত্রমণ্ডলের কাছাকাছি নির্দেশ করবে, যেখানে উত্তর মহাকাশীয় গোলার্ধের দ্বিতীয় উজ্জ্বল নক্ষত্র, ভেগা, ১৪,৫০০ খ্রিস্টাব্দের কাছাকাছি একটি মেরু তারকা হবে, যদিও স্বর্গীয় উত্তর থেকে ৫° দূরত্বে।
0.5
1,572.66043
20231101.bn_5307_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE
ধ্রুবতারা
প্রিসেশন শেষ পর্যন্ত উত্তর মহাকাশীয় মেরুকে নির্দেশ করবে হারকিউলিস নক্ষত্রমণ্ডলের নক্ষত্রের কাছাকাছি, টাউ হারকিউলিসের দিকে নির্দেশ করবে ১৮,৪০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে। স্বর্গীয় মেরুটি তখন বর্তমান নক্ষত্রমন্ডল, উরসা মাইনরে ফিরে আসার আগে ড্রেকো (থুবান, উপরে উল্লিখিত) নক্ষত্রের কাছে ফিরে আসবে। যখন পোলারিস ২৭,৮০০ খ্রিস্টাব্দের দিকে আবার উত্তর নক্ষত্রে পরিণত হয়, তখন তার সঠিক গতির কারণে এটি এখনকার চেয়ে মেরু থেকে অনেক দূরে থাকবে, যখন ২৩,৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে এটি মেরুর কাছাকাছি ছিল।
0.5
1,572.66043
20231101.bn_5307_13
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE
ধ্রুবতারা
পৃথিবীর ২৬,০০০ বছরের অক্ষীয় অগ্রগতি চক্রের সময়, উত্তর গোলার্ধে উজ্জ্বল নগ্ন চোখের তারার একটি সিরিজ (+৬ পর্যন্ত একটি আপাত মাত্রা; একটি পূর্ণিমা −১২.৯) উত্তর স্টারের ক্ষণস্থায়ী শিরোনাম ধারণ করবে। যদিও ২৬,০০০ বছরের চক্রে অন্যান্য নক্ষত্রগুলি উত্তর মহাজাগতিক মেরুর সাথে সারিবদ্ধ হতে পারে, তবে তারা অগত্যা পৃথিবী-ভিত্তিক পর্যবেক্ষকের কাছে উত্তরের একটি দরকারী সূচক হিসাবে পরিবেশন করার জন্য প্রয়োজনীয় খালি চোখে সীমা পূরণ করে না, যার ফলে চক্রের সময়কালের সময়কাল হয় যখন কোন স্পষ্টভাবে সংজ্ঞায়িত উত্তর নক্ষত্র নেই। চক্রের সময় এমন সময়ও থাকবে যখন উজ্জ্বল নক্ষত্রগুলি "উত্তরে" শুধুমাত্র একটি আনুমানিক নির্দেশিকা দেয়, কারণ তারা উত্তর মহাকাশীয় মেরুর সাথে সরাসরি প্রান্তিককরণ থেকে সরানো কৌণিক ব্যাসের ৫° এর বেশি হতে পারে।
0.5
1,572.66043
20231101.bn_5307_14
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A7%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%BE
ধ্রুবতারা
উত্তর নক্ষত্রের ২৬,০০০ বছরের চক্র, বর্তমান নক্ষত্র দিয়ে শুরু হয়, চক্র চলাকালীন প্রতিটি তারার গড় উজ্জ্বলতা এবং উত্তর মহাকাশীয় মেরুতে নিকটতম প্রান্তিককরণ সহ চক্র চলাকালীন কোন উত্তর তারা না থাকলে "নিকট-উত্তর" নির্দেশক হবে।
0.5
1,572.66043
20231101.bn_2107_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F
সেট
জার্মান গণিতবিদ জর্জ ক্যান্টর (১৮৪৫–১৯১৮) সেট সর্ম্পকে প্রথম ধারণা ব্যাখ্যা করেন। তিনি অসীম সেটের ধারণা প্রদান করেন।
0.5
1,554.457561
20231101.bn_2107_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F
সেট
সুনির্দিষ্টতা হওয়া: প্রথমে সেট হবার জন্য উপাদানগুলো সুনির্দিষ্ট হতে হবে। অর্থাৎ উপাদানগুলোর মাঝে কোনো না কোনো মিল থাকতে হবে। উক্ত উদাহরণে, ইংরেজি বর্ণমালার অক্ষর।
0.5
1,554.457561
20231101.bn_2107_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F
সেট
সু-সংজ্ঞায়িত হওয়া: সেটের সংজ্ঞায় এমন কোনো বর্ণনা ব্যবহার করা যাবে না যা নিয়ে কোনো প্রকার মতভেদ থাকতে পারে।
0.5
1,554.457561
20231101.bn_2107_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F
সেট
যেসকল বস্তু নিয়ে সেট গঠিত, তাদেরকে ঐ সেটের উপাদান বা সদস্য বলা হয়। সেটের প্রত্যেক বস্তু বা সদস্যকে সেটের উপাদান () বলা হয়। সেটের উপাদানগুলোকে সাধারণত কমা () দ্বারা আলাদা করা হয়। সেট প্রকাশের জন্য ইংরেজি বড় হাতের অক্ষর (যেমন- ) ব্যবহার করা হয়। সেট প্রকাশের জন্য সবসময় দ্বিতীয় বন্ধনী () ব্যবহার করা। কোনো সেটের উপাদানকে ‘’ () দ্বারা প্রকাশ করা হয়। আর সেটের উপাদান নয় বুঝাতে ‘’ () ব্যবহার করা হয়।
0.5
1,554.457561
20231101.bn_2107_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F
সেট
সেটকে তালিকার সহায্যে বর্ণনা করাকে তালিকা পদ্ধতি বলা হয় । পদ্ধতিতে প্রকাশের জন্য দ্বিতীয় বন্ধনী ব্যবহার করা হয়। বন্ধনীর অভ্যন্তরে উপাদানগুলোকে আলাদা ভাবে লিখা হয়। উদাহরণ:
1
1,554.457561
20231101.bn_2107_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F
সেট
সেট গঠন পদ্ধতিতে উপাদানগুলোর মধ্যে মিলসমূহ বন্ধনীর অভ্যন্তরে প্রকাশ করা হয়। এখানেই সু-সংজ্ঞায়িত হওয়ার বৈশিষ্ট্য লুকায়িত। পূর্বে প্রকাশিত সেটকে সেট গঠন পদ্ধতিতে প্রকাশের জন্য উপাদানগুলোর মধ্যে মিল দ্বারা লেখা হয়। অর্থাৎ, সকল উপাদান সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ থাকে না। উপাদান নির্ণয়ে জন্য সাধারণ ধর্মের উল্লেখ থাকে। এক্ষেত্রে লিখার নিয়ম হলো: A= {x:x একটি ইংরেজি স্বরবর্ণ}, উচ্চারণ করা হয়: x যেন x একটি ইংরেজি স্বরবর্ণ।
0.5
1,554.457561
20231101.bn_2107_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F
সেট
কোন উপাদান নেই তাকে ফাঁকা সেট বলে । ফাঁকা সেটকে ∅ অথবা দ্বারা প্রকাশ করা হয় । যেমন: হলিক্রস স্কুলের তিনজন ছাত্রের (পুরুষ) সেট, মৌলিক সংখ্যা এবং ইত্যাদি ।
0.5
1,554.457561
20231101.bn_2107_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F
সেট
সেটের উপাদান সংখ্যা যদি নির্দিষ্ট হয় তবে তাকে সসীম সেট বলে। কোনো সেট সসীম না হলে, একে অসীম সেট বলা হয় । যেমন: । এটা সসীম সেট, কারণ এর উপাদান 4 টি যা নির্দিষ্ট। এই গণনার কাজ সেটের সঙ্গে সেটের একটি এক-এক মিল স্থাপন করে সম্পন্ন করা হয় । যেমন:
0.5
1,554.457561
20231101.bn_2107_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%9F
সেট
যে সেটের উপাদান সংখ্যা গণনা করে শেষ করা যায় না, তাকে অসীম সেট বলে। যেমন: সকল বিজোড় সংখ্যার সেট, সকল স্বাভাবিক সংখ্যার সেট । মূলদ সংখ্যার সেট : ও পূর্ণসংখ্যা এবং ≠ 0 , বাস্তব সংখ্যার সেট , পূর্ণ পূর্ণ সংখ্যার সেট ইত্যাদি অসীম সেট ।
0.5
1,554.457561
20231101.bn_759816_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
নাগরিকত্ব
নাগরিকত্ব বা নাগরিকতা হল কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্র বা জাতির একজন আইনস্বীকৃত সদস্য হিসেবে পাওয়া কোনো ব্যক্তির পদমর্যাদা। অন্যভাবে যেকোন অঞ্চলের অধিবাসীর সে অঞ্চলে বসবাস করার স্বীকৃতি ও তা স্বরূপ যেসব সুবিধা ও দায়িত্ব বর্তায় তার সামষ্টিকরূপকে নাগরিকতা বলে। একজন ব্যক্তির একাধিক নাগরিকত্ব থাকতে পারে। যদি কোনো ব্যক্তির কোনো দেশেরই নাগরিকত্ব না থাকে তবে তাকে রাষ্ট্রহীন বলা যায়। যখন কেউ রাষ্ট্রের সীমানায় অবস্থান করে এবং তার নাগরিকত্ব সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় না তখন তাকে বলা হয় বর্ডার-ল্যান্ডার।
0.5
1,553.533896
20231101.bn_759816_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
নাগরিকত্ব
ইংরেজিতে জাতীয়তাকে প্রায়শই নাগরিকত্বের সমার্থক হিসেবে ধরা হয়, বিশেষ করে আন্তর্জাতিক আইনে। যদিও কখনো কখনো এই শব্দটি দ্বারা কোনো একটি জাতির সদস্য হিসেবেও বোঝানো হয়ে থাকে। কিছু কিছু দেশ, যেমন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা যুক্তরাজ্যে নাগরিকত্ব এবং জাতীয়তা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
0.5
1,553.533896
20231101.bn_759816_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
নাগরিকত্ব
প্রত্যেক দেশেরই নিজস্ব নীতি, বিধান এবং মানদন্ড রয়েছে যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তিকে নাগরিক হিসেবে আখ্যায়িত করা যায়। একজন ব্যক্তিকে কয়েকটি বিষয়ের ভিত্তিতে নাগরিক হিসেবে অভিহিত করা যায় বা তাকে নাগরিকত্ব দেয়া যায়। সাধারণত একজন ব্যক্তি জন্মের মাধ্যমে সরাসরি একটি দেশের নাগরিক হয়ে যায়, আর অন্যান্য বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে আবেদন করার প্রয়োজন পড়ে।
0.5
1,553.533896
20231101.bn_759816_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
নাগরিকত্ব
জন্মসুত্রে (jus sanguinis)- যদি কোনো ব্যক্তির পিতা-মাতার যে কোনো একজন বা উভয়ই যদি কোনো একটি দেশের নাগরিক হন, তবে সেই ব্যক্তির সেই দেশের নাগরিক হওয়ার অধিকার থাকতে পারে। পূর্বে এটি শুধুমাত্র পিতার দিক থেকে বিবেচনা করা হত, কিন্তু বিংশ শতকের লিঙ্গ সমতার ফলে এটি এখন সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। নাগরিকত্ব দেয়া হয় কোনো ব্যক্তির পূর্বপুরুষ বা তার জাতিগত পরিচয়ের উপর ভিত্তি করে। এই বিষয়টি ইউরোপের জাতি-রাষ্টের ধারণার সাথে সম্পর্কিত। রক্তের সম্পর্ক থাকলে যদি কোনো ব্যক্তির পিতা-মাতার একটি দেশের নাগরিকত্ব থাকে এবং সে যদি সেই দেশের বাইরে জন্মগ্রহণ করে তবে সেও নাগরিক বলে গন্য হবে। কিছু দেশ (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য) এই নাগরিকত্বের অধিকারকে কয়েকটি প্রজন্মের মাঝেই সিমাবদ্ধ করে দিয়েছে। আবার কিছু দেশ (জার্মানি, আয়ারল্যান্ড) শুধু মাত্র তাদেরকেই নাগরিকত্ব দেয় যারা প্রত্যেক প্রজন্মকে তার পররাষ্ট্র বিষয়ক দপ্তরে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিবন্ধ করে রাখে। অন্য দিকে কয়েকটি দেশ (ফ্রান্স, ইতালি, সুইজারল্যান্ড) প্রজন্মের কোনো ধরনের সিমাবদ্ধতা রাখে না, পূর্বপুরুষ নাগরিক হলে যে কেউ নাগরিকত্বের দাবি করতে পারে। বেশিরভাগ দেশের দেওয়ানি আইনেই এই ধরনের নাগরিকত্বের অস্তিত্ব বিদ্যমান।
0.5
1,553.533896
20231101.bn_759816_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
নাগরিকত্ব
একটি দেশে জন্মগ্রহণের মাধ্যমে (jus soli)- কিছু ব্যক্তি যে দেশে জন্মগ্রহণ করেন, স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সেই দেশের নাগরিক হয়ে যান। ইংল্যান্ড থেকে এই ধরনের নাগরিকত্বের উৎপত্তি হয়েছিল। যারাই এ রাজ্যে জন্মগ্রহণ করতো তারা রাজ্যের নাগরিক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হত এবং বেশির ভাগ দেশেই এটি একটি সাধারণ আইন। আমেরিকার বেশিরভাগ দেশ নিঃশর্তভাবে তাদের দেশে জন্মানোর কারণে নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে, যদিও অন্যান্য সকল দেশে এটি প্রায় বিলুপ্তই হয়ে গেছে।
1
1,553.533896
20231101.bn_759816_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
নাগরিকত্ব
অনেক ক্ষেত্রে, ভূখণ্ড অথবা পিতামাতার সম্পর্ক কিংবা উভয়টির মাধ্যমেই দেশে জন্মানোর মাধ্যমে প্রাপ্ত (jus soli) এবং জন্মসূত্রে প্রাপ্ত(jus sanguinis) নাগরিকত্ব দেওয়া হয়ে থাকে।
0.5
1,553.533896
20231101.bn_759816_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
নাগরিকত্ব
বিবাহসূত্রে (jus matrimonii)- অনেক দেশ একজন ব্যক্তিকে সে দেশের নাগরিককে বিয়ে করার কারণে দ্রুত নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে। এই ধরনের নাগরিকত্ব দেওয়া দেশ গুলোতে ভুয়া বিবাহ সনাক্তের চেষ্টা করার নিয়ম আছে। এক্ষেত্রে একসাথে বসবাস করার ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও একজন নাগরিক টাকার বিনিময়ে নাগরিক নন এমন ব্যক্তি বিয়ে করে। কিছু দেশ (যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, কানাডা) বিবাহের মাধ্যমে নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে যদি বিদেশী পতি কিংবা পত্নী যে দেশের নাগরিকত্ব চায় সেই দেশের স্থায়ী বাসিন্দা হয়। অন্যান্য দেশ (সুইজারল্যান্ড, লুক্সেমবার্গ) একটি নির্দিষ্ট সময়ের পরে বিদেশী পতি বা পত্নীর নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে। এক্ষেত্রে কিছু কিছু সময় তাদের ভাষাগত দক্ষতা ও সে দেশের সংস্কৃতির সাথে খাপ খাইয়ে নেয়ার বিষয়টিও যাচাই করা হয় (যেমন- পতি/পত্নী যে দেশের নাগরিক সেখানে নিয়মিত যাওয়া আসা)।
0.5
1,553.533896
20231101.bn_759816_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
নাগরিকত্ব
রাষ্ট্র প্রদত্ত নাগরিকত্ব- একটি দেশে আইনানুযায়ী প্রবেশকৃত এবং সে দেশে বসবাসের অনুমতি প্রাপ্ত অথবা রাজনৈতিক আশ্রয় প্রাপ্ত ব্যক্তিকে রাষ্ট্র সাধারণত নাগরিকত্ব দিয়ে থাকে। তারা সাধারণত সেখানে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বসবয়াস করে। অনেক রাষ্ট্র এধরনের নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্য কিছু শর্তারোপ করে। যেমন, তার ভাষাজ্ঞান যাচাই, পূর্বের দেশের জীবনযাপন, ভাল আচারণ (কোনো গুরুতর অপরাধের দলিল না থাকা), নৈতিক চরিত্র (যেমন, মাতাল না হওয়া বা জুয়া না খেলা), নতুন রাষ্ট্র ও তার শাসকের প্রতি আনুগত্যের শপথ গ্রহণ এবং পুর্বের দেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করা।
0.5
1,553.533896
20231101.bn_759816_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%97%E0%A6%B0%E0%A6%BF%E0%A6%95%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
নাগরিকত্ব
বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব বা অর্থনৈতিক নাগরিকত্ব- বিত্তশালী লোকজন নাগরিকত্ব এবং একটি পাসপোর্টের বিনিময়ে সম্পত্তি বা ব্যবসায় বিনিয়োগ, সরকারী বন্ধক কেনা অথবা সরাসরি নগদ অর্থ দান করে। যদিও এটি বৈধ এবং সাধারণত এর সংখ্যা সিমিত, তবুও এই পদ্ধতিটি বিতর্কিত বলে বিবেচিত হয়। বিনিয়োগের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পেতে সর্বনিম্ন ১০০,০০০ মার্কিন ডলার (৭৪,০০০ ব্রিটিশ পাউন্ড) থেকে সর্বোচ্চ ২.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২.১৯ মিলিয়ন ব্রিটিশ পাউন্ড) খরচ করতে হবে।
0.5
1,553.533896
20231101.bn_36348_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0
মাইক্রোপ্রসেসর
মাইক্রোপ্রসেসর বা “অণুপ্রক্রিয়াজাতকারক” বলতে এক শ্রেণীর অতিক্ষুদ্র ইলেকট্রনীয় যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকে বোঝায়, যেটি ডিজিটাল কম্পিউটার তথা ইলেকট্রনীয় পরিগণকযন্ত্রের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াজাতকরণ অংশের কাজগুলি সম্পাদন করার জন্য প্রয়োজনীয় গাণিতিক, যুক্তিভিত্তিক ও নিয়ন্ত্রণমূলক ইলেকট্রনীয় বর্তনী ধারণ করে রাখে। এটি এক ধরনের সমন্বিত বর্তনী যা উচ্চতর ভাষাতে লিখিত প্রোগ্রাম তথা নির্দেশনাক্রম যান্ত্রিক ভাষায় অনুবাদ করে নিতে পারে, সেই নির্দেশনাগুলি নির্বাহ করতে পারে এবং একই সাথে গাণিতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডও সম্পাদন করতে পারে। তথ্য-উপাত্ত প্রবিষ্টকারী যন্ত্রাংশের (ইনপুট) মাধ্যমে স্থায়ী বা অস্থায়ী স্মৃতিতে (মেমোরি) স্থাপিত বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত ও নির্দেশনাক্রম (প্রোগ্রাম) মাইক্রোপ্রসেসরে প্রবেশ করে, এবং মাইক্রোপ্রসেসরটি তথ্য-উপাত্তগুলিকে প্রদত্ত নির্দেশনাক্রম অনুযায়ী প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফলগুলিকে তথ্য-উপাত্ত নির্গতকারী যন্ত্রাংশে (আউটপুট) প্রেরণ করে, যাতে সেগুলিকে মানুষের জন্য বোধগম্য রূপে প্রদর্শন (ডিসপ্লে) করা হয় বা মুদ্রণ (প্রিন্ট) করা হয়।
0.5
1,549.937601
20231101.bn_36348_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0
মাইক্রোপ্রসেসর
১৯৭০-এর দশকের শুরুর দিকে বৃহৎ-মাপের সমন্বয়করণ (large-scale integration, LSI) প্রযুক্তির প্রচলন হয়, যার ফলে একটি অতিক্ষুদ্র (৫ বর্গমিলিমিটার ক্ষেত্রফলের চেয়েও ছোট) সিলিকনের চিলতের উপরে হাজার হাজার ট্রানজিস্টর, ডায়োড ও রোধক জাতীয় ইলেকট্রনীয় বর্তনী ও যন্ত্রাংশ স্থাপন করা সম্ভব হয়। ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর বা অণুপ্রক্রিয়াজাতকারকটি বাজারে আসে, যার নাম ছিল ইন্টেল ৪০০৪। ১৯৮০-র দশকের শুরুর দিকে অতিবৃহৎ-মাপের সমন্বয়করণ (very large-scale integration, VLSI) প্রযুক্তির উদ্ভাবন ঘটে, যার সুবাদে মাইক্রোপ্রসেসর চিলতেগুলির ভেতরে বর্তনীর ঘনত্ব বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। ২০১০ সালে এসে আগের আকারের চিলতেতেই একটিমাত্র অতিবৃহৎ-মাপের সমন্বিত বর্তনীতে কয়েক শত কোটি ইলেকট্রনীয় উপাদান ধারণ করা সম্ভব হয়।
0.5
1,549.937601
20231101.bn_36348_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0
মাইক্রোপ্রসেসর
স্বল্পমূল্যের মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবনের ফলে কম্পিউটার প্রকৌশলীরা "মাইক্রোকম্পিউটার" অর্থাৎ অণু-পরিগণকযন্ত্র (অতিক্ষুদ্র পরিগণকযন্ত্র) নির্মাণে সফল হন। এই কম্পিউটার ব্যবস্থাগুলি আকারে ছোট হলেও বিভিন্ন ব্যবসা, শিল্প, স্বাস্থ্যসেবা ও বৈজ্ঞানিক কাজের জন্য প্রয়োজনীয় গণন ক্ষমতার অধিকারী। বর্তমানে আধুনিক সমাজের বহুক্ষেত্রে মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হচ্ছে। গৃহস্থালি ও দৈনন্দিন বিভিন্ন ইলেকট্রনীয় যন্ত্রপাতি যেমন কাপড় ধোবার যন্ত্র, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন (মুঠোফোন), অণুতরঙ্গ চুল্লী (মাইক্রোওয়েভ ওভেন), ইত্যাদিতে মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহৃত হয়। আধুনিক মোটরযানে মাইক্রোপ্রসেসর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত প্রজ্বলন ব্যবস্থা, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা এমনকি বর্জ্য গ্যাস নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা থাকে, যাতে গাড়ির কর্মদক্ষতা বাড়ে, জ্বালানির সাশ্রয় হয় এবং দূষণ কম হয়।
0.5
1,549.937601
20231101.bn_36348_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0
মাইক্রোপ্রসেসর
১৯৬০এর দশকের শেষে ও ১৯৭০ এর দশকের শুরুর দিকের ৩টি প্রকল্প হতে মাইক্রোপ্রসেসরের সূচনা হয়। এগুলি হলো, ইন্টেলের ৪০০৪, টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্টসের টিএমএসে ১০০০ এবং গ্যারেট এআইরিসার্চ এর সেন্ট্রাল এয়ার ডাটা কম্পিউটার।
0.5
1,549.937601
20231101.bn_36348_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0
মাইক্রোপ্রসেসর
১৯৬৮ সালে গ্যারেটকে মার্কিন নৌবাহিনীর নতুন যুদ্ধ বিমান এফ-১৪ টমক্যাট এর জন্য উড্ডয়ন নিয়ন্ত্রক কম্পিউটার তৈরির কাজ দেয়া হয়। এর নকশা শেষ হয় ১৯৭০ সালে, মসফেট-ভিত্তিক চিপ ব্যবহার করে। এই নকশাটি শুরুর দিকের সব টমক্যাট বিমানে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু নৌবাহিনীড় গোপনীয়তা রক্ষার্থে ১৯৯৭ সালের আগে পর্যন্ত এর বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশ করতে দেয়া হয় নাই। এজন্য এই এমপি৯৪৪ চিপসেটের কথা অনেকটা অপরিচিত রয়ে গেছে।
1
1,549.937601
20231101.bn_36348_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0
মাইক্রোপ্রসেসর
১৯৭১ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্টস ৪-বিটের টিএমএস ১০০০ তৈরি করে, এবং শুরুতে এটি ব্যবহার করে একচিপের একটি ক্যালকুলেটর তৈরি করে। ইন্টেলের ৪০০৪ চিপটি ১৯৭১ সালের ১৫ই নভেম্বর ফেডেরিকো ফ্যাগিনের তত্ত্বাবধানে নির্মিত হয়।
0.5
1,549.937601
20231101.bn_36348_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0
মাইক্রোপ্রসেসর
১৯৭১ সালে ইন্টেল দ্বারা নির্মিত ৪-বিটের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোকে ১ম প্রজন্মের মাইক্রোপ্রসেসর বলা হতো, যেগুলোর অস্তিত্ব ছিলো ১৯৭১-৭২ পর্যন্ত। এই মাইক্রোপ্রসেসরকে বিদায় জানাতে ইন্টেল ১৯৭২ সালে নিয়ে আসে ৮-বিটের এক উন্নত ও শক্তিশালী মাইক্রোপ্রসেসর যার নাম ছিলো ইন্টেল-৮০০৮, একে পরে পুনর্গঠন করে রুপ দেওয়া হয় ৮০৮৮ নামে। এগুলো ৮-বিটের ডাটা নিয়ে কাজ করতে পারে। ৮০০৮এর কিছু সমস্যাকে সমাধান করে ১৯৭৪ সালে ইন্টেল পরিচয় করায় ৮০৮০কে। কিন্তু এতেও কিছু সীমাবদ্ধতা ছিলো, যেমন- এই মাইক্রোপ্রসেসরে দুটি পাওয়ার সাপ্লাই দরকার হতো। এইসব সমস্যার সমাধান নিয়ে এরপর পরই মটোরোলা এমসি-৬৮০০ নামে একটি ৮-বিটের প্রসেসর বাজারজাত করে। ইন্টেলও বসে না থেকে ১৯৭৬ সালের শেষের দিকে আরো একটি মাইক্রোপ্রসেসর তারা নিয়ে আসে, এর নাম ছিলো ইন্টেল-৮০৮৫। এই মাইক্রোপ্রসেসরটির সুবিধা ছিলো এটি ৮-বিটের হওয়ার পরও এতে ১৬-বিটের অ্যাড্রেস বাস ছিলো, যার মাধ্যমে ১৬-বিটের মাইক্রোপ্রসেসর তৈরিরও বার্তা দিচ্ছিলো ইন্টেল। তাছাড়া এর স্পিডও ছিল ৩মেগাহার্জ, এই স্পিড অন্য যে কোনো ৮-বিটের প্রসেসর থেকে বেশি ছিলো।
0.5
1,549.937601
20231101.bn_36348_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0
মাইক্রোপ্রসেসর
এই মাইক্রোপ্রসেসরগুলোকে পরিচয় করানো হয় ২য় প্রজন্মের মাইক্রোপ্রসেসর হিসেবে। ১৯৭৩-১৯৭৮ পর্যন্ত অনেক কোম্পানিই এই জাতীয় মাইক্রোপ্রসেসরগুলো তৈরি করে ছিলো।
0.5
1,549.937601
20231101.bn_36348_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%87%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%8B%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%B8%E0%A7%87%E0%A6%B8%E0%A6%B0
মাইক্রোপ্রসেসর
TI Awarded Basic Microcomputer Patent – TI, 17 February 1978 ("microcomputer" to be understood as a single-chip computer; a simple µC)
0.5
1,549.937601
20231101.bn_327795_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF
ই-বাণিজ্য
ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মধ্যে। ৮০ শতাংশের (৮০%) মত ইলেকট্রনিক কমার্স ব্যবসা-থেকে-ব্যবসা প্রকার এর অন্তর্ভুক্ত।
0.5
1,543.737505
20231101.bn_327795_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF
ই-বাণিজ্য
ব্যবসা-থেকে-গ্রাহক (B2C) ব্যবসা-থেকে-গ্রাহক ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও গ্রাহকের মধ্যে। এই প্রকারে দ্বিতীয় সর্বাপেক্ষা বেশি ইলেকট্রনিক বাণিজ্য সম্পাদন হয়ে থাকে।
0.5
1,543.737505
20231101.bn_327795_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF
ই-বাণিজ্য
ব্যবসা-থেকে-সরকার ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রীয় খাতের মধ্যে। এটি সাধারনত ব্যবহৃত হয়ে থাকে রাষ্ট্রীয় কেনা/বেচা, লাইসেন্স সংক্রান্ত কার্যাবলী, কর প্রদান ইত্যাদি ক্ষেত্রে।
0.5
1,543.737505
20231101.bn_327795_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF
ই-বাণিজ্য
গ্রাহক-থেকে-গ্রাহক ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় একাধিক ব্যক্তি ও গ্রাহকের মধ্যে। ইলেকট্রনিক বাজার ও অনলাইন নিলাম এর মাধ্যমে সাধারণত এই ধরনের বাণিজ্য সম্পাদিত হয়।
0.5
1,543.737505
20231101.bn_327795_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF
ই-বাণিজ্য
মোবাইল কমার্স ইলেকট্রনিক কমার্স সম্পাদিত হয় তারবিহীন প্রযুক্তি যেমন মোবাইল হ্যান্ডসেট বা পারসোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্টেন্ট (PDA) এর মাধ্যমে। তারবিহীন যন্ত্রের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের গতি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির সাথে সাথে এই ধরনের বাণিজ্য জনপ্রিয়তা লাভ করছে।
1
1,543.737505
20231101.bn_327795_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF
ই-বাণিজ্য
কখনো সরসরি জনগনের কাছ থেকে সরকার বিভিন্ন সেবার বিনিময় ফি বা কর নিয়ে থাকে। যখন এর মাঝে কোন মাধ্যমৈ থাকেনা তখন এটা গ্রাহক থেকে সরকার পক্রিয়া বলে বিবেচিত হয়। ডিজিটাল গভর্নেন্স-এর আওতার এ ধরনের সেবা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
0.5
1,543.737505
20231101.bn_327795_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF
ই-বাণিজ্য
অনলাইন গ্রোসাররা মুদি দোকান যা ব্যক্তিগত ব্যবসা তাকে অনলাইনে মুদি ও মুদি পণ্য ক্রয়ের অনুমতি দেয়। সংস্থাগুলি তখন ভোক্তাদের কাছে অর্ডার সরবরাহ করে।
0.5
1,543.737505
20231101.bn_327795_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF
ই-বাণিজ্য
ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার,ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে মূল্য প্রদানের ও সমধর্মী সেবা প্রদানকারী ব্যাংক প্রতিষ্ঠান।
0.5
1,543.737505
20231101.bn_327795_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%87-%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A3%E0%A6%BF%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%AF
ই-বাণিজ্য
অর্থনীতিবীদদের মতে, যেহেতু ইলেকট্রনিক কমার্স গ্রাহকদের বিভিন্ন পণ্য সহজে খুঁজে পাওয়া এবং তুলনামূলক বিশ্লেষনের একটি ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়েছে, তাই এটি প্রতিযোগিতামূলক বাজার তৈরীতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের ই কমার্স বাজার বর্তমানে ১৬০০ কোটি টাকার বেশি।
0.5
1,543.737505
20231101.bn_815360_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
তাকওয়া
আক্ষরিক অর্থে "রক্ষা করা"। সাধারণভাবে, নিজেকে "আল্লাহর ক্রোধ থেকে" রক্ষা করার জন্য "আল্লাহ যা নিষেধ করেছেন তাতে লিপ্ত না হওয়া"।
0.5
1,540.020348
20231101.bn_815360_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
তাকওয়া
"হৃদয়ের একটি উচ্চ অবস্থা, যা একজনকে আল্লাহর উপস্থিতি এবং তাঁর জ্ঞান সম্পর্কে সচেতন রাখে।" তাকওয়া সেই ব্যক্তিকে অনুপ্রাণিত করে যে এটি "সৎ কাজ করতে" এবং নিষিদ্ধ কাজগুলি এড়িয়ে চলতে নিজের মাঝে ধারণ করে।
0.5
1,540.020348
20231101.bn_815360_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
তাকওয়া
এরিক ওহল্যান্ডারের মতে, কুরআনিক আরবীতে, তাকওয়া বলতে বোঝায় আল্লাহর অসন্তুষ্ট করা থেকে নিজেকে রক্ষা করার পরিপ্রেক্ষিতে আল্লাহকে ভয় করা।
0.5
1,540.020348
20231101.bn_815360_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
তাকওয়া
"অক্সফোর্ড ডিকশনারি অফ ইসলাম" অনুসারে, "তাকওয়া" শব্দটি এবং এর থেকে উৎপন্ন শব্দসমূহ কুরআনে "২৫০ বারের বেশি" উপস্থিত হয়েছে।
0.5
1,540.020348
20231101.bn_815360_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
তাকওয়া
তাকওয়া দ্বারা, একজন ব্যক্তিকে কষ্ট থেকে রক্ষা করা হয়, সন্দেহ দূর করা হয়, এবং আল্লাহ তার জন্য সমস্ত দুঃখ থেকে মুক্তি এবং সমস্ত বিপদ থেকে মুক্তির পথ তৈরি করেন এবং তার জন্য এমন জায়গা থেকে রিজিকের ব্যবস্থা করেন যেখান থেকে তিনি আশাও করেন না। কুরআনে এসেছে,
1
1,540.020348
20231101.bn_815360_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
তাকওয়া
পার্থিব জগতে আল্লাহর সংঘ ও সাথীত্ব অর্জন [সূরা হাদীদ: (৪)], [সূরা মুজাদিলা: (৭)], [সূরা তওবা: (৪০)], [সূরা নাহাল: (১২৮)], [সূরা বাকারা: (১৯৪)]
0.5
1,540.020348
20231101.bn_815360_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
তাকওয়া
কষ্টের জীবন থেকে মুক্তি পাওয়া এবং এমন জায়গা থেকে রিযক লাভ ‎করা, যা কল্পনার ঊর্ধ্বে। [সূরা তালাক: (২-৩)‎]
0.5
1,540.020348
20231101.bn_815360_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
তাকওয়া
ফুরকান (হক ও বাতিল এবং সত্য ও মিথ্যা পার্থক্য করার জ্ঞান) লাভ করা [সূরা আনফাল ৮:২৯] [সূরা ‎হাদীদ: (২৮)]‎
0.5
1,540.020348
20231101.bn_815360_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%95%E0%A6%93%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%BE
তাকওয়া
যাদের অন্তরে ব্যাধি রয়েছে তারা মুত্তাকী নারীদের ওপর লোভ করার সুযোগ ও সাহস পায় না [সূরা ‎আহযাব: (৩২)]‎
0.5
1,540.020348
20231101.bn_370116_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
জ্ঞানতত্ত্ব
সাম্প্রতিক সময়ে কিছু জ্ঞানতাত্ত্বিক, যেমন- সোসা (Sosa), গ্রেকো (Greco), ভানভিগ (Kvanvig), জাগজেবস্কি (Zagzebski) ও ডান্কান প্রিটচার্ড (Duncan Pritchard) যুক্তি দেন যে, জ্ঞানতত্ত্ব কেবল প্রস্তাবনা বা প্রস্তাবিত-মানসিক দৃষ্টিভঙ্গির বিষয়-আশয় নয়, জনগণের ‌‘বিষয়-আশয়’ (properties), বিশেষ করে বুদ্ধিবৃত্তিক মূল্যের (intellectual virtues) মূল্যায়ন করবে।
0.5
1,527.248856
20231101.bn_370116_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
জ্ঞানতত্ত্ব
বিশ্বাস বলতে সাধারণত যেকোনো বুদ্ধিগম্য বিষয়কে সত্য হিসেবে গ্রহণকে বোঝায় । সাধারণ কথায়, বিশ্বাসের বিবৃতি (statement of belief) হলো বৈশিষ্ট্যগতভাবে কোনো সত্ত্বার অন্য কোনো শক্তি বা অন্য কোনো সত্ত্বার প্রতি ভক্তি বা আস্থার একটি প্রকাশ । যেখানে এটি এ জাতীয় বিশ্বাসকে নির্দেশ করে, সেখানে জ্ঞানবিদ্যা বা জ্ঞানতত্ত্ব কেবল এ-অর্থে নয়, ব্যাপক অর্থে শব্দটি গ্রহণ করে ।
0.5
1,527.248856
20231101.bn_370116_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
জ্ঞানতত্ত্ব
যদি কারো বিশ্বাস সত্য হয়, তবে তার বিশ্বাসের পক্ষে এটি যথেষ্ট নয়। অন্য কথায়, যদি কোনোকিছু প্রকৃতভাবে জানা যায়, তবে তা নিশ্চিতভাবে মিথ্যা হতে পারে না। উদাহরণ স্বরূপ, যদি কেউ বিশ্বাস করে যে, একটি ব্রিজ তার পারাপারের জন্য যথেষ্ট নিরাপদ, কিন্তু এটি অতিক্রম করার সময় দেখা যায়-এটি ভেঙে পড়লো, তখন এটা বলা যায় যে, ব্রিজটির নিরাপদ থাকার যে ‘বিশ্বাস’ তার ছিল তা ভুল ছিল। এ-বিশ্বাসকে ‘সঠিক’ বলা যাবে না এই জন্যে যে, ব্রিজটির নিরাপদ থাকার যে-ব্যাপারটি সে ‘জেনেছিল’, তা স্পষ্টভাবে ছিল না। ভিন্নভাবে বললে, যদি ব্রিজটি সঠিকভাবে তার ওজনকে সমর্থন করতো, তবে সে বলতে পারতো- সে বিশ্বাস করেছিলো যে ব্রিজটি নিরাপদ ছিল এবং এখন এটি প্রমাণ করার পর (অতিক্রম করার পর) সে ‘জানে’ ব্রিজটি নিরাপদ।
0.5
1,527.248856
20231101.bn_370116_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
জ্ঞানতত্ত্ব
জ্ঞানতাত্ত্বিক বা জ্ঞানবিদ্যকরা বিশ্বাসকে সঠিক সত্যের বাহক (truth-bearer) বলেও যুক্তি দিয়েছেন। জ্ঞানকে কেউ কেউ খানিকটা যাচাইকৃত সত্য বিবৃতির পদ্ধতি, আবার কেউ কেউ যাচাইকৃত সত্য বাক্যের পদ্ধতি হিসেবে বর্ণনা করতেন। প্লাতো তার গর্জিয়াসে (Gorgias) যুক্তি দেন যে, বিশ্বাস হচ্ছে অতি সাধারণভাবে প্রলুব্ধকারী সত্য-বাহক।
0.5
1,527.248856
20231101.bn_370116_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
জ্ঞানতত্ত্ব
প্লেটোর অনেক ডায়ালগে, যেমন মেনো (Meno) এবং বিশেষ করে থিয়েটেটাস (Theaetetus)-এ, সক্রেটিস ‘জ্ঞান কি’ সংক্রান্ত কিছু মত বিবেচনা করেছেন, এবং শেষে এসে বলেছেন, জ্ঞান হচ্ছে সত্য বিশ্বাস যা কিছু উপায়ে পরীক্ষিত অথবা স্থিরিকৃত অর্থের (meaning) একটা হিসাব (given an account of)। জ্ঞান হচ্ছে যাচাইকৃত সত্য বিশ্বাস (justified true belief) - এই তত্ত্ব অনুসারে, প্রদত্ত বচন (proposition) সত্য, কিন্তু এই প্রাসঙ্গিক সত্য বচনকে কেবল বিশ্বাস করা হবে না, একে বিশ্বাস করার মতো ভালো যুক্তিও থাকতে হবে। এর একটি নিহিতার্থ এই যে, কোনো ব্যক্তি যেটা সত্য হিসেবে ঘটবে তা বিশ্বাস করা দ্বারা কেবল জ্ঞান অর্জন করতে পারে না। উদাহরণ স্বরূপ, একজন রোগা লোক, যার কোন ডাক্তারি প্রশিক্ষণ নেই কিন্তু সাধারণভাবে একটি আশাবাদী দৃষ্টিভঙ্গি আছে, বিশ্বাস করতে পারে যে, সে দ্রুত আরোগ্য লাভ করবে। তার এই বিশ্বাস যদি সত্যে পরিণত হয়, তবু বলা যাবে না- রোগী নিশ্চিত করে ‘জানতো’ সে সুস্থ হবে। কেননা এটি ছিলো রোগীর যাচাইশূন্য বিশ্বাস (belief lacked justification)।
1
1,527.248856
20231101.bn_370116_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
জ্ঞানতত্ত্ব
‘যাচাইকৃত সত্য বিশ্বাস’- জ্ঞানের এই সংজ্ঞা ১৯৬০ সাল পর্যন্ত ব্যাপকভাবে গৃহীত ছিল না। এই সময়ে, মার্কিন দার্শনিক এডমুন্ড গেটিয়ারের একটি থিসিস পেপার জ্ঞানবিদ্যক এ-বিষয়কে ব্যাপক আলোচনার সম্মুখীন করেন।
0.5
1,527.248856
20231101.bn_370116_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
জ্ঞানতত্ত্ব
এডমুন্ড গেটিয়ার 'Is Justified True Belief Knowledge?' নামক সংক্ষিপ্ত থিসিস পেপারের (‌১৯৬৩ সালে প্রকাশিত) জন্য অতি পরিচিত। এ পেপারে তিনি হাজার হাজার বছর ধরে দার্শনিকদের নেতৃত্ব দেওয়া জ্ঞানতত্ত্বের সত্যতা সম্পর্কে সংশয় প্রকাশ করেছেন। কিছু পৃষ্ঠায় তিনি যুক্তি দেন যে, কিছু পরিস্থিতি রয়েছে, যেগুলোতে একজনের বিশ্বাস যাচাইকৃত বা সত্য হতে পারে, যদিও তাকে জ্ঞান হিসেবে গণ্য করা অসফলতাপূর্ণ। অর্থাৎ, গেটিয়ার বলছেন, সত্য বচনে যাচাইকৃত বিশ্বাসটি জ্ঞেয় বচনের জন্য অত্যাবশ্যক- এটা যথেষ্ট নয়। যেহেতু, ছকে, একটি সত্য বচন একজন ব্যক্তি (বেগুনি অঞ্চল) দ্বারা বিশ্বসিত হতে পারে, কিন্তু এটি জ্ঞান-শ্রেণিতে (হলুদ অঞ্চল) পড়তে পারে না।
0.5
1,527.248856
20231101.bn_370116_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
জ্ঞানতত্ত্ব
গেটিয়ার অনুসারে, কিছু অবস্থা রয়েছে, যেখানে একজন লোক জ্ঞান পায় না, এমনকি উপরোল্লিখিত সকল অবস্থার উপস্থিতি থাকলেও জ্ঞান পাওয়া যায় না। গেটিয়ার দুটো চিন্তন-পরীক্ষণের (thought experiments) প্রস্তাব দিয়েছেন, যেগুলো ‘গেটিয়ার মামলা’ (Gettier cases) বা জ্ঞানের ধ্রপদী ব্যাখ্যার প্রতি বিরুদ্ধ-উদাহরণ হিসেবে পরিচিত। প্রথম মামলায় স্মিথ ও জোনস নামক দুইজন মানুষকে যুক্ত রাখা হয়, যারা একই চাকরির জন্য তাদের আবেদনের ফলাফল আশা করছে। প্রত্যেকের পকেটে দশটি মুদ্রা রয়েছে। স্মিথের বিশ্বাস করার চমৎকার যুক্তি রয়েছে যে, জোনস চাকরিটি পাবে, এবং আরও জানে যে, জোনসের পকেটে দশটি মুদ্রা রয়েছে (সম্প্রতি সে সেগুলো গুনে দেখেছে)। এই থেকে স্মিথ অনুমান করে, “যে লোক চাকরিটি পাবে, তার পকেটে দশটি মুদ্রা রয়েছে”। যদিও স্মিথ অজ্ঞাত যে, তার নিজের পকেটেও দশটি মুদ্রা রয়েছে এবং জোনস নয় তিনিই চাকরিটি পেতে যাচ্ছেন। জোনস চাকরিটি পাবে– বিশ্বাস করার পক্ষে যেহেতু স্মিথের শক্ত প্রমাণ রয়েছে, সেহেতু সে ভুল করেছে। স্মিথের যাচাইকৃত সত্য বিশ্বাস রয়েছে যে, যে লোকের পকেটে দশটি মুদ্রা থাকবে সে চাকরিটি পাবে, কিন্তু গেটিয়ার অনুসারে- স্মিথ ‘জানে’ না যে, যে লোকের পকেটে দশটি মুদ্রা থাকবে সে চাকরিটি পাবে, কারণ স্মিথের বিশ্বাস “...সত্য নির্দিষ্ট পরিমাণ মুদ্রা জোনসের পকেটে থাকার কারণে, যেখানে স্মিথ জানে না তার পকেটে কি পরিমাণ মুদ্রা রয়েছে, এবং নির্ভর করেছে জোনসের পকেটে মুদ্রার একটা হিসাব রয়েছে- এই বিশ্বাসের উপর। সে মিথ্যাপূর্ণভাবে লোকটি চাকরি পাবে বলে বিশ্বাস করেছে” (দেখুন p. 122.) । এই মামলাগুলো জ্ঞান হতে অসমর্থ হয়েছে, কারণ কর্তার বিশ্বাস যাচাইকৃত, কিন্তু কেবলমাত্র ভাগ্যের বলে সত্য হয়েছে। অন্য কথায়, ভুল যুক্তির জন্য সে সঠিক পছন্দ করেছে। এই উদাহরণ বিশ্বাস ও সত্যতা আলোচনা করার সময় প্রায়ই দেওয়া হয় এমন কিছুর সমরূপ, যেখানে প্রকৃত জ্ঞান প্রাপ্তি ছাড়া যা ঘটবে বা আকস্মিকভাবে সঠিক হতে পারে-এমন ধারণার ভিত্তি করে কোনো ব্যক্তির নির্মিত বিশ্বাস রয়েছে।
0.5
1,527.248856
20231101.bn_370116_12
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9C%E0%A7%8D%E0%A6%9E%E0%A6%BE%E0%A6%A8%E0%A6%A4%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%AC
জ্ঞানতত্ত্ব
লন্ডন দর্শনশাস্ত্র অধ্যয়ন সহায়িকা জ্ঞানতত্ত্ এবং প্রণালীবিদ্যা বিষয়ের সাথে শিক্ষার্থীদের ঘনিষ্ঠতার উপর নির্ভর করে প্রযোজনীয় পাঠ্য সম্পর্কে পরামর্শ প্রস্তাব করে।
0.5
1,527.248856
20231101.bn_35838_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF
দ্রুতি
কোনো বস্তু একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, সাধারণভাবে তাকে দ্রুতি (speed) বলে। প্রকৃতপক্ষে একটি বস্তুর বেগের মানই হচ্ছে তার দ্রুতির পরিমাপ। অন্য কথায়: একটি বস্তু একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে, তাকেই দ্রুতি বলা যেতে পারে। ক্যালকুলাস অনুযায়ী, দ্রুতি হলো সময়ের সাথে দূরত্বের পরিবর্তনের হার।
0.5
1,524.612697
20231101.bn_35838_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF
দ্রুতি
দ্রুতি একটি স্কেলার রাশি; অর্থাৎ এর কোনো দিক নেই। কারণ দূরত্বেরও কোনো দিক নেই, দিক আছে সরণের। দ্রুতির ভেক্টর রাশি হচ্ছে বেগ। দ্রুতির মাত্রা হচ্ছে এবং একক হচ্ছে । দূরত্বকে d এবং সময়কে t দ্বারা প্রকাশ করলে দ্রুতির রাশিমালা দাড়ায়:
0.5
1,524.612697
20231101.bn_35838_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF
দ্রুতি
রৈখিক গতির ক্ষেত্রে দ্রুতির পরিমাপ সাধারণভাবেই করা যায়। তবে যে বস্তুগুলোর গতি দ্বিমাত্রিক (যেমন: বিমান), তাদের দ্রুতির দুইটি উপাংশ পাওয়া যায়। এর একটির নাম সম্মুখ দ্রুতি এবং অন্যটি ঊর্ধ্ব দ্রুতি।
0.5
1,524.612697
20231101.bn_35838_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF
দ্রুতি
বিভিন্ন যানবাহনে দ্রুতি পরিমাপ করার জন্য এগুলোর সাথে সাধারণত স্পিডোমিটার যুক্ত থাকে, যা দিয়ে দক্ষতার সাথে দ্রুতি পরিমাপ করা সম্ভব।
0.5
1,524.612697
20231101.bn_35838_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF
দ্রুতি
যে সকল ভৌত ধর্মগুলোর দিক দিয়ে চিন্তা করলে দ্রুতি দ্বারা মূলত তাৎক্ষণিক দ্রুতি বোঝায়। কিন্তু বাস্তব পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় গড় দ্রুতি ( দ্বারা চিহ্নিত করা হয়) শব্দটি। নির্দিষ্ট সময় অতিক্রান্ত দূরত্বকে উক্ত সময় দ্বারা ভাগ করলে গড় দ্রুতি পাওয়া যায়। যেমন: কেউ যদি ২ ঘণ্টায় ৬০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে, তবে তার গড় দ্রুতি হবে, ৬০/২ = ৩০ কিমি/ঘণ্টা। কিন্তু তার তাৎক্ষণিক দ্রুতি সময়ের সাথে দ্রুত পরিবর্তিত হয় এবং এ থেকে অনেক কম বেশিও হতে পারে, আবার শূন্যও হতে পারে।
1
1,524.612697
20231101.bn_35838_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF
দ্রুতি
পরিমাণ সময়ের ব্যবধানে যে তাৎক্ষণিক দ্রুতি পাওয়া যায় তাকে সময়ের ফাংশন হিসেবে নিম্নোক্তভাবে প্রকাশ করা হয়:
0.5
1,524.612697
20231101.bn_35838_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF
দ্রুতি
অনেক সময় ধারণা করা হয়, অর্ধেক দূরত্ব পরিমাণ দ্রুতিতে এবং বাকি অর্ধেক দূরত্ব দ্রুতিতে অতিক্রম করলে মোট গড় দ্রুতি হবে । কিন্তু এটি ভুল ধারণা। প্রকৃতপক্ষে গড় দ্রুতির সমীকরণটি হবে এরকম:
0.5
1,524.612697
20231101.bn_35838_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF
দ্রুতি
এছাড়া দ্রুতির বণ্টন ফাংশন থেকেও গড় দ্রুতি পরিমাপ করা যেতে পারে। এই ফাংশন দূরত্ব বা সময় যেকোনটিরই হতে পারে:
0.5
1,524.612697
20231101.bn_35838_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A6%BF
দ্রুতি
পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র: একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (২০১৯)- গোলাম হোসেন প্রামাণিক ও দেওয়ান নাসির উদ্দিন; অক্ষরপত্র প্রকাশনী, ঢাকা
0.5
1,524.612697
20231101.bn_58535_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%87
বই
বইয়ের সমার্থক শব্দ গ্রন্থ, কিতাব, পুস্তক। বই প্রকাশের পূর্বে প্রকাশনার অনুমতি (সরকারি) নিয়ম,সত্ত্বাধিকার, গঠনমূলক রীতি ও নীতিমালা মেনে বই প্রকাশ হয়।
0.5
1,523.788719
20231101.bn_58535_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%87
বই
মানুষ জ্ঞান পিপাসু, ছাপাখানার বইয়ের সহজলভ্যতা ও সল্প মূল্যের কারনে সকল প্রকারের তত্ত্ব ও তথ্যের জ্ঞান অর্জন, ব্যবহার, ভবিষ্যতের জন্য সংরক্ষণ সহজ, যা বইয়ের মাধ্যমেই কেবল সম্ভব।
0.5
1,523.788719
20231101.bn_58535_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%87
বই
ই-বুক বা পিডিএফ নামে বইয়ের এক ধরনের (সফট কপি) ফাইল আছে, যা কম্পিউটার, ট্যাবলেট কম্পিউটার ইত্যাদি ব্যবহার করে পড়তে হয় এবং সহজে বহনযোগ্য। বই জ্ঞানার্জনের প্রধানতম মাধ্যম।
0.5
1,523.788719
20231101.bn_58535_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%87
বই
বই মানবজীবনের একটি অতি মূল্যবান সম্পদ যা থেকে জ্ঞান অর্জন করা যায়। মানুষের জীবনে অনেক কিছু জানার আছে শেখার আছে যা বাস্তব জীবনে এই বই পড়ে শিখতে পারে।
0.5
1,523.788719
20231101.bn_58535_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%87
বই
বাংলায় বই শব্দটি আরবি শব্দ 'বহি' থেকে এসেছে। ইংরেজি ভাষায় এর নাম 'book'। এ শব্দটি প্রাচীন ইংরেজি ভাষা থেকে এসেছে যা উদ্ভূত হয়েছে আদি জার্মানিক মূল *bōk-থেকে।
1
1,523.788719
20231101.bn_58535_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%87
বই
প্রাচীন সভ্যতায় যখন লেখার পদ্ধতি তৈরি করা হয়, তখন লেখার জন্য পাথর, কাদামাটি, গাছের ছাল, ধাতুর পাত এবং হাড়ের মতো বিভিন্ন বস্তু ব্যবহার করা হয়েছিল; এগুলো এপিগ্রাফিতে অধ্যয়ন করা হয়।
0.5
1,523.788719
20231101.bn_58535_9
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%87
বই
ট্যাবলেট বা ফলক প্রাকৃতিকভাবে শক্তিশালী একটি লিখন মাধ্যম যা সাময়িক পরিবহন এবং লেখার উপযোগী। কাদামাটির ট্যাবলেটগুলো চ্যাপ্টা এবং বেশিরভাগই শুকনো মাটির টুকরো যা সহজেই বহন করা যায়। এর উপর স্টাইলাস দিয়ে লেখা হতো। এগুলো একটি লিখন মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছিল, বিশেষত ব্রোঞ্জ এবং লৌহ যুগে কিউনিফর্মে লেখার জন্য। মোমের ট্যাবলেটগুলো ছিল যথেষ্ট পুরু মোমের আবরণে আচ্ছাদিত কাঠের টুকরো যা লেখার ছাপ রেকর্ড করার জন্য যথেষ্ট। এগুলোকে সাধারণত স্কুলে লেখা, হিসাবরক্ষণ এবং নোট নেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হতো। মোম গলিয়ে এটিকে পুনরায় ব্যবহারযোগ্য ট্যাবলেটে রুপান্তর করা যেত।
0.5
1,523.788719
20231101.bn_58535_10
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%87
বই
একাধিক মোমের ট্যাবলেট একত্রে বাঁধার প্রথা (রোমান পুগিলারেস) সম্ভবত আধুনিক বাঁধাই করা বইয়ের (কোডেক্স) সম্ভাব্য অগ্রদূত। কোডেক্স (কাঠের ব্লক) শব্দের ব্যুৎপত্তিও ইঙ্গিত করে যে হয়তো এটি কাঠ-মোমের ট্যাবলেট থেকে তৈরি হয়েছিল
0.5
1,523.788719
20231101.bn_58535_11
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AC%E0%A6%87
বই
স্ক্রল প্যাপিরাস থেকে তৈরি করা যায়। এটি একটি পুরু কাগজের মতো উপাদান যা প্যাপিরাস গাছের ডালপালা বুনে তৈরি করা হয়। তারপর বোনা শীটটিকে একটি হাতুড়ির মতো টুল দিয়ে চ্যাপ্টা না হওয়া পর্যন্ত মাড়াই করা হয়। প্রাচীন মিশরে সম্ভবত প্রথম রাজবংশের সময়কালেই লেখার জন্য প্যাপিরাস ব্যবহার করা হতো। যদিও প্রথম প্রমাণ মিশরের পঞ্চম রাজবংশের রাজা নেফেরিকারে কাকাইয়ের হিসাবের বই থেকে পাওয়া যায় (প্রায় ২৪০০ খ্রিস্টপূর্ব)। প্যাপিরাস শীটগুলো একসাথে আঠালো করে জোড়া দিয়ে স্ক্রল তৈরি করা হয়েছিল। পাশাপাশি গাছের বাকল এবং অন্যান্য উপকরণও ব্যবহার করা হত।
0.5
1,523.788719
20231101.bn_377968_0
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF
দেওবন্দি
দেওবন্দি (পশতু এবং , , , ) হল সুন্নি ইসলাম কেন্দ্রিক একটি পুনর্জাগরণবাদী আন্দোলন। এর কেন্দ্র প্রাথমিকভাবে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ। বর্তমানে যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকাতেও এর বিস্তার ঘটেছে। নামটি ভারতের দেওবন্দ নামক স্থান থেকে এসেছে। এখানে দারুল উলুম দেওবন্দ নামক মাদ্রাসা অবস্থিত। এই আন্দোলন পণ্ডিত শাহ ওয়ালিউল্লাহ (১৭০৩-১৭৬২) দ্বারা অনুপ্রাণিত। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ব্যর্থ সিপাহী বিদ্রোহের এক দশক পর ১৮৬৬ সালের ৩০ মে দারুল উলুম দেওবন্দ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এই আন্দোলনের সূচনা হয়।
0.5
1,520.914815
20231101.bn_377968_1
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF
দেওবন্দি
দেওবন্দি পরিচয়ের সংজ্ঞা দিতে গিয়ে তাকি উসমানি বলেন, "এ চিন্তাধারার সাথে সম্পৃক্ত আলেমরা নিজেদের আকিদা-বিশ্বাস ও কাজকর্মে কুরআন মাজিদ ও সুন্নাতে নববী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর ওই ভারসাম্যমান ও মধ্যপন্থী ব্যাখ্যার উপর প্রতিষ্ঠিত, যা চৌদ্দশ বছর যাবত এ উম্মতের মধ্যে প্রজন্ম পরম্পরায় চলে আসছে।"
0.5
1,520.914815
20231101.bn_377968_2
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF
দেওবন্দি
তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে মাতুরীদী পণ্ডিত নাজমুদ্দিন উমর আল-নাসাফির লেখা আকীদা বিষয়ক রচনা সংক্ষিপ্তাকারে পাঠদান করা হয়।
0.5
1,520.914815
20231101.bn_377968_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF
দেওবন্দি
দেওবন্দিরা তাকলিদ নামক মতাদর্শের দৃঢ় সমর্থক। অন্যভাবে বলতে গেলে, তারা বিশ্বাস করে যে, একজন দেওবন্দিকে অবশ্যই চারটি সুন্নি ফিকহি মাজহাবের যে কোন একটিতে বিশ্বাস করতে হবে এবং তারা সাধারণত একাধিক মাজহাবের মধ্যস্থ উদার সম্পর্কের বিকাশকে নিরুৎসাহিত করে। তারা নিজেদেরকে হানাফি মাজহাবের অনুসারী বলে ঘোষণা করে। দেওবন্দি আন্দোলনের সাথে সম্পর্কযুক্ত মাদ্রাসার ছাত্ররা সাধারণত হানাফি ফিকহের প্রাচীন গ্রন্থগুলো পড়ে থাকে, যেমন নুর আল-ইদাহ, মুখতাসার আল-কুদুরি, শারহ আল-উইকায়াহ, আর কানজ আল-দাকাইক্ব, তাদের মাজহাব অধ্যয়নের পরিনতি ও সমাপ্তি ঘটে হিদায়াহ ও আল-মারঘিয়ানি নামক গ্রন্থ পাঠের মাধ্যমে।
0.5
1,520.914815
20231101.bn_377968_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF
দেওবন্দি
তাকলিদের দৃষ্টিভঙ্গির ক্ষেত্রে, তাদের অন্যতম প্রধান বিরোধী সংস্কারক দল হল আহলে হাদীস, যারা গাইরে মুকাল্লিদ বা লামাজহাবী নামেও পরিচিত, কারণ তারা সরাসরি কুরআন ও হাদীস অনুসরণের ফলে তাকলিদকে পরিহার করে। তারা প্রায়শই তাদেরকে দোষারোপ করে যারা অন্ধ অনুকরণের ফিকহ বা আলেমের নীতির অনুসরণ করে, এবং ঘনঘন প্রত্যেক আলাপ আলোচনা ও আইনগত সিদ্ধান্তে ধর্মগ্রন্থের উদ্ধৃতি দাবি করে। আন্দোলনের প্রায় শুরু থেকেই, দেওবন্দি আলেমরা সাধারণভাবে নিজেদের মাজহাব বিষয়ক অবস্থানকে নিরাপদ রাখার প্রয়াসে বিপুল পরিমাণে ইলমি উপাদান তৈরি করছে। আরও সুস্পষ্টভাবে বলা হলে, দেওবন্দিগণ তাদের এই দাবির সপক্ষে যথেষ্ট পরিমাণ রচনার অবতারণা করেছে যে, হানাফি মাজহাবে কুরআন ও হাদিসের সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
1
1,520.914815
20231101.bn_377968_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF
দেওবন্দি
মূল ধর্মগ্রন্থ কুরআন ও হাদিসের আলোকে তাদের মাজহাবকে প্রমাণ করার জন্য, দেওবন্দিগণ তাদের মাদ্রাসাগুলোতে হাদিস অধ্যয়নের প্রতি অভূতপূর্ব গুরুত্ব প্রদানের জন্য বিশেষভাবে পরিচিতি লাভ করেছে। তাদের মাদ্রাসার পাঠ্যক্রম ইসলামি পাণ্ডিত্যের বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে একটি অনন্য বৈশিষ্ট্যের সমন্বয় ঘটিয়েছে, তা হল দাওরায়ে হাদিস, একজন ছাত্রের উন্নত মাদ্রাসা প্রশিক্ষণের একটি পৃথক বর্ষ, যাতে সুন্নি হাদিসের সকল সংকলন (সিহাহ সিত্তাহ) পর্যালোচিত হয়। দেওবন্দি মাদ্রাসাগুলোতে, শায়খুল হাদিসের অথবা সহিহ বুখারির অধিষ্ঠিত অধ্যাপকের পদবিকে বিশেষ মর্যাদার সঙ্গে গণ্য করা হয়।
0.5
1,520.914815
20231101.bn_377968_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF
দেওবন্দি
দারুল উলুম দেওবন্দের শতবার্ষিকী সম্মেলনে আবুল হাসান আলী হাসানী নদভী দেওবন্দ ও দেওবন্দিয়াতের পরিচয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "এই প্রতিষ্ঠানটির সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এটি তার দৃষ্টিকে বিরোধপূর্ণ বিষয়াদির পরিবর্তে তাওহীদ ও সুন্নাতের ওপর নিবদ্ধ রেখেছে। দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্য হলো সুন্নতের অনুসরণের স্পৃহা ও ভাবনা। তৃতীয় বৈশিষ্ট্য আল্লাহর সঙ্গে সম্পর্কের ভাবনা, সব সময় আল্লাহকে স্মরণে রাখা এবং ঈমান ও নিজের আমলের হিসাবের জযবা। চতুর্থ উপাদানটি হলো আল্লাহর বাণীকে সমুন্নত করার চেতনা প্রচেষ্টা ও দ্বীনি মর্যাদাবোধ। এই চার উপাদানের সমন্বয়ে একজন মানুষ দেওবন্দী হয়। কারও মাঝে যদি এর একটি উপাদান কম পাওয়া যায়, তা হলে তাও দেওবন্দিয়াত অসম্পূর্ণ। এটিই হলো দারুল উলূম দেওবন্দের প্রতীক।"
0.5
1,520.914815
20231101.bn_377968_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF
দেওবন্দি
দেওবন্দিদের অধীনে বাংলাদেশে দুইটি বড় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার টঙ্গীর তুরাগ নদীর তীরে বিশ্ব ইজতেমা নামে দাওয়াতে তাবলীগ জামাতের একটি ইসলামি মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। মধ্যেপ্রাচ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশ থেকে হাজার হাজার মানুষ এ সম্মেলনে যোগদান করে। আরেকটি মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় বরিশালের চরমোনাই ইউনিয়নে।
0.5
1,520.914815
20231101.bn_377968_8
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%93%E0%A6%AC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A6%BF
দেওবন্দি
Some aspects of the development of traditional education in Islamic institution during the 20th century
0.5
1,520.914815
20231101.bn_84061_3
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE
চীনাবাদাম
১. হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে: বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে বাদামে উপস্থিত ফসফরাস শরীরে প্রবেশ করার পর এমন কিছু কাজ করে যার প্রভাবে হাড়ের ক্ষমতা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। তাই তো প্রতিদিন এক বাটি করে বাদাম খাওয়া শুরু করলে জীবনে কোনও দিন কোনও হাড়ের রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে না।
0.5
1,518.355305
20231101.bn_84061_4
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE
চীনাবাদাম
২. ব্রেন পাওয়ার বৃদ্ধি পায়: আমেরিকার অ্যান্ড্রস ইউনিভার্সিটির গবেষকদের করা এক পরীক্ষায় দেখা গেছে বাদামে এমন কিছু উপাদান রয়েছে, যা কগনিটিভ পাওয়া, সহজ কথায় বললে মস্তিষ্কের ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই তো পরীক্ষার আগে ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ম করে বাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে।
0.5
1,518.355305
20231101.bn_84061_5
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE
চীনাবাদাম
৩. ক্যান্সারের মতো রোগ দূরে থাকে: বাদামে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে নানাবিধ সংক্রমণকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আরও নানা উপকারে লেগে থাকে। যেমন, অ্যাক্সিডেটিভ ট্রেস কমিয়ে কোষেদের ক্ষত রোধ করে, সেই সঙ্গে ত্বকের এবং শরীরের বয়স কমাতেও সাহায্য করে থাকে।
0.5
1,518.355305
20231101.bn_84061_6
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE
চীনাবাদাম
৪. পুষ্টির ঘাটতি দূর হয়: মধ্যপ্রাচ্য থেকে এসে এদেশে ঝাঁকিয়ে বাসা এই প্রকৃতিক উপাদনটির শরীরে রয়েছে প্রায় ৩.৫ গ্রাম ফাইবার, ৬ গ্রাম প্রোটিন, ১৪ গ্রাম ফ্যাট সহ ভিটামিন ই, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন বি২, ফসফরাস এবং ম্যাগনেসিয়াম। এই সবকটি উপাদানই শরীরকে সুস্থ রাখতে বিশেষ প্রয়োজনে লাগে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে তো একাধিক ক্রনিক রোগকে দূরে রাখতেও এই উপাদানগুলি সাহায্য করে। প্রসঙ্গত, এক মুঠো বাদাম খেলে শরীরে মাত্র ১৬১ ক্যালরি প্রবেশ করে। ফলে এই খাবারটি খেলে ওজন বেড়ে যাওয়ার কোনও ভয় থাকে না।
0.5
1,518.355305
20231101.bn_84061_7
https://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%9A%E0%A7%80%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%AE
চীনাবাদাম
৫. রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়: এটি হল এমন একটি উপাদান যা ক্যান্সার রোগকে প্রতিরোধ করার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার উন্নতি ঘটানোর মধ্যে দিয়ে নানাবিধ সংক্রমণকে দূরে রাখতেও বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এখানেই শেষ নয়, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আরও নানা উপকারে লেগে থাকে। যেমন, অ্যাক্সিডেটিভ ট্রেস কমিয়ে কোষেদের ক্ষত রোধ করে, সেই সঙ্গে ত্বকের এবং শরীরের বয়স কমাতেও সাহায্য করে থাকে।
1
1,518.355305